বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:২৮ পি.এম
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৮৬ জন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৪১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ৩২ হাজার ১০৫ জন।
গতকাল বুধবার ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং মঙ্গলবার একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু ঘটে। এছাড়া গেল ৬ ও ১৫ অক্টোবর ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জন করে মারা গিয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহান আল্লাহ জিন ও মানুষকে একমাত্র তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং, মানুষের কর্তব্য হলো সবসময় মহান আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন থাকা। সময় নষ্ট না করে বরং মহান আল্লাহর স্মরণে সর্বদা নিয়োজিত থাকা উচিত।
জিকিরের অর্থ হলো মহান আল্লাহর স্মরণ করা। জিকির হলো সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম ইবাদত। কারণ, মহান আল্লাহর স্মরণই হচ্ছে যাবতীয় ইবাদতের মূল লক্ষ্য। দিনের যে কোনো সময় করা যায় এমন জিকির হলো--
বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করা
দিনের সবসময় ইস্তিগফার পাঠ করা যেতে পারে। ইস্তিগফার পাঠের মাধ্যমে বান্দার অভাব দূর হয়। পাপের ক্ষমা লাভ হয় এবং সন্তান-সন্ততির অভাব থাকে না। রিজিকের মধ্যে বরকত আসে। অভাবমুক্ত থাকার জন্য পবিত্র কোরআনে বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর ফলে মহান আল্লাহ মানুষকে উত্তম রিজিকসহ অসংখ্য নেয়ামতে ধন্য করবেন বলেও উল্লেখ করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন,
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّاراً*يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَاراً*وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَلْ لَكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَلْ لَكُمْ أَنْهَاراً
অতঃপর বলেছি-– তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দেবেন। তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি বাড়িয়ে দেবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্য নদী-নালা প্রবাহিত করবেন। (সুরা নুহ, আয়াত : ১০-১২)
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বর্ণনায় এসেছে যে রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি লাগাতার তওবা-ইস্তিগফার করবে; মহান আল্লাহ সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন; সব দুশ্চিন্তা দূর করবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস: ১,৫১৮; ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৩,৮১৯; মুস্তাদরাকে হাকেম, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২৯১, হাদিস: ৭,৬৭৭)
ইস্তিগফারের বাক্য
أَستَغْفِرُ اللهَ উচ্চারণ : আস্তাগফিরুল্লাহ। অর্থ : আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ উচ্চারণ : আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি। অর্থ : আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর দিকে ফিরে আসছি।
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ উচ্চারণ : আস্তাগফিরুল্লা হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলায়হি।
অর্থ : আমি ওই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছে (তাওবাহ করে) ফিরে আসি।
নবীজির ওপর দরুদ পাঠ করা
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ দরুদ পাঠের নির্দেশ দিয়ে বলেন,
اِنَّ اللّٰهَ وَ مَلٰٓئِکَتَهٗ یُصَلُّوۡنَ عَلَی النَّبِیِّ ؕ یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا صَلُّوۡا عَلَیۡهِ وَ سَلِّمُوۡا تَسۡلِیۡمًا ‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর ওপর দরুদ পাঠান, হে ঈমানদার ব্যক্তিরা, তোমরাও নবীর ওপর দরুদ পাঠাতে থাকো এবং উত্তম অভিবাদন (সালাম) পেশ করো।’ (সুরা আহজাব, আয়াত: ৫৬)
আল্লাহ তাআলার এই নির্দেশ একদিকে যেমন আল্লাহর কাছে তাঁর রাসুলের মর্যাদার প্রমাণ, অন্যদিকে মুমিন বান্দার রহমত, বরকত ও অবারিত কল্যাণ লাভের অন্যতম উপায়।
হজরত উবাই ইবনে কাব (রা.) বলেন, একবার রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর জিকিরের ওপর খুব গুরুত্ব দিলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি আপনার প্রতি বেশি বেশি দরুদ পাঠ করি। আমি আমার দোয়ার কতভাগ আপনার জন্য নির্ধারণ করব? তিনি বললেন, তোমার যে পরিমাণ ইচ্ছা। আমি বললাম, চার ভাগের এক ভাগ? তিনি বললেন, তোমার যতটুকু ইচ্ছা। তবে বেশি করলে আরও ভালো। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক? তিনি বললেন, তোমার যতটুকু ইচ্ছা। তবে বেশি করলে আরও ভালো। আমি বললাম, তাহলে তিন ভাগের দুই ভাগ? তিনি বললেন, তোমার যতটুকু ইচ্ছা হয়। তবে বেশি করলে আরও ভালো। আমি বললাম, তাহলে কি আমার দোয়ার পুরোটাই হবে আপনার প্রতি দরুদ? তিনি বললেন, তবে তো তোমার উদ্দেশ্য অর্জন হবে, তোমার গুনাহ মাফ করা হবে।’ (তিরমিজি: ২/৭২)
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহর জিকির করা
হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাছের একটি ডাল ধরে ঝাঁকি দিলেন, কোনো পাতা পড়ল না। তিনি আবার ঝাঁকি দিলেন; এবারও কোনো পাতা পড়ল না। তবে তৃতীয়বার ঝাঁকি দেয়ার পর অনেক পাতা ঝরল। তখন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘নিশ্চয় সুবহানাল্লাহ, আলহামদু লিল্লাহ, লা-ইলা-হা ইল্লাহ ও আল্লাহু আকবার বলা বান্দার গুনাহ ঝরিয়ে দেয়, যেমন (শীতকালে) গাছ তার পাতা ঝরায়।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ১২৫৩৪)
জিকিরগুলো হলো:
এক. سُبْحَانَ اللَّهِ : সুবহানাল্লাহ : আর আল্লাহ তাআলা অতি পবিত্র।
দুই. اَلْحَمْدَ لِلَّهِ : আলহামদুলিল্লাহ : সব প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য।
তিন. لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু : আর আল্লাহ তাআলা ছাড়া সত্য কোনো মাবুদ নেই।
চার. وَاللَّهُ أَكْبَرُ : ওয়াল্লাহু আকবার : এবং তিনি অতি মহান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত যুবদলকর্মী আবু ইউসুফ, যিনি জীবন নামেও পরিচিত (২৭), মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাকে পায়ে ছুরিকাঘাত ও গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার ডান পা কেটে ফেললেও শেষ পর্যন্ত আবু ইউসুফকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
জীবনের পরিবার হামলার জন্য মহানগর যুবদল নেতা জিল্লুর রহমান ও তার অনুসারীদের দায়ী করেছেন।
বায়েজীদ বোস্তামি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকার ২ নম্বর সড়কে জীবনের ওপর হামলা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পায়ে প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে তার মৃত্যু হয়।
ওসি আরও বলেন, হামলার ঘটনায় বুধবার জীবনের মা বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেছিলেন। সেটি এখন ধারা পাল্টে হত্যা মামলা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপান সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকায় ফেরার বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। ফলে, তার যাত্রা বিলম্বিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটির উড্ডয়নের নির্ধারিত সময় ছিল।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪০ মিনিট পর ককপিট থেকে পাইলট জানালেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে যাত্রা বিলম্বিত হচ্ছে। এ জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
এর আগে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে ২৬ অক্টোবর টোকিওতে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এই সফরের সময় তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া, তিনি জাপানের বিভিন্ন বেসরকারি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
সফরের শেষ ভাগে, টোকিওতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের দেওয়া একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আয়ারল্যান্ডের লেগ স্পিনার বেন হোয়াইট পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন মাত্র ২৮ বছর বয়সে। ক্রিকেটার হিসেবে তার ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটিয়ে, তিনি ইতোমধ্যে নতুন পেশায় যোগ দিয়েছেন। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান পারসোনিওতে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন হোয়াইট।
আয়ারল্যান্ডের হয়ে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছিলেন হোয়াইট গত বছরের ডিসেম্বরে। জাতীয় দলের হয়ে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৪৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলেছেন এই লেগ স্পিনার।
২০২১ সালের জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে হোয়াইটের। আয়ারল্যান্ডের রিস্ট স্পিনের ঘাটতি পূরণে তাকে দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হয়েছিল। ৩৮টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে তার শিকার ৩৬ উইকেট।
২০২১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এবং ২০২৬ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের দলে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন তিনি। তবে তিন আসরে খেলার সুযোগ পেয়েছেন মাত্র তিনটি ম্যাচে।
সাদা পোশাক ও ওয়ানডে ক্রিকেটে নিয়মিত সুযোগ পাননি হোয়াইট। ২০২৩ সালে দুটি ওয়ানডে এবং একই বছরের শুরুতে তিনটি টেস্ট খেলেছেন তিনি।
বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে অভিষেকেই তিনটি উইকেট নিয়েছিলেন হোয়াইট। তবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টানা দুটি টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারের সময় সম্মিলিতভাবে ৩২২ রান দিয়ে মাত্র একটি উইকেট পান তিনি। তার অভিষেকের আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে কোনো ম্যাচ না খেলায় লাল বলের ক্রিকেটে অভিজ্ঞতার অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
নিজের লিংকডইন অ্যাকাউন্টে অবসরের ঘোষণা দিয়ে হোয়াইট লেখেন, "অসাধারণ একটি যাত্রার পর পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে পেরে আমি আনন্দিত। পারসোনিওতে যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ড অঞ্চলের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে নতুন দায়িত্ব নিয়েছি।"
তিনি আরও লেখেন, "বছরের পর বছর আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করা, তিন সংস্করণে খেলা এবং তিনটি আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতাগুলো সব সময়ই আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের হয়ে থাকবে।"
আয়ারল্যান্ডের হয়ে খেলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে হোয়াইট বলেন, "আমার দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং শৈশবের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ দেওয়ায় ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ক্রিকেট আমাকে যে স্মৃতি, শিক্ষা ও আজীবনের বন্ধুত্ব উপহার দিয়েছে, তার জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। এই যাত্রায় যারা আমার পাশে ছিলেন, তাদের সবার প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই।"
আয়ারল্যান্ডের প্রধান কোচ গ্যারি উইলসন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হোয়াইটের অবসর নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, "বেন সব সংস্করণেই খেলেছে, তবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্যই তাকে সবচেয়ে বেশি মনে রাখা হবে। বল থেকে বাড়তি বাউন্স আদায় করার ক্ষমতা এবং দুর্দান্ত গতিতে বল করার কারণে সে প্রতিপক্ষের জন্য কঠিন হয়ে উঠত।"
উইলসন আরও বলেন, "তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাওয়া প্রমাণ করে, দলের কাছে সে কতটা মূল্যবান ছিল। নিজের ক্যারিয়ারে যা অর্জন করেছে, তা নিয়ে তার গর্বিত হওয়া উচিত।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ