বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪০ পি.এম
রণবীর কাপুর অভিনীত ‘রামায়ণ’ ৫ নভেম্বর মুক্তি পেয়েছে। ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহের মাঝে, অভিনেত্রী আলিয়া ভাট সিনেমার সেটের কিছু বিশেষ মুহূর্ত প্রকাশ করেছেন। তিনি ইনস্টাগ্রামে স্বামী রণবীর কাপুর ও মেয়ে রাহার সঙ্গে তোলা দুটি পর্দার পেছনের ছবি শেয়ার করেছেন। ছবির সাথে রণবীরের কাজের প্রশংসা করে আলিয়া একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন।
ছবিগুলোর ক্যাপশনে আলিয়া উল্লেখ করেছেন, “তুমি এই কাজের জন্য নিজের সবটুকু দিয়েছ, অথচ তার পরও তার জন্য সবটুকু বাকি রেখেছ। তোমাকে নিয়ে গর্বিত, রণবীর। এই অসাধারণ সিনেমার অভিজ্ঞতা তৈরিতে যারা মনপ্রাণ ঢেলে কাজ করেছেন, তাদের প্রত্যেকের জন্যও গর্ব হচ্ছে। কিছু গল্প আমাদের সবার চেয়েও বড়, ‘রামায়ণ’ তেমনই একটি।”
আগামী ৬ নভেম্বর রাহার চতুর্থ জন্মদিন। তার আগে রণবীর ও রাহার এই ছবিগুলো ভক্তদের নজর আকর্ষণ করেছে।
৫ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে রণবীর কাপুর অভিনীত ‘রামায়ণ’। এর আগে, মঙ্গলবার মুম্বাইয়ে ছবিটির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সেখানে রণবীরের স্ত্রী আলিয়া ভাটও উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, সিনেমা হলে বসে ‘রামায়ণ’ দেখার সময় আলিয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে তাকে রিক্লাইনারে বসে সিনেমা দেখতে দেখা যায়। একটি দৃশ্য দেখে বিস্মিত হয়ে দুই হাতে মুখ ঢেকে ফেলেছেন তিনি। আশপাশে থাকা দর্শকদের চোখে ছিল থ্রিডি চশমা।
এক্সে ছবিটি প্রকাশ করে এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘রামায়ণ দেখছেন আলিয়া ভাট!’ ছবিটির সত্যতা নিয়ে একজন প্রশ্ন তুললে পোস্টদাতা সেটি সত্য বলে নিশ্চিত করেছেন।
ছবিটি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ রণবীরের কাজ দেখে আলিয়ার মুগ্ধতার কথা লিখেছেন, আবার কেউ তাকে ‘গর্বিত স্ত্রী’ বলে মন্তব্য করেছেন।
‘রামায়ণ’ দুই পর্বে মুক্তি পাবে। প্রথম পর্বটি ২০২৬ সালের ৫ নভেম্বর বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেয়েছে। দ্বিতীয় পর্ব মুক্তির কথা রয়েছে ২০২৭ সালের দীপাবলিতে। ছবিতে রণবীরের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাই পল্লবী, সানি দেওল, রবি দুবে ও যশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) পদ থেকে এসএসপি পদে পদোন্নতি লাভ করেছেন ৬৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে যোগদান করতে হবে এবং এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এছাড়া, জাপান, ইরাক, লাওস, ভিয়েতনাম, কসার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, কসোভো, বসনিয়া, কম্বোডিয়া, ইউক্রেন ও লিবিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ অনুমতি বা অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া এসব দেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের জন্য বহির্গমন ছাড়পত্র (ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স) ইস্যু না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সদস্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে এ নির্দেশনার বিষয়ে জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট নির্দেশনার ভিত্তিতে বায়রা এই চিঠি প্রেরণ করেছে।
উল্লেখিত ১২টি দেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যেতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া ও সরকারি অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, বহির্গমন ছাড়পত্র পাওয়ার আগে কোনো আর্থিক লেনদেন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ভিসা প্রাপ্তি বা কোনো রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চাকরির প্রস্তাব পাওয়ার মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত হয় না। সংশ্লিষ্ট দেশের কর্মসংস্থানের সুযোগ, নিয়োগকর্তার পরিচয়, চাকরির চুক্তি, বেতন-ভাতা, ভিসার ধরন এবং বাংলাদেশের সরকারি অনুমোদন যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।
বিশেষ করে কম্বোডিয়া, লাওস ও ভিয়েতনামসহ কয়েকটি দেশে অনলাইন প্রতারণা ও স্ক্যাম কম্পাউন্ডে আটকে রেখে জোরপূর্বক প্রতারণামূলক কাজে বাধ্য করার ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। চাকরির প্রলোভনে এসব দেশে গিয়ে বাংলাদেশিরা প্রতারণা, শোষণ, আটকে রাখা ও মানবপাচারের শিকার হয়েছেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় বিদেশগামী কর্মীদের কোনো প্রলোভন বা দালালের কথায় সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারি অনুমোদন, বৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া ও নিরাপদ অভিবাসনের বিষয়টি নিশ্চিত করেই বিদেশযাত্রার প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানুষের আগ্রহ কখনোই শেষ হয় না নায়ক-নায়িকা কিংবা সেলিব্রেটিদের নিয়ে। তাদের অভিনয়, পোশাক, সৌন্দর্য এবং ব্যক্তিগত জীবন-সবকিছু নিয়েই ভক্তদের কৌতূহল থাকে। কখনো কখনো এই ভালো লাগা অদ্ভুত আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হয়। নায়িকার গোসলের পানি দিয়ে তৈরি সাবান এর একটি অদ্ভুত উদাহরণ।
এটি শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, ২০২৫ সালে বাজারে আসা একটি সাবান সত্যিই এমনই ছিল। হলিউডের অভিনেত্রী সিডনি সুইনির গোসলের পানি ব্যবহার করে সেই সাবান তৈরি করা হয়েছিল। তবে প্রশ্ন উঠছে, কেন তৈরি হলো এই সাবান? সিডনি সুইনি কে? এবং একজন তারকার ব্যবহৃত গোসলের পানি পেতে ভক্তদের এই আগ্রহের পেছনে কি কোনো মনস্তাত্ত্বিক প্রবণতা কাজ করছে?
সিডনি সুইনি মার্কিন অভিনেত্রী। তিনি ১৯৯৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন। অল্প বয়স থেকেই অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তবে তার জনপ্রিয়তা বাড়ে এইচবিওর আলোচিত সিরিজ ‘ইউফোরিয়া’তে ক্যাসি হাওয়ার্ড চরিত্রে অভিনয়ের পর।
‘দ্য হোয়াইট লোটাস’, ‘অ্যানিওয়ান বাট ইউ’সহ বেশ কিছু কাজের মাধ্যমে হলিউডে তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সিডনির সৌন্দর্য ও শারীরিক গঠন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত আলোচনা হয়। কখনো প্রশংসা, কখনো অশালীন মন্তব্য তারকার ব্যক্তিগত পরিচয়ের চেয়ে শারীরিক উপস্থিতিই যেন অনেকের কাছে বড় হয়ে ওঠে। এ নিয়ে সিডনি নিজেও বিভিন্ন সময়ে অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন।
কিন্তু গোসলের পানি দিয়ে সাবান তৈরির ভাবনা কিভাবে এলো? ঘটনাটি শুরু হয় ২০২৪ সালে। পুরুষদের পরিচর্যাপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ড. স্কোয়াচ-এর একটি বিজ্ঞাপনে অংশ নেন সিডনি। বিজ্ঞাপনে তাকে বাথটাবে বসে সংস্থার বডি ওয়াশের প্রচার করতে দেখা যায়। বিজ্ঞাপনের উপস্থাপনা ছিল কিছুটা ইঙ্গিতপূর্ণ ও রসিকতাপূর্ণ। সেখানে সিডনিকে ‘বডি ওয়াশ জিনি’ হিসেবে দেখানো হয়েছিল।
বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে অনেক ভক্ত মজা করে তার গোসলের পানি চেয়ে মন্তব্য করতে থাকেন। প্রথমে বিষয়টি ছিল ইন্টারনেটের রসিকতা। কিন্তু সেই রসিকতাকেই বিপণনের সুযোগ হিসেবে দেখল সংস্থাটি। ২০২৫ সালের মে মাসে ঘোষণা করা হয়, সিডনির গোসলের পানির সামান্য অংশ ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে বিশেষ সাবান।
সাবানটির নাম দেওয়া হয় ‘সিডনিস বাথওয়াটার ব্লিস’। সিডনি নিজেই জানিয়েছেন, বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের সময় তিনি বাথটাবে গোসল করেছিলেন এবং সেখানকার পানি সংগ্রহ করা হয়েছিল। অর্থাৎ সাবানটি শুধুমাত্র প্রচারণার জন্য দেওয়া কোনো কাল্পনিক নাম ছিল না; এতে সত্যিই তার গোসলের পানির কিছু ফোঁটা ব্যবহার করা হয়েছিল।
সাবানটিতে গোসলের পানির পাশাপাশি ছিল বালুকণার মতো এক্সফোলিয়েটিং উপাদান ও পাইন বার্ক এক্সট্র্যাক্ট। এর সুগন্ধে রাখা হয়েছিল পাইন, ডগলাস ফার ও মাটির সোঁদা ঘ্রাণ। সিডনির বেড়ে ওঠার অঞ্চল প্রশান্ত মহাসাগরীয় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রকৃতির ঘ্রাণ ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল।
২০২৫ সালের ৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রে সাবানটি বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করা হয়। প্রতিটির দাম ছিল ৮ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ হাজার টাকার মতো। তৈরি হয়েছিল মাত্র ৫ হাজার সাবান। সীমিত সংস্করণের এই পণ্য দ্রুত আলোচনায় আসে এবং বিক্রির পরপরই শেষ হয়ে যায় বলে প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এরপর রিসেল মার্কেটে এই সাবান বিক্রি হয়েছিল ২ লাখ টাকায়।
সূত্র: গলফ নিউজ, লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের পর নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, "শুধু ক্ষমতা অর্জন নয়, বরং সেই ক্ষমতা জনগণের স্বার্থে কাজে লাগাতে হবে।"
তিনি উল্লেখ করেন, মূল্যবৃদ্ধির চাপে থাকা ভোটারদের জন্য বাস্তব পরিবর্তন আনতে হবে দলটিকে। মামদানি বলেন, "শুধু ক্ষমতা জয় করাই যথেষ্ট নয়, সেই ক্ষমতা ব্যবহার করে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে।"
ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতাদের উদ্দেশ্যে মামদানি আরও বলেন, "এখন আমাদের কাজ করে দেখানোর সময়। বন্ধুরা, আমেরিকায় আবারও নতুন সকাল এসেছে।"
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের নির্বাচনে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচিত হন ৩৫ বছর বয়সী মামদানি। তিনি শহরটির প্রথম মুসলিম মেয়র এবং দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত প্রথম মেয়র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এই আহ্বান জানান।
শফিকুর রহমান বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে দেশপ্রেমিক সৈনিক এবং সাধারণ জনগণ একত্রিত হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল। তাদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মাধ্যমে তৎকালীন ষড়যন্ত্র ও সংকট মোকাবিলার একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সংঘটিত পাল্টা সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশে যে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা সেই পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’ স্লোগানে মুখরিত জনতার অংশগ্রহণ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রত্যয়কে আরও দৃঢ় করে।
বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বর্তমান সময়েও দেশ ও জাতি বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক এবং জাতীয় সংকটের সম্মুখীন।
গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র এবং অপতৎপরতা প্রতিহত করতে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
‘অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসন ও স্বৈরাচারী প্রবণতার দিকে ঠেলে দেওয়ার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে।’
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সুসংহত করার জন্য দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা, রাজনৈতিক দল, সরকার এবং সামরিক বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের তাগিদ দেন শফিকুর রহমান।
সবশেষে বিবৃতিতে তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সব শাখা ও দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতাকে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ