ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

‘রামায়ণ’ সিনেমার অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১৭ কোটি রুপি ছাড়াল


‘রামায়ণ’ সিনেমার অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১৭ কোটি রুপি ছাড়াল

মুক্তির পূর্বেই বক্স অফিসে বিপুল সাড়া ফেলছে রণবীর কাপুর অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রামায়ণ’। নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত এই ছবির অগ্রিম টিকিট বিক্রির পরিমাণ ইতিমধ্যে ১৭ কোটি রুপি ছাড়িয়ে গেছে। বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সাড়া পাওয়া যাচ্ছে হিন্দি সংস্করণে। তবে পাঁচটি বড় শহরের মধ্যে আগের দিনের তুলনায় বুকিং বৃদ্ধির হার বেঙ্গালুরুতে সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে।

বক্স অফিসের পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ভারতের ৬ হাজার ৭৮০টি শো থেকে ছবিটির অগ্রিম টিকিট বিক্রির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৮ লাখ রুপি। এ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ৩৩ হাজার টিকিট।

মোট অগ্রিম আয়ের প্রায় ৮৩ শতাংশ এসেছে হিন্দি সংস্করণ থেকে, যার পরিমাণ ১৪ কোটি ১৭ লাখ রুপি। এছাড়া কন্নড় সংস্করণ থেকে ২ কোটি ৩৬ লাখ, তেলুগু থেকে ৪৯ লাখ ৬৯ হাজার এবং তামিল সংস্করণ থেকে ৫ লাখ ৪৯ হাজার রুপি আয় হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘দার–এ–নিজাত’: প্রেম, প্রতারণা ও নতুন জীবনের গল্পে দর্শকদের উন্মাদনা

শহরভিত্তিক অগ্রিম বুকিংয়ের তালিকায় ৩ কোটি ৫ লাখ রুপি আয় নিয়ে দিল্লি-এনসিআর শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বেঙ্গালুরু, যার আয় ২ কোটি ৮৫ লাখ রুপি। তবে আগের দিনের তুলনায় বুকিং বৃদ্ধির হার বেঙ্গালুরুতেই সবচেয়ে বেশি, ১৬ শতাংশ। অন্যদিকে মুম্বাইয়ে অগ্রিম বুকিং থেকে আয় হয়েছে ২ কোটি ২৯ লাখ রুপি। হায়দরাবাদে ৮৯ লাখ ৩৫ হাজার এবং কলকাতায় ৬৭ লাখ ৮৫ হাজার রুপি আয় হয়েছে।

গত ২৭ অক্টোবর লস অ্যাঞ্জেলেসে ছবিটির বিশ্ব প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। রামের চরিত্রে রণবীর কাপুরের অভিনয়, রাবণের সাজে যশ, আবহসংগীত ও অ্যাকশন দৃশ্যের প্রশংসা করেছেন অনেক দর্শক। ছবির বিশাল ব্যাপ্তির সঙ্গে কেউ কেউ তুলনা করেছেন ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস’ সিনেমারও।

‘রামায়ণ’ দুটি পর্বে নির্মিত হচ্ছে। প্রথম পর্বে রামের চরিত্রে রণবীর কাপুর, সীতার ভূমিকায় সাই পল্লবী এবং রাবণের চরিত্রে যশকে দেখা যাবে। এছাড়া হনুমানের ভূমিকায় রয়েছেন সানি দেওল এবং লক্ষ্মণের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রবি দুবে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৫ নভেম্বর দীপাবলি উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘রামায়ণ: পার্ট ১’। ছবিটির দ্বিতীয় পর্ব মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে ২০২৮ সালের দীপাবলিতে।

আরও পড়ুন: হ্যালোইনে রহস্যময় লুকে ধরা দিলেন অপু বিশ্বাস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তরখান থেকে গ্রেফতার হল অস্ত্র কারবারি ‘কিলার শিবুলু’, জব্দ পিস্তল ও গুলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


উত্তরখান থেকে গ্রেফতার হল অস্ত্র কারবারি ‘কিলার শিবুলু’, জব্দ পিস্তল ও গুলি

রাজধানীর উত্তরখান থানা এলাকা থেকে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ইকরামুল ইসলাম শিবুলু, যিনি ‘কিলার শিবুলু’ নামে পরিচিত, তাকে (৪০) গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসএআরবি-১)। এই অভিযানে তার কাছ থেকে চারটি বিদেশি পিস্তল, আটটি ম্যাগজিন এবং ২৪ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় রাজধানীর উত্তরায় এসআরবি ১ এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এসএআরবি-১ জানায়, বিশ্বস্ত ও গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে ৩০ অক্টোবর দিবাগত রাত ২টা ৪৫ মিনিটে উত্তরখান থানাধীন ময়নারটেক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, বিপিএম-এর নেতৃত্বে এসএআরবি-১ এর একটি আভিযানিক দল ও টহল টিম এই বিশেষ অভিযানে অংশগ্রহণ করে।

পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে আনুমানিক রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে কিলার শিবুলুর বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে শিবলুকে গ্রেফতার করে অভিযানিক দলটি। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, ২০০৯ সাল থেকে অবৈধ অস্ত্র কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত শিবলু, যার বিরুদ্ধে বর্তমানে সাতটি মামলা রয়েছে। অস্ত্র কারবারে আরও চার জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনতে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাঙা হাত নিয়েই ফাইনালে ১১ সেভ, চিরস্থায়ী ক্ষতির হয়েছে মার্তিনেজের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


ভাঙা হাত নিয়েই ফাইনালে ১১ সেভ, চিরস্থায়ী ক্ষতির হয়েছে মার্তিনেজের

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার হয়ে একাই যেন লড়াই করেছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তিনি লামিন ইয়ামাল, নিকো উইলিয়ামস, মিকেল মেরিনোদের শট একে একে ১১ বার সেভ করেছেন। সম্প্রতি তিনি সেই ম্যাচের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, শুধু ওই ম্যাচ নয়, পুরো বিশ্বকাপজুড়ে তিনি হাতের ভাঙা আঙুল নিয়ে খেলেছেন। এর ফলে বর্তমানে তার ওই আঙুলে চিরস্থায়ী ক্ষতি হয়ে গেছে।

ক্ষতিটি আর্জেন্টিনার গোলরক্ষকের ডান হাতে হয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন। ভিডিওতে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেছেন। সেখানে দেখা যায়, তিনি ডান হাতের আঙুলগুলো পুরোপুরি বন্ধ করতে পারছেন না। বিশেষ করে, তার অনামিকা আঙুল আংশিক খোলা থাকে। তিনি জানান, এই ক্ষতি চিরস্থায়ী।

তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে, আঙুলটি সরে গিয়েছিল এবং ভেঙেও গিয়েছিল। বর্তমানে হাড়টি এমন অবস্থানে রয়েছে যে আঙুলটি পুরোপুরি বন্ধ হয় না। তার কথায়, বাকি জীবন এভাবেই থাকতে হবে। রসিকতা করে তিনি বলেন, তিনি আর কখনো কাউকে ঠিকমতো ঘুষি মারতে পারবেন না।

আঙুলের ক্ষতির শুরু ২০২৬ সালের মে মাসে। আস্টন ভিলার সঙ্গে ফ্রাইবুর্গের ইউরোপা লিগ ফাইনালের আগে মার্তিনেজ ওয়ার্ম-আপের সময় তার ডান হাতের অনামিকা ভেঙে যায়।

তবুও, তিনি ওই ম্যাচের পুরো সময় খেলেন। ভিলা ম্যাচটি ৩-০ গোলে জিতে যায়। পরে বিশেষজ্ঞরা তাকে জানান, সঠিকভাবে সুস্থ হতে হলে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। অস্ত্রোপচার না করলে আঙুল স্বাভাবিকভাবে জোড়া লাগবে না এবং এতে খেলার সক্ষমতাও সীমিত হতে পারে। মার্তিনেজ অস্ত্রোপচার না করার সিদ্ধান্ত নেন, কারণ তিনি ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জন্য প্রস্তুত থাকতে চান।

চোট সামলাতে সামলাতে তিনি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেন। শুরুতে আলাদা অনুশীলন করেন। প্রথম দিকে ম্যাচগুলোতে হাতে সুরক্ষামূলক স্প্লিন্ট বা বদলানো গ্লাভ পরে খেলেন।

আর্জেন্টিনার পুরো অভিযানে তিনি অংশ নেন। দল ফাইনালে ওঠে, যেখানে প্রতিপক্ষ ছিল স্পেন। সেই ফাইনালে তিনি একে একে ১১টি সেভ করেন। তবে তাতেও লাভ হয়নি, আর্জেন্টিনা ম্যাচটি ১-০ গোলে হেরেছিল। তার আগে গ্রুপ পর্বে তিনি ক্লিন শিট রাখেন।

অস্ত্রোপচার না করানোর সিদ্ধান্তটি তাকে খেলার সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু হাতে স্থায়ী ক্ষতি হয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে যৌনতা মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাবে মারামারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৭ পি.এম


আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে যৌনতা মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাবে মারামারি

আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে ‘যৌনতা মন্ত্রণালয়’ (মিনিস্ট্রি অব সেক্স) গঠনের প্রস্তাবের কারণে সংসদ সদস্যদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সরকারি দলের এবং বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা একে অপরকে কিল-ঘুষি, লাথি এবং চেয়ার ছুঁড়ে মারতে শুরু করেন।

চলতি বছরের শুরুতে বিরোধী দল ‘স্ট্রং আর্মেনিয়া পার্টি’ ঘোষণা করেছিল যে, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশে ‘কোনো অসন্তুষ্ট নারী না থাকে’ তা নিশ্চিত করতে একটি নতুন যৌনতা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করবে। দলটির বক্তব্য ছিল, মধ্যবয়সী শ্বেতাঙ্গ নারীদের মধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধির প্রধান কারণ ‘যৌন অসন্তোষ’ বলে তারা মনে করে।

গত বৃহস্পতিবার আইনসভায় এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলাকালীন ক্ষমতাসীন ‘সিভিল কন্ট্রাক্ট পার্টি’র সংসদ সদস্য তারন চাখোয়ান বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি প্রস্তাবিত মন্ত্রণালয়ের জন্য বিরোধী দলের নেতার কাছে নারীদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।

চাখোয়ান যখন স্ট্রং আর্মেনিয়ার নেতা নারেক কারাপেতিয়ানকে ‘আপাদমস্তক ঝামেলা’ বলে উল্লেখ করেন, তখন দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়। এক পর্যায়ে বিরোধী এমপিরা আসন ছেড়ে উঠে ডায়াসের দিকে ছুটে যান এবং উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং এমপিরা একে অপরকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন।

সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার ও সিভিল কন্ট্রাক্ট পার্টির সদস্য ভাহাগন আলেকসানিয়ান বিরোধী এমপিদের লক্ষ্য করে একটি চেয়ার ছুঁড়ে মারেন। অন্যদিকে, চাখোয়ানকে বিরোধী দলীয় এমপি গার্নিক দাভতিয়ানের গায়ে পানি ছিটাতে দেখা যায়। উত্তেজনার চরম মুহূর্তে সংসদ সদস্যরা একে অপরের দিকে পানির বোতল ছুঁড়ে মারেন এবং বেশ কয়েকটি টেবিল ভেঙে ফেলেন।

সহিংসতার মাত্রা চরম আকার ধারণ করলে স্পিকার বাধ্য হয়ে অধিবেশন স্থগিত করেন। তবে বিরতির পরও করিডরে হাতাহাতি অব্যাহত থাকে, ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা কর্মীদের মানবপ্রাচীর তৈরি করতে হয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং তাদের ছেঁড়া জামাকাপড় পরা অবস্থায় চেম্বার থেকে বের হতে দেখা যায়।

ঘটনার পর এক সংবাদ সম্মেলনে আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান বলেন, ‘আমি সহিংসতার নিন্দা করি, তবে আজ সিভিল কন্ট্রাক্ট উপদল যে ব্যবস্থা নিয়েছে আমি তাকে সমর্থন করি। কারণ বিরোধী দলে থাকার মানে এই নয় যে কেউ উদ্ধত আচরণ করবে।’

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি কৌতুক করে লেখেন, বিরোধী দলটির নাম ‘স্ট্রং আর্মেনিয়া’ হলেও তাদের এমপিরা শারীরিকভাবে শক্তিশালী নন।

অন্যদিকে, সংঘর্ষের পক্ষ সমর্থন করে বিরোধী নেতা কারাপেতিয়ান এটিকে ‘খাঁটি আর্মেনীয় ধাঁচের পুরুষে পুরুষে স্বাভাবিক লড়াই’ বলে অভিহিত করেন।

এ ঘটনায় কোনো ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে দেশটির প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, এ বিষয়ে তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।

এদিকে, আর্মেনিয়ার পাশাপাশি আলবেনিয়ার পার্লামেন্টেও বৃহস্পতিবার পৃথক এক হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। সেন্ট্রাল ব্যাংক অব আলবেনিয়া সংক্রান্ত একটি আইনের সংশোধনীতে ভোটের সময় ক্ষমতাসীন সোশ্যালিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে বিরোধীদলীয় এমপিরা স্মোক বোমা ফাটিয়ে ডায়াস অবরুদ্ধ করেন। এ সময় বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রী এডি রামার পদত্যাগ দাবি করেন।

সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্তানের এইচএসসির ফল খারাপ হলে অভিভাবকের করণীয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৭ পি.এম


সন্তানের এইচএসসির ফল খারাপ হলে অভিভাবকের করণীয়

এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিনটি দেশের হাজারো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের জন্য এক ভিন্ন ধরনের আবেগ, উৎকণ্ঠা এবং প্রত্যাশার দিন। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জিত হলে পরিবারে আনন্দের ঢেউ বয়ে যায়। তবে এর বিপরীত চিত্রও কম নয়।

যখন প্রত্যাশার চেয়ে ফল খারাপ হয় বা কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না আসে, তখন মুহূর্তের মধ্যে পুরো পরিবারে নেমে আসে পিনপতন নীরবতা। অনেক সময় এই পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে অভিভাবকরাও দিশেহারা হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় এইচএসসি ফলাফলকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি এবং ভবিষ্যতের ক্যারিয়ারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সিঁড়ি হিসেবে দেখা হয়। ফল খারাপ হলে সামাজিক চাপ ও লজ্জার ভয়ে অনেক অভিভাবক অতিরিক্ত কঠোর হয়ে ওঠেন। অথচ এই সংকটময় মুহূর্তে বকাঝকা বা দোষারোপ না করে, সন্তানের জন্য পরিবারের মানসিক সমর্থন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

এইচএসসির ফল প্রকাশের পর যদি তা আশানুরূপ না হয়, তাহলে একজন অভিভাবক কীভাবে ইতিবাচকভাবে সন্তানের পাশে দাঁড়াতে পারেন, তা নিয়ে আজকের আলোচনা।

১. বকাঝকা ও নেতিবাচক মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন

আমাদের সমাজে অনেক সময় রাগের মাথায় সন্তানকে বলা হয়—‘এত টাকা খরচ করে পড়ানোর ফল কী হলো!’ অথবা ‘তোমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না’। ফলাফল প্রত্যাশামতো না হলে সন্তান ইতিমধ্যেই এক ধরনের অপরাধবোধ ও মানসিক চাপের মধ্যে থাকে। এর উপর এই ধরনের কটূক্তি বা অপমান তার আত্মবিশ্বাসকে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে দিতে পারে। মনে রাখতে হবে, ফল যা হওয়ার তা হয়ে গেছে; এখন বকাঝকা করলে ফলাফল পরিবর্তন হবে না, বরং সন্তান মানসিকভাবে আরও ভেঙে পড়বে।

২. অন্যের সন্তানের সঙ্গে তুলনা করা বন্ধ করুন

‘পাশের বাসার আন্টির ছেলে কত জিপিএ পেয়েছে, আর তুমি কী করলে!’—এই ধরনের তুলনা বাংলাদেশের পরিবারগুলোতে খুব পরিচিত। কিন্তু এই তুলনা সন্তানের মনে তীব্র হীনম্মন্যতা ও জেদ তৈরি করে, যা অনেক সময় মারাত্মক পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। প্রতিটি শিশুর মানসিক গঠন ও সামর্থ্য আলাদা। অন্যদের সঙ্গে তুলনা না করে বরং তার নিজের আগের ফলাফল বা ছোটখাটো ইতিবাচক দিকগুলোর প্রশংসা করুন।

৩. সন্তানের কথা মন দিয়ে শুনুন

সন্তান কেন খারাপ ফল করেছে, তার পেছনের কারণগুলো জানার চেষ্টা করুন। হতে পারে পরীক্ষার সময়ে সে অসুস্থ ছিল, পারিবারিক কোনো চাপ ছিল, কিংবা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে প্রস্তুতির ঘাটতি ছিল। বিচার না করে তার কথা মন দিয়ে শুনুন। সে কী বলতে চাইছে, তা বোঝার চেষ্টা করুন। এতে সন্তানের ভেতরের জমে থাকা কষ্ট ও চাপ অনেকটা কমে আসবে।

৪. মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি কড়া নজর রাখুন

ফল প্রকাশের পর অনেক শিক্ষার্থী হঠাৎ চুপচাপ হয়ে যায়, সবার কাছ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয় বা ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই বিষয়গুলোকে অনেক সময় স্রেফ ‘অভিমান’ ভেবে এড়িয়ে যাওয়া হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সন্তান একা থাকতে চাইছে মানেই তাকে একা ছেড়ে দেওয়া নয়; তার পাশে থাকুন, তাকে বোঝান যে জীবন কেবল একটি পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করে না। পরিস্থিতি বেশি জটিল মনে হলে প্রফেশনাল কাউন্সেলর বা চিকিৎসকের সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন না।

৫. বাস্তবসম্মত ও বিকল্প পরিকল্পনা করুন

সামনে কী করা যায়, তা নিয়ে ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। আমাদের দেশে জিপিএ-৫ বা কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলেই সব শেষ—এমন একটি ভ্রান্ত ধারণা সমাজজুড়ে বিদ্যমান। অথচ উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন বিকল্প পথ, অনার্সের নানা সাবজেক্ট, প্রফেশনাল কোর্স বা ডিগ্রি কলেজ—সব মিলিয়ে সুযোগের অভাব নেই। সন্তানের আগ্রহ ও সামর্থ্য অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপের রূপরেখা তৈরি করুন। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ শিক্ষক বা সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ নিন।

পরিশেষে, এইচএসসির ফলাফল জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ মাত্র, এটি পুরো জীবন নয়। ভালো ফল যেমন সামনে এগিয়ে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে, তেমনি আশানুরূপ ফল না পাওয়া মানে জীবন থেমে যাওয়া নয়। বরং এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে সন্তানের সবচেয়ে বড় ভরসাস্থল হতে হবে তার পরিবারকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%