মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
০২:৩২ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের নেতাকর্মী ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন।
জুলুসে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ জিয়াউল কামাল জাকারিয়া সাহেবসহ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।
জুলুসটি বিজয়নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা নাতে রাসুল (সা.) পরিবেশন ও বিভিন্ন ধর্মীয় স্লোগানের মাধ্যমে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও আগমন উপলক্ষে আনন্দ ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
পরে মিলাদ, কিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে জশনে জুলুসের সমাপ্তি হয়। মুনাজাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে "বাল্য বিবাহকে না বলি, সঞ্চয়ে ভবিষ্যৎ গড়ি" এবং "করলে সঞ্চয় ২০০ টাকা, সরকার দেবে ৪০০ টাকা" স্লোগানকে সামনে রেখে দরিদ্র মহিলাদের জন্য সমন্বিত পল্লী কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্প (ইরেসপো)-২য় পর্যায়ের আওতায় কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২ টায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি), কাউখালীর উদ্যোগে কেউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কেউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সামসুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ,কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ মাসুম মিয়া।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাউখালী থানার ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, "কিশোরীদের সুশিক্ষিত ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বাল্যবিয়ে একটি বড় বাধা। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে পুলিশ প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এর পাশাপাশি প্রতিটি পরিবার ও সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। আজকের কিশোরীরা সচেতন হলে আগামী দিনে একটি অপরাধমুক্ত ও উন্নত সমাজ গঠন সম্ভব হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কাউখালী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ মাসুম মিয়া জানান, "দরিদ্র মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে এবং কিশোরীদের সামাজিক ও আর্থিক সুরক্ষার লক্ষ্যে ইরেসপো প্রকল্পের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং সচেতনতামূলক শিক্ষার মাধ্যমে এই কিশোরীরা ভবিষ্যতে তাদের পরিবার ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী কিশোরীদের মাঝে প্রশিক্ষণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষকমণ্ডলী ও প্রশিক্ষণার্থী কিশোরীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ মন্তব্য করেছেন যে, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনার বিষয়ে ভারত সরকার সম্ভবত রাজনৈতিকভাবে দায় নিতে ইচ্ছুক নয়, এজন্য তারা জুডিশিয়ারির মাধ্যমে বিষয়টি পরিচালনা করছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এটি শেখ হাসিনার জন্য সুখকর পরিস্থিতি নয়। বাংলাদেশ সরকার তাকেসহ যাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, তাদের প্রত্যাবর্তনের দাবি জানাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি এমন দেশ যেখানে মানুষ ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে জানে। কিছু কিছু ব্যক্তি অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখায়। এই প্রসঙ্গে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে, আমরা এ বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করব। সরকারের সাংস্কৃতিক বিষয়ে বাধা দেওয়ার কোনো মানসিকতা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীনে থাকা সকল সরকারি অফিসের ভবনের ছাদে পর্যায়ক্রমে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত দুটি পৃথক সভায় তিনি এই তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কেন্দ্রীয় পর্যায়ের সীমাবদ্ধতা না রেখে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি অফিসগুলোতেও ধাপে ধাপে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের আওতা সম্প্রসারণ করা হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করে একটি সাশ্রয়ী, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব সরকারি সেবা অবকাঠামোর উদাহরণ স্থাপন করা সম্ভব হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, সোলার প্যানেল স্থাপনের ক্ষেত্রে নেট মিটারিং এবং হাইব্রিড সিস্টেম ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এতে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সন্ধ্যার পরেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদানের বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণে বেসরকারি খাতের কারিগরি দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকেও কাজে লাগানো হবে। এ লক্ষ্যে ওয়ালটন, প্রাণ-আরএফএল এবং গ্রামীণ শক্তির মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সরকারি ব্যয় সাশ্রয় এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং এ কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও অগ্রাধিকারকে সামনে রেখে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ১৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তের পর স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের দুজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগের আওতাধীন সরকারি ভবনগুলোর মধ্যে যেসব ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করা সম্ভব, সেসব স্থান চিহ্নিত করেছে। পাশাপাশি চিহ্নিত ছাদগুলোর মোট ক্ষেত্রফল, সম্ভাব্য ব্যয় এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোও পর্যালোচনা করা হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, সরকারি কার্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গত ১০ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নির্দেশনা জারি করেছে। এর ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতেও সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ, আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ওয়ালটন, প্রাণ-আরএফএল ও গ্রামীণ শক্তির প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলমান সামরিক সংঘাত ও দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অবরোধে বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি যখন প্রায় স্থবির, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও চড়া, ঠিক তখনই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সব পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করে চলেছে ইরানের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি। পশ্চিমা বিশ্ব ও ওয়াশিংটনের একের পর এক অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ ইরানকে ধসিয়ে দেওয়ার বদলে উল্টো এক অবাধ্য ও প্রতিরোধমুখী অর্থনীতিতে রূপ দিয়েছে।
বাহ্যিক দৃষ্টিতে পরিসংখ্যানগুলোকে বেশ ভয়াবহ মনে হতে পারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবে চলতি বছর দেশটির অর্থনীতি ৫ দশমিক ৪ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। খোলাবাজারে প্রতি ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের দর নেমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ লাখে, আর খাদ্যের দামসহ সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছুঁয়েছে আকাশচুম্বী উচ্চতা। কিন্তু এই চরম বিরূপতার মধ্যেও দেশটির প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতি ভেঙে পড়েনি, যা অনেক উন্মুক্ত বাজারভিত্তিক অর্থনীতির ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবেই ঘটত।
বিগত প্রায় দেড় দশক ধরে একের পর এক নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হতে ইরান এমন এক স্বাবলম্বী ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, যা বাইরের ধাক্কা সামলাতে অভ্যস্ত। সাধারণ শান্তিকালীন সময়ে যেসব বিষয়কে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বড় প্রতিবন্ধক ভাবা হয়—যেমন বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্নতা, বিদেশি বিনিয়োগের অভাব ও অভ্যন্তরীণ বাজারে রাষ্ট্রের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ—যুদ্ধকালীন চরম সংকটে সেসব উপাদানই ইরানকে দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচিয়ে দিচ্ছে।
বৈশ্বিক অর্থব্যবস্থা থেকে একপ্রকার বিচ্ছিন্ন থাকায় দেশটিতে আন্তর্জাতিক কোনো মূলধন বা ঋণ ফেরতের চাপ ছিল না। ফলে যুদ্ধের ধাক্কায় মুহূর্তের মধ্যে পুঁজি পাচারের যে ঝুঁকি থাকে, তা আগে থেকেই অবরুদ্ধ ছিল। এমনকি তেহরান স্টক এক্সচেঞ্জ টানা ৮০ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলেও সূচকের রেকর্ড ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। রিয়ালের অবমূল্যায়ন এবং ডলার অর্জনের বিকল্প না থাকায় বাধ্য হয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা স্থানীয় পুঁজিবাজারেই নিজেদের অর্থ লগ্নি করেছেন।
একই সঙ্গে বছরের পর বছর আরোপিত অবরোধের পথ ধরে ইরান যেসব বিকল্প আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ উন্মুক্ত করেছে, তা যুদ্ধের সময়েও সচল রয়েছে। চীন, রাশিয়া, তুরস্ক বা পাকিস্তানের সঙ্গে স্থল, রেল ও অপ্রাতিষ্ঠানিক সমুদ্রপথে তেল রপ্তানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড সোজা রেখেছে। এই সক্ষমতার জোরেই চরম সামরিক উত্তেজনার মাঝেও ইরান তাদের বাজেটের নির্ধারিত তেল রাজস্বের অর্ধেকেরও বেশি সচল রাখতে পেরেছে।
তবে এতে নিশ্চিতভাবেই কোনো স্থায়ী স্বস্তির খবর নেই। এই টিকে থাকার ব্যবস্থার পুরো মাশুল দিতে হচ্ছে দেশটির সাধারণ জনগণকেই। আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতির বাজারে পণ্য দিয়ে ভরিয়ে রাখলেও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে এনেছে। বিভিন্ন গবেষণার তথ্য বলছে, দেশটির দারিদ্র্যের হার বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৪৫ শতাংশে।
অবকাঠামো সংস্কার স্থগিত রেখে কিংবা পুঞ্জীভূত সঞ্চয় ব্যয় করে এই কৌশল বেশি দিন চালানো সম্ভব নয়। দীর্ঘ দেড় দশকের নিষেধাজ্ঞায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন থমকে গেলেও, ইরান এমন এক অর্থনৈতিক প্রতিরোধশক্তি গড়ে তুলেছে যা উন্মুক্ত অর্থনীতির দেশগুলোতে দেখা যায় না। বাহ্যিক অর্থনৈতিক চাপ কিংবা অবরোধ প্রয়োগ করে কোনো দেশকে দ্রুত নতিস্বীকার করানোর প্রচলিত ধারণাকে ইরান আরও একবার পুনর্বিবেচনার মুখোমুখি দাঁড় করাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ