ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

ময়মনসিংহ সদর ভূমি অফিসে রাজস্ব আদায় ১৫ কোটি ৭০ লাখ


ময়মনসিংহ সদর ভূমি অফিসে রাজস্ব আদায় ১৫ কোটি ৭০ লাখ

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৫ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার ৩৫১ টাকা। বিগত অর্থবছরের তুলনায় এই পরিমাণ রাজস্ব প্রায় দ্বিগুণ। এর মাধ্যমে স্বচ্ছ ও ডিজিটাল ভূমি সেবার মানোন্নয়ন হয়েছে, যা প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহল ও সাধারণ মানুষের কাছেও প্রশংসিত হয়েছে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা তামান্না হুরায়রা।

আজ মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় সরেজমিনে ভূমি সেবার মান পর্যবেক্ষণের সময় এসব তথ্য জানা যায়। ভূমি অফিসের সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভূমি উন্নয়ন কর থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ৭ লাখ ২৮ হাজার ৪৬২ টাকা। অনলাইনে আদায়কৃত নামজারি ফি থেকে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৬২ লাখ ৯ হাজার ১৭০ টাকা। চলনাদিত্ব (মিউটেশন) নবায়ন বাবদ ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৫৬ টাকা, ডিপি লিজ মানি থেকে ৫ লাখ ১ হাজার ৯৬৪ টাকা, এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আদায় হয়েছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৬০০ টাকা রাজস্ব।

এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ৩ বছরের মধ্যে এবারের রাজস্ব আদায়টি রেকর্ড পরিমাণ। এতে জুনায়াত জেলার প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: গোমস্তাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ১৮ বস্তা সার জব্দ ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রশাসনের এধরনের কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন সেবাপ্রার্থী ও নাগরিক এলাকার বাসিন্দা মো. আইনল হক এবং অনেকেই।

তবে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা তামান্না হুরায়রা জানান যে, এই প্রশংসনীয় ফলাফল জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ও সচেতনতার ফলেই সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, "স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনবান্ধব ভূমিসেবা নিশ্চিতের জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এলক্ষে ভূমি সংক্রান্ত সকল সেবা দ্রুত, সহজ, এবং হয়রানিমুক্ত ভাবে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ডিজিটাল সেবার প্রসারে কাজ চলছে।"

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আজিমুদ্দিন বলেন, "বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় প্রশংসনীয়। একজন কর্মকর্তা যদি তার আত্মরক্ষা এবং পরিশ্রম দিয়ে দায়িত্ব পালন করে, তবে দেশ ও মানুষ উপকৃত হয়।"

আরও পড়ুন: গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাড়ি ভাঙচুর ও যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবিতে লালমোহনে বি-ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


গাড়ি ভাঙচুর ও যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবিতে লালমোহনে বি-ক্ষোভ

ভোলা জেলার বাস মালিক সমিতির শ্রমিকদের সন্ত্রাস বাহিনী দ্বারা সিএনজি চালকদের উপর প্রতিনিয়ত নির্যাতন, গাড়ি ভাঙচুর করা সহ গাড়ি থেকে যাত্রী নামিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে ভোলার লালমোহনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে ভোলা লালমোহনের চৌ- রাস্তা চত্বরে লালমোহন উপজেলা সিএনজি মালিক শ্রমিক সম্মিলিত পরিষদ এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেন।

এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক সিএনজি চালক ও পরিবহন শ্রমিক অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভোলার বিভিন্ন সড়কে বাস মালিক সমিতির প্রভাবশালী একটি মহল সিএনজি চালকদের গাড়ি আটকে অবৈধ চাঁদা দাবি, মারধর এবং গাড়ি ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটিয়ে আসছে। এতে চালকদের স্বাভাবিকভাবে জীবিকা নির্বাহ ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি সিএনজিতে করে যাত্রী নেওয়ার সময় বিভিন্ন পয়েন্টে বাস মালিক সমিতির স্টাফরা সিএনজি থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে। প্রতিবাদ করলে তারা সিএনজি শ্রমিকদের মার ধর করে গাড়ি আটকে রাখেন। ফলে বিগত সময়ে সিএনজি চালকরা বারবার হয়রানির স্বীকার হয়ে ঠিকমতো গাড়ি চালাতে পারছেনা। অনেক ড্রাইভার ও মালিকদের ঋণের কিস্তি বাড়ছে।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের অভিযোগে আগে ট্রাফিক পুলিশ জরিমানা করলেও বর্তমানে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আনসার সদস্যদের উপস্থিতিতে বাস মালিক সমিতির লোকজন চালকদের মারধর ও হয়রানি করছে। দক্ষিণ আইচার চালক কামাল ফরাজীসহ একাধিক চালক হামলার শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা।

সিএনজিতে পাঁচজন যাত্রী বহনের সুযোগ, স্বল্পমূল্যে গ্যাস সরবরাহ, শ্রমিকদের ওপর হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধ, ক্ষতিগ্রস্ত সিএনজির ক্ষতিপূরণ, আহত চালকদের চিকিৎসা, চরফ্যাশনে সিএনজির জন্য নির্ধারিত স্ট্যান্ড নির্মাণ এবং প্রচলিত পরিবহন আইন অনুযায়ী স্বাধীনভাবে চলাচলের অধিকার নিশ্চিতসহ ১০টি দাবি তুলে ধরা হয়।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভোলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, বাস মালিক সমিতির কোনো সদস্য সিএনজি চালকদের মারধর বা গাড়ি ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত নয়। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ ও আনসার সদস্যরা কেবল আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দাবি করেন, বিআরটিএর বিধি অনুযায়ী সিএনজিতে তিনজন যাত্রী বহনের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু অনেক চালক সামনের আসন পরিবর্তন করে পাঁচজন যাত্রী বহন করছেন, যা আইনবহির্ভূত। এছাড়া আঞ্চলিক ও জাতীয় মহাসড়কে সিএনজির চলাচলও বিধিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ বক্তব্য রাখেন লালমোহন উপজেলার যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবীর হাওলাদার, লালমোহন সিএনজি মালিক সমিতি ঐক্য পরিষদ এর সভাপতি মো: শাহিন হাওলাদার, সিএনজি মালিক মো: বিল্লাল হোসেন, মো বাহার সহ আরো অনেকেই বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ লাখ মানুষকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করতে দিন-রাত কাজ সেনাবাহিনী ও পাউবোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


১০ লাখ মানুষকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করতে দিন-রাত কাজ সেনাবাহিনী ও পাউবোর

 

বর্ষাকাল শুরুর ৩ সপ্তাহ আগে ভবদহ সংলগ্ন কেশবপুর-মনিরাপুর এবং সাতক্ষীরার তালা, খুলনার ডুমুরিয়ার ১০ লাখ মানুষের পানিবদ্ধতার অভিশাপ থেকে উদ্ধারে সেনাবাহিনী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড রাতদিন কাজ করে চলেছেন।

আকর্ষিক বৃষ্টি শুরুতে কেশবপুর পৌর এলাকায় একাধিক স্থানে সদ্য খননকৃত নদীর মাটি পাশসহ নদীর মধ্যে ধসে পড়ার ফলে নদী পাড়ের বাসিন্দাদের বসতঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থলে সারা জীবনের পরিদর্শন কালে দেখা যায় হরিহর নদীর কেশবপুর পৌর এলাকা বালিয়াডাঙ্গা অংশে পার ধসে পড়া এলাকার বাড়িঘর রক্ষায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ৬ মিটার বল্লী বসিয়ে সঙ্গে ডাউন সিট স্থাপন করা হচ্ছে বাড়িঘর রক্ষা করার কাজের জন্য।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জি ইনকিলাবকে জানান, কেশবপুর পৌরশহরে মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হরিহর নদীর বালিয়ডাঙ্গা এলাকায় ১শ ৩০ মিটার জায়গায় মাটির মান খারাপ থাকায় খনন পরবর্তী ধ্বসে যাওয়াই তাৎক্ষণিক সেনাবাহিনীর সহায়তায় বলি পুতে পাড় রক্ষার কাজ চলমান রয়েছে। ১৪০ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ শেষের মেয়াদ আগামী জুন-২৭। বৃষ্টি কাল শুরুর কারণে এখনো বাকি ৩৭ শতাংশ কাজ আগামী বছর শুষ্ক মৌসুমে শেষ করা হবে।

খনন কাজ কেশবপুর পৌর শহর অংশে এসে শহর অংশের দুই পাড়ের জমির মালিকদের অভিযোগ আপত্তির কারণে এলাকায় নদী খননে কিছু বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন খনন কাজ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টরা। অনেকেই জমির কাগজপত্র নিয়ে হাজির হয়ে বলছেন, নদীর মধ্যে মালিকানা সম্পত্তি রয়েছে আবার অনেকেই খুটি পুতে দিয়েছেন। সে বিষয়টি দেখে সচেতন মহল প্রশ্ন করছে কিভাবে সম্ভব। অনেকের কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে এখানে নদীই ছিলোনা।

এ বিষয়ে নদ পাড়ের বাসিন্দা শহরের বিশিষ্ট আইনজীবী এ্যাড, মফিজুর রহমান বলেন, শহর এলাকায় নদ খননে নকশা পরিবর্তন করা হলে বর্ষা মৌসুমে নদীর স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হবে এবং পানিবদ্ধতা মারাত্মক আকার ধারণ করার আশঙ্কা রয়েছে। খননের পরেও যদি নদী তার স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরে না পায় তবে তীরে বসবাসকারী অসংখ্য মানুষের বাড়িঘর ভাঙন বা ধসের আশংকা রয়েছে বলে সচেতন মহল মনে করছে। প্রভাবশালী দখলদাররা জায়গা বাঁচাতে নদীর মূল নকশা পরিবর্তন করা সহ নানা অপচেষ্টা করছে অনেকে। কেশবপুরের মানবাধিকার কর্মী শামিম আক্তার মুকুল বলেছেন, ১৮/১৯ অর্থ বছরের হরিহর নদের প্রশস্ততা বজায় রেখে খনন কাজ না করার ফলে বর্ষা মৌসুমে কেশবপুর-মনিরাপুরের পানিবদ্ধতা মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। তাই নদীর নাব্যতা ফেরানোর জন্য এবার সেনাবাহিনী খনন কাজের মান পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দৃশ্যমান প্রত্যাশা করেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জী বলেন, আগামী ২০জুলাই - ২৬জুলাই বর্ষা কাল শুরু। সেই হিসাবে আগামী ১০ জুলাই এর মধ্যে ভবদহ এলাকার প্রকল্পভিত্তিক ৬ নদীর সাথে যুক্ত সকল খালের মুখ উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। খালের মধ্যে যত বাদ রইছে সেগুলো অপসারণ করে দেওয়া হবে। যাতে নদীগুলি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

মোটামুটি হরিহর নদের বেশিরভাগ অংশ খনন কাজ সম্পন্ন করায় এবছর কেশবপুর-মনিরামপুর ও তালা উপজেলার সিংহভাগ মানুষের পানিবদ্ধতার অভিশাপ থেকে রেহাই পাবেন। নদী খননে, সি এস পড়চা এবং নদের বাস্তবতা বিবেচনা করে খাল খনন করা হচ্ছে। বিশেষ করে নদী খননের সময় সরকারি স্থাপনার ক্ষতি সাধন না করে, জনসাধারণের সম্পদের ক্ষতি কমিয়ে এবং নদীর ডিজাইন অক্ষুণ্ণ রেখে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য ১৪০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ৬টি নদীর ৮১.৫০০ কিলোমিটার নদী পুনঃখনন কাজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক চলমান রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় হরিহর নদীর খনন কাজ চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে ইন্দোনেশিয়া-ভারত চুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে ইন্দোনেশিয়া-ভারত চুক্তি

প্রতিরক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সংক্রান্ত বিষয়ে একমত হওয়ার পাশাপাশি ভারত ইন্দোনেশিয়াকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে। মঙ্গলবার দুই দেশের নেতাদের বৈঠকের পর ভারতের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়ে দেন।

জাকার্তা থেকে এএফপি জানানো হয়েছে, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাকার্তায় অবস্থানরত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আতিথ্য প্রদান করছেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তো। সফরের আলোচ্যসূচির শীর্ষে ভারতের তৈরি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে চুক্তি ছিল।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানান, সফরকালে ‘ব্রহ্মোস সিস্টেমে সহযোগিতা’ বিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দুই দেশ আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র (এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল) সহযোগিতা বিষয়েও একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে, যা ‘প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে’।

তবে এসব চুক্তির বিস্তারিত কোন তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধেরও জবাব দেয়নি ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রবোওর সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি বলেন, জাকার্তা ও নয়াদিল্লির মধ্যে ‘ক্রমবর্ধমান পারস্পরিক আস্থা’ প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক বিষয়ক সহযোগিতার ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ আমরা প্রতিরক্ষা বিনিময়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং শিল্প খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে একমত হয়েছি।’

মোদি জানান, ভারত মহাসাগরে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরতে দুই দেশের কোস্টগার্ড একযোগে কাজ করবে।

এশিয়ার দুই বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের ওপর যৌথভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছে, যার বিপুল মজুত রয়েছে ইন্দোনেশিয়ায় এবং ইস্পাত শিল্পেও।

মোদি বলেন, ‘স্টেইনলেস স্টিল ও বিরল মৃত্তিকা (রেয়ার আর্থ) চুম্বক উৎপাদনের ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের কোম্পানিগুলোর মধ্যে নতুন অংশীদারিত্বের সূচনা হচ্ছে।’

প্রবোও জানান, ইন্দোনেশিয়া ও ভারত তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে বিবেচনা করে।

তিনি আরও জানান, দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট) নিয়ে আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

এ ছাড়া, তারা উভয়েই মধ্য জাভার যোগ্যাকার্তায় অবস্থিত ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী প্রাম্বানান মন্দিরের সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের অগ্রগতিকে স্বাগত জানান। বুধবার তারা একসঙ্গে মন্দিরটিও পরিদর্শন করবেন।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইন্দোনেশিয়া সফর শেষ করে মোদি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে যাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঋণের বোঝা থেকে বাঁচতে অপহরণের গল্প সাজালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


ঋণের বোঝা থেকে বাঁচতে অপহরণের গল্প সাজালেন

 

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে নিখোঁজ ডায়েরির পর পুলিশ রাঙ্গুনিয়া থেকে মো. রাশেদুল আলম (৩৮) নামের এক যুবককে উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

এর আগে একই দিন ভোর সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানার দক্ষিণ রাজানগর এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ওই ব্যক্তি হলেন মো. রাশেদুল আলম (৩৮)। তিনি হাটহাজারী উপজেলার ধলই ইউনিয়নের মনিয়া পুকুরপাড় এলাকার আবুল কালামের ছেলে।

পুলিশ জানায়, রাশেদুল আলম বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ঋণগ্রস্ত হয়ে কয়েকদিন আগে আত্মগোপনে চলে যান এবং অপহরণের নাটক সাজানোর চেষ্টা করেন। পরে গত ১ জুলাই তাঁর স্ত্রী রীনা আক্তার স্বামী নিখোঁজ ও অপহৃত হয়েছেন দাবি করে হাটহাজারী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

জিডির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। একপর্যায়ে, মঙ্গলবার ভোরে দক্ষিণ রাজানগর এলাকা থেকে রাশেদুল আলমকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাশেদুল আলম স্বীকার করেছেন, ঋণের চাপ থেকে বাঁচতেই তিনি আত্মগোপনে গিয়ে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন।

হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান জানিয়েছেন, নিখোঁজ ডায়েরির তদন্তের ধারাবাহিকতায় তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঋণের কারণে আত্মগোপনে গিয়ে অপহরণের নাটক সাজানোর কথা জানিয়েছেন।, এই ঘটনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%