ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে : আবহাওয়া অধিদপ্তর


দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে : আবহাওয়া অধিদপ্তর

দেশের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণও হতে পারে।

এছাড়া, আজ সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: দুপুরের মধ্যে ৮ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে যে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর উড়িষ্যা উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই লঘুচাপ পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ডিমলায় ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সিলেটে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

আজ ঢাকায় বাতাসের গতিবেগ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার। ভোর ৬টায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

আরও পড়ুন: ইসরাইল নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অধরাই

ভোর ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত শ্রীমঙ্গলে ৫৭ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে।

ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৩৯ মিনিটে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের দূতাবাসে ফিরছেন মার্কিন কূটনীতিকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০১ পি.এম


ইরান যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের দূতাবাসে ফিরছেন মার্কিন কূটনীতিকরা

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে মার্কিন কূটনীতিকদের যাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তাদের মধ্যে অনেকেই আবার কর্মস্থলে ফিরে আসতে শুরু করেছেন। তাদের সঙ্গে কিছু পরিবারের সদস্যরাও ফিরছেন।

 

এই সপ্তাহ থেকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কর্মী নিয়োগসহ কিছু বিধিনিষেধ ধীরে ধীরে তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ মার্কিন দূতাবাস এখনো পুরোপুরি আগের মতো স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে পারেনি। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে ইরান সম্পর্কিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিতে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। বরং, যুক্তরাষ্ট্র এখন সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

 

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কূটনীতিকদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত মূলত কর্মী ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত। যুদ্ধের শুরুতে নিরাপত্তার কারণে অনেক কূটনীতিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তাদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা চালু থাকলেও, কর্মস্থলের বাইরে থাকার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা ছিল। ছয় মাসের সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পথে থাকায় কূটনীতিকদের বাসস্থানসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছিল।

 

দীর্ঘ সময় কর্মস্থলের বাইরে থাকার কারণে তাদের জন্য প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এখন ‘সীমিত কার্যক্রম’ নামে একটি নতুন ব্যবস্থা চালু করেছে। এর মাধ্যমে দূতাবাসগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফেরার সুযোগ পাচ্ছে।

শুক্রবার, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার দিন কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানায়। দূতাবাসগুলো জানায়, কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের আবার এসব দেশে ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে।

 

তবে কুয়েত ও বাহরাইনের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের বেশি বয়সী পরিবারের সদস্যদের জন্য এই অনুমতি প্রযোজ্য হবে। এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইসরায়েলে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মীদের সব পরিবারের সদস্যকে ফিরে আসার অনুমতি দেওয়া হয়। লেবাননে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মীদের ২১ বছরের বেশি বয়সী পরিবারের সদস্যদেরও ফিরে আসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

মার্চে মধ্যপ্রাচ্যের এসব মার্কিন দূতাবাসে কর্মীদের দেশ ছাড়ার দুটি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। এগুলো হলো ‘আদেশে দেশত্যাগ’ এবং ‘অনুমোদিত দেশত্যাগ’। ওই সময়ে ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়া শুরু করেছিল। ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনা, দূতাবাস ও সামরিক স্থাপনাও ছিল। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। ঝুঁকি কমাতে যুক্তরাষ্ট্র বেশ কয়েকটি দূতাবাসের অপ্রয়োজনীয় কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেয়। ‘আদেশে দেশত্যাগ’ ব্যবস্থার আওতায় দূতাবাসের অপ্রয়োজনীয় কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের বাধ্যতামূলকভাবে দেশ ছাড়তে হয়। অন্যদিকে ‘অনুমোদিত দেশত্যাগ’ ব্যবস্থায় অপ্রয়োজনীয় কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা চাইলে দেশ ছাড়তে পারেন।

দুই ধরনের দেশত্যাগ ব্যবস্থারই নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। এখন সেই ছয় মাসের সময়সীমা শেষ হওয়ার পথে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কূটনীতিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বাসস্থান এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নতুন সমস্যা তৈরি হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি এড়াতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর দূতাবাসগুলোর জন্য ‘সীমিত কার্যক্রম’ ব্যবস্থা চালু করেছে। এর আওতায় প্রতিটি দূতাবাস নিজেদের পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। কোন কর্মী আবার কর্মস্থলে ফিরবেন, কার পরিবারের সদস্যরা সেখানে থাকতে পারবেন এবং কর্মীদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা কীভাবে দেওয়া হবে- এসব বিষয় দূতাবাসগুলো পরিস্থিতি অনুযায়ী ঠিক করবে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর সময় মধ্যপ্রাচ্যের আরও পাঁচটি দেশের মার্কিন দূতাবাসে থাকা কূটনীতিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এসব দূতাবাসের কয়েকটিতেও শিগগিরই কর্মী ও পরিবারের সদস্যদের অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এখনো সব দূতাবাসে আগের মতো স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেয়নি।

দপ্তরটি জানিয়েছে, কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা করার বিষয়ে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পরিস্থিতি অনুযায়ী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে উপযুক্ত মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানানো হবে। সব মিলিয়ে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর নিরাপত্তার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া মার্কিন কূটনীতিক ও তাদের পরিবারের কিছু সদস্য এখন ধাপে ধাপে ফিরে আসছেন। তবে এসব দূতাবাসের কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি এবং ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মূল নীতিতেও বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইমরান খানের মুক্তি চান জাভেদ মিয়াঁদাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


ইমরান খানের মুক্তি চান জাভেদ মিয়াঁদাদ

ইমরান খান শুধুমাত্র খেলার মাঠে নেতৃত্ব প্রদান করেননি। তিনি দেশের নেতৃত্বও দিয়েছেন মাঠের গণ্ডি পেরিয়ে।

 

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তবে রাজনীতিতে প্রবেশ করার পর ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক বর্তমানে বিপদে রয়েছেন। কারণ, দুর্নীতি সহ বিভিন্ন মামলায় গত তিন বছর ধরে তিনি কারাবন্দী।

দীর্ঘ সময় জেলে থাকার কারণে ইমরানের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে গেছে।

তার সুচিকিৎসা এবং ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের উদ্দেশে ২১ জন সাবেক অধিনায়ক একযোগে চিঠি লেখেন। বিভিন্ন দেশের কিংবদন্তি অধিনায়কদের সমর্থন জানিয়ে গতকাল ইমরানের পাশে দাঁড়ান অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।

এছাড়া, স্কাই স্পোর্টসকে ইমরান খানের দুই ছেলে সাক্ষাৎকার দেওয়ায় পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক এখন বেশ আলোচনায় রয়েছেন। সাবেক অলরাউন্ডার জাভেদ মিয়াঁদাদও ইমরানকে নিয়ে কথা বলেছেন।

দুজনেই একে অপরের অধীনে বহু ম্যাচ খেলেছেন। ১৯৯২ বিশ্বকাপে ইমরানের নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হওয়া পাকিস্তান দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন মিয়াঁদাদ।

তাহলে, ইমরান এবং জাভেদ একে অপরকে ভালোভাবে চেনেন। সেই পরিচয়ের ভিত্তিতে মিয়াঁদাদ জানিয়েছেন, ইমরান দুর্নীতি করার লোক নন। কাঁদতে কাঁদতে ‘ন্যারেটিভ’ ইউটিউব চ্যানেলে মিয়াঁদাদ বলেছেন, “তিনি একজন সৎ মানুষ।

 

দুর্নীতি করার মতো মানুষ নন তিনি, নইলে আরও অনেক কিছুই করতে পারতেন। তাকে ছেড়ে দিলে কী এমন হবে? তিনি কি কাউকে খেয়ে ফেলবেন বা কারো ক্ষতি করবেন? তিনিও তো কারো সন্তান। আমি সারাক্ষণ ভাবি, তিনি এখন কী করছেন।”

মিয়াঁদাদ পাকিস্তান সরকারের কাছে দ্রুতই ইমরানের বিষয়ে সমাধান চেয়েছেন। ইমরানকে ‘জাতীয় বীর’ সম্বোধন করে সাবেক ব্যাটার বলেছেন, “যা ভুল, তা ভুলই। তিনি অবশ্যই একজন জাতীয় বীর। আমি প্রার্থনা করি, এই সমস্যার সমাধান হোক। পাকিস্তান সরকারের কাছে আমার আবেদন। আমার প্রার্থনা, ন্যায়সংগত বিষয়টির জয় হোক। আমি যা বলছি, হৃদয় থেকেই বলছি।”

ইমরানের কিছু হলে পাকিস্তানের পরিস্থিতি কী হবে সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মিয়াঁদাদ বলেছেন, “সৃষ্টিকর্তা না করুন, ওনার কিছু হলে দেশে কী ঘটবে, তা কি কল্পনা করতে পারেন? পুরো পাকিস্তান কাঁদবে। পাকিস্তানকে নিজের সবটুকু দিয়েছে তিনি। তিনি একজন কিংবদন্তি। বিষয়টির সমাধান করুন। আমিও মানুষ। তিনি আমার ভাইয়ের মতো।”

৭৩ বছর বয়সী ইমরানের সুচিকিৎসার দাবিতে চিঠিতে সই করেছেন—মাইকেল আথারটন, অ্যালান বোর্ডার, মাইক ব্রিয়ারলি, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, অ্যালিস্টার কুক, মাইক গ্যাটিং, সুনীল গাভাস্কার, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ডেভিড গাওয়ার, নাসের হুসেইন, ক্লাইভ লয়েড, কপিল দেব, অর্জুনা রানাতুঙ্গা, অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস, দিলীপ ভেংসরকার, স্টিভ ওয়াহ এবং জন রাইটের মতো কিংবদন্তিরা। নারী ক্রিকেটের কিংবদন্তি বেলিন্ডা ক্লার্ক ও অ্যালেক্স ব্ল্যাকওয়েলও এতে সই করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা

বই দেখে লেখায় বহিষ্কার ৪, দুই শিক্ষককে অব্যাহতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


বই দেখে লেখায় বহিষ্কার ৪, দুই শিক্ষককে অব্যাহতি

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর ডিগ্রি কলেজে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি প্রথমবর্ষের ইংরেজি প্রথমপত্রের পরীক্ষায় বই দেখে লেখার ঘটনায় চার পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এছাড়া, পরীক্ষা-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম থেকে দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

 

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কাজিপুর ডিগ্রি কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা বই দেখে পরীক্ষা দিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে ঘটনাটি।

 

এদিকে, পরীক্ষার হলে বই দেখে পরীক্ষা দেওয়ার ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

হামলার শিকার সাংবাদিকদের একজন বাংলাদেশ বেতার ও নাগরিক টেলিভিশনের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহমেদ। তিনি এ ঘটনায় শুক্রবার গাংনী থানায় মামলা করেছেন।

 

মামলায় রফিকুজ্জামান ও মনিরুজ্জামান বিপ্লবসহ অজ্ঞাতপরিচয়ের আরো ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে উন্নয়ন কাজ অব্যাহত থাকবে : গাজীপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১০ পি.এম


জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে উন্নয়ন কাজ অব্যাহত থাকবে : গাজীপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক

জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নে স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের চলাচল ও যোগাযোগের দুর্ভোগ লাঘবে সড়ক নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর আজ স্থাপন করা হয়েছে। গাজীপুর জেলা পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সড়কটির নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও গাজীপুর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী। এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মো. নুরুল ইসলাম সিকদার, সদস্য সচিব এম. আনোয়ার হোসেন, কালিয়াকৈর পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক মামুদ সরকারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এছাড়া বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলাদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, "জনগণের দুর্ভোগ লাঘব এবং এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে উন্নয়নমূলক কাজের কোনো বিকল্প নেই।" জেলা পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। সূত্রাপুরের এই সড়কটিও স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করেই নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, "উন্নয়নকাজ শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি-না, কাজের মান ঠিক আছে কি-না, এসব বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।" জনগণের অর্থে যে উন্নয়ন হবে, সেই উন্নয়নের সুফল জনগণকেই দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, "গাজীপুরের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সড়ক, যোগাযোগ ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধার বিষয়গুলো আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি।" পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে উন্নয়নকাজ অব্যাহত থাকবে। তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্মাণকাজে গুণগত মান বজায় রাখার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার আহ্বান জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজন ছিল। বর্ষা মৌসুমসহ বছরের বিভিন্ন সময়ে সড়কের দুরাবস্থার কারণে স্থানীয়দের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী ও কর্মজীবী মানুষকে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। সড়কটি নির্মাণ হলে স্থানীয় মানুষের চলাচল আরও সহজ হবে এবং আশপাশের এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনেও সুবিধা হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সড়কটির নির্মাণকাজ দ্রুত শুরু ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%