আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ প্রতিনিধি
০৭:০৭ পি.এম
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন। এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৭(১) অনুযায়ী তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাকে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে থাকা কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যোগদানের তারিখ থেকে তার নিয়োগের মেয়াদ এক বছর গণনা করা হবে। নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলি পৃথক চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনস্বার্থে এ নিয়োগাদেশ জারি করা হয়েছে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
এর আগে সিডিএর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম। তিনি ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ লাভ করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জয়ী তারকা থিয়েরি অঁরি, যিনি ক্লাব ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন আর্সেনালের জার্সিতে, নিউইয়র্ক সিটির সঙ্গেও একটি সম্পর্ক রয়েছে। এই শহরের ক্লাব নিউইয়র্ক রেড বুলসের হয়ে তিনি চার বছর খেলেছেন।
বিশ্বকাপ উপলক্ষে অঁরির সম্মানার্থে নিউইয়র্কের একটি রাস্তার নাম তার নামে পরিবর্তন করা হয়েছে। ম্যানহাটনের ৫০তম স্ট্রিট ও সিক্সথ অ্যাভিনিউয়ের সংযোগস্থলের নাম পরিবর্তন করে ‘থিয়েরি অঁরি ওয়ে’ রাখা হয়েছে।
অঁরি ২০১০ সালে নিউইয়র্ক রেড বুলসে যোগ দিয়ে ১৩৫ ম্যাচে ৫২ গোল করেছেন। নামফলক উন্মোচনের সময় তিনি উপস্থিত জনতার জন্য প্রদর্শিত এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘৫০তম স্ট্রিট এবং সিক্সথ অ্যাভিনিউয়ের নাম ‘থিয়েরি অঁরি ওয়ে’ রাখা হয়েছে। এটা আমার জন্য অবিশ্বাস্য সম্মানের বিষয়।’
সড়কটি ম্যানহাটনের কেন্দ্রস্থলে, বিখ্যাত রকফেলার সেন্টারের কাছাকাছি অবস্থিত। এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ১০ জুন।
অঁরির পাশাপাশি পেলের নামেও একটি রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে। কুইন্সে অবস্থিত ‘পেলে ওয়ে’ নামের এই জায়গাটি বিশ্বকাপ উপলক্ষে উদ্যাপনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
ইএসপিএনের তথ্যানুসারে, নামগুলো অস্থায়ী। এগুলো নভেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শনিবার, প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরকে ঘিরে জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সফরের সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকিতে, কক্সবাজারের বিভিন্ন কর্মসূচি পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
শুক্রবার বিকেল কক্সবাজারের চকরিয়া পৌঁছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থল, জনসভা মঞ্চ, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের এবং আয়োজকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরের কেন্দ্রবিন্দুতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করেছে। সফরের প্রতিটি কর্মসূচি যাতে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
নতুন বাজেটের প্রশ্নে মন্ত্রী প্রকাশ করেন, এটি ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে বিএনপি সরকার; যারা বলছেন বাজেট দলীয়করণ, তারা খুবই নিকৃষ্ট লোক।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর উদ্যোগ কি বিএনপির জন্য নেওয়া হয়েছে? অবশ্যই নয়। এটি বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্তসহ সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। মানুষের চাহিদা হলো—নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকা। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। তাহলে প্রশ্ন হলো, এই বাজেট কি গণমুখী নয়? কি এটি দরিদ্রবান্ধব নয়? কি এটি জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন নয়? নিঃসন্দেহে এই বাজেট গণমুখী, দরিদ্রবান্ধব এবং জনআকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এছাড়া আমাদের যে অঙ্গীকারগুলো ছিল—কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মের চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা—সেসব বিষয়ও এই বাজেটে গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘এই বাজেটে একদিকে জনগণের ওপর করের চাপ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে রাজস্ব আয়ের পরিধি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেলে উন্নয়ন বাজেটে দেশীয় আয়ের অবদানও বাড়বে। আমরা যদি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সবসময় ব্যাংক ঋণ ও বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকি, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে নির্ভরশীলতার চক্র থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে না। সেই লক্ষ্য থেকেই আমরা রাজস্বভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৭ বছরে ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাস্তবতার মধ্যে দাঁড়িয়ে মাত্র সাড়ে তিন মাসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ বাজেট প্রণয়ন করা সম্ভব হয়েছে। এটিই আমাদের সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং নির্বাচনী জোটের সমর্থনে গঠিত সরকারের বাজেট। কেউ যদি এটিকে ‘দলীয় বাজেট’ বলে আখ্যায়িত করেন, তাহলে আমি বলব—গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারের বাজেটকে শুধুমাত্র দলের বাজেট হিসেবে চিহ্নিত করা একটি অযৌক্তিক ও অনভিপ্রেত মন্তব্য।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের পলাশী গ্রামের বাসিন্দা এনজিও কর্মকর্তা মতিউর রহমানের মেয়ে ও তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী তৈয়বা সাপের কামড়ে মারা গেছে।
শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চাকরির কারণে মতিউর রহমান পরিবারসহ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় বসবাস করতেন। সেখানে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করত তৈয়বা। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিদিনের মতো সে প্রাইভেট পড়তে যায়। প্রাইভেট পড়ানোর কক্ষে অন্য শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিল।
এ সময় হঠাৎ একটি বিষধর সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেউ সাপটিকে দেখতে পায়নি বলে জানা গেছে। সাপের কামড়ের পরপরই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে একপর্যায়ে সে মারা যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ধারণা করেন, বিষধর সাপের কামড়েই তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত শিশুর বাবা মতিউর রহমান বলেন, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিষধর কোনো সাপ আমার মেয়েকে কামড়েছিল। আমরা তাকে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে হারাতে হলো।
শিশু তৈয়বার অকাল মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে স্থানীয়দের মাঝেও গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মো. দিদারুল আলম দিদারকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি পূর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাউতলী এলাকায় তার নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। দিদারুল আলম দিদার হলো কাউতলী বড় মসজিদ রোডের হাজী মো. সেলিম মিয়ার পুত্র।
পুলিশের সূত্র থেকে জানা যায়, নাশকতাসহ একাধিক মামলার এজাহারে নাম থাকা আসামি হিসেবে দিদার দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাসা থেকে আটক করা হয়। পরে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, দিদারুল আলম দিদার নাশকতা মামলাসহ একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তিনি অনেকদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে দিদার কোর্টের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ