০৪:৩১ এম
ফুটবল দুনিয়ার সকল হিসাব-নিকাশ ও তারকা খ্যাতির অহংকার ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে স্পেনের একঝাঁক ক্ষ্যাপাটে তরুণ। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ডালাসের মাঠে ফ্রান্সের সাজানো গোছানো ফরাসি বিপ্লবকে পুরোপুরি স্তব্ধ করে দিয়েছেন লা রোহারা। কিলিয়ান এমবাপ্পে, ওসমানে ডেম্বেলে কিংবা মাইকেল অলিসের মতো একটি অসাধারণ মহাতারকা খচিত ফ্রান্স দলকে ২-০ গোলে পরাজিত করে বিশ্বকাপের ফাইনালে টিকিট কাটলো লুইস দে লা ফুয়েন্তের তরুণ ব্রিগেড।
কাগজে-কলমে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ফ্রান্স ছিল অধিক প্রাধান্যশীল এবং এই স্পেনকে অনেকেই চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে ভাবনায়ই আনতে পারেনি। কিন্তু মাঠের ফুটবলে নামের চেয়ে যে দলীয় রসায়ন বড়, তা প্রমাণে সক্ষম হলেন লামিন ইয়ামাল, পেড্রো পোরো এবং তাদের মতো আরও তরুণরা। ম্যাচের ২২ মিনিটে ইয়ামাল এর দ্রুত গতিকে থামাতে গিয়ে ফরাসি ডিফেন্স পেনাল্টি উপহার দেয় এবং স্পেনের জন্য এগিয়ে যাওয়া গোল করেন মিকেল ওয়ারজাবাল। এরপর, ৫৪ মিনিটে দানি ওলমোর পাস থেকে পেড্রো পোরোর অসাধারণ গোল ফ্রান্সের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেয়। ৬০ মিনিটে অফসাইডের কারণে ইয়ামালের আরেকটি গোল বাতিল হলে ফরাসিদের লজ্জা আরও বাড়তো।
পুরো ৯০ মিনিট জুড়ে স্পেনের দুই মাঝমাঠের জেনারেল রদ্রি এবং ফ্যাবিয়ান রুইজ ফরাসি আক্রমণভাগকে রীতিমতো বোতলবন্দী করে রাখেন। হারের হতাশায়, শেষদিকে মেজাজ হারিয়ে ফরাসি অধিনায়ক এমবাপ্পে স্প্যানিশ কিপারকে ফাউল করে বসেন, যা নির্ধারিত ৯০ মিনিটে তার ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ পরাজয়ের ট্র্যাজেডিকে আরও ফুটিয়ে তোলে। মহাতারকাদের নামের বড়াইকে চূর্ণ করে, একঝাঁক তরুণের চোখ ধাঁধানো ফুটবলশৈলী দিয়ে স্পেনের এই ফাইনালের যাত্রা বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মহাকাব্য হয়ে থাকবে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন