০৬:৩৬ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার উথলী রেলস্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত পরিচয় (আনুমানিক) এক ব্যক্তির করুণ মৃত্যু ঘটেছে। সোমবার (৬ জুলাই) বিকালে জীবননগর উথলি প্ল্যাটফর্মের পশ্চিম দিকে চিলাহাটিগামী আপ রুপসা এক্সপ্রেস ট্রেনটির সাথে কাটা পড়ার মাধ্যমে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, অজ্ঞাত পরিচয়ের ওই ব্যক্তি বেশ কয়েকদিন ধরে উথলী রেলস্টেশন এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিলেন। সোমবার বিকালের সময় রেললাইনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তিনি একটি চলন্ত ট্রেনে কাটা পড়েন।
এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উথলী রেলস্টেশনের কর্তব্যরত মাস্টার আবু সাইদ বলেন, 'খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী আপ রুপসা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত পরিচয়ের ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।'
এদিকে, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রেলওয়ে থানা পুলিশ। দর্শনা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) রফিক জানান, 'ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের জন্য আমাদের চেষ্টা চলছে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্পে মুহূর্তেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল বিপুল সংখ্যক বহুতল ভবন। হাজারো প্রাণহানির সেই মর্মান্তিক ঘটনার মধ্যেও মানবতা, সাহস ও আশার এক অসাধারণ গল্প উঠে এসেছে। নিজের জীবন বিপন্ন করে ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে থাকা বাবা এবং দুই ছোট ভাইকে জীবিত উদ্ধার করেছেন এক যুবক। তবে সেই পরিবারের আনন্দ আজও অপূর্ণ- কারণ ধ্বংসস্তূপের নিচেই নিখোঁজ রয়েছেন তাদের মা।
মুহূর্তেই ধসে পড়ল ১১ তলা ভবন
গত ২৪ জুন স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটের দিকে ভেনেজুয়েলার উপকূলীয় রাজ্য লা গুয়াইরার কারাবায়েদা এলাকায় ৭ দশমিক ২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে আরও শক্তিশালী ৭ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প পুরো এলাকাকে কাঁপিয়ে দেয়।
সেই সময় গাড়ি মেরামতের কারিগর ৪৬ বছর বয়সী হোসে গার্সিয়া স্ত্রী ও দুই ছোট ছেলে- ৭ বছরের দিয়েগো এবং ১২ বছরের সান্তিয়াগোকে নিয়ে ১১ তলা রিতাসোল প্যালেস ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে ছিলেন।
কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পুরো ভবনটি ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান হোসে ও তার দুই ছেলে। ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে তারা গিয়ে আটকে পড়েন ভবনের বেজমেন্টের ধ্বংসাবশেষে।
হোসে বলেন, “জীবনে এর চেয়ে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা আর হতে পারে না। মনে হচ্ছিল, আর কখনও বের হতে পারব না।”
জানতেন না পরিবার বেঁচে আছে কি না
হোসের বড় ছেলে ২৬ বছর বয়সী জেসুস গার্সিয়া আগে লা গুয়াইরার দমকল বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। চাকরি ছেড়ে দিলেও এক সহকর্মী তার অগ্নিনির্বাপণ পোশাক ও হেলমেট নিজের কাছে রেখে দিয়েছিলেন। ভূমিকম্পের রাতে সেই সরঞ্জামই কাজে লাগে।
ভবন ধসে পড়ার খবর পেয়ে জেসুস দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। কিন্তু তখনও তিনি জানতেন না, তার বাবা-মা ও ভাইয়েরা বেঁচে আছেন, নাকি সবাই মারা গেছেন।
ধ্বংসস্তূপে পৌঁছে তিনি প্রথমে তার সাবেক সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করেন। তিনিই জেসুসকে জানান, “তোমার বাবা জীবিত আছেন। নিচে তোমার দুই ভাইকে নিয়ে আটকে আছেন।”
প্রথমে বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারেননি জেসুস। কিন্তু কিছুক্ষণ পর ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে বাবার কণ্ঠ ভেসে আসে- “আমাকে এখানে রেখে যেও না।”
জেসুস তখন বাবাকে আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনি শান্ত থাকুন। বাচ্চাদেরও শান্ত রাখুন। আমি আপনাদের ছাড়া এখান থেকে ফিরব না।”
ধ্বংসস্তূপের নিচে দীর্ঘ ২০ ঘণ্টা
তখন পর্যন্ত এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে ছিলেন হোসে ও তার দুই ছেলে। সৌভাগ্যবশত তারা গুরুতর আহত হননি, তবে সামান্য নড়াচড়াতেই ধ্বংসস্তূপ ভেঙে পড়ে প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল।
হোসে বলেন, “প্রথমেই আমার সন্তানদের কথা মনে হয়েছিল। ছোট ছেলেটিকে বুকের কাছে জড়িয়ে রেখেছিলাম। বড় ছেলেটি পাশেই চাপা পড়েছিল। আমি শুধু তার একটি হাত আর একটি পা দেখতে পাচ্ছিলাম।”
নিজে আতঙ্কিত হলেও দুই শিশুকে সাহস জোগানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি।
উদ্ধার অভিযানে ছেলের নিরলস লড়াই
বাবা ও ভাইদের জীবিত থাকার খবর পাওয়ার পরই উদ্ধারকাজ শুরু করেন জেসুস। কিন্তু দ্রুত বুঝতে পারেন, ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য ভারী যন্ত্রপাতি ছাড়া তাদের বের করা সম্ভব নয়।
রাত পেরিয়ে পরদিন সকালে পুলিশ ও বিশেষ উদ্ধারকারী দল জ্যাকহ্যামারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
লা গুয়াইরার দমকল বাহিনীর সদস্যরাও তাদের সাবেক সহকর্মীর পাশে দাঁড়ান। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর ২৫ জুন বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে, অর্থাৎ ভূমিকম্পের প্রায় ২০ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় হোসে এবং তার দুই ছেলেকে।
ছোট দুই ভাইকে বুকে জড়িয়ে ধরে জেসুস আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
তিনি বলেন, “ওদের দেখে জড়িয়ে ধরলাম, চুমু খেলাম এবং বললাম, ‘আমি তোমাদের ভালোবাসি।’ এরপর একটু দূরে গিয়ে আর নিজেকে সামলাতে পারিনি। কান্নায় ভেঙে পড়ি।”
অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও নিখোঁজ স্ত্রী
মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেও হোসের জীবনে দুঃখের শেষ হয়নি। ভূমিকম্পের ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও তার স্ত্রী এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচেই আটকে রয়েছেন। তবু আশা ছাড়েননি তিনি।
হোসে বলেন, “যেভাবে বিশ্বাস করেছিলাম আমি ও আমার সন্তানরা জীবিত বের হয়ে আসবো, ঠিক সেভাবে এখনও বিশ্বাস করি, আমার স্ত্রীকেও জীবিত উদ্ধার করা হবে। আমি আশা হারাইনি।”
হাজারো পরিবারের একই করুণ পরিণতি
হোসে গার্সিয়ার গল্প ভেনেজুেলার হাজারো বিপর্যস্ত পরিবারের একটি মাত্র উদাহরণ।
রিতাসোল প্যালেস থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে নিজের ধসে পড়া অ্যাপার্টমেন্টের সামনে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন আন্দ্রেইনা রে।
ভূমিকম্পের সময় তিনি জীবিকার তাগিদে প্রতিবেশী কলম্বিয়ার একটি কয়লাখনিতে রাঁধুনির কাজ করছিলেন। খবর পেয়ে দ্রুত দেশে ফিরলেও ততক্ষণে সব শেষ।
তার মেয়ে, দুই নাতি-নাতনি, মেয়ের শ্বশুর-শাশুড়ি ও ভাশুর- সবাই ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ।
মেয়ের ২০তম জন্মদিনেও তিনি ধ্বংসস্তূপের সামনে স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় একটি কেকে মোমবাতি জ্বালান। এরপর কান্নায় ভেঙে পড়েন।
তিনি বলেন, “আমি আমার পুরো পরিবারকে হারিয়েছি। এখন এই পৃথিবীতে আমার আর কিছুই নেই।”
ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহ চিত্র
ভেনেজুয়েলা সরকারের তথ্যানুযায়ী, ভূমিকম্পে অন্তত ৮৫৬টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ১৯০টি সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। তবে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সরকারি হিসাবের চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তিন হাজার তিনশ’র বেশি মানুষের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এখনও হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রতিদিন নতুন নতুন মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে।
হাজারো মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। বহু এলাকায় বিদ্যুৎ, পানি ও স্বাস্থ্যসেবা এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
সরকারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ইয়ান কস্তার মতে, এই দুর্যোগ শুধু মানুষের ঘরবাড়িই ধ্বংস করেনি, ভবিষ্যৎ নিয়েও চরম অনিশ্চয়ের মধ্যে ফেলেছে।
তিনি বলেন, “মানুষ জানে না তারা কোথায় যাবে, কীভাবে নতুন জীবন শুরু করবে। এই অনিশ্চয়তাই সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা।”
সরকারের ধীরগতির ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছাতে বিলম্ব হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে ত্রাণ কার্যক্রমেও বাধা সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে রিতাসোল প্যালেসের ধ্বংসস্তূপের পাশে প্রতিদিন দাঁড়িয়ে আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলোর কাজ দেখেন হোসে গার্সিয়া। সামনে কী অপেক্ষা করছে, সে প্রশ্নের কোনও উত্তর তাঁর কাছে নেই।
তিনি বলেন, “আমাদের আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হবে। কিন্তু কীভাবে শুরু করব, কতটা মূল্য দিতে হবে, ভবিষ্যৎ কী হবে- কিছুই জানি না।”
সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে শিশুদের খেলাধুলা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের কারণে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে সোহাগ শেখ (২৮) নামের এক ঝালমুড়ি বিক্রেতা যুবক নিহত হয়েছেন। সোহাগ শেখের মৃত্যু ঘটে রোববার (৫ জুলাই) রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোলারচক গ্রামে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি পরিবার শোকস্তব্ধ।
সোহাগ শেখ ওই গ্রামের নাসির শেখের ছেলে ছিলেন। তিনি ভ্যানে করে ছোলা-মুড়ি বিক্রি করতেন। মৃত্যুর সময় তার স্ত্রী ও তিন সন্তান ছিল। অন্যদিকে, অভিযুক্ত আউয়াল শেখ (২৬) একই গ্রামের নাবিউল শেখের ছেলে এবং নিহত সোহাগের আপন চাচাতো ভাই।
নিহতের পরিবার থেকে পুলিশ জানায়, রোববার সন্ধ্যায় সোহাগ শেখ ও আউয়াল শেখের শিশু সন্তানদের মধ্যে খেলাধুলা করার সময় ঝগড়া হয়। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য সোহাগ উভয় পক্ষের শিশুদের শাসন করে বাড়িতে পাঠান। পরে রাত ৯টার দিকে আউয়াল শেখ বাড়িতে ফিরে তার সন্তানকে শাসন করার বিষয়টি জানার পর ক্ষুব্ধ হন। এরপর তিনি স্থানীয় দাউদ চৌকিদারের দোকানের সামনে গিয়ে সোহাগের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আউয়াল উত্তেজিত হয়ে তার হাতে থাকা ছুরি দিয়ে সোহাগের শরীরে উপর্যুপরি আঘাত করেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা সোহাগকে উদ্ধার করে প্রথমে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে।
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রমজানুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, 'নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। অভিযুক্ত আউয়ালকে গ্রেফতারে পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযান শুরু করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা দায়ের করা হবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, তার বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মতো নিজের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী এমন তথ্য জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও তাদের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সোমবার রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন, যা বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা মিটিং হয়েছে। একজন প্রধানমন্ত্রী, অনেক বড় প্রশ্ন…। একটা দেশের প্রশাসনিক প্রধান ব্যক্তি আজকের মিটিংয়ে খুব বিনয়ের সঙ্গে বলেছেন- মন্ত্রী মহোদয়গণ, আমি একটা কথা বলবো আজকে, বিনয় করে বলা, আপনারা রাখতেও পারেন আমার কথাটা, নাও রাখতে পারেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি কিন্তু হুবহু কোট করছি-রাখতেও পারেন আমার কথাটা নাও রাখতে পারেন। তবে আমি অনেক চিন্তাভাবনা করে দেখেছি, আপনাদের আমার বলা উচিত, এখন আপনাদের ইচ্ছা! যেটা বলব, আমি এটা করছি। আমার আব্বা (শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান) প্রতিমাসে তার বেতন থেকে ১০ শতাংশ বেতন সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতেন গরিব-মিসকিন মানুষদের সহযোগিতা করার জন্য অথবা সরকারি কোনো প্রয়োজনে খরচ করার জন্য। আমি কিন্তু বেতন নিচ্ছি, না নিয়ে চলতে পারতেছি না। আমার বেসিক বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা, ১০ শতাংশ হারে আমি ১১ হাজার ৫০০ টাকা প্রতি মাসে বেতন থেকে জমা দিচ্ছি। বেতন যখন একাউন্টে আসে আমি তুলে একটা চেক দিয়ে দেই গভর্নমেন্টের অ্যাকাউন্টে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, আমার আব্বা কাজটা করতেন, আমি করছি; আপনারাও যদি মনে কিছু না নেন বা যদি আপনাদের পক্ষে সম্ভব হয় আপনাদের প্রতি মাসে ১০ শতাংশ আপনাদের বেতনের টাকাটা সরকারের ঘরে ফেরত দিয়ে দেবেন।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী যোগ করেন, ‘আমরা সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলেছি। খুশি হয়েছি যে উনি আমাদের কাছে অ্যাপ্রোচটা করেছেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ