ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘আপনারা গুলি করলে আমরা কি বসে থাকবো?’ বিজিবি বিএসএফকে


‘আপনারা গুলি করলে আমরা কি বসে থাকবো?’ বিজিবি বিএসএফকে

জামালপুরের বকশীগঞ্জে রামরামপুর সীমান্তে এক ব্যক্তি বাংলাদেশে জোর করে পুশ-ইন করার চেষ্টাকালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) থেকে বিজিবি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনায় সীমান্তে একটি তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পতাকা বৈঠকে দুই পক্ষই ওই ব্যক্তিকে নিজেদের নাগরিক হিসেবে গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে দেয়। পরে বিএসএফ সদস্যরা গুলি করার প্রসঙ্গটি উত্থাপন করলে বিজিবি সদস্যরা তাদের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

বুধবার (১০ জুন) সকালে, রামরামপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র এবং বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতের নন্দীরচর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা প্রায় ৬০ বছরের এক ব্যক্তিকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেন। এই বিষয়টি আত্মবিশ্বাসের সাথে জানতে পেরে, জামালপুরের ৩৫ বিজিবির সদস্যরা এবং সীমান্তবর্তী এলাকার স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। বাধার মুখে ওই ব্যক্তি তখন শূন্যরেখায় অবস্থান করতে বাধ্য হন।

আরও পড়ুন: শেরপুরে ডিসি গোল্ড কাপ ২০২৬ ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে,

পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়লে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সীমান্তে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ছিলেন জামালপুর ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক এবং নন্দীরচর বিএসএফ ক্যাম্পের একজন পরিদর্শক। তথাপি দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও কোনো সমাধান বের হয়নি। বিএসএফ ওই ব্যক্তিকে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করে এবং তাকে নো-ম্যানস ল্যান্ডে (শূন্যরেখা) রেখেই ফিরে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৈঠক চলাকালে দুই বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিএসএফের একটি সদস্য গুলি করার কথা বললে বিজিবি সদস্যরা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তারা মন্তব্য করেন, ‘আপনি কেন গুলি করার কথা বললেন? গুলি আপনার কাছে আছে, আমাদের কাছে নেই? আপনারা গুলি করলে আমরা কি বসে থাকবো?’

বৈঠকের পরেও বিএসএফ সদস্যরা কয়েক দফা ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিজিবি ও স্থানীয়দের উপস্থিতির কারণে তারা সফলতা অর্জন করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তিকে নো-ম্যানস ল্যান্ডে রেখেই উভয় পক্ষ নিজ নিজ অবস্থানে ফিরে যায়।

জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে এই সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পুশ-ইনের চেষ্টা করা হচ্ছে। আজ সকালে এক ব্যক্তিকে ভারত থেকে শূন্যরেখায় ঠেলে পাঠায় বিএসএফ। এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের সদস্যরা সেখানে অবস্থান নিয়েছেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের নতুন সুপার নিশাত এঞ্জেলা দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশি সহ ৪৯ প্রবাসী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


মালয়েশিয়ায় বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশি সহ ৪৯ প্রবাসী আটক

মালয়েশিয়ার মেলাকা রাজ্যে সড়ক পরিবহন বিভাগ (জেপিজে) পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে প্রবাসী শ্রমিকদের ব্যবহৃত ৪৯টি যানবাহন বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে জব্দ করা হয়েছে।

এই অভিযান বুধবার (১০ জুন) রাজ্যের ক্লেবাং, কাম্পুং লিম্বোঙ্গান, মেরলিমো, জাসিন এবং মেলাকা সেন্ট্রালসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলেছিল।

মেলাকা জেপিজে’র পরিচালক সিতি জারিনা মোহদ ইউসোপ জানান, জব্দকৃত যানবাহনের মধ্যে ৪৪টি মোটরসাইকেল এবং ৫টি গাড়ি রয়েছে। আটককৃত চালকদের মধ্যে ২২ জন রোহিঙ্গা, ১০ জন পাকিস্তানি, ৯ জন বাংলাদেশি, ৫ জন ইন্দোনেশীয়, ২ জন ভিয়েতনামি এবং ১ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন।

অভিযানের সময় মোট ১৪৭টি যানবাহন পরীক্ষা করা হয় এবং এর মধ্যে প্রধান তিনটি অপরাধ চিহ্নিত হয়েছে- বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা, রোড ট্যাক্স মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া এবং গাড়ির ইন্সুরেন্স না থাকা। এ কারণে সড়ক পরিবহন আইন ১৯৮৭ (আইন ৩৩৩)-এর অধীনে বিভিন্ন অপরাধে মোট ৯৮টি নোটিশ জারি করা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রবাসীদের ব্যবহৃত এই যানবাহনগুলোর বেশিরভাগই স্থানীয় মালয়েশীয় নাগরিকদের মালিকানাধীন, যারা ব্যবসা বা কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করছিলেন। চালকরা অনেকেই দাবি করেছেন যে, গাড়ির মালিকরা তাদের নিয়োগকর্তা, তবে এই দাবির সত্যতা এখনও যাচাই হচ্ছে।

পরিচালক সিতি জারিনা সতর্কতার সাথে বলেন, যানবাহনের মালিকদের অবশ্যই তাদের গাড়ির ব্যবহারের ক্ষেত্রে পূর্ণ দায়িত্ব নিতে হবে। বৈধ লাইসেন্স ছাড়া প্রবাসীদের গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানো গুরুতর অপরাধ এবং এর বিরুদ্ধে কোনো আপস ছাড়াই কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-কুড়িগ্রাম বাস চলাচল বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


ঢাকা-কুড়িগ্রাম বাস চলাচল বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে একটি বাস পোড়ানোর ঘটনার পর কুড়িগ্রাম বাস মালিক সমিতি ঢাকা ও কুড়িগ্রামগামী সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ঢাকাগামী যাত্রীরা জেলা সদরে পৌঁছাতে অটোরিকশার সাহায্যে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

এছাড়া, কুড়িগ্রাম জেলা সদরের যাত্রীদের জন্যও পরিবহন হিসেবে অটোরিকশার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এর ফলে কুড়িগ্রাম ও ঢাকাগামী অসংখ্য যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে ভূরুঙ্গামারী-কুড়িগ্রাম মহাসড়কের আন্ধারীঝাড়ে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তি আহত হলে উত্তেজিত জনতা ঢাকা যাওয়ার জন্য চলাচলকারী 'স্বাধীন পরিবহন' নামক একটি বাসে আগুন লাগিয়ে দেয়। এই ঘটনার পর কুড়িগ্রাম ও উত্তর ধরলা বাস মালিক সমিতি ভূরুঙ্গামারী রুটে সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে।

এদিকে, বাসে আগুন লাগানোর ঘটনায় মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে নূরে আলম সিদ্দিকী মুকুট বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো ২৫-৩০ জনের বিরুদ্ধে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

ভোগান্তির শিকার হওয়া যাত্রীরা মাহাদী ইমাম, মাহজুবাহ হক এবং আলেফ উদ্দিন জানিয়েছেন, তারা ঢাকা যাওয়ার জন্য নাইট কোচের টিকিট সংগ্রহ করেছেন। তবে কাউন্টার থেকে জানানো হয়েছে যে, বাস ভূরুঙ্গামারীতে আসবে না; কিংবা কুড়িগ্রামে গিয়ে বাসে উঠতে হবে। এর ফলে, ব্যাগ ও মালামালসহ প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথ অটোরিকশায় পাড়ি দেয়ার বিষয়টি তাদের জন্য উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

এতে তাদের সময়, অর্থ ও অতিরিক্ত শ্রমের ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কুড়িগ্রাম বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন জানিয়েছেন, বাস ও শ্রমিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হলে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রমিক ও বাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলে পুনরায় বাস চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে। তিনি এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, বাস পোড়ানোর ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাস চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে কুড়িগ্রাম বাস মালিক সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেব নাথ বলেছেন, এ বিষয়ে উত্তর ধরলা মোটর মালিক সমিতির সম্পাদক স্বপন কুমার সাহার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি বিকেলে বসার জন্য যোগাযোগ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাপ্তাই হ্রদ শুকিয়ে যাচ্ছে, ৩ ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


কাপ্তাই হ্রদ শুকিয়ে যাচ্ছে, ৩ ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ

খরায় কাপ্তাই হ্রদের পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের (কপাবিকে) পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে তিনটি ইউনিট বন্ধ রাখতে হয়েছে। বর্তমানে সক্রিয় থাকা মাত্র দুটি ইউনিট থেকে মোট ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

এই তথ্য বুধবার (১০ জুন) রাঙ্গামাটির কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, কেন্দ্রটি সংখ্যায় সবকটি ইউনিট সচল থাকলেও পর্যাপ্ত পানির অভাবের কারণে সেগুলো চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

পানি স্বল্পতার কারণে মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে ২ নম্বর ইউনিটে ৩৩ মেগাওয়াট এবং ৩ নম্বর ইউনিটে ২৭ মেগাওয়াট, মোট ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। কেন্দ্রটির মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট। তবে, জানানো হয়েছে যে সবকটি ইউনিট একত্রে চালু অবস্থায় ২৪০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।

কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্র মতে, বর্তমানে লেকে পানি থাকার কথা ৭৮ দশমিক ০৮ মিন সি লেভেল (এমএসএল)। কিন্তু লেকে বর্তমানে পানি রয়েছে ৭৩ দশমিক ৯৯ এমএসএল। এর ফলে পানি স্বল্পতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তবে, যদি ভারী বৃষ্টিপাত হয়, তাহলে লেকে পানি বাড়বে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়া, উল্লেখযোগ্য নতুনতর বিষয় হচ্ছে, ৬৮ এমএসএল-কে বিপজ্জনক স্তর হিসেবে ধরা হয়। যদি পানির লেভেল ৬৮ এমএসএলে নেমে যায়, তাহলে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যাবে। হ্রদে সর্বোচ্চ পানি ধারণ ক্ষমতা ১০৯ এমএসএল।

অন্যদিকে, কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি একইসাথে হ্রদের নৌপথের ওপর নির্ভরশীল মানুষের ভোগান্তিও ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে লেকের সাথে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি উপজেলা; বিলাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু এবং বাঘাইছড়ির মধ্যে নৌযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। লেকের বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠার কারণে নৌযান চলাচল দারুণভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ও ইইউ'র মধ্যে আরও গভীর সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


বাংলাদেশ ও ইইউ

ইউরোপীয় কমিশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক, প্রত্যাবর্তন ও ভিসা বিভাগের পরিচালক মি. হেনরিক নিয়েলসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে। এই সময় বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার (১০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাতের সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবারও বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউ’র বহুমাত্রিক অংশীদারিত্ব জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় ইইউ’র অব্যাহত সম্পৃক্ততা বিশেষ প্রশংসা করেছেন।

তিনি বাংলাদেশ ও ইইউ’র মধ্যে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের উল্লেখ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতিশীলতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

আলোচনায় অভিবাসন ও জনশক্তি চলাচল সহযোগিতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের মানবপাচার ও সব ধরনের অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। সম্পাদকীয়ভাবে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন।

তিনি ইইউ’র ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ উদ্যোগের প্রশংসা করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে নতুন বৈধ অভিবাসন পথ উন্মুক্ত করা এবং বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী ও পেশাজীবীদের জন্য আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।

উভয় পক্ষ ইইউ’র আসন্ন আশ্রয় ও প্রত্যাবর্তন-সংক্রান্ত সীমান্ত প্রক্রিয়া (Asylum and Return Border Procedure) নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং অভিবাসন ও প্রত্যাবর্তন বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়, নিয়মিত সংলাপ ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। এছাড়াও অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি ও পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির চলমান প্রচেষ্টাকে আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন, বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ, শিক্ষা, ক্রীড়া এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অব্যাহত সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।

তিনি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছাপ্রণোদিত, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ অব্যাহত রাখার গুরুত্বও তুলে ধরেন।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক আরও গভীর করা এবং সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%