ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সারাদেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী


পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সারাদেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বাংলাদেশে আমাদের ঐতিহ্য ও সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকার দেশব্যাপী ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরের মধ্যে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলায় প্রায় ৪০ লাখ গাছ শীঘ্রই রোপণ করা হবে।

আজ শনিবার টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করার দেয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ফলজ, ঔষধি ও বনজসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা আরও শক্তিশালী হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শরীফা হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাসের মোহসিন হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিন মিয়া, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানুসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

এর আগে সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে সদর উপজেলার গাড়াইল বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: দেশে ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘হাসিনাকে পুশ ইন করুন, দেখি কত সাহস’: গোলটেবিলে বক্তারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪১ এম


‘হাসিনাকে পুশ ইন করুন, দেখি কত সাহস’: গোলটেবিলে বক্তারা

ঢাকায় গোলটেবিল বৈঠকে ভারত থেকে বাংলাদেশে লোক ঠেলে পাঠানো বা পুশ ইন এবং সীমান্ত হত্যার বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে। বক্তারা জানান, ভারতের হিন্দুত্ববাদী সরকার ইসলাম বিদ্বেষের কারণে মুসলমানদের জোর করে বাংলাদেশে পুশ ইন করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, 'শেখ হাসিনা তো ভারত আছে, তাহলে তাকে কেন পুশইন করা হচ্ছে না? ভারত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুশইন করে না কেন? দেখি আপনাদের কত সাহস?'

শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। নাগরিক ভাবনা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন। বক্তাররা ভারতের উদ্দেশ্যে বলেন, 'আপনারা কি মনে করেছেন যে, আপনাদের পারমাণবিক বোমা আছে বলে, আপনারা যা ইচ্ছা তাই করবেন? আমরা পারমাণবিক বোমা ভয় পাই না। আমরা বন্দুকের মুখে স্বাধীনতা দেখি, আপনারা মৃত্যু দেখেন।'

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হারুন সোহেল, জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জিয়া, জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকন, ডিভাইন কোডেকের প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল্লাহ মানসুর আবির এবং জাতীয়তাবাদী চালক দলের সভাপতি জসিম উদ্দিন কবির। গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন।

এ সময়ে ভারতের জনসংখ্যার সঙ্গে বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে একত্রিত করার বিষয়ে ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদের বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন বক্তারা। তারা বলেন, 'ভারতের হাইকমিশনার যে বক্তব্য দিয়েছেন তার ব্যাখ্যা তিনি দেননি। আমরা মনে করি তাকে এর ব্যাখ্যা দিতে হবে। আমরা একটি যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি, কোনো আধিপত্যবাদী বন্ধু আমরা চাই না।'

ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান জানান, ভারত নিজেকে গণতান্ত্রিক দেশ দাবি করলেও তারা মূলত সন্ত্রাসী ও আধিপত্যবাদী রাষ্ট্র। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সীমান্তের সমস্যা সমাধান করতে হবে, নইলে জনগণ কিন্তু অস্ত্র হাতে নিয়েছে, রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে, সেটি ভালো হবে না। দেশের জনগণ স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছে, ভারতকে তাড়িয়ে দিতেও পিছপা হবে না।

ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হারুন সোহেল বলেন, 'স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারত আমাদের পাশে ছিল, এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি, কেন তারা আমাদের পাশে ছিল? স্বাধীনতার পরে আমাদের শোষণ-নির্যাতন করার জন্য তারা আমাদের পাশে ছিল। তারা আমাদের দেশে একটি তাবেদারি সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিল।'

জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকন বলেন, 'পুশইন ঠেকাতে হলে দলমত নির্বিশেষ আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের মত সবাইকে এক কাতারে আসতে হবে। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।'

বক্তারা আরও জানান, 'পৃথিবী যখন জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শিখরে আরোহণ করছে, তখন ভারত গোমূত্র নিয়ে গবেষণা করছে। তারা পশ্চাৎপদ চিন্তার অধিকারী। আমাদের দুর্বল মনে করলে ভুল হবে, আমরা প্রস্তুত আছি। যে কোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভোৗমত্ব রক্ষা করবো।'

একজন বক্তা দাবি করেন, 'ভারত কোনো দিন বাংলাদেশের ভালো চায়নি, যখন আমাদের পানি প্রয়োজন তখন পানি দেয় না, যখন প্রয়োজন নেই, তখন পানি দিয়ে ফসল তলিয়ে দেয়। বাংলাদেশের মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ভারত হাসিনাকে নিয়োজিত করেছিল, বাংলাদেশের মানুষ তা বুঝতে পেরে, তাকে তাড়িয়ে দিয়েছে। ভারত স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশকে অঙ্গরাজ্য বানাবে, সেই স্বপ্ন কোনো দিন সফল হবে না।'

পুশইন ঠেকাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। বিজিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। ভারত মুসলমানদের মধ্যে শত্রুতার অংশ হিসেবে পুশইন করছে। হিন্দুত্ববাদীদের হাতে সীমান্তে মুসলমানদের রক্ত ঝরছে, মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন বলেন, 'নরেন্দ্র মোদিকে বলতে চাই বাপের বেটা হয়ে থাকলে বুকের পাটা থাকলে হাসিনা ও তার নেতাকর্মীদের পুশইন করুন। শুভেন্দু অধিকারীর মা নাকি বাংলাদেশি, তাকে পুশইন করুন; তাহলে বুঝবো আপনার বুকের বাটা আছে।' তিনি বলেন, 'সীমান্তে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের কারণে বিগত সময়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হয়েছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের এবারের বাজেটের কতগুণ সম্পদ ইলন মাস্কের?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ এম


বাংলাদেশের এবারের বাজেটের কতগুণ সম্পদ ইলন মাস্কের?

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বাংলাদেশের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এই পরিমাণ দেশটির অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে একটি বিশাল সংখ্যা। তবে সম্প্রতি বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে শীর্ষস্থান অধিকারী ইলন মাস্কের সম্পদের সঙ্গে তুলনা করলে আমরা একটি ভিন্ন চিত্র দেখতে পাই।

ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে যখন তালিকাভুক্ত হয়, তখন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ এক ট্রিলিয়ন ডলার বা এক লাখ কোটি ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। এই বিনিময়মূল্য যখন ১২২-১২৫ টাকার মধ্যে থাকে তখন বাংলাদেশি মুদ্রায় ইলন মাস্কের সম্পদ দাঁড়ায় ১৩৪-১৩৮ ট্রিলিয়ন টাকা (প্রায় ১৩৪-১৩৮ লাখ কোটি টাকা)।

বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, জাতীয় বাজেট = ৯.৩৮ ট্রিলিয়ন টাকা (৯.৩৮ লাখ কোটি টাকা)। সুতরাং, ইলন মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ বাংলাদেশ সরকারের পুরো ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের প্রায় ১৪ গুণ। এটি বোঝা যায় যে বাংলাদেশের সরকার প্রতি বছর যে পরিমাণ অর্থ দিয়ে দেশের প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, প্রতিরক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিচালনা করে, ইলন মাস্কের ঘোষিত সম্পদের মূল্য সেই পরিমাণ অর্থের প্রায় ১৪ বছরের জাতীয় বাজেটের সমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিল দলকে প্রেসিডেন্টের বার্তা-‘হৃদয় উজাড় করেও খেলো’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ এম


ব্রাজিল দলকে প্রেসিডেন্টের বার্তা-‘হৃদয় উজাড় করেও খেলো’

রোববার (১৪ জুন) ভোরে ব্রাজিল বহুল আকাঙ্ক্ষিত হেক্সা মিশন শুরু করতে যাচ্ছে। এবারের বিশ্বকাপে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রথম প্রতিপক্ষ হয়ে এসেছে গতবারের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো। জাতীয় দলের উদ্বোধনী ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা একটি ভিডিও বার্তা প্রদান করেছেন।

মরক্কোর বিরুদ্ধে গ্রুপ সি'র প্রথম ম্যাচের আগে, প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা রেকর্ডেড ভিডিও বার্তায় উল্লেখ করেন, ‘যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হলো বলটা প্রতিপক্ষের জালে পাঠানো। আল্লাহর দোহাই লাগে, শট নাও!’

এই ভিডিওটি তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন। এই সময়, তিনি একজন সাধারণ সমর্থকের মতো উচ্ছ্বসিত ছিলেন এবং জোর দিয়ে বলেন, ‘বল নিয়ে খেলার পাশাপাশি একটু হৃদয় দিয়েও খেলো।’

তিনি আরও বলেন, ‘যখন তুমি পড়ে যাবে, উঠে দাঁড়াও। শুধু বসে অভিযোগ করো না, এগিয়ে গিয়ে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নাও।’

এছাড়াও, ব্রাজিল জাতীয় দলের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলোর একটি হলো নেইমারের অনুপস্থিতি। জাতীয় দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা সম্ভবত বিশ্বকাপে দলের প্রথম দুই ম্যাচ খেলতে পারবেন না। সান্তোসের এই ফরোয়ার্ড বর্তমানে পায়ের পেশির ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার জন্য পুনর্বাসন এবং চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

লুলার বার্তা সম্পর্কে ব্রাজিল জাতীয় দলের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রিয় ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি এবং খেলোয়াড়দের জন্য আজকের বার্তা। বিশ্বকাপ শুরু হয়ে গেছে, এখন সময় লড়াই, দৃঢ়তা, নিষ্ঠা এবং দলীয় চেতনা নিয়ে খেলার। ফুটবল মাঠেই জেতা হয় মনোযোগ, নিবেদন, অনুশীলন এবং সবচেয়ে বেশি করে গোল করার মাধ্যমে। আমি প্রতিটি খেলোয়াড়কে শুভকামনা জানাই। তোমরা একটি পুরো জাতির জার্সিপরছো। আমি এবং লক্ষ লক্ষ ব্রাজিলিয়ান তোমাদের সমর্থন করছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে দিনব্যাপী যা যা করলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:০৯ এম


কক্সবাজারে দিনব্যাপী যা যা করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার সফরকালে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। তিনি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, পাশাপাশি দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করেন। এছাড়া নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলা ও পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করেন, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেন এবং চকরিয়ায় বিশাল জনসভা ও কক্সবাজারে সুধী সমাবেশে অংশ নেন।

শনিবার (১৩ জুন) জুড়ে তার সফর চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন এবং কক্সবাজারের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রদান করেন।

উল্লেখ্য যে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সুধী সমাবেশের সময়, প্রধানমন্ত্রী রাত ৯টা ৪০ মিনিটে কক্সবাজারের হোটেল লং বিচের সুধী সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। সেখানে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি সংসদ সদস্য (এমপি) শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন এমপি লুৎফুর রহমান কাজল। এই সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, এমপি আলমগীর ফরিদ এবং অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের বিকাশ, নিরাপদ নগরী গড়ার জন্য একটি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী এসব দাবির বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

জনসভায়, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, দেশের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে কক্সবাজারের ৪টি আসন বিএনপির ঘরে গেছে এবং এজন্য কক্সবাজারবাসীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি দাবি করেন যে, কক্সবাজারের লবণচাষীরা লবণের ন্যায্যমূল্য পান না, এবং বিষয়টি নিয়ে খুব দ্রুত সময়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বলা হয়েছে যে, লবণের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণে মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করা হবে।

সন্ধ্যায় যখন তিনি চকরিয়া জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন, তখন সরকারপ্রধান বাজেট নিয়ে বলেন, সরকারের বাজেট ঘোষণাকে দেশের বিশিষ্টজনেরা স্বাগত জানান। তবে কিছু মানুষ এর বিরোধিতা করছেন। তিনি বললেন, বাজেটে মানুষের প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং নিত্যপণ্যের দাম কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বিরোধীদল বাজেট নিয়ে বিতর্ক তৈরি করছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন করেন, সিগারেট ও মদের ওপর ট্যাক্স বাড়ানোর কারণে বিরোধীদের ক্ষোভ হতে পারে কিনা।

নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, দেশের দরিদ্র নারীদের আড়াই হাজার টাকা করে ভাতা প্রদান শুরু করেছে সরকার। তিনি দেশের সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট করার ঘোষণা দেন এবং বলেন, বাজেটে স্বাস্থ্য সেবার জন্য যে ব্যবস্থা রয়েছে, যারা এর বিরুদ্ধে কথা বলেন তারা দেশের জনগণের স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কে সচেতন নন।

সরকারের বাজেট জনগণের পক্ষে বলেও তিনি মন্তব্য করেন এবং জনগণের শক্তিকে সরকারের শক্তি বলে উল্লেখ করেন।

তার সফরের বিভিন্ন অংশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, কক্সবাজারের নারী এমপি শামীম আরা স্বপ্না এবং সরকারের আরও অনেক মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। চকরিয়া শহীদ আবদুল হামিদ পৌর বাস টার্মিনালে বক্তৃতা চলাকালীন সময় হাজার হাজার মানুষ জমায়েত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বিকাল সাড়ে ৫টায় পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, যা পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিএনপি দেশের ও জনগণের স্বার্থে কথা বলে এবং পেকুয়া পৌরসভা গঠন করতে সকলের সহায়তা করার জন্য আহ্বান জানান।

নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার সময় তিনি বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। চকরিয়া উপজেলা বিভক্ত করে নতুন মাতামুহুরি উপজেলা গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে গত ৭ মে।

শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করার সময়, তিনি ওই শহীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র প্রদান করেন।

বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন। তিনি মালুমঘাটের রিংভং এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, যা আগামী ৫ বছরে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।

সাফারি পার্ক পরিদর্শনের সময়, প্রধানমন্ত্রী কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্ত্রীকে নিয়ে পার্কে ঘুরে বিভিন্ন প্রাণী ও জীব বৈচিত্র্য দেখেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বিএনপির সরকারের ৫ বছরে সারদেশের ২০ হাজার খাল খনন করা হবে।

সকাল ৯টা ৪৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে এবং সেখানে অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন, যারা প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় ছিলেন।

সার্বিকভাবে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কক্সবাজারের মানুষ এবং রাজনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%