শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:১১ এম
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটম ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে রুশ বিশেষজ্ঞের সংখ্যা ৭০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
রোসাটমের প্রধান আলেক্সি লিখাচেভ মন্তব্য করেছেন, ‘আমরা বুশেহর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে রুশ কর্মীদের সরাব না, বরং সেখানে সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। আমরা বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত কর্মীর সংখ্যা বাড়িয়ে ৭০০ জনে উন্নীত করতে চাই।’
মেহের নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে বুশেহর বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ও পরিষেবা খাতে ১৯২ জন রুশ বিশেষজ্ঞ কর্মরত আছেন। তাদের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য আরও ৫০০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে নতুন করে প্রায় ৫০৮ জন রুশ বিশেষজ্ঞ সেখানে যোগ দিতে পারেন।
এছাড়া, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন ইউনিট নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারণ সংক্রান্ত একটি চুক্তি ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাতে গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলোর ফোরামের সম্মেলনে অংশ নিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় পৌঁছান। সেখানে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকও করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহে পুলিশের দ্বারা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ধোবাউড়া উপজেলার দর্শা মন্তনী এলাকায় একটি বাঁশঝাড়ের মধ্যে গাছ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্মা (ওসি) শফিকুল ইসলাম এই তথ্য প্রদান করেছেন। মৃত ব্যক্তি শেখ হোসেন আলী, যিনি হোসেন নামেও পরিচিত, ওই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয়রা সকালে বাড়ির পাশে বাঁশঝাড়ের মধ্যে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। এরপর পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
ওসি শফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ওই বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার ছিল সচ্ছল। তাদের সংসারে অভাব-অনটন ছিল না। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ছেলেদের সঙ্গে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ ছিল।
ওসি আরও বলেন, এটি আত্মহত্যা কিনা, নাকি হত্যার শিকার হয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে। এই ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার ভোক্তা পর্যায়ে নভেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মন্ত্রণালয় থেকে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক পত্রে এই তথ্য জানানো হয়। নির্ধারিত দাম ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
পত্রের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম হবে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকায় বিক্রি হবে।
এর আগে অক্টোবর মাসেও জ্বালানি তেলের এই দাম বহাল রাখা হয়েছিল। গত ২০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করে সরকার।
সেসময় প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্র আগামী রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই ড্রয়ে প্রথম পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী ৬ লাখ টাকা পাবেন। দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, তৃতীয় পুরস্কার ১ লাখ টাকা, চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা এবং পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হবে।
সাধারণ মানুষের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি করতে সরকার বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড চালু করেছে। প্রাইজবন্ডের একটি উল্লেখযোগ্য সুবিধা হলো, এটি যে কোনো সময় কেনা ও ভাঙানো সম্ভব। একইসাথে, নির্ধারিত ড্রয়ে বিজয়ী হলে বন্ডের বিপরীতে পুরস্কারের অর্থ পাওয়ার সুযোগও রয়েছে।
প্রাইজবন্ডের ড্রয়ে ঘোষিত প্রতিটি বিজয়ী নম্বরের বিপরীতে সব সিরিজের একই নম্বরের বন্ড পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে।
নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত ড্রয়ের তারিখের পূর্ববর্তী ৬০ দিনের মধ্যে বিক্রি হওয়া প্রাইজবন্ড এই ড্রয়ের আওতায় থাকবে। এখানে বন্ড বিক্রির দিন গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে, কিন্তু ড্রয়ের তারিখ গণনা করা হবে না।
আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হয়। ফলে বিজয়ীকে কর কর্তনের পর অবশিষ্ট অর্থ প্রদান করা হবে।
সাধারণত প্রতি বছর ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত তারিখে যদি সাপ্তাহিক ছুটি বা সরকারি ছুটি পড়ে, তাহলে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৮ দিনে বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে) এই পরিমাণ দাঁড়ায় ৩২ হাজার ৬৬৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ২৮ দিনে ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল প্রায় ২৩৪ কোটি ডলার। এ হিসাবে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি মাসে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।
এদিকে, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ১১২৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৯৯২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এর আগে, সদ্য বিদায় নেওয়া সেপ্টেম্বর মাসের পুরো সময়ে দেশে মোট ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ (২.৭৬ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে।
আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অর্থবছরের পরের মাস আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসেছিল ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ