১০:০৬ পি.এম
সীমান্তে আরাকান আর্মির অনুপ্রবেশ প্রতিরোধের একটি পুরোনো ভিডিওকে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের উপস্থিতির ঘটনা হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট জানায়, এভাবে পুরোনো ভিডিও ব্যবহার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, "হঠাৎ বিজিবির সামনে ইউপিডিএফ! অবৈধ অস্ত্রসহ সন্ত্রাসীদের নাগালে পেয়েও তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।"
বাংলাফ্যাক্টের যাচাইয়ে প্রমাণিত হয়েছে যে, ভিডিওটি ইউপিডিএফের সদস্যদের সঙ্গে বিজিবির মুখোমুখি হওয়ার কোনো ঘটনার নয়। এটি ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে আরাকান আর্মির অনুপ্রবেশের চেষ্টার সময় ধারণ করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ৭ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অভিযোগ দাখিল
বাংলাফ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবরে আরাকান আর্মির একটি দল বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রম করে। বিজিবির একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর, বিজিবি সদস্যরা প্রথমে মৌখিকভাবে তাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ না করার জন্য সতর্ক করেন। এরপর প্রয়োজনীয় বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দলটিকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ফিরে যেতে বাধ্য করেন।
ভিডিওটির পুরোনো উৎস অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ১৩ অক্টোবর দেশ টিভির ইউটিউব চ্যানেলে "বাংলাদেশের সীমানায় আরাকান আর্মি, বিজিবির বাধা" শিরোনামে এটি প্রকাশিত হয়েছিল। আলোচিত ভিডিওটির সঙ্গে ওই ঘটনার মিল রয়েছে।
একই দিনে জনকণ্ঠের ফেসবুক পেজেও একই ক্যাপশনে ভিডিওটি প্রচার করা হয়। এছাড়া এসএটিভি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আরাকান আর্মির অনুপ্রবেশের চেষ্টা ও বিজিবির বাধা দেওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে ভিডিওটি প্রকাশ করেছিল।
অতএব, ২০২৫ সালের অক্টোবরে আরাকান আর্মির অনুপ্রবেশ ঠেকানোর ঘটনার ভিডিওকে সম্প্রতি ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের উপস্থিতির ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। বাংলাফ্যাক্টের যাচাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো দাবিটি বিভ্রান্তিকর বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিএনপি সরকারের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন