ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বোস্টনের পাবগুলো স্কটিশ ফুটবলপ্রেমীদের পানীয় চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে


বোস্টনের পাবগুলো স্কটিশ ফুটবলপ্রেমীদের পানীয় চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে

বোস্টনের পাবগুলিতে স্কটিশ সমর্থকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন।

১৯৯৮ সালের পর এবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে স্কটল্যান্ড। প্রথম ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে জয়ী হয়ে স্কটিশ ফুটবলপ্রেমীরা আনন্দিত।

তাদের জয়ের খুশি উদযাপনে পাবগুলোতে তারা ভিড় করছে। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে পাব মালিকরা তাদের পানীয়ের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: সংবিধান অনুযায়ী সব নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে

বোস্টনে প্রায় ১০ হাজার স্কটিশ ফুটবলপ্রেমী এসেছে স্কটল্যান্ডকে সমর্থন জানাতে। ২৮ বছর পর তাদের দেশের জন্য বিশ্বকাপ, ৩৬ বছর পর তারা প্রথম ম্যাচে জয় পেয়ে উল্লসিত।

স্কটিশ সমর্থকদের উচ্ছ্বাস স্তব্ধ হতে চাইছে না। তারা জাতীয় পতাকা উড়িয়ে এবং সংগীত গেয়ে র‌্যালি করেছে শহরটিতে। তাদের এই উচ্ছ্বাস কিছু বোস্টনের বাসিন্দাদের কাছে বিস্ময়ের কারণ হলেও পাব মালিকেরা এর জন্য বেশ খুশি।

বোস্টনের একটি জনপ্রিয় পাবের জেনারেল ম্যানেজার বিলি ডিকেইন বলছেন, "৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবসা করছি। এমন পরিস্থিতি কখনও হয়নি।" মরক্কোর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে যখন স্কটিশ দল বোস্টনে আসবে তখন থেকে বিয়ারের চাহিদা বেড়ে গেছে। আপাতত পরিস্থিতি সামলানো সম্ভব হলেও এক সপ্তাহের মজুত চার দিনেই প্রায় শেষ হয়ে যাবে। প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি যদি জরুরি ভিত্তিতে পানীয় সরবরাহ না করে, তবে সপ্তাহের শেষে পানীয় সঙ্কট দেখা দিতে পারে।

সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, স্কটিশরা সাধারণত পাবগুলিতে ভিড় করছেন। বোস্টনের গরমে তাদের জন্য তৃষ্ণা মেটানোর পছন্দের পানীয় হল বিয়ার। বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহেই বোস্টনে বিয়ারের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাবগুলিতে মজুত থাকা বিয়ার প্রায় নেই বললেই চলে। চাহিদা দেখে পাব মালিকেরা জরুরি ভিত্তিতে প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে বিয়ার সরবরাহের জন্য অনুরোধ করেছেন। চাহিদা এত বেড়ে গেছে যে বোতলের পাশাপাশি প্রচুর ক্যানও বিক্রি হচ্ছে। বিশ্বকাপ উপলক্ষে এই আকস্মিক ব্যবসায় বৃদ্ধিতে পাব মালিকেরা উল্লসিত।

আরও পড়ুন: স্পেনে প্রবল বৃষ্টিতে বন্যায় ৪ জনের মৃত্যু

একটি বিয়ার উৎপাদক সংস্থা জানিয়েছে, ৪ জুলাই থেকে বোস্টনে চার দিনের ছুটি থাকে। প্রতি বছর এই সময়ে বিয়ারের চাহিদা থাকে, কিন্তু এবার তার চারগুণেরও বেশি বিয়ার বিক্রি হয়েছে সপ্তাহের প্রথম চার দিনে। এর ফলে তারা উৎপাদন বাড়িয়েছে। সপ্তাহের প্রথম চার দিনে তাদের ৪০০০ পিন্ট বিয়ার বিক্রি হয়েছে। তারা উৎপাদন বাড়িয়েও ফুটবলপ্রেমীদের চাহিদা মেটানোর ব্যাপারে নিশ্চিত নয়। মনে করা হচ্ছে, দ্বিতীয় ম্যাচেও স্কটল্যান্ড যদি জয়ী হয়, তবে চাহিদা আরো বাড়বে। তবে ব্যবসায় বৃদ্ধির কারণে তারা সন্তুষ্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনা সেতু ও সাসেক-২ প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন সেতু সচিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


যমুনা সেতু ও সাসেক-২ প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন সেতু সচিব

সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ আজ যমুনা সেতু এলাকা এবং সাউথ এশিয়া সাবরিজিওনাল ইকোনমিক কো-অপারেশন (সাসেক)-২ প্রকল্পের বিভিন্ন চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, গুণগতমান ও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বাস্তবায়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পরামর্শক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনের শুরুতে সচিব যমুনা সেতুর পরিত্যক্ত রেল ট্র্যাক অপসারণ করে ডেক বর্ধিতকরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, নতুন যমুনা রেল সেতু চালু হওয়ার পর পুরোনো রেল অবকাঠামো অপসারণ এবং ডেক সম্প্রসারণের মাধ্যমে যমুনা সেতুর কার্যকারিতা ও ধারণক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে যানবাহন চলাচল আরও নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।

ভবিষ্যতের ক্রমবর্ধমান ট্রাফিক চাহিদা মোকাবিলায় সেতুটি অধিক সক্ষমতা অর্জন করবে। তার পর তিনি যমুনা সেতুর চলমান পট বেয়ারিং প্রতিস্থাপন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সেতুর কাঠামোগত নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এই কাজের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন। সেতু সচিব যমুনা সেতুর পশ্চিম গাইড বাঁধ এলাকায় চলমান নদীশাসন কাজও পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি নদীর প্রবাহ, ভাঙন এবং তলদেশের পরিবর্তনের থেকে গাইড বাঁধ ও সেতু অবকাঠামোকে সুরক্ষিত রাখতে এই ধরনের কার্যক্রমের গুরুত্ব উল্লেখ করেন। তিনি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং অনুমোদিত নকশা ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করার ওপর জোর দেন।

পরিদর্শনের একপর্যায়ে সেতু সচিব সাসেক-২ প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নাধীন চার-লেন সড়ক, এলেঙ্গা ফ্লাইওভার এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুততম সময়ে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সাসেক-২ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। এটি আঞ্চলিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, যমুনা সেতু দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামো। এটি উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রধান সংযোগস্থল। সেতুর নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করতে হবে।

একই সঙ্গে নির্মাণ কার্যক্রমের কারণে জনসাধারণের যাতায়াতে যেন কোনো অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সচিব বলেন, যমুনা সেতু ও সাসেক-২ প্রকল্প এলাকায় বিগত দুই ঈদ; ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে সুষ্ঠু ও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মী এবং অন্যান্য অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়।

তাদের আন্তরিকতা ও সমন্বিত উদ্যোগের কারণে ঈদযাত্রায় যমুনা সেতু এলাকায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে। ফলে সাধারণ যাত্রীরা নির্বিঘ্নে যাতায়াতের সুযোগ পেয়েছেন। ভবিষ্যতেও একই ধরনের সমন্বয়, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে যানজট ও জনভোগান্তি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (পিএন্ডডি) ও যুগ্ম সচিব মো. ভিখারুদ্দৌলা চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, সেতু বিভাগের উপসচিব মো. খালেদ হোসেন, সাসেক-২ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. গোলাম মর্তুজা, সাইট অফিসের কর্মকর্তাগণ, পরামর্শক প্রতিনিধি এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষকদের জন্য সরকারের কড়া সতর্কবার্তা হঠাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


শিক্ষকদের জন্য সরকারের কড়া সতর্কবার্তা হঠাৎ

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ব্যাপারে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে। মূলত, ফেসবুক ও ইউটিউবে সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার এবং আপত্তিকর পোস্টের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানানো হয়েছে এ সতর্কবার্তায়।

বার্তায় বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জারি করা এক নির্দেশনায় এই তথ্য জানানো হয়।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ অনুসরণ করা সব সরকারি কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলক।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন পোস্ট এবং মন্তব্য করছেন, যা নির্দেশিকার পরিপন্থি।

এই পোস্টের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, সরকারি দপ্তর কিংবা সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার অথবা আপত্তিকর পোস্ট দেয়া এবং সেসব পোস্ট শেয়ার করা সরকারি চাকরির আচরণবিধির লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে।

এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবেই গণ্য করা হবে।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য গঠিত মনিটরিং কমিটিগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসব কমিটিকে প্রতি মাসে অন্তত একটি সভা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি, অপপ্রচার এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

একইসঙ্গে গৃহীত ব্যবস্থার বিস্তারিত প্রতিবেদন অধিদপ্তরে পাঠানোর জন্য বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা অথবা থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেশের সব বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট এবং উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের গোপন সেল যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


ইরানের গোপন সেল যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা বা সামরিক ঘাঁতি রয়েছে এমন উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে হামলা চালানোর লক্ষ্যে একটি নতুন গোপন সেল গঠন করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একটি বিশেষ প্রতিবেদন এ তথ্য প্রকাশ করেছে। আটটি ইরাকি সূত্রের বরাতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন বা পশ্চিমা গোয়েন্দাদের নজরদারি এড়াতে এই সেলগুলো ইরাকের প্রতিষ্ঠিত মিলিশিয়া নেটওয়ার্কের সম্পূর্ণ বাইরে থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

রয়টার্সের তিনটি সূত্র জানাচ্ছে, চলতি বছরের ২০ এপ্রিল থেকে ১৭ মে মাসের মধ্যে এই নতুন সেলগুলো কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে অন্তত সাতটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই হামলাগুলো মূলত ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বসরা ও সামাওয়ার কাছাকাছি প্রত্যন্ত মরুভূমি এলাকা থেকে পরিচালিত হয়েছে।

সূত্রগুলোর দেওয়া তথ্যমতে, গঠিত তিন বা চারটি সেলে প্রতি সেলে প্রায় ১০ জন করে ইরাকি শিয়া যোদ্ধা রয়েছেন। তাদের অনেককে ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ নামের জোটভুক্ত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী থেকে বাছাই করে নেওয়া হয়েছে। তবে নতুন এই সেলগুলো ওই জোটের প্রথাগত কমান্ড কাঠামোর বাইরে থেকে সরাসরি আইআরজিসির শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে জবাবদিহি করে।

প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর সক্ষমতা কমে যাওয়া এবং দেশটির সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পদের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ার প্রেক্ষাপটে আইআরজিসি তাদের দীর্ঘদিনের রণকৌশলে একটি বড় পরিবর্তন এনেছে। ইরাকের পাঁচজন স্থানীয় মিলিশিয়া কমান্ডারের মতে, নতুন এই গোপন সেল গঠন তেহরানের বিশেষ কৌশলগত পরিবর্তনের একটি বড় প্রতিফলন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একযোগে ইরানে হামলা চালানোর পর ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’-এর ব্যানারে পরিচালিত গোষ্ঠীগুলো দেশটিতে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনায় ডজনখানেক ড্রোন ও রকেট হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে ইরাকের ভেতর ইরানের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর বড় ধরনের কোনো দৃশ্যমান তৎপরতা সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যায়নি।

গত বছর থেকে ইরাকের কয়েকটি প্রভাবশালী শিয়া গোষ্ঠী আঞ্চলিক সংঘাত এড়াতে অস্ত্র ত্যাগ করে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মনোযোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে আসছিল। অবসরপ্রাপ্ত ইরাকি সেনা জেনারেল জাসিম আল-বাহাদলি এবং ইরাকের শাসক জোটের দুজন আইনপ্রণেতার মতে, স্থানীয় মিলিশিয়াদের এই রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই আইআরজিসি সরাসরি তাদের নিয়ন্ত্রণে নতুন এবং অনুগত গোষ্ঠী গঠনে উৎসাহিত হয়ে থাকতে পারে।

শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী বিষয়ে বিশেষজ্ঞ আল-বাহাদলি বলেন, আইআরজিসি কর্তৃক গঠিত নতুন এই দলগুলো আকারে তুলনামূলকভাবে বেশ ছোট, আদর্শিকভাবে অনেক বেশি কঠোর এবং ইরানের দ্বারা অধিক নিয়ন্ত্রিত। তিনি মনে করেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ও তীব্র অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার সীমিত রাখার কৌশলগত প্রয়োজন থেকেই ইরান এমন ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে নাশকতার শঙ্কা, সর্বোচ্চ সতর্কতায় পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে নাশকতার শঙ্কা, সর্বোচ্চ সতর্কতায় পুলিশ

আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে পুলিশ দেশজুড়ে বড় ধরনের সংঘাত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা প্রকাশ করছে।

একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে সারা দেশে ইতিমধ্যে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতর উদ্বেগ প্রকাশ করছে যে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যদের মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে। এমনকি যদি মাঠপর্যায়ে বাধা দেয়া হয়, তাহলে ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা পুলিশের ওপরও সরাসরি হামলা চালাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি (কনফিডেন্সিয়াল) কামরুল আহসানের সই করা একটি জরুরি চিঠিতে সারা দেশের সব পুলিশ ইউনিটকে এই নিরাপত্তামূলক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আওয়ামী লীগ পতাকা উত্তোলন এবং ব্যানার নিয়ে প্রকাশ্যে ঝটিকা মিছিল বের করার চেষ্টা করতে পারে। এই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রতিপক্ষ বাধা দিলে সংঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনিভাবে পুলিশ বাধা দিলে পুলিশের ওপরও পাল্টা আঘাত আসতে পারে।

এই আগাম সতর্কতার চিন্তা করে গোটা দেশে গোয়েন্দা নজরদারি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ও সংঘাত এড়াতে প্রতিটি জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বিশেষ নিরাপত্তা প্রস্তুতি শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%