ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাংবাদিকদের সুরক্ষা না থাকলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে: কাদের গনি চৌধুরী


সাংবাদিকদের সুরক্ষা না থাকলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে: কাদের গনি চৌধুরী

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতা ছাড়া দেশ ও গণতন্ত্রের উন্নয়ন সম্ভব নয়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রকে সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিকদের সুরক্ষা না থাকলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালীর সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকরা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন। তবে চ্যালেঞ্জ শেষ হয়নি। রাজনৈতিক প্রভাব, প্রাতিষ্ঠানিক চাপ ও পেশাগত অনিরাপত্তাসহ নানা কারণে দেশের সাংবাদিকতার পরিবেশ এখনো চ্যালেঞ্জের মুখে। সাংবাদিকদের ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ যেমন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে, তেমনি অপসাংবাদিকতা ও পেশাগত দক্ষতার অভাবও বড় সমস্যা।

আরও পড়ুন: এমপিদের খুশি করতে বরাদ্দ বাড়ছে ৪০০০ কোটি টাকা

তিনি বলেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে শুধু নিরাপত্তা নয়, সাংবাদিকদের ন্যায্য বেতন, কর্মপরিবেশ ও পেশাগত মর্যাদাও নিশ্চিত করতে হবে। অধিকাংশ গণমাধ্যম ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন দেয় না। অনেক গণমাধ্যমে সাংবাদিকদের বেতন মালিকের গাড়িচালকের বেতনের চেয়েও কম। এসব বন্ধ করতে হবে। সরকারকে আমরা বলেছি, ওয়েজবোর্ড না মানলে গণমাধ্যমের অনুমোদন দেওয়া যাবে না। এটি কার্যকর করা গেলে গণমাধ্যমের ভেতরের অনেক নৈরাজ্য দূর করা সম্ভব হবে।


বিএফইউজের মহাসচিব বলেন, সাংবাদিকতা নিছক চাকরি নয়। দেশে গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার, সব ধর্ম-বর্ণ ও গোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা এবং বৈষম্য দূর করতে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। গণমাধ্যম স্বাধীন ও শক্তিশালী না হলে গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা যায় না।

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতাই সরকারকে একমাত্র সত্য কথা বলতে পারে। অন্যরা হয়তো সত্য আড়াল করে সরকারকে খুশি রাখার চেষ্টা করবে। আমলাতন্ত্র বা দলীয় লোকজন অনেক সময় ভয়ে সত্য কথা বলতে পারবেন না। স্বাধীন সাংবাদিকতা হচ্ছে এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যা সরকারকে সত্য কথা বলবে। তবে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য যাচাই করার সুযোগও সরকারের রয়েছে।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের জাতির বিবেক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই বিবেকের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র কলম। কলম থামিয়ে দেওয়া মানে শুধু একজন সাংবাদিকের কণ্ঠ রোধ করা নয়, সত্য প্রকাশের পথও সংকুচিত করা। সাংবাদিকের ওপর আঘাত মানে বিবেকের ওপর আঘাত।

আরও পড়ুন: সচিবালয়ে ডিজিটাল হাজিরা সিস্টেম কার্যকর প্রধানমন্ত্রীর তদারকিতে

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা দুর্নীতি, অনিয়ম, সন্ত্রাস, অব্যবস্থাপনা ও মানুষের ওপর অন্যায়ের ঘটনা তুলে ধরেন। এসব প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমস্যা সম্পর্কে জানতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করে। কিন্তু সত্য প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিক হামলা, হুমকি বা হয়রানির শিকার হলে এর প্রভাব শুধু তার ওপর পড়ে না, অন্য সাংবাদিকদের মধ্যেও ভয় তৈরি হয়। ধীরে ধীরে এমন পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে, যেখানে সত্য জানলেও অনেকে তা প্রকাশ করতে সাহস করবেন না। কলমকে থামানো যায়, সত্যকে নয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাগড়াছড়িতে ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুর, পিসিপির প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


খাগড়াছড়িতে ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুর, পিসিপির প্রতিবাদ

খাগড়াছড়িতে ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুরের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)।

 

পার্বত্য চট্টগ্রামের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙার ঘটনা ঘটেছে দীঘিনালায়। শনিবার (২৯ আগস্ট) এ বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এন্টন চাকমা।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাবুপাড়া এলাকায় নির্মিত ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলার তথ্য ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তবে, এই ঘটনার পেছনে কে বা কারা এবং কখন এটি ঘটেছে, সে সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ জানায়, ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভটি ভাঙা একটি স্থাপনা ধ্বংসের চেয়ে বেশি। এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের আন্দোলনের ইতিহাসের ওপর একটি আঘাত। এ ধরনের ঘটনার গ্রহণযোগ্যতা নেই।

 

বিবৃতিতে তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান করেছেন।

এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা জুপিটার চাকমা বলেন, "পার্বত্য চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রথম শহীদ ভরদ্বাজ মণি চাকমার স্মৃতিবেদী ভেঙে দেওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।"

তিনি আরও বলেন, ঐতিহাসিক স্মারক ধ্বংস করে কোনো জাতির বা অঞ্চলের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই এবং চেতনাকে স্তব্ধ করা যায় না।

 

দীঘিনালা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, গত ২৮ আগস্ট রাতে বাবুপাড়া এলাকায় ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করেনি, অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু পারাপারে নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু পারাপারে নিষেধাজ্ঞা

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদে প্রতিনিয়ত পানি বাড়ার ফলে রাঙামাটি শহরে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতু ডুবে গেছে। এ পরিস্থিতিতে শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর থেকে এ সেতু পারাপারের ক্ষেত্রে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ।

পর্যটন করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, চেঙ্গী, মাইনী, কাচালং নদী এবং ভারতের মিজোরাম রাজ্য থেকে উৎপত্তি হওয়া কর্ণফুলী নদীর পানি কাপ্তাই হ্রদে এসে মিশেছে। টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে কয়েক দিন ধরেই কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়ছে। শুক্রবার বিকালেই হ্রদের পানি পাটাতন স্পর্শ করে। উজান থেকে পানি আসা অব্যাহত থাকায় শনিবার সকাল পর্যন্ত চার ইঞ্চি পানিতে ডুবে যায় ঝুলন্ত সেতু। ঝুঁকি এড়াতে পর্যটন করপোরেশনের পক্ষ থেকে সেতুতে দর্শনার্থীদের ওঠার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, হ্রদে পানি বাড়ার কারণে ঝুলন্ত সেতুতে আজ সকালে চার ইঞ্চি পানি উঠেছে। তাই, ঝুঁকি এড়াতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য সেতু দিয়ে পারাপারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। পানি কমলে পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য সেতু খুলে দেওয়া হবে।

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল (মিনস সি লেভেল)। কাপ্তাই হ্রদে পানির ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। বর্তমানে এই কেন্দ্রের পাঁচ ইউনিট চালু রেখে ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এই কেন্দ্রে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ২৪২ মেগাওয়াট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার কাশ্মীর দখল করে নিতে চান শুভেন্দু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


এবার কাশ্মীর দখল করে নিতে চান শুভেন্দু

পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীর দখলের ডাক দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। 

শনিবার (২৯ আগস্ট) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলা ‘হুমকির সংস্কৃতি’ অবসান ঘটানোর সময় এসেছে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে জাতীয়তাবাদ পুনরুজ্জীবিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

‘অপারেশন সিঁদুরের’ বিরুদ্ধে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ মিছিলের কড়া সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, কাশ্মীর বা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে স্লোগান দেয়ার আগে শিক্ষার্থীদের পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরের স্বাধীনতা দাবি করা উচিত।

তার ভাষায়, আপনারা কি কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি বা ফ্রি প্যালেস্টাইনের মতো স্লোগান দিচ্ছেন? কেন? ফিলিস্তিন নিয়ে কথা বলার আগে লিখুন ফ্রি পিওকে (আজাদ কাশ্মীর)... মনে রাখবেন, আমরা অবশ্যই ওই কাশ্মীর ফেরত নেব।

গত সপ্তাহে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজেপিপন্থি ছাত্র সংগঠন এবিভিপি ও বামপন্থি ছাত্রসংগঠন এসএফআই-এর মধ্যে সংঘর্ষের পর সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি হুমকির সংস্কৃতি বিরাজ করছে। এখন এটি শেষ করার সময় এসেছে।

পশ্চিমবঙ্গে আগের তৃণমূল ও বাম সরকারের বিরুদ্ধে ‘জাতীয়তাবাদ’ এবং রাজ্যের ঐতিহ্যকে অবমূল্যায়নের অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু। তার দাবি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিস্টদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল। শিক্ষার্থীদের স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস, ভারতীয় ও বাঙালি ঐতিহ্য এবং দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল তারা।

তিনি আরও দাবি করেন, তাদের বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ছবি কখনও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমরা কখনোই বিএনপির সঙ্গে আ.লীগের তুলনা করতে চাই না: সারজিস আলম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


আমরা কখনোই বিএনপির সঙ্গে আ.লীগের তুলনা করতে চাই না: সারজিস আলম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘মাত্র ছয় মাস যেতে না যেতেই মানুষ বিএনপিকে নিয়ে অন্য কিছু চিন্তা করতে শুরু করেছে। তবে আমরা এখনই বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা করতে চাই না। আগামীতেও চাই না।’

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর একটি পার্টি সেন্টারে এনসিপির কুমিল্লা উত্তর ও দক্ষিণ জেলা এবং মহানগরের সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আর ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ১ হাজার চারশরও বেশি মানুষের জীবন কেড়ে নিয়ে আরেকটি গণহত্যা ঘটিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গণহত্যাকারী, আওয়ামী লীগ খুনি, আওয়ামী লীগ হচ্ছে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া একটা নরপিশাচ। তাই আমরা বিএনপিকে এখনই আওয়ামী লীগের সঙ্গে তুলনা করতে চাই না, আগামীতেও করতে চাই না।’

এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, বিএনপিকে নিয়ে জনগণের মধ্যে ইতোমধ্যে নানা ধরনের চিন্তা তৈরি হচ্ছে। তবে কোনো রাজনৈতিক দলকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে জনগণের প্রত্যাশা ও কর্মকাণ্ডই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সভায় এনসিপি নেতা সরোয়ার তুষারসহ দলের কুমিল্লা উত্তর ও দক্ষিণ জেলা এবং মহানগরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%