০৫:৩১ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, কাতার থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বিমানটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর আপগ্রেড বা উন্নতির জন্য পাঠানো হবে। স্থানীয় সময় ২০ জুলাই রবিবার নিউ জার্সিতে ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখে ফেরার পথে বিমান থেকে নামার সময়, ট্রাম্পের কাছে নতুন সংস্করণে সংস্কার করা বিমানটির ক্ষেপণাস্ত্র-প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছিল।
ট্রাম্প জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের বলেন, “এটির অনেক সক্ষমতা রয়েছে, তবে আমি যতদূর জানি, মাসখানেকের মধ্যেই এটিকে সর্বোচ্চ সক্ষমতা সম্পন্ন করে তোলার জন্য পাঠানো হবে।” তিনি আরও জানান, তারা এই বিমানটি পাঠাবে এবং তার সক্ষমতা সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত হবে, যা প্রায় এক মাস সময় নেবে।
সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাতার থেকে প্রদত্ত ৪০ কোটি ডলার মূল্যের নতুন বিমানটি নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি সামনে আসে চলতি মাসের শুরুতে। ট্রাম্প তুরস্কের ন্যাটো সম্মেলন থেকে ফেরার পথে অপ্রত্যাশিতভাবে ওই বিমানটি ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং নতুন বিমানটিকে ইংল্যান্ডের মিলডেনহল বিমান ঘাঁটিতে আগেভাগে পাঠান।
আরও পড়ুন: ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলে পরিবর্তন, শত্রুকে তার ভূখণ্ডেই জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি
তিনি উল্লেখ করেন, বিমান পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত মূলত ওই ঘাঁটিতে দায়িত্ব পালনরত মার্কিন সামরিক সদস্যদের এক্ষেত্রে ‘বিমানটি ঘুরে দেখার সুযোগ তৈরি করার’ জন্য নেওয়া হয়েছিল।
সিএনএন-এর তথ্যানুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের দুজন কর্মকর্তা জানান, নিরাপত্তা কর্মীরা প্রেসিডেন্টের ভ্রমণের জন্য অপেক্ষাকৃত পুরাতন বিমানটিকেই বেশি নিরাপদ বলে মনে করতেন। এই বিমান বিশেষভাবে সর্বাধিনায়কের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই নির্মাণ করা হয়েছিল। কাতারের দেওয়া নতুন বিমানটির নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুবিধা সংযোজন (রেট্রোফিট) করা হয়েছিল, তবে পুরনো বিমানটির তুলনায় তারা ঝুঁকিহীন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অধিক নিশ্চিত ছিলেন।
দুটি সূত্রে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন বিমানটির সক্ষমতা পুরনো বিমানটির মতো ছিল না। তবে তৃতীয় একটি সূত্র দাবি করেছে, পুরনো বিমানটির মতোই এতে অনেক বৈশিষ্ট্য বা সুবিধা বিদ্যমান ছিল। এই বিমানটির নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয়টি পূর্বে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এ প্রকাশিত হয়েছিল।
সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারের ভেতর থেকে নিরাপত্তা ত্রুটি সংক্রান্ত তথ্য ফাঁস করা হয়েছে, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস একটি বড় ধরনের তদন্ত শুরু করেছে। সূত্রগুলো সিএনএন-কে জানিয়েছে, তদন্তের অংশ হিসেবে কিছু কর্মকর্তাকে হোয়াইট হাউস চত্বরেই তদন্তকারীদের কাছে তাদের ফোন জমা দিতে বলা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক
সূত্রগুলোর মতে, তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ট্রাম্পের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশের পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন