সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৭ পি.এম
কেরানীগঞ্জের রামের কান্দায় অবস্থিত খালের পাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য উপজেলা প্রশাসন একটি অভিযান পরিচালনা করেছে। এই উচ্ছেদ কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অভিযানটি চলমান ছিল। অভিযানে খালের জায়গা দখল করে নির্মিত তিনটি বড় স্থাপনাসহ বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়।
এছাড়া, তাতী মার্কেট, তমিজউদ্দীন প্রেসসহ অন্যান্য কিছু স্থাপনাকে ৭ দিনের মধ্যে মালিকদের নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অভিযানে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রাশেদ খান এবং শাক্তা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান নাসিমা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ উমর ফারুক উল্লেখ করেন, খালটি দখলমুক্ত করে এর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধার করা হবে।
তিনি আরও জানান, দখলদাররা যতই প্রভাবশালী হোক, খালটি দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার দক্ষিণ কুট্টাপাড়া এলাকায় কৃষকদের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য আন্ডারপাস নির্মাণের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে মহাসড়কের কুট্টাপাড়া অংশে স্থানীয় কৃষকদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান উচ্চারণ করেন এবং ব্যানার নিয়ে মহাসড়কের পাশে অবস্থান গ্রহণ করেন। এ সময় তাঁরা ‘কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, আন্ডারপাস চাই অবিলম্বে’ এবং ‘নিরাপদ পারাপারের অধিকার, আন্ডারপাস চাই এবার’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের এই অংশে চার লেনের নির্মাণকাজ চলছে। মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি রয়েছে। কৃষকদের প্রতিদিন লাঙল, ট্রাক্টর, গবাদিপশু ও উৎপাদিত ফসল নিয়ে ব্যস্ত মহাসড়ক পার হতে হয়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষকদের সময় নষ্ট হচ্ছে, যা কৃষিকাজেও ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।
তারা আরও বলেন, কুট্টাপাড়া ও আশপাশের এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে থাকা কয়েক হাজার বিঘা ফসলি জমিতে যাতায়াতের জন্য বর্তমানে কোনো নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা নেই। ফলে কৃষকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পার হতে হচ্ছে, যা দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।
বক্তারা কৃষকদের নিরাপদ যাতায়াত ও কৃষিকাজ নির্বিঘ্ন করার জন্য দ্রুত একটি আন্ডারপাস নির্মাণের দাবি জানান। তারা একই সঙ্গে আন্ডারপাস নির্মাণে দ্রুত উদ্যোগ না নেওয়া হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন। মানববন্ধনে সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার, মোহাম্মদ অহি উদ্দিন মুন্সি, এমরান মিয়া সহ স্থানীয় কৃষক প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন। কর্মসূচি শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত আন্ডারপাস নির্মাণের দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান এলাকাবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সউদী আরবের সাথে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে, ইয়েমেনে নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকা সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা জোরদার করেছে ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠী। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত রোববার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন পার্বত্য অঞ্চলে সউদী-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুতিদের মধ্যে তীব্র লড়াই সংঘটিত হয়েছে।
সউদী-সমর্থিত ইয়েমেনি সেনা কর্মকর্তা আবদুল বাসিত আল-বাহের জানান, আল-ওয়াজিয়াহ, আল-মাদারিবাহ ও আল-আরা এলাকায় সংঘর্ষ চলছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি হুতিরা এসব এলাকা দখল করে নেয়, তাহলে দক্ষিণের রাজধানী এডেনের সাথে তাইজ শহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে এবং তাইজে অবস্থানরত সউদী-সমর্থিত বাহিনী অবরুদ্ধ হয়ে পড়তে পারে।
এদিকে, বাব আল-মান্দাব প্রণালির দিকে নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ কাহবুবে সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার, হুতিরা দাবি করেছে যে, তারা সউদী রাজধানী রিয়াদ এবং দেশটির তেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। গোষ্ঠীটির মতে, ইয়েমেনে সউদী বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এসব হামলা করা হয়েছে। তবে সউদী কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক বিমান হামলার দায় স্বীকার করেনি এবং হুতিদের সউদী যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবিরও কোনো জবাব দেয়নি।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হুতিরা সম্প্রতি ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ লাভ করেছে, ফলে ওই নৌপথে তাদের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। একইসাথে, তারা তাইজ ও মারিব প্রদেশে আরও এলাকা দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
২০১৪ সালে রাজধানী সানা দখলের পর থেকে হুতি ও ইয়েমেন সরকারের মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। ২০২২ সালে ঘোষিত ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর জুলাইয়ে সউদী-হুতি সংঘাত আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে। সূত্র : দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে আলাদা সমস্যা হিসেবে দেখা সম্ভব নয়, এমন মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, মানুষের পাশাপাশি প্রাণী, উদ্ভিদ ও বাস্তুতন্ত্রকে একত্রে বিবেচনা করে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)-এর সদর দপ্তর ইতালির রাজধানী রোমে ‘কৃষিখাদ্য ব্যবস্থায় ওয়ান হেলথ কার্যক্রম’ বিষয়ক বৈশ্বিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন। ২১ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান এই সম্মেলনে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, কৃষিখাদ্য ব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা এই ক্ষেত্রগুলোর সম্মিলিত সুস্থতার ওপর নির্ভর করে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ এবং নিম্নভূমির গঙ্গা বদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও পরিবেশ বিপর্যয়ের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। একই ভূদৃশ্যে মানুষের সঙ্গে বাস্তুতন্ত্র এবং কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকায় একটি খাতে চাপ সৃষ্টি হলে তা দ্রুত অন্য খাতেও প্রভাব ফেলে। পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে বিচ্ছিন্নভাবে বিবেচনা করে কার্যকর সমাধান পাওয়া সম্ভব নয়।
তিনি জানান, প্রায় দুই দশক ধরে বাংলাদেশ ওয়ান হেলথকে একটি ধারণা হিসেবে নয়, বরং বাস্তব শাসনব্যবস্থার নীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারি বিবেচনা করে কাঠামো গড়ে তুলছে। এই অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয়, তথ্য বিনিময় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ওয়ান হেলথ কাঠামোয় পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রকে কেন্দ্রীয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে টেকসই সমন্বয় গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পিত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। বাংলাদেশের জাতীয় ওয়ান হেলথ কাঠামোয় পরিবেশ খাতকে মূল অংশীজন হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। যৌথ পরিকল্পনা ও সম্পদের মাধ্যমে এই অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। প্রস্তাবিত ওয়ান হেলথ তথ্যকেন্দ্র দেশগুলোর বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে, এমন আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
আগামী নভেম্বরে আনতালিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য কপ৩১-এর আগে এই সম্মেলনকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, রোমের আলোচনার অভিজ্ঞতা কপ৩১-এর আলোচনায় তুলে ধরতে এবং জলবায়ু ও পরিবেশগত স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও সমন্বিত বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে বাংলাদেশ কাজ করবে।
তিনি বাংলাদেশের অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য দেশের কাছ থেকে শেখার প্রস্তুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। সম্মেলনের আলোচনায় বাস্তব কর্মসূচি, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ের সক্ষমতায় রূপ দেওয়ার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
উদ্বোধনী অধিবেশনে এফএওর মহাপরিচালক কু দংইউ (Dongyu QU), সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন (Guy Parmelin), তানজানিয়ার প্রধানমন্ত্রী মইগুলু লামেক এনচেম্বা (Dr Mwigulu Nchemba) এবং সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রী ডুরো মাকুত (Duro Macut), মোজাম্বিকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. উসেন হিলারিও (Ussene Hilario), কেপ ভার্দের কৃষিমন্ত্রী ইভেলিন নায়ার মন্তেইরো রামোস (Eveline Nair Monteiro Ramos), ফ্রান্সের কৃষিমন্ত্রী অ্যানি জেনেভার্ড (Geneverd Annie), আয়ারল্যান্ডের কৃষিমন্ত্রী মার্টিন হেইডন (T.D. Martin Heydon) সহ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিগণ, বিভিন্ন সংস্থার প্রধান ও বিশেষজ্ঞগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এমপি।
তিনি যশোরের আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।
আজ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষ ‘অমিতাক্ষর’-এ অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান।
সভায় আইনশৃঙ্খলা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, ডেঙ্গু মোকাবিলা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয়। উপজেলা পর্যায়ের সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে কর্মকর্তাদের মতামতও নেওয়া হয়।
শেখ ফরিদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে সঠিক তথ্য-উপাত্ত দিলে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত নেওয়া ও তা বাস্তবায়ন সহজ হবে।" তিনি আরও বলেন, "সরকার সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে এবং প্রশাসনেও পরিবর্তনের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।"
তিনি যোগ করেন, "সবাই দায়িত্বশীলভাবে কাজ করলে জেলার আইনশৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান ও মানুষের জীবন-জীবিকায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব।"
দায়িত্ব গ্রহণের পর যশোরসহ তাঁর দায়িত্ব প্রাপ্ত জেলাগুলোর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি উল্লেখ করেন, "সরকার বিভিন্ন জেলার সমস্যা সম্পর্কে তথ্য নিয়ে সেগুলো সমাধানে কাজ করছেন।"
সভায় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সাবিরা নাজমুল মুন্নী, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবিরুল হক সাবু ও যশোর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মিজানুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া সভায় জেলার আট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ