ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কঙ্গোতে ইবোলার ভয়াবহ বিস্তার, আক্রান্ত ১,৩০০ ছাড়িয়ে মৃত্যু ৩৭৭


কঙ্গোতে ইবোলার ভয়াবহ বিস্তার, আক্রান্ত ১,৩০০ ছাড়িয়ে মৃত্যু ৩৭৭

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ার পাশাপাশি এবার নতুন একটি প্রদেশেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে।

স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা, স্থানীয়দের অবিশ্বাস এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০৭ জনের শরীরে ইবোলা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩৭৭ জন।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

সোমবার (২৯ জুন) রাতে প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে কঙ্গোর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, ইতুরি, উত্তর কিভু ও দক্ষিণ কিভু প্রদেশে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদিকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ভাইরাসটি এখন চতুর্থ প্রদেশ ওত-উয়েলেতেও ছড়িয়ে পড়েছে।

কঙ্গো ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োমেডিকেল রিসার্চের (আইএনআরবি) সূত্রের বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, ইতুরির রাজধানী বুনিয়া থেকে এক সংক্রমিত ব্যক্তি ওত-উয়েলে ভ্রমণ করার পর সেখানে প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হয়। পরে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে সংক্রমণের উৎস শনাক্ত এবং তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।

ওত-উয়েলে প্রদেশের সঙ্গে দক্ষিণ সুদান ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের সীমান্ত থাকায় সংক্রমণ আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পুরো উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রায় দেড় কোটি মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, গত মে মাস থেকে সংঘাতকবলিত ইতুরি প্রদেশে নতুন করে ইবোলার প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। বিশেষ করে ঐতিহ্যগত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় মৃতদেহ স্পর্শ করার কারণে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় জনগণের অবিশ্বাস। নিরাপদ দাফনের ব্যবস্থা করতে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা বারবার বাধার মুখে পড়ছেন। অনেক পরিবার এখনো প্রচলিত নিয়মে মৃতদেহ স্পর্শ করে শেষ বিদায় জানাচ্ছে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ইতুরির রুয়ামপারা এলাকার একটি চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক ক্যাথরিন ওয়ামবুয়া-সোই জানান, স্বাস্থ্যকর্মীরা পর্যাপ্ত সুরক্ষাসামগ্রী, ওষুধ, দ্রুত শনাক্তকরণ কিট এবং মরদেহ সংরক্ষণের ব্যাগের অভাবে কাজ করছেন। এছাড়া কয়েকটি চিকিৎসাকেন্দ্র হামলারও শিকার হয়েছে। গত মাসে একদল বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি একটি চিকিৎসা শিবিরের তাঁবুতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাজধানী কিনশাসাসহ চারটি প্রদেশে জনসমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কঙ্গো সরকার। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের আশা, এই পদক্ষেপ ভাইরাসের বিস্তার কমাতে সহায়ক হবে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চসিকের ২২৬০ কোটি টাকার নতুন বাজেট ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


চসিকের ২২৬০ কোটি টাকার নতুন বাজেট ঘোষণা

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দুই হাজার ২৬০ কোটি ২৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাজেট ঘোষণা করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এর পাশাপাশি বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য এক হাজার ৬৬৫ কোটি ৯২ লাখ ১৬ হাজার ৪০০ টাকার সংশোধিত বাজেটও উপস্থাপন করা হয়। মেয়র শাহাদাত হোসেন নিজের মেয়াদে দ্বিতীয় বাজেট ঘোষণার সময় চট্টগ্রাম মহানগরকে ক্লিন-গ্রিন, হেলদি ও সেইফ সিটি, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এবং অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাসযোগ্য নান্দনিক পর্যটন নগর হিসেবে প্রতিষ্ঠার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটেও অন্যান্য বারের মত সর্বোচ্চ ৯৭৫ কোটি টাকা উন্নয়ন অনুদান খাতে আয় ধরা হয়েছে। এছাড়াও হার কর ও অভিকর খাতে ৪২৬ কোটি টাকা এবং বকেয়া কর খাতে ১৯৭ কোটি টাকা আয় ধরা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে সর্বোচ্চ ৮২৫ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে উন্নয়ন খাতে, এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে বেতন ভাতা ও পারিশ্রমিক খাতে। অনুষ্ঠানে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের জন্য কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করাই আমার লক্ষ্য। অতীতে অযৌক্তিকভাবে যেসব গৃহকর নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেগুলো যৌক্তিক করতে নিয়মিত রিভিউ বোর্ড বসানো হচ্ছে। যাচাই বাছাইয়ের পর সঠিক ও ন্যায্যভাবে কর নির্ধারণ করা হচ্ছে।’ তিনি যোগ করেন, ‘বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই। বন্দর, রেলওয়ে, ৩৬টি কনটেইনার টার্মিনাল ও অয়েল কোং লিমিটেডসহ বড়ো শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও করপোরেট সংস্থাগুলোকে অবশ্যই তাদের নিকট প্রাপ্য রাজস্ব পরিশোধ করতে হবে। কারণ রাজস্ব আদায়ের সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতি প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতি প্রকাশ

বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষণা করেছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম নতুন মুদ্রানীতি। ৩০ জুন, ২০২৬ তারিখে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর মুদ্রানীতির অবস্থান ধরে রেখে এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছে। নীতি সুদহার (পলিসি রেপো রেট) ১০ শতাংশই রাখা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ৩০ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান এই নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানসহ অন্যান্য ডেপুটি গভর্নর ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নীতির সুদহার অপরিবর্তিত রাখার পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ঋণের স্থবিরতা কাটানোর জন্য উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে গতি আনতে শিল্প, কৃষি এবং কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা খাতের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ ১৯৭২ (২০০৩ সালে সংশোধিত) অনুযায়ী মূল্যস্ফীতি কম এবং স্থিতিশীল রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান লক্ষ্য। টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার মাধ্যমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রকৃত বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ করাই এই নীতির উদ্দেশ্য।

এদিকে, মুদ্রানীতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় অর্থনীতি নানা চাপের মধ্যে ছিল। ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, আর্থিক ব্যবস্থায় আস্থাহীনতা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে নিম্ন ও প্রান্তিক আয়ের মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। সরকার মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি রপ্তানিমুখী ও বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধির কৌশল অনুসরণ করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি ১১ দশমিক ৭ শতাংশে উঠেছিল। কঠোর মুদ্রানীতির কারণে তা কমে ২০২৬ সালের মে মাসে ৯ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। যদিও মূল্যস্ফীতি এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না আসায় সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং ৭ দশমিক ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ধারণা মতে, দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্যের অস্থিরতা, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, সরকারের উচ্চ ঋণগ্রহণ, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিকের ঝুঁকিতে বসবাস করছেন: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিকের ঝুঁকিতে বসবাস করছেন: মির্জা ফখরুল

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, জানান যে, বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছেন।

তিনি মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের যৌথ জরিপ প্রতিবেদন মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০১৯ অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছেন। তিনি বলেন, আর্সেনিক ঝুঁকি দূর করতে সাধারণ জনগণকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এতে ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হবে।

তিনি আরও জানান, গভীর নলকূপের পাশাপাশি পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পুকুর খনন ও পুনঃখনন সহ সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, বর্তমানে যারা আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে আছেন, তাদের হার ২০২৬ সালের মধ্যে শতকরা ৫-৬ শতাংশে নেমে আসবে।

এছাড়া, গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ফলে প্রাপ্ত সফলতা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান:

১। সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প: এ পর্যন্ত ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

২। উপকূলীয় জেলাসমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প: ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

৩। পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্প (সমাপ্ত): ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

৪। পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্প (সমাপ্ত): ৮৮ হাজার ২৩৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

৫। অগ্রাধিকারমূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্প (সমাপ্ত): ১ লাখ ৩৮ হাজার ০৫৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হতাশা নিয়েই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় জার্মানির, অপেক্ষা আরও দীর্ঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


হতাশা নিয়েই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় জার্মানির, অপেক্ষা আরও দীর্ঘ

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল দল জার্মানির দুঃসময় যেন কাটছেই না। একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চে আধিপত্য বিস্তার করা চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এখন টানা তিন আসরে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপেও তাদের শেষ বত্রিশ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে আরও গভীর হয়েছে জার্মান ফুটবলের সংকট।

২০১৪ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকেই জার্মানি ছন্দ হারাতে শুরু করেছে। ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল। তবে এবার কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দুর্দান্ত সূচনা করলেও নকআউট পর্বের প্রথম বাধাই তারা পেরোতে পারেনি।

ফক্সবরোর বোস্টন স্টেডিয়ামে নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় শেষে সমতায় থাকা ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানে স্নায়ুর লড়াইয়ে জয়ী হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে প্যারাগুয়ে। আর হতাশায় ডুবে যায় জার্মানি।

ম্যাচ শেষে জার্মানি কোচ ইউলিয়ান নাগলসমান তার হতাশা লুকাননি। তিনি স্বীকার করেছেন, ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে জার্মানি এখন আর ফুটবলের প্রথম সারির দল নয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, টানা তিনটি বড় আসরে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হওয়া জার্মান ফুটবলের মানের সঙ্গে যায় না।

তবে নাগলসমান অতিরিক্ত সময়ে ভিএআরের মাধ্যমে জোনাথান টাহর হেড থেকে করা গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার দাবি, সেই সিদ্ধান্ত ম্যাচের গতিপথ বদলের ক্ষমতা রাখে।

অন্যদিকে, প্যারাগুয়ে নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিয়ে জার্মানিকে এক মুহূর্তের জন্যও স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি। টাইব্রেকারে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর পুরো মাঠজুড়ে আনন্দে ফেটে পড়েন তাদের সমর্থকরা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি তাদের অন্যতম স্মরণীয় জয় হয়ে থাকবে।

জার্মানির সাবেক তারকা ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান এই হারকে বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেছেন। বিশ্লেষকদের মধ্যে কিছু মানুষ ইতোমধ্যেই নাগলসমানের পদত্যাগ দাবি করতে শুরু করেছেন, তবে এখনই তিনি দায়িত্ব ছাড়তে রাজি নন। জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন চাইলে দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়েছেন নাগলসমান। তার মতে, বর্তমান অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে নতুন পরিকল্পনা এবং নতুন পথ খুঁজতে হবে।

একসময় বিশ্বকাপের সবচেয়ে ভয়ংকর দল হিসেবে পরিচিত জার্মানি আজ টানা ব্যর্থতার ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়েছে। সেই ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে কবে আবার বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে ফিরবে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা- সেই অপেক্ষা আবারও বেড়ে গেল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%