বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৩২ পি.এম
সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক এআই হ্যাকাথনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সায়েম হোসেন এবং তাঁর দল। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য আরবি ভাষা ও কোরআনিক শিক্ষা সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে তাঁর উদ্ভাবিত ‘দ্য ওরিয়েন্টাল ব্রেইল প্রজেক্ট’ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে দলটি ৪৫ হাজার সৌদি রিয়াল পুরস্কার লাভ করেছে। প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ২ হাজার ২৫১ জন শিক্ষার্থী, গবেষক ও উদ্ভাবক অংশগ্রহণ করেন। পুরস্কার গ্রহণ করেন দলের সুপারভাইজার ড. এ কে এম আজাদ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘এআই হ্যাকাথন ফর পিপল উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিজ’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবজুড়ে ২ হাজার ২৫১টি প্রজেক্ট জমা পড়ে। চার ধাপের বাছাই প্রক্রিয়ার পর ১৩০টি প্রজেক্ট চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণ করে। সেখান থেকে সায়েমের প্রকল্প প্রথম স্থান অর্জন করে। প্রতিযোগিতাটি কিং সালমান সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি রিসার্চের (কেএসসিডিআর) আয়োজনে সপ্তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধিতা গবেষণা সম্মেলনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।
পুরস্কার হিসেবে দলটি ৪৫ হাজার সৌদি রিয়াল পেয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ লাখ ৭৮ হাজার টাকার অধিক। সৌদি রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স সুলতান বিন সালমান আল সৌদের কাছ থেকে বিজয়ীরা পুরস্কার গ্রহণ করেন। প্রজেক্টটির সুপারভাইজার ছিলেন সৌদি আরবের ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সৌদ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ কে এম আজাদ। দলের সদস্য হিসেবে ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াকুব শাকিল।
সায়েমের উদ্ভাবিত ‘দ্য ওরিয়েন্টাল ব্রেইল প্রজেক্ট’ থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তির মাধ্যমে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য আরবি ভাষা ও কোরআনিক শিক্ষা গ্রহণকে সহজতর করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। প্রচলিত ব্রেইল বইয়ের ডটগুলো ছোট হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীর জন্য সেগুলো শনাক্ত করা এবং শেখা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ব্রেইল পদ্ধতিতে পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।
এছাড়া ইংরেজি ভাষার ব্রেইল পাঠ্যসামগ্রী ও গ্রন্থাগার তুলনামূলকভাবে সমৃদ্ধ হলেও আরবি, বাংলা ও উর্দুর মতো ল্যাটিন-বহির্ভূত লিপির ভাষায় ব্রেইল পাঠ্যসামগ্রীর ঘাটতি রয়েছে। এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে বিশেষ করে আরবি ভাষা ও কোরআনিক শিক্ষা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের কাছে আরও সহজলভ্য করে তোলাই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য।
নিজের উদ্ভাবন সম্পর্কে সায়েম হোসেন বলেন, “বিশ্বের ২৩টি আরবিভাষী দেশ এবং ৫৭টি মুসলিমপ্রধান দেশের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করার চিন্তা থেকেই এ উদ্ভাবনের উদ্যোগ নিই। আমার লক্ষ্য, যেসব শিক্ষার্থীর জন্য পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ব্রেইল পাঠ্যসামগ্রী নেই, তাদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ করা। বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনার সুবাদে প্রতিবন্ধিতা ও পুনর্বাসন নিয়ে কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয়। সেই আগ্রহ থেকেই এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছি।”
বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি ও সহযোগী অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম বলেন, “বিভাগের শিক্ষার্থীরা গবেষণায় ভালো করছে। সায়েমের এ অর্জন প্রশংসনীয়। আশা করি, ভবিষ্যতে সে আরও ভালো করবে। বিভাগের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে গবেষণায় কাজ করছেন। ইতোমধ্যে বিভাগের বেশ কয়েকজন শিক্ষক যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবে গেছেন এবং ছয় থেকে আটজন শিক্ষক জিএসটিতে রয়েছেন। সব মিলিয়ে বিভাগের শিক্ষার্থীরা গবেষণায় ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগকে অস্বীকার করেছে। বৃহস্পতিবার, গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন যে, ওইদিন সৌদি আরবের ভূখণ্ডে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনা করেনি।
তবে, সৌদি আরব পূর্বে জানিয়েছিল যে, মদিনাকে লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে ইয়াহিয়া সারি মদিনায় হামলার খবরকে ‘মিথ্যা অপপ্রচার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ফলে, এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে স্পষ্ট বিরোধ দেখা দিয়েছে।
এর আগে, মক্কা ও মদিনায় হামলার চেষ্টা করার অভিযোগ হুতিদের বিরুদ্ধে উঠেছিল। তবে, ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি এসব অভিযোগকে অস্বীকার করে আসছে।
এদিকে, সৌদি আরব এবং তাদের সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত চলাকালীন হুতিরা নতুন এলাকা দখলে নিয়েছে বলে এএফপির একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৭ দিনের সংঘাতে গোষ্ঠীটি আরো ১৫ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
হুতিরা দাবি করেছে যে, ইয়েমেনে সৌদি বাহিনীর হামলার প্রতিক্রিয়ায় সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এসব স্থাপনা তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গ্যাসের কম্প্রেসার লাইন বিস্ফোরণের ফলে স্বামী-স্ত্রী দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন।
ঘটনার চার দিন পর বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু ঘটে।
মৃতদের মধ্যে রয়েছেন শরিফ হোসেন (৩৪) এবং তার স্ত্রী রোজিনা আক্তার (৩০)।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, বিস্ফোরণের ফলে রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ এবং শরিফের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তারা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৪টায় রোজিনা আক্তার এবং কিছু সময় পর তার স্বামী শরিফ হোসেন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
দগ্ধ অন্য দুইজন, নিহতের শ্যালক রিয়াজ (৪০ শতাংশ) এবং ভবনের তত্ত্বাবধায়ক রনি মিয়া (৭০ শতাংশ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই চিকিৎসক।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টায় সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর সোনাপুর উত্তরপাড়া গ্রামের শাহ আলম মিয়ার ৬ তলা ভবন ইসলাম টাওয়ার-এর দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে কম্প্রেসার লাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের ফলে কক্ষটিতে উপস্থিত শরিফ, রোজিনা, রিয়াজ ও রনি দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরিফ হোসেন (৩৪) ও তার স্ত্রী রোজিনা আক্তারের মৃত্যু ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ডেমরায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী কোরআনে হাফেজদের মাঝে সাদাছড়ি এবং ব্রেইল কোরআন শরিফ বিতরণ ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেছেন ছাত্রদলের সহসভাপতি কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত। বিশ্ব সাদাছড়ি দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ডেমরার মদিনাতুল উলূম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এতিমখানা লিল্লাহ বোডিং মাদ্রাসায় এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।
এ সময় মাদরাসার শিক্ষকবৃন্দ এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
যেসব ছাত্র ব্রেইল কোরআন শরীফে হাতের স্পর্শের মাধ্যমে কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করেন, তাদের জন্য বিশেষ একটি দিন উপহার দেওয়ার উদ্দেশ্যে এ আয়োজন করা হয়েছে ছাত্রদল নেতা বাসিতের পক্ষ থেকে।
এমন উদ্যোগে মাদরাসার দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী অত্যন্ত খুশি। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ৪০ জন ছাত্রের মাঝে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সাদাছড়ি ও ব্রেইল কোরআন শরিফ উপহার প্রদান করা হয়। এ সময় বাসিত সবার সঙ্গে দুপুরের খাবারও গ্রহণ করেন।
কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত মন্তব্য করেন, "এখানকার অনেক ছাত্র পৃথিবীর সুন্দর আলো দেখেন না। রাজনীতির কারণে যে মানবিকতাবোধ জন্ম নিয়েছে, দেশের প্রতি দায়িত্ব সৃষ্টি হয়েছে, সেই কারণে আগামীর বাংলাদেশে ভূমিকা রাখতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই, এমন মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জাহরাত আদিব চৌধুরী। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এটি নিশ্চিত করা জরুরি যে, প্রত্যাবাসনের পর তাদের পুনরায় শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসতে না হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহরাত আদিব চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আশ্রয় নেওয়া মানুষ অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। তারা মিয়ানমারের শিক্ষাক্রম অনুযায়ী শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে না। তহবিল সংকটের কারণে ক্যাম্পে বিভিন্ন মানবিক সহায়তা ও সেবামূলক কার্যক্রম সংকুচিত হয়ে পড়েছে, যা রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলছে।
তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সংকটের সমাধান এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারে পৌঁছে জাহরাত আদিব চৌধুরীর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সরাসরি উখিয়ার রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করে।
প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন এস কে আজিজুল বারী, সৈয়দ আল নোমান, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, সানজিদা ইসলাম তুলি ও ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম। এ সময় কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীও প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদল রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সার্বিক পরিস্থিতি, শরণার্থীদের জীবনযাপন, মানবিক সহায়তা কার্যক্রম এবং প্রত্যাবাসন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিনিধিদলের ক্যাম্প-৬-এর রোহিঙ্গা হেরিটেজ সেন্টার, ক্যাম্প-৯-এর তুর্কি হাসপাতাল এবং ক্যাম্প-৪-এ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) খাদ্য বিতরণকেন্দ্র পরিদর্শনের কর্মসূচি ছিল। এছাড়া ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গা যুবক ও নারীদের সঙ্গে মত বিনিময়েরও কর্মসূচি রাখা হয়।
বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে প্রত্যাবাসনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছে। তবে, প্রত্যাবাসন টেকসই করতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা জরুরি বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ