ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মূল্যবোধের বিকাশ ঘটিয়ে জাতিকে এগিয়ে নিতে হবে: আবদুস সাত্তার


মূল্যবোধের বিকাশ ঘটিয়ে জাতিকে এগিয়ে নিতে হবে: আবদুস সাত্তার

বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন চাঁদপুর জেলার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে শিক্ষক প্রতিনিধি সম্মেলন, এ এম আই ও আই ই এস এর আওতাধীন মেধাবৃত্তি প্রদান।

১৩ জুন শনিবার সকালে চাঁদপুর আল আমিন একাডেমীর মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের অঞ্চল পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সাত্তার। তিনি বলেন, "শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আদর্শ মানুষ গঠন।" তিনি আরও বলেন, "কেবল পাস-ফেল নির্ভর শিক্ষা নয়, বরং নৈতিকতা, মেধা ও মূল্যবোধের বিকাশ ঘটিয়ে জাতিকে এগিয়ে নিতে হবে।" তিনি জাতীয় মেধাবৃত্তিকে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন, যা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও প্রতিযোগিতার মানসিকতা তৈরি করবে। এক্ষেত্রে তিনি শিক্ষক সমাজকে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত এবং নৈতিক ভিত্তির শিক্ষা প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: সন্দ্বীপে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের চাঁদপুর জেলা সভাপতি অধ্যাপক রুহুল আমিন এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মো: হারুন আর রশিদ এর পরিচালনায় প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের জেলার প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা বিল্লাল হোসাইন মিয়াজী। তিনি বলেন, "শিক্ষকরা জাতি গঠনের কারিগর।" শিক্ষা কর্মসংস্থান সৃষ্টির উপায় নয়, বরং আদর্শ জীবনের ভিত্তি গঠনের মাধ্যমে কাজ করে।

তিনি মন্তব্য করেন, মেধাবৃত্তি কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা ও আগ্রহ সৃষ্টি করবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রুহুল্লা। তিনি বলেন, "একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি মানসিক ও চারিত্রিক উন্নয়নেও শিক্ষকরা যেন ভূমিকা রাখেন, সেটিই সময়ের দাবি।" জাতীয় মেধাবৃত্তি কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা পড়ালেখায় আগ্রহী, তাদের নৈতিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে। এ এম আই চাঁদপুর এর সভাপতি অধ্যাপক মো: শাহ আলম, দারসুল কোরআন পেশ করেন অধ্যক্ষ মাওলানা আবু বকর।

শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে এই ধরনের মতবিনিময় সভা সময়োপযোগী এবং প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা। সভা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে মেধাবৃত্তি কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানে প্রচার ও রেজিস্ট্রেশনের আহ্বান জানানো হয়।

আরও পড়ুন: ৮ বছর ধরে বিদ্যুৎ খুঁটি-মিটার থাকলেও সুবর্ণচরের মোহাম্মদপুরে নেই বিদ্যুৎ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষক-শ্রমিক বেঁচে থাকলেই দেশ বাঁচবে: আসলাম চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


কৃষক-শ্রমিক বেঁচে থাকলেই দেশ বাঁচবে: আসলাম চৌধুরী

বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের এমপি আলহাজ্ব আসলাম চৌধুরী এফসিএ বলেছেন, কৃষক ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি মন্তব্য করেন, মাঠে ফসল ফলানো কৃষক এবং শিল্পের চাকা সচল রাখা শ্রমিকের ঘামেই বাংলাদেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে। অথচ আজ এ দুটি শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বেশি অবহেলিত ও বঞ্চিত। আসলাম চৌধুরী বলেন, কৃষক ও শ্রমিক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, অর্থনীতি বাঁচবে এবং রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে প্রখর রোদ ও তীব্র দাবদাহকে উপেক্ষা করে মিরসরাই কলেজ মাঠ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত মিরসরাই উপজেলা জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভা থেকে আগত হাজার হাজার নেতাকর্মী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি সম্মেলনস্থলকে একপর্যায়ে জনসমুদ্রে রূপান্তরিত করে। মাঠজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল। স্লোগানে মুখরিত ছিল পুরো এলাকা।

আসলাম চৌধুরী আরও বলেন, দেশের কৃষক আজ বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি রয়েছেন। উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, সারের দাম, সেচ সংকট, বিদ্যুতের অনিশ্চয়তা এবং কৃষি উপকরণের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি কৃষকদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। অন্যদিকে, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না হওয়ায় লাভের বড় অংশ চলে যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী ও বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সিন্ডিকেটের হাতে। এর ফলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে উচ্চমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দেশের বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে। কৃষক উৎপাদন করে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না, অথচ ভোক্তারা অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করছেন। এ বৈষম্যমূলক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে কৃষিবান্ধব নীতি, সরাসরি রাষ্ট্রীয় সহায়তা এবং বাজার ব্যবস্থার সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আসলাম চৌধুরী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ ও সাধারণ জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি মানবিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মিরসরাই সংসদীয় আসনের এমপি আলহাজ্ব নুরুল আমিন বলেছেন, মিরসরাই দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে পরিচিত। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার রক্ষার প্রতিটি আন্দোলনে এ অঞ্চলের মানুষ অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছে। আগামী দিনেও জাতীয়তাবাদী শক্তির সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নে মিরসরাইয়ের নেতাকর্মীরা রাজপথে থাকবে। প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষক দলের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মামুন বলেছেন, মিরসরাইয়ের নেতাকর্মীরা আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিক। নানা দুঃসময়ে তারা রাজপথে থেকে দলকে শক্তিশালী করেছেন। ত্যাগ, আদর্শ ও সাংগঠনিক নিষ্ঠার মধ্য দিয়েই আজকের এই শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে উঠেছে।

মিরসরাই উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি বদিউল আলম বদরুলের সভাপতিত্বে এবং নাজিমুদ্দিন শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি, মিরসরাই উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, কৃষক দল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, মহিলা দল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। সভাপতির বক্তব্যে বদিউল আলম বদরুল বলেছেন, তৃণমূল সংগঠন যত শক্তিশালী হবে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তত বেশি শক্তিশালী হবে। কৃষকের অধিকার আদায় এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে মিরসরাই কৃষক দল অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

সম্মেলনে আগামী এক মাসের মধ্যে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে কৃষক দলের কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকের ন্যায্য অধিকার আদায়, গণসংযোগ বৃদ্ধি, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সম্মেলন শেষে হাজার হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে একটি বিশাল গণমিছিল মিরসরাই সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি, উচ্ছ্বাস এবং সাংগঠনিক শক্তির প্রদর্শন স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ সম্মেলন মিরসরাইয়ে বিএনপি ও কৃষক দলের সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেছে এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
জামায়াত আমির

৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অগ্রাহ্য করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ পি.এম


৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অগ্রাহ্য করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অগ্রাহ্য করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না। জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা গণতন্ত্রের চেতনার পরিপন্থী।

জনগণ তাদের ভোটাধিকার ও গণরায়ের যথাযথ প্রতিফলন দেখতে চায়। যদি সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণই তার জবাব দেবে। জনরায় মানে না যে সরকার, সে সরকার জনগণের সরকার হতে পারে না।’

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করে।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে যোগ্য, সৎ ও দেশপ্রেমিক লোকদের মূল্যায়ন না করে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন এবং দলীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হচ্ছে। সংসদে জনগণের সমস্যা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে গেলেও নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। অথচ সংসদ জনগণের কথা বলার জায়গা।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা বিদেশি শক্তির কাছে ইজারা দেওয়া হবে না। দেশের ১৮ কোটি মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে এই দেশকে রক্ষা করবে। আমরা জাতির সঙ্গে বেঈমানি করব না; জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতেও প্রস্তুত আছি।’

তিনি বলেন, ‘দেশে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি আজ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছে। নির্বাচিত ও জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে এসব অপসংস্কৃতির অবসান ঘটবে।

জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের সংগ্রাম চলবে সংসদেও, রাজপথেও। ভয়ভীতি, মামলা-হামলা কিংবা কারাবাসের হুমকি দিয়ে জনগণের আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী অভিবাদন জানালেন ঈদগাঁওবাসীকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী অভিবাদন জানালেন ঈদগাঁওবাসীকে

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর আগমন উপলক্ষে কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে সাজসাজ রব দেখা গেছে। তের জুন শনিবার সকাল থেকে প্রচুর বৃষ্টি সত্ত্বেও নেতাকর্মীদের পদচারণায় স্থানীয় বাস স্টেশন এলাকা মুখরিত ছিল।

ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে খন্ড খন্ড মিছিল প্রধানমন্ত্রীর বরণ করতে বাস স্টেশনে সমবেত হতে আসছিল। বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, মহিলা দল ও কৃষকদল সহ বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দর পাশাপাশি উৎসুক সাধারণ জনগণের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। পুরো বাস স্টেশন এলাকা ব্যানারে ছেয়ে যায়।

জেলা বিএনপির সহ সভাপতি এম, মমতাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস শুক্কুর, যুগ্ন সম্পাদক আব্দুস সালাম, জালালাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর তাজ (জনি), জালালাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম কোম্পানি, ঈদগাঁও বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওহিদুল আলম কোম্পানি, ইসলামাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি হুমায়ুন কবির কোম্পানি, পোকখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এ, এইচ, সেলিম উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল, এসব নেতৃবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর বাঙালি, মোঃ আযমগীর, ডাক্তার এহসানুল হক, ওলামা দল নেতা মৌলভী ফখরুদ্দিন ফরাজী (কাজল), মাওলানা দিদারুল ইসলাম, যুবদল সভাপতি কামাল হোসেন মেম্বার, যুবদল নেতা মোঃ আবু হেনা, শহিদুল ইসলাম শহীদ, শ্রমিকদল নেতা মোকতার আহমদ, জিয়াউল করিম জিয়া, ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান, মোঃ সোহেল রানা, মহিলা দলনেত্রী খুরশিদা বেগম, সেলিনা আক্তার, শামীম আকতারসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

পৌনে একটার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী শতাধিক গাড়ির বহর ঈদগাঁও বাস স্টেশন এলাকা অতিক্রম করে। প্রধানমন্ত্রীর নিজে গাড়ি চালিয়ে সড়ক অতিক্রম করার সময় তার সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও ছিলেন। গাড়ির বহরে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় সংসদ সদস্য বৃন্দ অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর গাড়িটি বাস স্টেশন এলাকায় পৌঁছুলে নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন এবং স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তুলেন। এর ফলে তারা প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান। প্রধানমন্ত্রীও উপস্থিত জনগণকে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইমচরে খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন এমপি মানিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ পি.এম


হাইমচরে খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন এমপি মানিক

খালখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবার হাইমচর উপজেলার চরপোড়ামূখী খাল দক্ষিন চরভাঙ্গা দেওয়ান বাড়ি থেকে শুরু হয়ে চরপোড়ামূখী রহিম মাষ্টার বাড়ি পর্যন্ত খাল পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন করেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। শেষ শনিবার (১৩ জুন, ২০২৬) সকাল বেলায়, চরপোড়ামুখী- দক্ষিণ চরভাঙ্গা - পর্বত খালের পুনঃখনন ও বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন করেন তিনি। এই উদ্বোধনের সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চাঁদপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম সলিম উল্যা সেলিম, সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, হাইমচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিন উল্লাহ বেপারি, সাধারণ সম্পাদক মাজারুল ইসলাম শফিক এবং প্রশাসনিক ও প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় কৃষকদের দীর্ঘদিনের দাবীর প্রেক্ষিতে এই খাল পুন:খনন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%