০২:১৫ পি.এম
ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ওমর সানী ও মৌসুমীকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি, তাদের ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি কৌশলে পরিবারের সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাসা থেকে মাকে বের করে দিয়েছেন। তবে, ওমর সানী এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। ফারদিন এবার মাকে নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেজগুলোকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ওমর সানী জানিয়েছেন, তার ছেলে ফারদিন বর্তমানে দুবাইয়ে অবস্থান করছেন এবং মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কোনো সম্পত্তি নেই। ফলে, মৌসুমীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার যে খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
ফারদিনের অভিযোগ, ওমর সানীর বক্তব্যের পরেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পেজে একই ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। তিনি সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন। অন্যথায়, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
আরও পড়ুন: দীপিকার ৮ ঘণ্টার শিফটের দাবি নিয়ে ইশিতার প্রতিক্রিয়া
ফেসবুক পোস্টে ফারদিন উল্লেখ করেন, ‘২৪ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি, তারপরে উকিল নোটিশ এবং মামলা। এই কথা বলার আগে তার কলিজা কতটুকু, সে বাংলাদেশের জন্ম কি না, সেটা আমার দেখা দরকার আছে। আমার মা হচ্ছে আমার মাথার তাজ। অনেক হয়েছে, প্যাকেটে করে বাসায় যাও, এইগুলো ডিলিট করার সময় ২৪ ঘণ্টা, না হলে বাকিটা পরশু দেখা যাবে।’
ফারদিনের পোস্টে দুটি ফেসবুক পেজের স্ক্রিনশট দেখা গেছে। তার অভিযোগ, পেজ দুটিতে ওমর সানী ও মৌসুমীর পরিবারকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচার করা হচ্ছিল। স্ক্রিনশটের পাশাপাশি একটি ভিডিওর লিংকও শেয়ার করেন তিনি, তবে লিংকটিতে ক্লিক করে ভিডিওটি আর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ছেলের ওই পোস্ট নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করে ওমর সানী তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে স্ত্রীকে নিয়ে ছড়ানো অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ছেলের অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এই অভিনেতা।
আরও পড়ুন: পরীমণি ও মেহজাবীনকে ঘিরে ভাইরাল ভিডিও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন