ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৬ অঞ্চলে রাতের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস


৬ অঞ্চলে রাতের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

দেশের ৬ অঞ্চলে আজ রাত ১টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে রবিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুন: রামপালে ফয়লাহাট আছিয়া মাদ্রাসার সুবর্ণজয়ন্তী ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।

 

সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

 

আরও পড়ুন: ইউপি নির্বাচনে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, দুজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চরম তাপপ্রবাহের ঝুঁকি মোকাবিলায় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


চরম তাপপ্রবাহের ঝুঁকি মোকাবিলায় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান

বাংলাদেশে চরম তাপমাত্রার ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা হিট স্ট্রেসকে দুর্যোগ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি তুলেছেন।

 

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীতে জাস্ট ট্রানজিশন বাংলাদেশ সেন্টার ও বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ সভায় এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মোমিনুল ইসলাম। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন জাস্ট ট্রানজিশন বাংলাদেশ সেন্টারের ট্রাস্টি ড. এস এম মোর্শেদ।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক।

 

তিনি জানান, চরম তাপমাত্রা বর্তমানে মানুষের স্বাস্থ্য, কর্মক্ষমতা ও জীবিকার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে ৩৫ দিন দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহের ঘটনা ঘটেছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ড. মল্লিক বলেন, বাংলাদেশের উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু, দ্রুত নগরায়ণ, খোলা জায়গায় কাজ করা শ্রমিকের সংখ্যা বেশি হওয়া, শীতল পরিবেশে প্রবেশের সীমিত সুযোগ এবং অনানুষ্ঠানিক বসতিতে মানুষের বসবাস—এসব কারণে চরম তাপের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু, কৃষিশ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক ও হকাররা এ ঝুঁকিতে বেশি রয়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত তাপের কারণে হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর চাপ, শ্বাসকষ্ট ও পানিশূন্যতার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা এবং বিভিন্ন পেশাগত রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাপপ্রবাহের আগাম সতর্কবার্তা, পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা, কুলিং সেন্টার স্থাপন, নগরে সবুজায়ন, ‘কুল রুফ’ ব্যবস্থা এবং তাপজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেন তিনি।

চরম তাপের অর্থনৈতিক ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে ড. এস এম মোর্শেদ বলেন, বিভিন্ন গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে তাপজনিত উৎপাদনশীলতা কমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আনুমানিক ১ দশমিক ৮ থেকে ১১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৪ শতাংশের সমান।

ড. মোর্শেদ বলেন, তাপের কারণে উৎপাদনশীলতা কমার প্রভাব ঢাকায় সবচেয়ে বেশি।

 

ঢাকায় বছরে প্রায় ৩ শতাংশ কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়, যা প্রায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার পূর্ণকালীন চাকরির সমপরিমাণ উৎপাদনশীলতা ক্ষতির সঙ্গে তুলনীয়। ভবিষ্যতে এই ক্ষতি আরো বাড়তে পারে। ২০৮০ সালের মধ্যে ঢাকায় উৎপাদনশীল কর্মঘণ্টা হারানোর হার ৭ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

তিনি আরো বলেন, তাপজনিত চাপ যথাযথভাবে মোকাবিলা করা না হলে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া ২০৩০ সালের মধ্যে সম্মিলিতভাবে প্রায় ৬৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি আয় হারাতে পারে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মোমিনুল ইসলাম বলেন, চরম তাপের প্রভাব মোকাবিলায় খাতভিত্তিক বিশ্লেষণ ও পরিকল্পনা জরুরি। কৃষি, পরিবহন, নির্মাণ ও পোশাকসহ বিভিন্ন খাতে তাপজনিত ঝুঁকি আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট খাতের জন্য নির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

সভায় তাপপ্রবাহের আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করার পাশাপাশি তা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। চরম তাপের ঝুঁকি চিহ্নিত করতে ঝুঁকি মানচিত্র প্রণয়ন, আবাসিক ভবনে তাপ কমানোর ব্যবস্থা এবং দুর্যোগের স্থায়ী আদেশাবলিতে হিট স্ট্রেসকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়।

এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমের তালিকায় তাপ-সংশ্লিষ্ট কাজ অন্তর্ভুক্ত করা, তাপজনিত অসুস্থতাকে পেশাগত রোগ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং কর্মস্থলে নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পানির পয়েন্ট স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পরামর্শ সভায় জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, কারিগরি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, শ্রমিক নেতা, গণমাধ্যমকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিষ্ক্রিয় কমিটি নয়, কাজের হিসাব দিতে হবে: মানিক এমপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিষ্ক্রিয় কমিটি নয়, কাজের হিসাব দিতে হবে: মানিক এমপি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিষ্ক্রিয় কমিটি নয়, কাজের হিসাব দিতে হবে : মানিক এমপি

 

চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষার মানোন্নয়নের দায়িত্ব শুধুমাত্র শিক্ষকদের নয়, বরং প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদেরও। যদি দায়িত্ব নিয়ে নিষ্ক্রিয় থাকেন, তাহলে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করা সম্ভব নয়।

 

শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নের জন্য প্রতি মাসে অভিভাবক সমাবেশ এবং জবাবদিহিমূলক কার্যক্রম নিশ্চিত করা আবশ্যক।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময়সভা এবং ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর সদর উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। সম্প্রতি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

আগামী ছয় মাসের মধ্যে এসব কমিটি প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং তা কীভাবে বাস্তবায়ন করে, তার ওপর পরবর্তী কমিটি নির্ধারণ করা হবে। যারা দায়িত্ব নিয়ে বসে থাকবেন, তাদের কমিটিতে রাখার কোনো প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, আগামী এসএসসি পরীক্ষার আগে শিক্ষকদের পরীক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে রাখা, খেলাধুলায় আগ্রহী করা এবং কিশোর গ্যাংয়ে জড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

 

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী এলাকায় শিক্ষার হার ও মান বৃদ্ধি পেলে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব হবে। এর ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বরাদ্দ পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হকিমা। অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সহসভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম মন্টুসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি, অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকরা বক্তব্য দেন।

 

সভা শেষে এডহক কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের হাতে ফুটবল তুলে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বস্তি ফিরেছে চট্টগ্রামের সবজি বাজারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


স্বস্তি ফিরেছে চট্টগ্রামের সবজি বাজারে

চট্টগ্রাম, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রামের কাঁচাবাজারগুলোয় সবজির দাম গত ১৫দিনের তুলনায় কিছুটা কমে স্বস্তি ফিরেছে। জুলাই মাসের শুরুতে বন্যায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার সবজি নষ্ট হয়ে যায়। বন্যার ক্ষত শুকিয়ে এখন নতুনভাবে স্বল্পমেয়াদি সবজি উৎপাদন শুরু হয়েছে। 

জেলার সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও লোহাগাড়ায় বন্যায় ক্ষতি ব্যাপক হলেও অন্যান্য উপজেলা ও পার্বত্যাঞ্চল থেকে সবজির যোগান এসেছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও সবজিবাহী ট্রাক চট্টগ্রাম আসছে নিয়মিত। বন্যার কারণে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম শতক ছুঁয়ে গেলেও এখন কেজি প্রতি ১০-২০টাকা কমেছে।

যদিও কৃষি বিভাগ বলছে, চট্টগ্রামের সবজির ব্যাপক ক্ষতির হলেও বাজার পুরোপুরি স্থানীয় উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল নয়, বাহির থেকেও প্রচুর পরিমাণে সবজি আসে। দ্রব্যমূল্য ক্রেতা সাধারণের নাগালে রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।

শনিবার (২৯ আগস্ট) নগরের চকবাজার, বহদ্দারহাট, কাজীর দেউড়ি কাঁচা বাজার, রিয়াজউদ্দিন বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে এমন চিত্র দেখা গেছে।

অধিকাংশ সবজির দাম আগের তুলনায় কমে আসায় পরিমাণে কম হলেও কিনতে পারছেন ক্রেতারা। তবে বেগুন ও টমেটোর দাম এখনও কমেনি। বাজারে এখন বেশিরভাগ সবজি ৩০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে পাওয়া গেলেও ভালো মানের বেগুন ও টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। বাজারে ঢেঁড়শ, পটল, কাকরোল, ঝিঙে ৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, লাউ ও ধুন্দল ৮০ টাকা এবং পেঁপে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নগরীর বহদ্দারহাটে মুরাদপুর এলাকার ক্রেতা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আগের তুলনায় এখন কয়েক ধরনের সবজির দাম কম। ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে অনেক সবজি পাওয়া যাচ্ছে। এতে বাজারের খরচ কিছুটা সামলানো যাচ্ছে। আরেক ক্রেতা ইকবাল বলেন, বাজারে পটল, ঢেঁড়শ, ঝিঙে ও পেঁপে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে।

কাজীর দেউড়ি বাজারের বিক্রেতা নুর হোসেন বলেন, বন্যার ক্ষত শুকিয়ে পার্বত্যাঞ্চলসহ বিভিন্ন জেলা থেকে বাজারে সরবরাহ বাড়ায় বেশকিছু সবজির দাম কমেছে। তবে বেগুন ও টমেটোর সরবরাহ তুলনামূলক কম।

বহদ্দারহাট কাঁচা বাজারের সবজি বিক্রেতা নাজিম বলেন, কয়েক ধরনের সবজি এখন বেশি আসছে। তাই দাম কম। পটল, ঢেঁড়শ, ঝিঙে ও জালি ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি করছি। পেঁপের দাম আরও কম, ৩০ টাকা কেজি। শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে।

বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, গত ১৫দিনের তুলনায় কাঁচা মরিচ, বরবটি ও বেগুনের দাম এই সপ্তাহে কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচ আজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। অর্থাৎ, এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ২০ টাকা। একই অবস্থা বরবটির ক্ষেত্রেও; গত সপ্তাহের ১০০ থেকে ১১০ টাকার বরবটি এই সপ্তাহে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। গত সপ্তাহে যে গাজর ১২০ টাকায় পাওয়া যেত, তা এখন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। এ ছাড়া প্রতি কেজি পটোল ৮০ টাকা থেকে কমে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা এবং কচুর ছড়া ৮০ টাকা থেকে কমে ৭০ টাকায় ঠেকেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক আপ্রু মারমা বলেন, গত ৬ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রামে চলা টানা অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামে সবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৫ হাজার ৯০৭ হেক্টর সবজির জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ৪৩ হাজার ৫০ টন উৎপাদন নষ্ট হয়েছে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৮৬ কোটি ১০ লাখ টাকা। তবে চট্টগ্রামের বাজার পুরোপুরি স্থানীয় সবজির ওপর নির্ভরশীল নয়। চট্টগ্রামে বাহিরের জেলাগুলো থেকেও প্রচুর পরিমাণে সবজি আসে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, চট্টগ্রামের বাজারে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সবজি আসে। এখন কিছুটা দাম কমলেও এই ধারাবাহিকতা রক্ষায় বাজার তদারকি বাড়াতে হবে। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোহাম্মদপুরে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


মোহাম্মদপুরে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল

ঢাকার মোহাম্মদপুরে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং আনন্দঘন পরিবেশে পবিত্র জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বাদ নামাজে জুম্মা শিয়া জামে মসজিদ থেকে পবিত্র আনন্দ মিছিলটি হুসাইনী ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় শুরু হয়। মিছিলটি বাঁশবাড়ী, মোহাম্মদপুর, আল্লাহ করিম জামে মসজিদ ও নূরজাহান রোডসহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শিয়া জামে মসজিদে এসে শেষ হয়।

এই পবিত্র আনন্দ মিছিলে মোহাম্মদপুর এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মোমিনীন ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দলে দলে অংশগ্রহণ করেন। ব্যানার, পতাকা এবং স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে মিছিলের পরিবেশ, যেখানে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিনের আনন্দ ও তাঁর প্রতি অগাধ ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মিছিলে অংশ নেন।

মিছিলে প্রধান বক্তব্য রাখেন হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা ডক্টর আলী মুর্তজা সাহেব। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন হুজ্জাতুল ইসলাম শাহাদাত সাহেব এবং হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা মেরাজ মুন্সী সাহেব। বক্তারা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর তাৎপর্য, মহানবী (সা.)-এর পবিত্র জীবনাদর্শ, তাঁর শিক্ষা এবং মানবতার প্রতি তাঁর মহান বার্তা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।

মিছিলকে কেন্দ্র করে মোমিনীনদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে মিছিলটি নির্ধারিত পথ পরিক্রমা করে সফলভাবে শিয়া জামে মসজিদে এসে শেষ হয়।

কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ:

হুসাইনী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পবিত্র জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণকারী সকল মোমিনীন, আলেম-ওলামা, শুভাকাঙ্ক্ষী, স্বেচ্ছাসেবক এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করা সকলের প্রতি জানানো হয় আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অসংখ্য ধন্যবাদ।

আপনাদের ভালোবাসা, সহযোগিতা, দোয়া ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কারণেই আজকের এই আয়োজন সফল ও সার্থক হয়েছে। হুসাইনী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আপনাদের সকলের প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

আল্লাহ পাক আমাদের সকলের এই ভালোবাসা ও খেদমত কবুল করুন। আমিন। 

- হুসাইনী ফাউন্ডেশন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%