ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রমজানে সিলেটে বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী


রমজানে সিলেটে বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে এবং বাজার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে সিলেট জেলা প্রশাসন কঠোর মনিটরিং কার্যক্রম শুরু করেছে। সোমবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ মনিটরিং টিম মহানগরের কালীঘাট ও মদিনা মার্কেটের পাইকারি ও খুচরা দোকানে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে প্রশাসনের দলটি বাজারের মূল্য তালিকা, ক্রয়-বিক্রয় রশিদ এবং পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। জেলা প্রশাসক নিশ্চিত করেন যে, বাজারে সয়াবিন তেলের কোনো সংকট নেই এবং ব্যবসায়ীরা নির্ধারিত মূল্যে তা বিক্রি করছেন কিনা তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এ সময় জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদ মন্তব্য করেন, "রমজানে কোনো ব্যবসায়ী যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং চালিয়ে যাব। সিন্ডিকেট করে কেউ যদি পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আরও পড়ুন: পাবনায় জোড়া খুন: ৪৫ ঘণ্টা পর অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার নেই

অভিযানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে। তারা বিভিন্ন দোকানে গিয়ে পণ্যের মজুদ, বিক্রয় প্রক্রিয়া এবং ভোক্তাদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন।

অভিযান চলাকালে কিছু ব্যবসায়ীকে শর্তসাপেক্ষে সয়াবিন তেল বিক্রি করতে দেখা যায়, যা নিয়মবহির্ভূত। জেলা প্রশাসনের মনিটরিং টিম তাদের কঠোরভাবে সতর্ক করে। একইসঙ্গে, যারা অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়ম ভঙ্গ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। বাজার মনিটরিংয়ের ফলে সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তি প্রকাশ করেন। এক ক্রেতা বলেন, "রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ে আমরা সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকি। কিন্তু জেলা প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারি আমাদের জন্য স্বস্তির খবর। আশা করি, ব্যবসায়ীরা অন্যায়ভাবে দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবে না।"

জেলা প্রশাসক আশ্বস্ত করেছেন, "রমজানজুড়ে আমাদের এই বাজার তদারকি অব্যাহত থাকবে, যাতে কেউ অবৈধভাবে মূল্যবৃদ্ধি করতে না পারে এবং সাধারণ মানুষ ন্যায্য দামে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে।" এ ধরনের কার্যক্রম চালু থাকলে রমজানে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে বাজার করতে পারবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে.

আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হলেন চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদের সহযোগী সানি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজনগরে ভিক্ষাবৃত্তির বিকল্প হিসেবে বিতরণ করা হলো ব্যাটারি চালিত রিকশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৮ এম


রাজনগরে ভিক্ষাবৃত্তির বিকল্প হিসেবে বিতরণ করা হলো ব্যাটারি চালিত রিকশা

রাজনগরের ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগণের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উপকারভোগীদের মধ্যে ব্যাটারি চালিত রিকশা বিতরণ করা হয়েছে। ৩রা মার্চ (সোমবার) উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা হাবিব শাপলা উপকারভোগীদের হাতে রিকশার চাবি তুলে দেন। তিনি বলেন, “ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখবে।”

তিনি উপকারভোগীদের উদ্দেশ্যে সতর্ক করে বলেন, সরকার ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করার জন্য ভিক্ষুকদের এই রিকশা প্রদান করেছে। যদি কেউ এই সুবিধা গ্রহণ করে ফের ভিক্ষাবৃত্তি করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আজাদুর রহমান, রাজনগর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুবায়ের আহমেদ চৌধুরী, প্রেসক্লাব সভাপতি আউয়াল কালাম বেগ, এবং মনসুরনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোরো মৌসুমে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ অরক্ষিত, ক্ষতির আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৮ এম


বোরো মৌসুমে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ অরক্ষিত, ক্ষতির আশঙ্কা

চলতি বোরো মৌসুমে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। কারণ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাওর রক্ষা বাঁধের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়নি। এ অবস্থায় আকস্মিক বন্যা বা ঢলের ফলে হাওরের বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দেশের মোট উৎপাদিত ফসলের প্রায় ৩০ শতাংশ হাওর এলাকা থেকে আসে। হাওরের বিস্তৃত জলরাশি সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে শুকিয়ে গেলে কৃষকরা ভূমির বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করেন। কিন্তু এ বছরও হাওর অধ্যুষিত অনেক স্থানে ফসল রক্ষা বাঁধ অরক্ষিত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং হাওর বাঁচাও আন্দোলন সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রবল বৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে প্রায়ই অকালবন্যা দেখা দেয়। মার্চ মাসে শুরু হওয়া ওই বন্যার পানি হাওরের কৃষকদের বোরো ধান ভাসিয়ে নিয়ে যায়। প্রতি বছর সুনামগঞ্জ জেলায় সরকারিভাবে হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়। সুনামগঞ্জে হাওরের বাঁধ নির্মাণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সিলেট বিভাগের চারটি জেলার মধ্যে মৌলভীবাজার ছাড়া অন্য জেলায় বোরো ফসল রক্ষার জন্য ৭২৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠনের মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে ৬৮৭টি, সিলেটে ২২টি এবং হবিগঞ্জে ১৬টি পিআইসি রয়েছে।

সূত্র জানায়, সুনামগঞ্জে ৮০ ভাগ, সিলেটে ৬০ ভাগ এবং হবিগঞ্জে ৬৯ ভাগ বাঁধ নির্মাণকাজ সরকারি হিসাবে সম্পন্ন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাঁধ নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব। কিন্তু হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতাদের মতে, এখনও অর্ধেক কাজ বাকি রয়েছে। মাটি কাটার কাজ শেষ হলেও দুরমুজ, বস্তা বাঁধা, ঘাস লাগানোসহ অনেক কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলার ৫৩টি হাওরে বোরো ফসল সুরক্ষার জন্য ৬৮৭টি পিআইসি গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পুরো জেলায় ৫৮৮ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য ১২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ে শতভাগ কাজ শেষ হওয়ার বিষয়ে শঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া বাঁধে মাটি ফেলার ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে না।

সূত্র আরও জানায়, সুনামগঞ্জে এখন পর্যন্ত ফসল রক্ষা বাঁধের অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সঠিক সময়ে ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ না হলে পাহাড়ি ঢলে বোরো ধানের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওরের গুরুত্বপূর্ণ অনেক বাঁধের কাজে গাফিলতি করা হচ্ছে। কেবল কাগজপত্রে ৭০-৮০ ভাগ কাজ শেষ হওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। বাঁধের কাজ ধীরগতিতে চলছে, ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা শেষ করা সম্ভব নয়। এর ফলে হাওরের বোরো ফসল ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

এদিকে, হাওর বাঁচাও আন্দোলন সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃষকের ধান রক্ষায় বাঁধের কাজ সময়মতো শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ অনেক বাঁধের কাজ নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুদিন পর শুরু করেছে। সরকারি হিসাবে ৭০-৮০ ভাগ কাজ হলেও প্রকৃতপক্ষে এখনও অনেক বাঁধের কাজ বাকি রয়েছে। শুধু মাটি ফেলেই কাজ শেষ নয়, বাঁধের কম্পেকশন, দুরমুজ ও ঘাস লাগানোও বাকি রয়েছে। হাতে মাত্র কয়েকদিন সময় রয়েছে। এর মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে।

অন্যদিকে, পাউবো সংশ্লিষ্টদের মতে, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সব ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ হবে। ইতিমধ্যে ৮০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে কোথাও কোথাও কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। তবে কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হবে। সিলেটের তিন উপজেলার পাঁচটি হাওরে ২২টি পিআইসির মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। এ পর্যন্ত ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। হবিগঞ্জ জেলায় ১৬টি হাওর রয়েছে। সেখানে ১৬টি পিআইসির মাধ্যমে কাজ চলছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সব কাজ শেষ হবে।

সার্বিক বিষয়ে পাউবো সিলেটের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। এটি আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কঠোর তদারকির মধ্যে কাজ চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাঁধ নির্মাণকাজ শেষ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৌলতখানে বিএনপি'র মত বিনিময় সভা, কঠোর নির্বাচনের প্রস্তুতির আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৯ এম


দৌলতখানে বিএনপি

ভোলার দৌলতখান হাজীপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপি'র মত বিনিময় সভা। এই সভার আয়োজন করে হাজিপুর ইউনিয়ন বিএনপি, যা শনিবার ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক খবর পত্রের প্রধান সম্পাদক এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মাফরুজা সুলতানা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ও হাজীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেন তালুকদার। বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মান্নান মিয়া, বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সরোয়ার আলম খান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি প্রভাষক নিজাম উদ্দিন ভূইয়া, এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সাজু।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম টপি, সহসাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল তালুকদার, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মশিউর রহমান লিটন, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আলমগীর হোসেন মাস্টার, এবং সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন রাশেদ।

সভায় প্রধান অতিথি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অত্যন্ত কঠোর। তিনি বলেন, "আপনারা সাংগঠনিকভাবে শক্তি সঞ্চয় করে দলকে শক্তিশালী করতে হবে। মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। অতীত সরকার পালিয়ে যাওয়ার একটাই কারণ হচ্ছে তারা মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করেছে। মানুষকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করেছে। গুম খুন এমনকি আয়না ঘর তৈরি করে মানুষ মেরেছে।" তিনি আগামী নির্বাচনে হাফিজ ইব্রাহিম এর পক্ষে ধানের শীষের জন্য মাঠে কাজ করতে সকলকে আহবান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুলাদীতে বৃদ্ধার সংবাদ সম্মেলন: পুত্রবধু ও সাবেক জামাতার অত্যাচারের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩০ এম


মুলাদীতে বৃদ্ধার সংবাদ সম্মেলন: পুত্রবধু ও সাবেক জামাতার অত্যাচারের অভিযোগ

মুলাদীতে এক বৃদ্ধা সংবাদ সম্মেলন করেছেন, যাতে তিনি তার মেয়ে, পুত্রবধু ও মেয়ের সাবেক স্বামীর অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য অভিযোগ করেছেন। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মুলাদী রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার পৌর সদরের চরডিক্রী গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৬৫) অভিযোগ করেন যে, তার মেয়ে সুফিয়া, পুত্রবধু নাসিমা বেগম এবং সাবেক জামাতা সিদ্দিক সরদার তাকে মারধর করেছেন। তিনি জানান, জমি লিখে না দেওয়ার কারণে তারা তার উপর অত্যাচার চালাচ্ছেন। এসময় তার অন্য দুই মেয়ে আয়শা আক্তার সুমী ও ফারজানা ইয়াসমিন হাসি উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ফাতেমা বেগম বলেন, তার মেজো মেয়ে সুফিয়া বেগমের সিদ্দিক সরদারের সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর তিনি সুফিয়াকে তার বাড়িতে আশ্রয় দেন। জমি নিয়ে সুফিয়ার সঙ্গে বিবাদ শুরু হলে স্থানীয়ভাবে সালিস মিমাংশায় মৃত জয়নাল আবেদীনের জায়গা-জমি তার স্ত্রী, ১ ছেলে ও ৪ মেয়ের মাঝে বণ্টন করা হয়। চলতি বছরের জুন মাসে মেয়ে সুফিয়া ও পুত্রবধু নাসিমা বৃদ্ধা ফাতেমা বেগমকে তার জমি দলিল করে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। ফাতেমা এতে রাজি না হওয়ায় গত ২৯ জুলাই তাকে মারধর করেন তারা। ওই ঘটনায় ফাতেমা বেগম বরিশাল জ্যেষ্ঠ বিচারিক আদালতে একটি মামলা করেন। আদালত মামলাটি মুলাদী থানায় প্রেরণ করলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

অপরদিকে, মামলা করায় মেয়ে, পুত্রবধু ও জামাতা ক্ষিপ্ত হয়ে আবারো মারধর করেন এবং মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দেন। ফাতেমা বেগম আরও বলেন, ‘সুফিয়া তার বর্তমান স্বামী আলী মোল্লা ও পূর্বের স্বামী সিদ্দিক সরদারের সঙ্গে মিলে লোকজন নিয়ে আমাকে এবং আমার অন্য দুই মেয়েকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। তারা যেকোনো উপায়ে আমার থেকে জমির দলিল নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমি দুই মেয়েকে নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি।’

এব্যাপারে জানতে চাইলে সিদ্দিক সরদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সুফিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তাদের পারিবারিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করিনি।’ মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম জানান, জমি লিখে নিতে বৃদ্ধাকে মারধরের ঘটনায় আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। এছাড়া বৃদ্ধাকে কেউ হুমকি দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%