ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিরাপত্তা শঙ্কায় সামরিক শক্তি বাড়ানোর পথে পোল্যান্ড


নিরাপত্তা শঙ্কায় সামরিক শক্তি বাড়ানোর পথে পোল্যান্ড

ইউরোপের বিভিন্ন স্থানে অব্যাহত নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখা দেওয়ার প্রেক্ষাপটে পোল্যান্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে তারা তাদের সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে। নিজেদের সামরিক বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটি।

টিভিপি ওয়ার্ল্ড থেকে উল্লিখিত সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে পোল্যান্ডের সামরিক বাহিনী মোট ২ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি সক্রিয় সদস্য নিয়ে গঠিত। এর মাঝে ১ লাখ ৫৬ হাজার সদস্য পেশাদার সেনা হিসেবে রয়েছে এবং ৪০ হাজার সদস্য ‘টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ফোর্সেস’ বা আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত।

প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে যে, পোল্যান্ড ২০৩৯ সালের মধ্যে একটি ৫ লাখ সদস্যের সামরিক বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই নতুন বাহিনীর কাঠামোতে থাকবে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার সক্রিয় সেনা, ৫০ হাজার আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য এবং ২ লাখ রিজার্ভ বা সংরক্ষিত বাহিনীর সদস্য থাকবে।

আরও পড়ুন: লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, আতঙ্কে প্রবাসীরা

নিয়োগ ও সামরিক প্রশিক্ষণের কার্যক্রম জোরদার হওয়ার কারণে বছরের শুরু থেকে বর্তমানে পর্যন্ত সক্রিয় সেনাসদস্যের সংখ্যা ৫ হাজারেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় সামরিক শিক্ষার কার্যক্রম এবং সাধারণ নাগরিকদের জন্য একদিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া, সরকার দেশের মধ্যে ‘অলওয়েজ রেডি’ বা 'সর্বদা প্রস্তুত' কর্মসূচির মাধ্যমে নাগরিকদের প্রস্তুতি বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। এই কর্মসূচিটি ২০২৫ সালের শেষে চালু হয় এবং ২০২৬ সালে এর প্রসারিত করা হয়। এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক চিকিৎসা, টিকে থাকার কৌশল (সারভাইভাল স্কিলস), জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া প্রদান এবং সাইবার নিরাপত্তার বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণের সুযোগ প্রদান করা হয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

আরও পড়ুন: ভিয়েতনামের সঙ্গে ইউরোপের চার দেশের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমর্থনে ঢাবিতে ছাত্রদলের শোভাযাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


তারেক রহমানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমর্থনে ঢাবিতে ছাত্রদলের শোভাযাত্রা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধির খবরে জানা গেছে যে, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উন্নয়ন ভাবনা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সমর্থন জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছে ছাত্রদল।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন ও ভিসি চত্বর প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় প্রায় ৮০০ নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে। এই কর্মসূচিতে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বার্তা সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করা হয়েছে।

আয়োজকরা এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হিসেবে জানান, সরকারের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সম্পর্কে সাধারণ শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা।

সমাবেশে মো. তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ, আত্মমর্যাদাশীল এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, উন্নয়ন শুধু বড় অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কৃষকের জীবনমানের উন্নয়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করাও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

কৃষিকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, পল্লী উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল পুনঃখনন এবং নারী ও যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধির মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

সমাবেশে তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, আমরা একটি এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে কোনো মা তার সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকবেন না, কোনো তরুণ কর্মসংস্থানের আশায় হতাশ হবেন না এবং কোনো কৃষক তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন না।

উন্নয়নের সুফল প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের ঘরে পৌঁছে দিতে তরুণ সমাজকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান ছাত্রদলের এই নেতা। তিনি বলেন, বিভেদ ভুলে আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর বাংলাদেশ, একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ এবং একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।

ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচি শেষে আয়োজকরা জানান, দেশের উন্নয়ন, তরুণদের সম্ভাবনা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম নিয়ে ভবিষ্যতেও এই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজয়নগরে চুরি বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে ভাঙারি ব্যবসা? নজরদারি বাড়ানোর দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


বিজয়নগরে চুরি বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে ভাঙারি ব্যবসা? নজরদারি বাড়ানোর দাবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে চুরির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে ভাঙারি ব্যবসার একটি অংশের ভূমিকা থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত ভাঙারি দোকানগুলোতে চুরি করা মালামাল বিক্রি হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত এবং সঠিকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময় বৈদ্যুতিক তার, লোহার সামগ্রী, ব্যাটারি, আইপিএস, কৃষি সরঞ্জাম, মোটর, নির্মাণসামগ্রী, এসি, মসজিদের মাইক ও অন্যান্য সামগ্রী চুরি হচ্ছে। তারা মনে করছেন, এসব মালামাল দ্রুত ভাঙারি দোকানে বিক্রি হয়ে গেলে চুরি যাওয়া জিনিসপত্র চিহ্নিত ও উদ্ধার করাটাও কঠিন হয়ে পড়ছে।

সচেতন বাসিন্দারা আরও অভিযোগ করেছেন, কিছু ভাঙারি দোকানে মালামাল কেনার সময় বিক্রেতার পরিচয় ও মালামালের উৎস যথাযথভাবে যাচাই করা হয় না। তাই তারা দাবি জানিয়েছেন যে, চোরাই মালামাল কেনাবেচার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত। তবে ভাঙারি ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সব ব্যবসায়ী চোরাই মালামাল কেনেন না। যদি কেউ অবৈধভাবে চোরাই মালামাল কেনাবেচা করেন, তাহলে তদন্ত করে প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। নির্দোষ ব্যবসায়ীদের যেন হয়রানি করা না হয়, সেই বিষয়েও তারা গুরুত্ব দিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, ভাঙারি দোকানগুলোতে মালামাল বিক্রির সময় বিক্রেতার পরিচয়, মোবাইল নম্বর ও মালামালের উৎসের তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পাশাপাশি, চুরি যাওয়া মালামালের তথ্য ভাঙারি ব্যবসায়ীদের জানানো এবং সন্দেহজনক মালামাল পাওয়া গেলে তা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর প্রয়োজন রয়েছে।

এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ বলেন, “চুরির মাল কেনা ও বেচা-দুই পক্ষই অপরাধী। সুস্পষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা অভিযান চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রস্তুত। এর বাইরেও দোকানগুলোর ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর রয়েছে।”

স্থানীয়দের মতে, চুরি প্রতিরোধের পাশাপাশি চোরাই মালামাল কেনাবেচার সম্ভাব্য স্থানগুলোতেও নজরদারি বাড়ানো হলে বিজয়নগরে চুরি কমানো সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু-কিশোরদের মোবাইল আসক্তি থেকে বের করে খেলার মাঠে নিয়ে আসতে হবে: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


শিশু-কিশোরদের মোবাইল আসক্তি থেকে বের করে খেলার মাঠে নিয়ে আসতে হবে: অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ : অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের একটি বড় অংশ মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করছে। তাদের মোবাইল আসক্তি থেকে বের করে খেলার মাঠে নিয়ে আসতে হবে। সেইসাথে সংস্কৃতিচর্চার সঙ্গেও তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, খেলাধুলাকে শুধু বিনোদন হিসেবে দেখলে হবে না, এটিকে একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ক্যারিয়ার হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে লাখ লাখ মানুষ সম্পৃক্ত। তাই স্পোর্টস ইকোনমিকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আজ চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত ‘শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শুধু বই পড়ার মধ্য দিয়ে একটি শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতিচর্চা ও কারিগরি শিক্ষার সমন্বয়ের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হবে। সুস্থ ও দক্ষ নাগরিক তৈরিতে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের খেলার মাঠ, খেলোয়াড় এবং ক্রীড়াঙ্গন নানা দিক থেকে পিছিয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে। স্কুল পর্যায় থেকেই শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে। এই স্কুলের ছেলেমেয়েরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতে হবে। কারণ একজন শিক্ষার্থীকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও কারিগরি শিক্ষার সমন্বিত বিকাশ প্রয়োজন।

ক্রীড়া সংগঠকদের উদ্দেশ্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে দলাদলি ও বিভাজন পরিহার করে খেলাধুলার উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। যারা খেলাধুলাকে ভালোবাসেন, তাদের ক্রীড়ার উন্নয়নে এবং যারা সংস্কৃতিকে ভালোবাসেন, তাদের সংস্কৃতির বিকাশে ভূমিকা রাখতে হবে।

‘শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ কমিটির আহ্বায়ক নিয়াজ মোহাম্মদ খাঁনের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব মশিউল আলম স্বপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বিএনপি চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক, শিক্ষক, অভিভাবক এবং দীর্ঘদিন ধরে ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কাজ করে আসা ব্যাক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ‘শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ -এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ পি.এম


রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন জামায়াত আমির

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিয়েছেন। এই চিঠি দিয়ে তিনি দেশে চলমান তীব্র বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট এবং সার্বিক আর্থ-সামাজিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিরসনে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের জন্য অনুরোধ করেছেন।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, রাষ্ট্রপতির বরাবর এ চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। জামায়াতের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চিঠির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সচিবালয়েও পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বর্তমানে দেশে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট বিরাজ করছে। লাগামহীন লোডশেডিংয়ের ফলে সাধারণ মানুষের জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় শিল্প-উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রত্যক্ষ প্রভাব নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি ঘটিয়েছে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে, যা জনগণকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সংকটকালে আমরা নীরব থাকতে পারি না। দেশের এই উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংসদে অর্থবহ আলোচনা ও আশু সমাধান খোঁজা অত্যন্ত জরুরি। তাই, দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির প্রতি অবিলম্বে জাতীয় সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%