ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতের আইসার নেত্রী নেহা বোরা আলোচনায়, নেতৃত্ব দিচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে


ভারতের আইসার নেত্রী নেহা বোরা আলোচনায়, নেতৃত্ব দিচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে

ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ হিসেবে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা উঠে এসেছেন। চলতি বছরের শুরুতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ থেকে শুরু করে বর্তমানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন—বিভিন্ন ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।

২৯ বছর বয়সী নেহা বোরা ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) পিএইচডি গবেষক। তিনি আইসার জাতীয় সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের মধ্যে গত এক সপ্তাহে দিল্লি পুলিশের হাতে একাধিকবার আটক হওয়া কর্মীদের মধ্যে তিনিও রয়েছেন।

এ ইস্যুতে রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচিতেও নেতৃত্ব দিয়েছেন নেহা। গত সপ্তাহে তার নেতৃত্বে আয়োজিত একটি প্রতিবাদ মিছিলে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ ও কপিল সিবালও অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: বিশ্বের শীর্ষ ১০ ব্যাংকের তালিকা: চীনের চার ব্যাংক শীর্ষে

এর আগে চলতি বছরের শুরুতে শিক্ষা সংস্কারক সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দিল্লির যন্তর মন্তরে অনির্দিষ্টকালের অনশনেও যোগ দিয়েছিলেন নেহা ও অন্যান্য শিক্ষার্থী নেতারা। বিভিন্ন আন্দোলনে ধারাবাহিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারতের ছাত্র অধিকার ও রাজনৈতিক প্রতিবাদের অঙ্গনে তিনি পরিচিতি অর্জন করেছেন।

আইসা কী, ভারতের ছাত্ররাজনীতিতে এর ভূমিকা কী?
১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা) ভারতের একটি বামপন্থী ছাত্রসংগঠন। এটি কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী) লিবারেশন বা সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের ছাত্রসংগঠন হিসেবে পরিচিত। শিক্ষা, শিক্ষার্থীদের অধিকার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে আন্দোলনের মাধ্যমে সংগঠনটি ভারতের ছাত্ররাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে।

ভারতের বামপন্থি ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে আইসার উত্থান বুঝতে হলে কমিউনিস্ট আন্দোলনের ধারাবাহিকতা জানা প্রয়োজন। ১৯২৫ সালে কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (সিপিআই) প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৩৬ সালে দলটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছাত্রসংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস ফেডারেশন (এআইএসএফ) গড়ে ওঠে। ১৯৬৪ সালে সিপিআই ভেঙে সিপিআই (মার্ক্সবাদী) বা সিপিআই(এম) প্রতিষ্ঠিত হলে ১৯৭০ সালে গঠিত হয় স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই)।

তবে আইসার রাজনৈতিক শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ভারতের নকশাল আন্দোলনও।
১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে পশ্চিমবঙ্গের নকশালবাড়িতে কৃষক বিদ্রোহের মধ্য দিয়ে এ আন্দোলনের বিস্তার ঘটে। চারু মজুমদার ও কানু সান্যালসহ সিপিআই(এম)-এর বিদ্রোহী নেতারা সশস্ত্র সংগ্রামের পথ বেছে নেন। ১৯৬৯ সালে গঠিত হয় কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী), সংক্ষেপে সিপিআই(এমএল)। পরে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও অন্ধ্র প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতায় গ্রেপ্তার ১ হাজার ৮০০ ছাড়িয়েছে

সরকারি দমন-পীড়ন ও মতাদর্শগত বিরোধের কারণে ১৯৭০-এর দশকে নকশাল আন্দোলন বিভিন্ন ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়ে। দক্ষিণ দেশ, পিপলস ওয়ার গ্রুপ (পিডব্লিউজি), পার্টি ইউনিটি এবং সিপিআই(এমএল) লিবারেশন ছিল এসব ধারার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

এর মধ্যে কয়েকটি গোষ্ঠী সশস্ত্র সংগ্রাম অব্যাহত রাখে। তাদের কৌশল ছিল গ্রামাঞ্চলে ঘাঁটি গড়ে সশস্ত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শহর ঘেরাও করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা। অন্যদিকে, সিপিআই(এমএল) লিবারেশন ধীরে ধীরে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ থেকে সরে এসে গণআন্দোলন ও নির্বাচনি রাজনীতিতে অংশগ্রহণের দিকে এগোয়।

১৯৮২ সালে দলটি ইন্ডিয়ান পিপলস ফ্রন্টের ব্যানারে নির্বাচনি রাজনীতিতে অংশ নিতে শুরু করে। ১৯৮৯ সালে বিহারের আরা আসন থেকে রামেশ্বর প্রসাদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে সিপিআই(এমএল) লিবারেশন বিহারে বিরোধী দলগুলোর ইন্ডিয়া জোটের অংশ।

এই রাজনৈতিক ধারার ছাত্রসংগঠন হিসেবে ১৯৯০ সালে আইসার যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের অধিকার, শিক্ষা খাতে বৈষম্য এবং বিভিন্ন জাতীয় রাজনৈতিক ইস্যুতে আন্দোলনে অংশ নেয়। সংগঠনটির সভাপতি নেহা বোরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ এবং ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে আলোচনায় এসেছেন।

আরও পড়ুন: রাশিয়ার দাবি: ইউক্রেনের ১২৬টি ড্রোন ভূপাতিত

এমএমআর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু কাল, মাঠে নামছে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু কাল, মাঠে নামছে বাংলাদেশ

আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং জিম্বাবুয়েকে নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আগামীকাল আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের সূচনা করবে। প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, সিরিজের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২৩ অক্টোবর শারজায়। সব ম্যাচ বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটায় শুরু হবে।

সূচি অনুযায়ী, ১৭ অক্টোবর আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ম্যাচ দিয়ে প্রতিযোগিতার শুরু হবে। ১৯ অক্টোবর একই ভেন্যুতে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের মধ্যে মুখোমুখি হবে। এরপর ২১ অক্টোবর শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে খেলবে বাংলাদেশ। লিগ পর্ব শেষে সেরা দুই দল ২৩ অক্টোবর শারজায় শিরোপার জন্য লড়াই করবে।

বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন লিটন দাস, এবং সহ-অধিনায়ক হিসেবে থাকবেন তাওহিদ হৃদয়। ১৬ সদস্যের দলে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছেন অফ স্পিনার আলিস আল ইসলাম। পেসার হাসান মাহমুদও দলে ফিরেছেন। তবে চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় থাকায় নাহিদ রানা দলে নেই।

ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশ দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হয়েছিল। আবুধাবিতে ৯ থেকে ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ম্যাচটি রোমাঞ্চকর ড্রয়ে শেষ হয়। এবার সাদা বলের ক্রিকেটে নিজেদের সামর্থ্য যাচাই করার সুযোগ পাচ্ছে তিনটি দল।

আফগানিস্তানের জন্যও এই সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ। সংযুক্ত আরব আমিরাতকে নিজেদের হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচি খেলছে তারা। ত্রিদেশীয় সিরিজের পর আফগানিস্তান জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি এবং দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজও খেলবে।

ত্রিদেশীয় সিরিজের সূচি (বাংলাদেশ সময়)

*সব ম্যাচ শুরু বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেনকে নতুন ঋণ দিতে পারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


ইউক্রেনকে নতুন ঋণ দিতে পারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইউক্রেনকে নতুন ঋণ দেওয়ার পরিকল্পনা করতে পারে, যা দেশের আগামী বছরের বাজেট ঘাটতি পূরণে সহায়ক হবে এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান দেবে। এ বিষয়ে এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টেন মিচাল শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে একটি সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেছেন।

মিচাল ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে উল্লেখ করেন, ইউক্রেনের জন্য ইউরোপের আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, "দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে আর্থিক সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সহায়তা চালিয়ে যেতে হবে এবং তা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকেই আসতে হবে।"

গত বছরের ডিসেম্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা ২০২৬ ও ২০২৭ সালে ইউক্রেনের আর্থিক চাহিদার বড় অংশ মেটাতে ৯ হাজার কোটি ইউরোর ঋণ দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হন। তবে কিয়েভ জানিয়েছে, আগামী বছরে তাদের ৭ হাজার কোটি ডলারের বেশি অর্থের ঘাটতি হতে পারে, যা প্রতিরক্ষা খাতের ব্যয় ও সরকারের নিয়মিত খরচ মেটাতে প্রয়োজন।

ইউরোপের কিছু দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নে জব্দ থাকা রাশিয়ার সম্পদ ব্যবহার করে ইউক্রেনকে অর্থায়নের প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু বেলজিয়ামে থাকা এসব সম্পদের বড় অংশের কারণে দেশটি এবং ইইউর অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের আপত্তির ফলে এই প্রস্তাব আটকে রয়েছে।

মিচালের মতে, ইউক্রেনকে নতুন ঋণ দেওয়াই হতে পারে সবচেয়ে সম্ভাব্য সমাধান। তিনি বলেন, "ইউরোপ এর আগেও বহুবার এই পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। ফলে এ ধরনের ঋণ দেওয়ার প্রক্রিয়াটি ইউরোপের কাছে পরিচিত।"

এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, চলতি বছরের শেষ হওয়ার আগেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা ২০২৭ সালের জন্য ইউক্রেনকে অতিরিক্ত অর্থায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন। তিনি মনে করেন, আগামী বছর ইউরোপের অনেক দেশে নির্বাচন থাকায় আগেভাগে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ইউক্রেনকে দেওয়া আগের ৯ হাজার কোটি ইউরোর ঋণের অর্থ জোগাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের সম্মিলিত বাজেটের বিপরীতে ঋণ নিচ্ছে। নতুন ঋণের অর্থ কীভাবে জোগাড় করা হবে, এ বিষয়ে মিচাল বলেন, "ইউরোপ শেষ পর্যন্ত কোনো না কোনো উপায় খুঁজে বের করবে। পরিস্থিতি সবচেয়ে কঠিন পর্যায়ে পৌঁছালেও ইউরোপ সমাধানের পথ বের করতে পারে।"

রাশিয়ার ২০২২ সালের পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ব্যয় মেটাতে পশ্চিমা দেশগুলোর আর্থিক সহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ফলে আগামী বছরের সম্ভাব্য অর্থ ঘাটতি পূরণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন সিদ্ধান্ত কিয়েভের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীপকে-নেহার আটককে ‘নিরঙ্কুশ স্বৈরাচার’ বললেন কেজরিওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ পি.এম


দীপকে-নেহার আটককে ‘নিরঙ্কুশ স্বৈরাচার’ বললেন কেজরিওয়াল

ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা কি অপরাধ—এমন প্রশ্ন তুলে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের আটকের তীব্র সমালোচনা করেছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘটনাকে ‘নিরঙ্কুশ স্বৈরাচার’ বলে অভিহিত করেন।

দিল্লিতে সিজেপির প্রস্তাবিত ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ মিছিলকে কেন্দ্র করে দীপককে আটকের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কেজরিওয়াল। তিনি দাবি করেন, বিক্ষোভকারীদের ভয় পান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

জাতীয় পতাকা উত্তোলন নিয়ে আপত্তি থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাকিস্তানে চলে যাওয়ার কথাও বলেন তিনি। এর আগে এক পোস্টে দীপকের আটককে ‘নিরঙ্কুশ স্বৈরাচার’ আখ্যা দিয়ে কেজরিওয়াল প্রশ্ন তুলেছিলেন, ভারতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা কি অপরাধ?

এর আগে অভিজিৎ দীপকে নিজ বাসা থেকে আটকের পর অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকেও আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শী এক সাংবাদিকের বরাতে জানা গেছে, পুলিশ সেন্ট্রাল পার্কের আশপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং বিক্ষোভকারীদের এলাকা ছেড়ে যেতে নির্দেশ দেয়। এ সময় পার্কের কাছে চার থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কনট প্লেস ও এর আশপাশে প্রায় দুই হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিশার বিস্ফোরক দাবি, সাবিলার কারণে ভেঙেছে প্রেম-বিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ পি.এম


তিশার বিস্ফোরক দাবি, সাবিলার কারণে ভেঙেছে প্রেম-বিয়ে

ঢাকাই শোবিজে অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে ঘিরে দাম্পত্য টানাপড়েনের গুঞ্জনের মাঝে চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুন আলোচনায় আসেন। মামুনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কারণে তার ‘কথিত প্রেমিকা’ তিশা দাবি করেছেন যে, তাদের সাত বছরের প্রেম ও বিয়ে ভেঙে গেছে। তিশার অভিযোগ, দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও বিয়ের কয়েক দিন আগে মামুন সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ান।

তিশার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মে তাদের বিয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। সাবিলা নূর অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর বিয়ের আয়োজন করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের কয়েক দিন আগে মামুন তাকে জানান, তিনি আর বিয়ে করতে চান না। কেন এমন সিদ্ধান্ত, তা জানতে চেয়েও স্পষ্ট কোনো উত্তর পাননি বলে দাবি করেছেন তিশা।

গণমাধ্যমকে তিশা বলেন, "যা শুনেছেন সব সত্য। সাবিলা নূরের কারণেই আমার দীর্ঘ সাত বছরের প্রেম এবং বিয়ে ভেঙে গেছে। ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর আমাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। দুই পরিবার থেকে বিয়ের সব আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু আবদুল মামুন হঠাৎ করে জানায়, সে বিয়ে করতে চায় না। পরবর্তীতে জানতে পারি, সাবিলা নূরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কে জড়িয়ে গেছে আবদুল মামুন।"

তিশার অভিযোগ, মামুনের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য তিনি একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করেছেন। পরিবারের সদস্যরাও তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কোনো প্রচেষ্টাতেই কাজ হয়নি। পরে সাবিলার সঙ্গে মামুনের সম্পর্কের কথা জানতে পারেন বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনার পর থেকে মামুনের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

আক্ষেপ প্রকাশ করে তিশা বলেন, "ওরা দুজন আমার সঙ্গে কাজটি ভালো করেনি। সাবিলা নূর আমাদের বিষয় সব জানতেন। কিন্তু সে মেয়ে হয়েও একটিবার আরেকটি মেয়ের কথা ভাবেনি। আমার বড় ক্ষতি করল। আবদুল মামুন একজন তারকা পেয়ে আমাকে ভুলে গেছে।"

তিশা জানান, তাদের বিয়ে আরও আগে হওয়ার কথা থাকলেও ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিংয়ের কারণে তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শাকিব খানের মতো তারকার সঙ্গে কাজের সুযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে তিনি বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিতে রাজি হয়েছিলেন বলে দাবি করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত তার জীবনে বড় আঘাত হয়ে এসেছে বলে মনে করেন তিনি।

তিশার ভাষ্য, তার পরিবার এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবলেও তিনি তাতে সম্মতি দেননি। তবে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে মামুনের কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাননি বলে অভিযোগ তার।

এদিকে সাবিলা নূর ও তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য জীবন নিয়েও সম্প্রতি নানা আলোচনা চলছে। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৯ সালে বিয়ে করেন তারা। তবে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে এবং তারা আলাদা থাকছেন বলে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে দুজনের কেউই আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবিলা ও শাকিব খানকে ঘিরেও নানা আলোচনা ছড়িয়েছে। ‘তাণ্ডব’ ও ‘রকস্টার’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সূত্রে তাদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছে। তবে এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সাবিলা নূর, নেহাল সুনন্দ তাহের ও আবদুল মামুনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিংকে কেন্দ্র করেই সাবিলা ও মামুনের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিশা। সিনেমাটির পরিচালক আজমান রুশোর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি। পরে গণমাধ্যমকে এক বার্তায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলবেন বলে জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%