ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের প্রস্তাবিত সদর দপ্তরের স্থান পরিদর্শন করেছেন বিভাগীয় কমিশনার


দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের প্রস্তাবিত সদর দপ্তরের স্থান পরিদর্শন করেছেন বিভাগীয় কমিশনার

 

নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার গেজেটভুক্ত সদর দপ্তরের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস.এম হুমায়ুন কবির। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার প্রাচীন জনপদ কান্দিপাড়া বাজার সংলগ্ন নয়াবাড়ি মৌজা পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনারের ইতিবাচক আশ্বাসে উল্লাসে মেতে উঠেন আট ইউনিয়নের মানুষ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইউসুফ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমির সালমান রনিসহ সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: টঙ্গীতে উদ্বোধন হলো সেকেন্ডারি ট্রান্সফার(এসটিএস) স্টেশন

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, "আপনাদের দাবি ও area's বাস্তবতা আমি নিজ চোখে দেখেছি। সরকারি গেজেট, জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা স্থাপনের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে।"

বিভাগীয় কমিশনার আসার খবরে ভোর থেকেই নয়াবাড়ি মাঠে জড়ো হন দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের ৮টি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ। হাতে ছিল 'গেজেট হইছে যেইখানে, উপজেলা হবে  সেইখানে' লেখা ব্যানার-ফেস্টুন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে তাদের দীর্ঘদিনের দাবি তুলে ধরেন।

স্থানীয়রা বলেন, "গেজেট অনুযায়ী ইউনিয়নের জে এলভুক্ত ১৪৩ নং নয়াবাড়ি মৌজায় উপজেলা সদর দপ্তর হলে ৮ ইউনিয়নের ৩ লক্ষাধিক মানুষ সহজেই প্রশাসনিক সেবা পাবেন। নয়াবাড়ি মৌজা দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের প্রাণকেন্দ্র। এখানে সদর দপ্তর হলে আটটি ইউনিয়নের মানুষ সমান দূরত্বে সেবা পাবে। বর্তমানে গফরগাঁও সদরে কাজের জন্য যেতে যে ভোগান্তি হয়, তা থেকে মুক্তি মিলবে।"

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. ইসহাক, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ.কে.এম আনছারউদ্দিন, গফরগাঁও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শাহ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিএনপি নেতা আব্দুস ছালাম বেপারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবি, নারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজার হাজার দক্ষিণ গফরগাঁওবাসী।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে মাদক কারবারি সহ গ্রেপ্তার ১৬

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যবসার আনুষ্ঠানিকীকরণে নিয়ন্ত্রক জটিলতা কমানোর পরামর্শ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ পি.এম


ব্যবসার আনুষ্ঠানিকীকরণে নিয়ন্ত্রক জটিলতা কমানোর পরামর্শ

ব্যবসার আনুষ্ঠানিকীকরণ এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এমএসএমই) প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে নিয়ন্ত্রক জটিলতা কমিয়ে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার ক্ষেত্রে লাইসেন্স এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিল্ড), শিল্প মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও আনুষ্ঠানিকীকরণের অনুকূল পরিবেশ’ শীর্ষক জাতীয় পরামর্শসভায় এসব বিষয় উঠে এসেছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পসচিব আবদুন নাসের খান বলেন, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সহজ করা গেলে ব্যবসার আনুষ্ঠানিকীকরণে গতি আসবে। এর লক্ষ্যে শিল্প, বস্ত্র, পাট ও বাণিজ্য উপদেষ্টার নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে একটি ডিরেগুলেশন অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলছে। তিনি জানান, ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) আরও কার্যকর করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে কাজ করছে শিল্প মন্ত্রণালয়।

বিল্ডের চেয়ারপারসন আবুল কাসেম খান বলেন, নতুন প্রকাশিত বিজনেস লাইসেন্সিং গাইডবুক উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স এবং অনুমোদনের তথ্য সহজলভ্য করে তুলবে। পাশাপাশি সমন্বিত ইউটিলিটি সংযোগ, যৌথ পরিদর্শন ব্যবস্থা এবং আইনগত ভিত্তিতে সার্ভিস লেভেল অ্যাগ্রিমেন্ট চালুর প্রস্তাবও তিনি দেন। সরকারের ১০ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য পূরণে অন্তত এক লাখ নতুন উদ্যোক্তা তৈরির জন্য নিয়ন্ত্রক বাধা কমানোর ওপরও তিনি জোর দেন।

মূল প্রবন্ধে বিল্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বেগম বলেন, অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রক জটিলতার কারণে উদ্যোক্তাদের সময় এবং ব্যয় দুটোই বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলো মোট কর্মসংস্থানের অর্ধেকের বেশি সৃষ্টি করলেও দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ অর্থনৈতিক ইউনিট এখনও অনানুষ্ঠানিক। তিনি জানান, প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ৩১টি পর্যন্ত লাইসেন্স, ২৩৫টির বেশি নথি এবং প্রায় ৬৫০ দিন সময় লাগে। লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে ৩০টি লাইসেন্সের জন্য ২০০টির বেশি নথি জমা দিতে হয় এবং প্রক্রিয়া শেষ হতে প্রায় ৬০০ দিন লাগে।

এসব সমস্যা সমাধানের জন্য সিঙ্গেল ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি নম্বর, ওয়ান-স্টপ লাইসেন্সিং প্ল্যাটফর্ম এবং দীর্ঘমেয়াদি লাইসেন্স চালুর প্রস্তাবও দেন ফেরদৌস আরা। তিনি বলেন, এসব সংস্কার বাস্তবায়িত হলে ব্যবসায়ীদের কমপ্লায়েন্স ব্যয় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।

আইএলও’র প্রতিনিধি পিটার জুনিয়র বেলেন বলেন, দেশে প্রতি ১০ জন শ্রমিকের মধ্যে প্রায় আটজন অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। এলডিসি-পরবর্তী সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের আনুষ্ঠানিক এবং শোভন কর্মসংস্থানের আওতায় আনা জরুরি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে আইএলও’র কারিগরি সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

সভায় আরও বক্তব্য দেন রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (আরজেএসসি)-এর রেজিস্ট্রার এ কে এম নুরুন্নবী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. শামসুল হক, এসএমই ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজিম হাসান সাত্তার এবং এসকে বি স্টেইনলেস মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাইফুর রহমান। তাঁরা ট্রেড লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজ করা, কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ গঠন, এসএমই ঋণের প্রতিবন্ধকতা দূর করা, নারী উদ্যোক্তাদের কর এবং অডিট-সংক্রান্ত জটিলতা কমানো এবং নিয়ন্ত্রক সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরামর্শসভায় আরও সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, ব্যবসায়ী সংগঠন, শ্রমিক প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যহাতির গতিপথ জানতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


বন্যহাতির গতিপথ জানতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার

এআই প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে নানাভাবে মানুষের কাজ সহজ করে দিচ্ছে। ভারতে বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণে এআই‘এর ব্যবহার যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে।

দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের বিভিন্নস্থানে বণ্যপ্রাণীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে। বন্যপ্রাণীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করার মাধ্যমে এআই প্রযুক্তি সময়মত সতর্কবার্তা পাঠায়। ফলে বন্যপ্রাণী নিরাপদ থাকছে, পাশাপাশি মানুষও নিরাপদে থাকতে পারছে বন্যপ্রাণীর আক্রমণ থেকে।

সম্প্রতি এআই ক্যামেরায় ধারণ করা একটি ফুটেজ ভাইরাল হওয়ার ফলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

পশ্চিমবঙ্গের জলদাপাড়ার কাছে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক একটি ঘটনার মাধ্যমে দেখা গেছে, কিভাবে এআই-চালিত নজরদারি ক্যামেরার এবং বন কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ সংঘাত এড়াতে সহায়তা করেছে। ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিসের কর্মকর্তা পারভীন কাসওয়ানের শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কিভাবে হাতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং বন্যপ্রাণী ও জনবসতি উভয়কে রক্ষা করার জন্য মাঠ পর্যায়ে নিজের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

কাসওয়ানের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে ২৬ জুলাই রাত আনুমানিক ১২:৩২ মিনিটে। এই সময় এআই-সক্ষম নজরদারি ক্যামেরাগুলো বনের সীমানা থেকে একটি হাতির দলকে কাছে একটি গ্রামের দিকে এগিয়ে যেতে সনাক্ত করে। সিস্টেমটি সাথে সাথে এই গতিবিধি চিহ্নিত করে এবং বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে একটি স্বয়ংক্রিয় সতর্কবার্তা পাঠায়।

১৫ মিনিটের মধ্যে একটি নগরী থাকা র‍্যাপিড রেসপন্স টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা হাতির দলটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এবং প্রবেশ ঠেকিয়ে মানুষের এবং হাতির মধ্যে সংঘাত এড়াতে সক্ষম হয়।

২৮ জুলাই নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) একাউন্টে ভিডিওটি শেয়ার করে পারভীন কাসওয়ান লিখেছেন, ’এটি আমাদের একটি রুটিন কাজ। প্রতিদিন রাতে আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা বিভিন্ন সতর্কবার্তা প্রদান করেন, যা মানুষ এবং বন্যপ্রাণী উভয়কেই রক্ষা করে।’

ভিডিওটিতে দেখা যায়, হাতির দলটি অন্ধকারের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে, যা নাইট-ভিশন নজরদারি ক্যামেরায় স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে।

কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে এআই সিস্টেমটি হাতির দলটিকে সনাক্ত করে এবং এক মাস ধরে চলমান একটি অ্যালার্ট জারি করে। ফলে বন বিভাগের কর্মকর্তারা মানুষের বসতিতে পৌঁছানোর আগেই ব্যবস্থা নেয়।

এটি ব্যাপকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এবং অনেক ব্যবহারকারী বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই ব্যবহারের প্রতি প্রশংসা জানিয়েছেন। অনেকেই এই প্রযুক্তিটিকে জননিরাপত্তা এবং পরিবেশ সুরক্ষার বাস্তবসম্মত উদাহরণ বলে উল্লেখ করেছেন। এক্ষেত্রে বন কর্মীদের কার্যকারিতা এবং তাদের দ্রুত প্রতিনিধিত্বও প্রশংসা করা হয়েছে।

একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এটি খুবই চমৎকার। এআই-এর সঠিক ব্যবহার সত্যিই দারুণ সুবিধা নিয়ে আসে।’ অন্য একজন বলেছেন, ’আপনাদের গভীর শ্রদ্ধা। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারত, কিন্তু সবকিছু খুব সুন্দরভাবে সামলানো হয়েছে। অনেক জীবন বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ।’

ভাইরাল ভিডিওটির কারণে আলোচনা শুরু হলেও ভারতে বেশ কিছুদিন ধরে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর ও মাদুক্কারাই বনাঞ্চলে এআই-চালিত থার্মাল ক্যামেরা সিস্টেম চালু রয়েছে। এই সিস্টেমটি বনের ভেতর দিয়ে যাওয়া রেললাইনের দিকে হাতি এগিয়ে এলে চালক ও বন বিভাগকে আগে থেকে সতর্ক করে দেয়। চালুর পর থেকে এই সিস্টেমটি ৬ হাজার ৫৯২ বার সম্ভাব্য দুর্ঘটনা বা সংঘাত এড়াতে সাহায্য করেছে এবং এর ফলে সেখানে হাতির মৃত্যুর হার শূন্যে নেমে এসেছে। ওড়িশার রাউরকেলাতেও একইভাবে ট্রেন থামিয়ে বড় দুর্ঘটনা এড়াতে সহায়তা করেছে। আসামের কাজী রঙা জাতীয় উদ্যানের আশেপাশের গ্রামে হাতির ডাক সনাক্ত করতে এবং বাঘের গর্জন বা মৌমাছির আওয়াজ তৈরি করে তাদেরকে লোকালয় থেকে দূরে রাখতে বিশেষ এআই অডিও ডিভাইস ব্যবহার করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিরলো-গার্দিওলাদের সাবেক ক্লাবের দেউলিয়া ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


পিরলো-গার্দিওলাদের সাবেক ক্লাবের দেউলিয়া ঘোষণা

১১৪ বছর পুরনো ইতালিয়ান ক্লাব ব্রেসিয়া ক্যালসিও দেউলিয়া হয়ে গেছে। মঙ্গলবার ইতালির একটি আদালত এই ক্লাবটিকে দেউলিয়া ঘোষণা করে।

২০২৫ সালে আর্থিক অনিয়ম ও বকেয়া পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ার কারণে ব্রেসিয়াকে ইতালির পেশাদার ফুটবল লিগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। ক্লাবটির পতনের কারণ ছিল প্রায় ২ কোটি ইউরো ঋণের বোঝা, যার মাধ্যমে ইতালিয়ান ফুটবলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের যাত্রার অবসান ঘটে।

ক্লাবের মালিক মাসিমো চেলিনো তার ৭০তম জন্মদিনে এই দুঃসংবাদ পান। তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ব্রেসিয়াকে বাঁচানোর চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিলেন। জুনের শেষের দিকে তিনি ক্লাবটির নিবন্ধন পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তার এই উদ্যোগ সফল হয়নি।

ব্রেসিয়া কখনওই ইতালির শীর্ষ ক্লাবগুলোর কাতারে স্থায়ীভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়নি এবং তাদের সর্বোচ্চ ইউরোপীয় সাফল্য ছিল বিলুপ্ত উয়েফা ইন্টারটোটো কাপে খেলা। তথাপি, ক্লাবটি ফুটবল বিশ্বের বহু কিংবদ্ধ কিংবদন্তির ঠিকানা ছিল।

কিংবদন্তি ফুটবলার আন্দ্রেয়া পিরলো, রোবের্তো বাজ্জিও এবং পেপ গার্দিওলার মতো খেলোয়াড়রা ব্রেসিয়ার বিখ্যাত নীল জার্সি গায়ে খেলেছিলেন। বিশেষ করে ১৯৯০-এর দশকের শেষভাগ এবং ২০০০-এর দশকের শুরুতে ব্রেসিয়া এমন একটি ক্লাব হিসেবে পরিচিত পায়, যেখানে বহু তারকা খেলোয়াড় নিজেদের ক্যারিয়ার নতুনভাবে গড়ে তুলেছিলেন।

এছাড়া ব্রেসিয়ার হয়ে খেলেছিলেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার ব্রাঙ্কো, আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার মাতিয়াস আলমেইদা। সাম্প্রতিক সময়ে মারিও বালোতেল্লি, সান্দ্রো তোনালি এবং বর্তমান কোচ রোবের্তো দে জেরবিও ব্রেসিয়ার জার্সি পরেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষায় জলাবদ্ধতা নিরসনে রাসিকের ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ পি.এম


বর্ষায় জলাবদ্ধতা নিরসনে রাসিকের ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম জোরদার

বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমানোর জন্য এবং নগরীজুড়ে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নগরজুড়ে ড্রেন পরিষ্কার ও কাদামাটি অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে ড্রেন থেকে ময়লা-আবর্জনা, পলি ও কাদামাটি অপসারণের পাশাপাশি ঝোপঝাড় ও আগাছাও পরিষ্কার করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এই কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের উপশহর, গ্রেটার রোড সংলগ্ন এলাকা এবং পদ্মা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন ড্রেন থেকে জমে থাকা কাদামাটি অপসারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পরিষ্কার না হওয়ার কারণে অনেক স্থানে পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রাসিক সূত্র জানায়, বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং নাগরিক দুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আবাসিক এলাকা ও তার আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, মশক নিয়ন্ত্রণ, কাদামাটি অপসারণ, বৃক্ষরোপণ, সবুজায়ন ও নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন। তার নির্দেশনায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।

দড়িখরবোনা এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম পলাশ জানিয়েছেন, গ্রেটার রোড এলাকায় ড্রেন দীর্ঘ দিন পরিষ্কার না হওয়ায় বৃষ্টির সময়ে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছিল এবং সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিত। বিষয়টি রাসিক প্রশাসকের নজরে আনার পর দ্রুত পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এলাকাবাসী আজ স্বস্তি পেয়েছেন।

ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রমের তদারকি করেন রাসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং-মশক) জুবায়ের হোসেন মুন, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং) শাহরিয়ার জিতু, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং) আশরাফুজ্জামান সজিবসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজাররা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%