রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২০ পি.এম
শ্রীলঙ্কাকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার মাধ্যমে ইংল্যান্ড আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানে পৌঁছেছে। ভারত, যারা বিশ্বকাপ জিতেছে, তাদেরকে পিছনে ফেলে ইংলিশরা আবার ১ নম্বর স্থানটি নিজেদের দখলে নিয়েছে।
সিরিজ শুরুর পূর্বে ২৬৯ রেটিং নিয়ে ইংল্যান্ড টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের সমান অবস্থানে ছিল। সিরিজের তিনটি টানা জয়ের ফলে রেটিং পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ভারতকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে হ্যারি ব্রুকের দল। ২০২৪ সালে ব্রুক অধিনায়ক হওয়ার পর থেকে এটি ইংল্যান্ডের ২৬টি পূর্ণ টি-টোয়েন্টির মধ্যে ২৩তম জয়। খবর দ্য গার্ডিয়ান
অধিনায়ক ব্রুক মন্তব্য করেন, ‘সবকিছু খুব মসৃণভাবে চলছে, বিশেষ করে ফিল্ডিংয়ে। ছেলেরা নিজেদের সঠিক জায়গায় থাকার দায়িত্ব নিজেরাই নিচ্ছে, বিশেষ করে আউটফিল্ডে আমরা যা বলছি তা তারা মন দিয়ে শুনছে।
তিনি আরও যোগ করেন, নিজেদের শতভাগ দিচ্ছে এবং এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়ার নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একজন হলিউডের অ্যাকশন তারকা এবং অন্যজন পপসংগীতের বিশ্বখ্যাত তারকা। টম ক্রুজ ও টেইলর সুইফটকে একসঙ্গে দেখলে ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। যদি দেখা যায়, ফুটবল ম্যাচে পাশাপাশি বসে তারা বেশ কিছুক্ষণ প্রাণখোলা আড্ডায় মেতে উঠেছেন, তাহলে সেই কৌতূহল আরও বৃদ্ধি পায়।
সম্প্রতি কানসাস সিটি চিফসের মৌসুমের প্রথম ম্যাচে এমন একটি দৃশ্য দেখা গেছে। পপতারকা টেইলর, তার জীবনসঙ্গী ট্র্যাভিস কেলসির দলের কানসাস সিটি চিফসের ওই ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন। সেদিন টেলিভিশনের অন্যতম বড় আয়োজন এমি অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠিত হলেও, তিনি সেখানে না গিয়ে মাঠে গিয়েছিলেন। আর সেখানে টম ক্রুজের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপে মেতে ওঠেন টেলর। দুই তারকার সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেন পাপারাজ্জিরা।
এরপর থেকেই ভক্তদের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরছিল—কী নিয়ে এতক্ষণ কথা বলছিলেন তারা? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কৌতূহলের উত্তর দিয়েছেন টম ক্রুজ। অভিনেতা জানান, সেদিন বরং টেলরই তাকে ফুটবল সম্পর্কে ‘পাঠ’ দিচ্ছিলেন। টমের ভাষায়, ‘ও আমাকে ফুটবল শেখাচ্ছিল।’ একই সঙ্গে টেলর যে ফুটবল সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন, সেটিও স্বীকার করেছেন তিনি।
কোভিড মহামারির পর দীর্ঘ সময় কোনো ফুটবল ম্যাচ দেখতে মাঠে যাননি টম। তিনি জানান, কোভিডের আগে সর্বশেষ ফুটবল ম্যাচ দেখেছিলেন। তাই অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে কানসাস সিটি চিফসের ম্যাচে উপস্থিত হওয়া ছিল তার জন্য দীর্ঘ বিরতির পর ফুটবল মাঠে ফেরার মতো। আর সেই প্রত্যাবর্তনের দিনেই পাশে পেয়েছিলেন ফুটবল সম্পর্কে অভিজ্ঞ টেলরকে।
তবে দুই তারকার আলাপ শুধু ফুটবলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। গান ও সিনেমা নিয়েও কথা হয়েছে তাদের। টেইলরের কাজের প্রতি নিজের মুগ্ধতার কথাও জানিয়েছেন টম। পপতারকার প্রশংসা করতে গিয়ে তাকে ‘জিনিয়াস’ বলেও অভিহিত করেছেন তিনি।
টমের মতে, টেইলর শুধু অসাধারণ গায়িকাই নন, একজন দক্ষ গীতিকার ও সংগীতশিল্পীও। এমনকি পরিচালনার ক্ষেত্রেও তার প্রতিভার প্রশংসা করেছেন এই হলিউড তারকা। টেইলরের ক্যারিয়ারও দীর্ঘদিন ধরে অনুসরণ করছেন টম। অল্প বয়স থেকেই কীভাবে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন টেইলর, সেটিও তার নজরে রয়েছে। ফলে সেদিনের আড্ডায় ফুটবল থেকে গান, আবার গান থেকে সিনেমা—বিভিন্ন প্রসঙ্গ উঠে আসা স্বাভাবিক।
অন্যদিকে, টম ক্রুজও টেইলর সুইফটের ভক্ত হিসেবে পরিচিত। এর আগে টেইলরের একটি কনসার্টেও উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে এই হলিউড তারকাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মোট ৭৭০ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৬৭৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এই হিসাবে দেখা যাচ্ছে, এক বছরে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩.৮ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬— এই তিন দিনে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ১৩ কোটি মার্কিন ডলার। আর ১ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১৮৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফলে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ০.৪ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জুলাই থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৭৭০ কোটি ২০ লাখ ডলার দেশে এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৬৭৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৯৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
তবে সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৯ দিনের হিসাব তুলনা করলে প্রবৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে। গত বছরের একই সময়ে ১৮৬ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বিপরীতে এবার এসেছে ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, বেড়েছে মাত্র ৮০ লাখ ডলার।
রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত। এর মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য, আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। পাশাপাশি, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশের পরিবারগুলোর ভোগ, সঞ্চয় ও বিনিয়োগেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দিকে রেমিট্যান্সে তুলনামূলক শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে সেই গতি কিছুটা কমেছে। তবে, জুলাই থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে ১৩.৮ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে যেখানে ৬৭৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার এসেছিল, সেখানে চলতি অর্থবছরের একই সময়ে এসেছে ৭৭০ কোটি ২০ লাখ ডলার। ফলে চলতি অর্থবছরের এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয় প্রবাহ আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুযোগ সহজ ও প্রতিযোগিতামূলক রাখা গেলে প্রবাসী আয় আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। ব্যাংকিং চ্যানেলে দ্রুত অর্থ পৌঁছানো, প্রবাসীদের জন্য সেবার মান উন্নয়ন এবং বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রণোদনা রেমিট্যান্স প্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সামগ্রিকভাবে, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রায় তিন মাসে প্রবাসী আয় প্রবাহের ১৩.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্বস্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনের প্রবৃদ্ধি মাত্র ০.৪ শতাংশ হওয়ায় মাসের বাকি সময়ে রেমিট্যান্সের গতি কেমন থাকে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরব এবং ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাত ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের ১০টি দেশের ভেতরে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জরুরি ভ্রমণ সতর্কবার্তা প্রকাশ করে।
সতর্কতার আওতায় থাকা দেশের তালিকায় রয়েছে—ইসরায়েল, লেবানন, জর্ডান, ইরাক, সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমান। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে এবং ফ্লাইট বাতিল, আকাশসীমা হঠাৎ বন্ধ হওয়া এবং ভ্রমণ বিঘ্নিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের বেসামরিক বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালাচ্ছে, যা যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। এছাড়া, ইরান বা তাদের সমমনা গোষ্ঠীগুলো বিশ্বের যেকোনো স্থানে মার্কিন প্রতিষ্ঠান, নাগরিক বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালানোর আশঙ্কা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বাবা-মাকে সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে এবং তার বন্ধুমহল কেমন, সে বিষয়ে খোঁজখবর রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টে এই মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান বলেছেন, "সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, তার বন্ধু সার্কেল কেমন, সেটার খোঁজখবর রাখা আমাদের প্রত্যেক বাবা-মায়ের দায়িত্বও বটে।" কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার একমাত্র সন্তান অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড সেটি আমাদের আরও স্মরণ করিয়ে দেয়।
তিনি উল্লেখ করেন, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে পুলিশ যে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে, তারা এলাকায় কিশোর গ্যাং হিসেবে পরিচিত। সিসিটিভি ফুটেজে হত্যাকাণ্ডের শিকার অপ্রতিমকে ঘাতক তুহিনের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে দেখা যায়।
রাশেদ খান আরও বলেন, "আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, অপ্রতিম একটু সিনিয়র ক্লাসের বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে পছন্দ করত।" সেই জায়গা থেকে তুহিনদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয়। তিনি বলেন, "আমরাও ছোটবেলায় এলাকার বড় ভাইদের সঙ্গে ওঠাবসা করেছি। কিন্তু এলাকার খারাপ ছেলেদের থেকে সবসময় দূরে থাকার চেষ্টা করেছি।" এক্ষেত্রে বাবা-মায়ের শাসন ও নৈতিক নির্দেশনাও বড় একটি ব্যাপার ছিল।
তিনি আরও বলেন, "দেশের সব এলাকাতেই তুহিনদের মতো কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত রয়েছে।" তারা ফেসবুকে চটকদার ছবি ও সিনেমাটিক ভিডিও প্রকাশ করে অল্পবয়সী তরুণদের আকৃষ্ট করে নিজেদের দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করে।
রাশেদ খান বলেন, "গণমাধ্যমের খবরে এসেছে, আইফোনের লোভ দেখিয়ে ছবি তোলার কথা বলে তারা শিশু অপ্রতিমকেও বিভ্রান্ত করে ঘর থেকে বের করে আনে।" বাবা-মায়ের কর্মব্যস্ততার কারণে হয়তো শিশুটির সঙ্গে তাদের যোগাযোগ তৈরি হওয়ার বিষয়টি বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, "অপ্রতীমের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কিশোর গ্যাং নির্মূলের বার্তা দেয়।" আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তিনি বলেন, "এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। নতুবা আগামীকাল আপনার-আমার সন্তানের পরিণতিও অপ্রতীমের মতো হতে পারে।"
এরপর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব নিয়ে মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, "সব ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়ী করতে পারেন, যেহেতু আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে।" কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কি বর্তমান বিরোধী দলের দেশব্যাপী নিত্যনতুন কর্মসূচির নিরাপত্তা দিতে ব্যস্ত থাকবে, নাকি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা রোধে মনোযোগ দেবে, নাকি সামাজিক অপরাধ বন্ধে বেশি গুরুত্ব দেবে? কোথায় অগ্রাধিকার থাকা দরকার? কারণ জনসংখ্যার অনুপাতে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। আর ১৬ বছরে বাহিনীগুলোকে দলীয়করণ করার অপচেষ্টার ইতিহাসও কারও অজানা নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ