ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

পাবনায় মহিলা দলের বিক্ষোভ, এমপি শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ


পাবনায় মহিলা দলের বিক্ষোভ, এমপি শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ

এমপি শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে রবিবার বিকেলে পাবনা শহরের প্রধান সড়কে বিক্ষোভ করেন মহিলাদলের নেতাকর্মীরা।

পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সরোয়ার তুষারের কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা বক্তব্যের প্রতিবাদে মহিলাদের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করা হয়।

পাবনা সদর উপজেলা মহিলা দলের উদ্যোগে রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে পাবনা শহরে এই বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়।

আরও পড়ুন: ছবি দিয়ে রাজনৈতিক চরিত্রহননের চেষ্টা! দীর্ঘ ত্যাগের পরও অপপ্রচারের অভিযোগ বিএনপি নেতা রিপন বল্লভের

মিছিলটি দলের কার্যালয় থেকে বের হয়ে আব্দুল হামিদ সড়ক প্রদক্ষিণ করে লতিফ টাওয়ারের সামনে গিয়ে সমাপ্ত হয়।

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মেহেরুন্নেছা শাজাহান, সহ-সভানেত্রী লুৎফুন্নাহার হাজারী এবং ফারহানা পারভীন, যুগ্ম সম্পাদক শবনম মঞ্জিলা খানম মিতা, পাবনা সদর উপজেলা মহিলাদলের সভাপতি মোহছিনা খান সেতু, সাধারণ সম্পাদক জিনিয়া আফরোজ রিমা।

বক্তারা বলেন, প্রধান বিরোধীদল জামায়াতের নেতাকর্মীর মদদ ও হিংসাত্মক মনোভাবের প্রকাশ ঘটিয়েছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরওয়ার তুষার। তিনি এমপি শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে মিথ্যাচার ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন, অজ্ঞতা সত্ত্বেও।

সভায় এনসিপি নেতা তুষারের বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানানো হয়। একই সঙ্গে নেতাকর্মীরা পাবনার মাটিতে এনসিপির রাজনীতিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: ঈদগাঁওয়ে অবৈধ ক্লিনিক সিলগালা, গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসা সরঞ্জাম জব্দ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে টান পড়ছে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে টান পড়ছে!

টান পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে! অতিসম্প্রতি ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের বিপদ ডেকে আনছে কি না, এই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, প্রায় ৫ মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রধান অস্ত্রের ভাণ্ডারে টান পড়েছে।

বর্তমান হারে যদি ইরানে হামলা চলতেই থাকে, তাহলে অস্ত্রের মজুদ সংকট আরো তীব্র হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুদ ইরান যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফেরত নিতে ৩ বছরেরও বেশি সময় লাগবে।

বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে চীন বা উত্তর কোরিয়ার দিক থেকে ঝুঁকি এলে তা মোকাবিলায় মার্কিন সামরিক সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলবে। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন সামরিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলাপ করে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছে।

থিংক ট্যাংক ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইনটেরন্যাশনাল স্টাডিজ’-সিএসআইএস-এর প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক, অবসরপ্রাপ্ত মেরিন কর্পস কর্নেল মার্ক কানসিয়ান বলেছেন, ‘গত পাঁচ দিন ধরে যেভাবে যুদ্ধ চলছে, তা যদি এই রকমই চলতে থাকে, তবে এটি অস্ত্রের মজুদ এতটাই কমিয়ে দেবে যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ঝুঁকির একটি নতুন ও উচ্চতর স্তর তৈরি করবে।’

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশন থিংক ট্যাঙ্কের পররাষ্ট্রনীতি গবেষণা প্রধান মাইকেল ও’হানলন বলেছেন, ‘অস্ত্রের মজুদ যে আমাদের পছন্দের চেয়ে কম হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’

ইরান যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায় থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী দূরপাল্লার হামলা এবং শত্রুর বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রক্ষা পেতে হাজার হাজার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। কিন্তু সাপেক্ষে নতুন অস্ত্রভাণ্ডারে যুক্ত হয়নি।

সিএসআইএস-এর বিশ্লেষণের দাবি, গত এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ যখন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছিল; তখন পর্যন্ত পেন্টাগন তাদের থাড ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপ্টরের অন্তত অর্ধেক, প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টরের প্রায় অর্ধেক এবং টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের অন্তত ৩০ শতাংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পুনরায় মজুতকরণের হার খুবই ধীরগতির। চলতি অর্থবছরের সরবরাহ সূচি অনুযায়ী, পেন্টাগন প্রতি মাসে আনুমানিক ১৫টি নতুন টমাহক এবং ২০টি নতুন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপাণাস্ত্র পাচ্ছে। ২০২৬ সালে কোনো থাড সরবরাহের পূর্বাভাস নেই। সিএসআইএস-এর ধারণা, মার্কিন অস্ত্রের মজুদ ইরান যুদ্ধের আগের স্তরে ফিরে আসতে তিন বছর বা তার থেকে বেশি সময় প্রয়োজন।

পেন্টাগনের সাবেক ডেপুটি এবং অ্যাক্টিং কমপ্ট্রোলার, বর্তমানে আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো এলেন ম্যাককাস্কার জানিয়েছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অস্ত্রের পুনরায় মজুত করার সময়কাল বছর দিয়ে হিসাব করতে হবে, এক্ষেত্রে দুই থেকে পাঁচ বছর লাগবে।

এটি সঙ্কটের বিষয় নয়, নতুন করে অস্ত্র তৈরির জন্য অর্থ পেতেও সমস্যায় পড়ছে ট্রাম্প প্রশাসন। অবসরপ্রাপ্ত দুই তারকা জেনারেল জন ফেরারি, যিনি বর্তমানে আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সাথে যুক্ত, জানিয়েছেন, যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়ার পর থেকে একটি ক্ষেপণাস্ত্রও প্রতিস্থাপনের জন্য কংগ্রেস একটি ডলারও বাড়তি বরাদ্দ দেয়নি।

পেন্টাগনের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, প্রতিরক্ষা দপ্তর প্রতিরক্ষা শিল্প ভিত্তি দ্রুত সম্প্রসারণ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ত্বরান্বিত করতে এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করতে, ট্রাম্প জুনে ডিফেন্স প্রোডাকশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করেছেন। প্রতিরক্ষা দপ্তর উৎপাদন লাইন সম্প্রসারণের জন্য নির্মাতাদের সঙ্গে চুক্তি করেছে। ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চাহিদার মধ্যে জার্মানি এবং ইউক্রেনের মতো অন্যান্য দেশগুলোকে অভ্যন্তরীণভাবে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির লাইসেন্স চুক্তি দেওয়া হলে তা মার্কিন উৎপাদন লাইনের ওপর চাপ কমাতে পারে। তুরস্কে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাকে কথা বলার সময়, ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের জন্য এই লাইসেন্সের ঘোষণা দিয়েছেন।

মোদ্দা কথা হলো, অস্ত্রের মজুদ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সম্ভাব্য সব উৎস ব্যবহারের চেষ্টা করছে। কিন্তু সমস্যা হলো, যত চুক্তিই হোক বা অনুমতি দেয়া হোক, রাতারাতি অস্ত্র তৈরি সম্ভব নয়। যে কোনো প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে কিছুটা সময় প্রয়োজন হয়। জাপানে প্যাট্রিয়ট কারখানা তৈরি করতে তিন বছর সময় লেগেছিল। ২০২২ সালে উৎপাদন লাইনে কাজ শুরু করার পরও জার্মানি এখন পর্যন্ত একটিও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারেনি।

যুদ্ধবিরতি মার্কিন অস্ত্রভান্ডারে কিছুটা স্বস্তি এনেছিল। তবে নতুন করে যুদ্ধের তীব্রতা অস্ত্রের মজুতের বিষয়টির আলোচনা আবার শুরু করেছে। অস্ত্রের মজুদের যে অবস্থা রয়েছে, তাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রাসী হুমকির সাথে তাল মিলিয়ে কতদিন বর্তমান তীব্রতায় হামলায় অব্যাহত রাখতে পারবে, সে বিষয় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় চট্টগ্রামে ৩৪৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রায় ৮০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


বন্যায় চট্টগ্রামে ৩৪৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রায় ৮০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও উজানের পানিতে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে বন্যার ফলে প্রায় ৮০ হাজার বসতঘর, ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩ হাজার ৮৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৩৩৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভাগের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে ৩৪ হাজারের বেশি মানুষ অবস্থান করছেন।

আজ রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এসব জানা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের ১১ জেলার মোট ৪০৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলার ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা। এছাড়া কক্সবাজারের ৭৪টি, রাঙামাটির ৪২টি, খাগড়াছড়ির ৪১টি এবং বান্দরবানের ৩৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে।

বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি কক্সবাজারে, যেখানে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রামে প্রাণ হারিয়েছেন ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙামাটিতে ৩ জন। সেইসাথে রাঙামাটি ও কক্সবাজারে একজন করে মোট দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন।

আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রাম জেলায়, যেখানে ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২২ হাজার ৬০০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। কক্সবাজারের ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫৮০ জন, বান্দরবানের ২০০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬ হাজার ২৫০ জন, রাঙামাটির ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৯০৩ জন এবং খাগড়াছড়ির ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫৮১ জন অবস্থান করছেন।

কক্সবাজার জেলায় সবচেয়ে বেশি ৪৮ হাজার ৬৩টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বন্যায়। এছাড়া বান্দরবানে ১৫ হাজার ৩৩০টি, চট্টগ্রামে ১৪ হাজার ২৮১টি, রাঙামাটিতে ৪৭৩টি এবং খাগড়াছড়িতে ১ হাজার ৪০টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ত্রাণ সহায়তার অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এ পর্যন্ত ৯২৩ মেট্রিক টন চাল, ৭ হাজার ২৮১ প্যাকেট শুকনা খাবার এবং ১ কোটি ২৭ লাখ টাকা নগদ সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামান্থার সিনেমা গড়ল নতুন ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


সামান্থার সিনেমা গড়ল নতুন ইতিহাস

দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু অভিনীত ‘মা ইনতি বাঙ্গারাম’ বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি রুপি আয় করে এটি একক নারীপ্রধান তেলেগু সিনেমার মধ্যে অন্যতম বড় বাণিজ্যিক সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছে।

এই অর্জনের খবর জানার মুহূর্তটিও ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন সামান্থা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নির্মাতা রাজ নিদিমোরু একটি আইপ্যাডে সিনেমাটির সর্বশেষ বক্স অফিসের হিসাব দেখাচ্ছেন। স্ক্রিনে ১০০ কোটি রুপি আয়ের তথ্য দেখে বিস্মিত হয়ে সামান্থা উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেন, ‘আমরা ১০০ কোটি করেছি।’

ভিডিওর ক্যাপশনে সামান্থা জানান, সিনেমাটি মুক্তির আগে অনেকেই এর সম্ভাবনা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তার ভাষ্য, একজন প্রদর্শক পর্যন্ত তাকে বলেছিলেন, বড় কোনো নায়ক না থাকলে দর্শক নায়িকাকেন্দ্রিক সিনেমা দেখতে আগ্রহী হন না।

সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সামান্থা বলেন, পরিবর্তন আনতে হলে ঝুঁকি নিতেই হয়। তার বিশ্বাস, ‘মা ইনতি বাঙ্গারাম’-এর সাফল্য ভবিষ্যতে নারীপ্রধান গল্প ও সিনেমার প্রতি প্রদর্শক, প্রযোজক এবং দর্শকদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নন্দিনী রেড্ডি পরিচালিত সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন রাজ নিদিমোরু, সামান্থা রুথ প্রভু এবং হিমান্ক রেড্ডি দুভুরু। ট্রালালা মুভিং পিকচার্সের ব্যানারে নির্মিত ছবিটি ১৯ জুন মুক্তি পায়।

আউটলুক ইন্ডিয়া থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির পর থেকে সিনেমাটি বাজেটের তিন গুণেরও বেশি আয় করেছে। একই সঙ্গে এটি একক নারীপ্রধান তেলেগু সিনেমা হিসেবে বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি রুপি আয়ের প্রথম নজিরও গড়েছে।

‘মা ইনতি বাঙ্গারাম’-এ সামান্থার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন গুলশান দেবাইয়া, দিগন্ত মানচালে, গৌতমী, শ্রীমুখী এবং আনন্দ। উল্লেখ্য, গত বছরের ১ ডিসেম্বর ‘ফ্যামিলি ম্যান’-খ্যাত নির্মাতা রাজ নিদিমোরুকে বিয়ে করেন সামান্থা রুথ প্রভু।

সম্প্রতি ‘মা ইনতি বাঙ্গারাম’-এর সাফল্য উদযাপনের সময় এই তারকা দম্পতি তাদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় থাকার সুখবরও জানিয়েছেন। ফলে পেশাগত সাফল্যের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনেও দারুণ সময় পার করছেন এই অভিনেত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ত্র, গুলি ও রামদাসহ সিদ্ধিরগঞ্জে যুবক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ পি.এম


অস্ত্র, গুলি ও রামদাসহ সিদ্ধিরগঞ্জে যুবক আটক

সিদ্ধিরগঞ্জের নারায়ণগঞ্জে এক যুবক মো. সজিব আহমেদ (২৫) গ্রেপ্তার হয়েছে, তার কাছে একটি রিভলবার, ছয় রাউন্ড গুলি এবং তিনটি রামদা পাওয়া গেছে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় তার হেফাজত থেকে একটি মাইক্রোবাসও জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার করার ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার সময় মিজমিজি এলাকার চিশতিয়া বেকারির সামনে। সজিব মিজমিজি মাইজপাড়া (মধ্যপাড়া) এলাকার মো. সানা উল্লাহর ছেলে। পুলিশ জানায়, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চলাকালে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত যুবকের কাছ থেকে পাওয়া অস্ত্র এবং অঙ্গীকার একটি কাঠের বাটযুক্ত কালো রঙের রিভলবার, ছয় রাউন্ড গুলি, তিনটি কাঠের বাটযুক্ত লোহার তৈরি ধারালো রামদা এবং একটি পুরোনো কালো রঙের মাইক্রোবাস। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি এবং অস্ত্র আইনে দুটি পৃথক নিয়মিত মামলা করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও, তার বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি বৈষম্যবিরোধী মামলা থাকায় তা সংযুক্ত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%