ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জনগণ ভালো নেই, পরিস্থিতি পুরো পাল্টে গেছে: মান্না


জনগণ ভালো নেই, পরিস্থিতি পুরো পাল্টে গেছে: মান্না

জনগণের অবস্থা ভালো নেই, পাশা পুরো উল্টে গেছে বলছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

মাহমুদুর রহমান মান্না গত সোমবার (১৫ জুন) বিকেল তিনটায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক ও প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা মোস্তফা মহসিন মন্টুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভায় এই মন্তব্য করেন।

২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদের বীরত্বের কথা স্মরণ করে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বন্দুকের সামনে দুই হাত প্রসারিত করে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার ইতিহাস পৃথিবীতে বিরল। এত বড় আন্দোলনের পরও, কি দেশের মানুষ সন্তোষজনক অবস্থায় আছে? যারা লড়াইয়ের মাঠে জীবন বাজি রাখলেন, তাদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ কি আমরা পেয়েছি? আজ পুরো পাশা উল্টে গেছে।’

আরও পড়ুন: দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের কাঙ্ক্ষিত অধিকার এবং একটি প্রকৃত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে, দীর্ঘদিনের আন্দোলনের সহযাত্রী প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলোকে ন্যূনতম অ্যাজেন্ডায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

সম্প্রতি ঘোষণা করা ৯ লাখ কোটি টাকারও বেশি বিশাল বাজেট নিয়ে তিনি তীব্র সমালোচনা করেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি।

তিনি আরো বলেন, ‘বাজেটের ভেতর সুন্দর সুন্দর কথার চানাচুর দিয়ে মানুষকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে, কিন্তু এর কোনো বাস্তব গ্যারান্টি নেই। যে সরকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বা নতুন ঘোষিত বেতন স্কেলের টাকা সঠিকভাবে সংস্থান করতে পারে না, তারা এই বিশাল বাজেটের টাকা কোত্থেকে দেবে?’

তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘অর্থনীতিকে বাদ দিয়ে যারা রাজনীতি করতে চায়, তারা দেশকে সামনে নিয়ে যেতে পারবে না। জনতুষ্টির পথ ছেড়ে জনগণের কল্যাণের জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ না নিলে, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি চরম সংকটে পড়বে।’

আরও পড়ুন: নেজামে ইসলাম পার্টির উদ্বেগ, আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্য আইনশৃঙ্খলার পরিপন্থী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছয় মাসের মধ্যেই উদ্বোধন হচ্ছে পাঁচ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ এম


ছয় মাসের মধ্যেই উদ্বোধন হচ্ছে পাঁচ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

ছয় মাসের মধ্যে খুলনা, বরিশাল, রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগে, এছাড়াও কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। বরিশাল ও খুলনা বিভাগের হাসপাতাল দুটি আগস্টের প্রথম দিকে শুরু করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রতিটি হাসপাতালের আওতায় ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) সুবিধা, কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সুযোগ রাখা হবে। হাসপাতালগুলোতে বড় পরিসরের আইসিইউ ইউনিটও থাকবে।

হাসপাতালগুলোর আসবাবপত্র এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের দরপত্র প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এই হাসপাতালগুলোর কার্যক্রম আগামী ছয় মাসের মধ্যে উদ্বোধন করা হবে।

পুরোদমে কার্যক্রম চালুর জন্য প্রতিটি হাসপাতালে ১ হাজার ৪৭৫ জন জনবলের প্রয়োজন হবে। প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের নিশ্চয়তা দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ইতোমধ্যে খুলনা, বরিশাল ও কুমিল্লা গিয়ে হাসপাতাল ভবনগুলো পরিদর্শন করেছেন। বরিশাল শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি আগামী আগস্টের শুরুতে হাসপাতালটির চালুর ঘোষণাও দিয়েছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিউনেটাল ভেন্টিলেটর, সিটি স্ক্যান, এক্সরে মেশিন, পোর্টেবল এক্স-রে, মাল্টি প্যারামিটার বা কার্ডিয়াক মনিটর এবং ফটোথেরাপি মেশিনসহ ২০০ বেডের শিশু হাসপাতাল চালু করতে যেসব যন্ত্রাংশ প্রয়োজন, সেগুলো জুলাইয়ের মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী ১ আগস্ট হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হবে।

এর আগে গত ১০ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে দেশের ছয় বিভাগে অব্যবহৃত পড়া ছয়টি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওই হাসপাতালগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে আগামী ২ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেন। মূলত এরপরই হাসপাতালগুলো চালুর তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বাসস’কে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের পাঁচ বিভাগে একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল চালু হচ্ছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এসব হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের (আইসিইউ) ব্যবস্থাও থাকবে।

তিনি আরও বলেন, এই পাঁচটি হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় ফার্নিচার ও যন্ত্রপাতির টেন্ডার ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালে ১ হাজার ৪৭৫ জন করে জনবল প্রয়োজন। পূর্ণ জনবল বরাদ্দ করার জন্য ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী জনপ্রশাসন মন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রতিটি শিশু হাসপাতালে আইসিইউ থাকবে। সেন্ট্রালি এয়ার কন্ডিশন ব্যবস্থা থাকবে। একটি করে আইসিইউ থাকবে এবং ভবিষ্যতে বেড বাড়ানোর পরিসরও রাখা হবে। আইসিইউর জন্য একটি বড় স্পেস রাখা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারও ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত বরিশাল শিশু হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, এই শিশু হাসপাতালটিও আগস্টে চালু হবে। প্রথম ধাপে জরুরি বিভাগের কার্যক্রম শুরু করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল চালু করতেও জোরোশোরে কাজ শুরু হয়েছে। গত ২০ মে স্বাস্থ্যমন্ত্রী খুলনায় নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যেই হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. মুজিবুর রহমান বলেন, গণপূর্ত বিভাগ ও সিভিল সার্জনকে সঙ্গে নিয়ে আমরা খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। নতুন শিশু হাসপাতাল সম্পর্কে আমাদের কাছ থেকে তথ্য নিচ্ছে মন্ত্রণালয়। সেখানে থেকে যে নির্দেশনা আসবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

এদিকে গত ২৫ মে কুমিল্লার সদর দক্ষিণের বেলতলী এলাকায় নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনে যান মন্ত্রী। এই হাসপাতালটিও আগামী ছয় মাসের মধ্যে চালুর ঘোষণা দেন তিনি।

নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরও দীর্ঘ ছয় বছর অব্যবহৃত থাকার পর এখন চালু হতে যাচ্ছে বিশেষায়িত রংপুর শিশু হাসপাতালও। তারেক রহমানের নির্দেশের পর দ্রুত এই হাসপাতাল চালু হচ্ছে। ইতোমধ্যে হাসপাতালটির অবকাঠামো পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন।

তিনি বলেন, ‘শুধু এই পাঁচটি শিশু হাসপাতালই নয়, স্বাস্থ্য বিভাগে এ ধরণের আরও অনেক স্থাপনা রয়েছে, যেগুলো এখনও চালু হয়নি। বিষয়টি নজরে আসার পর প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সেগুলো চালু করারও নির্দেশ দেন।’

এদিকে বহু প্রত্যাশার পর অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কুমিল্লা শিশু হাসপাতালটিও চালু হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সচিবের সঙ্গে জরুরি বৈঠক শেষে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান হাসপাতালটি চালুর বিষয়ে জনবল ও যন্ত্রপাতির চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজশাহী শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী তিন মাসের মধ্যে হাসপাতালটি চালু করা হবে।

ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস রাজশাহী শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব জানান, প্রথম ধাপে শিশু হাসপাতালে আউটডোর সেবা চালু করা হবে। পরবর্তী অর্থবছরে ধাপে ধাপে অন্যান্য সেবাও চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিগগিরই অনুমোদন পাচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা: এ্যানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ এম


শিগগিরই অনুমোদন পাচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা: এ্যানি

পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘শিগগির একনেক সভায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প পাশ হবে, তবে বিশেষজ্ঞ টিমের পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে কাজ শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পকে অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বিবেচনায় নিয়েছেন। তাই তিস্তাপারের বাসিন্দাদের আর কোনো চিন্তা নেই।’

শুক্রবার (১৯ জুন) রংপুরের কাউনিয়ায় তিস্তা সেতু এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল, রংপুর জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, লালমনিরহাট ও রংপুরের জেলা প্রশাসক এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিস্তা নদীকে ঘিরে মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে এবং দেশি-বিদেশি কারিগরি সহযোগিতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ‘তিস্তা মেগা প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি জানান, এ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বিশেষ প্রকল্পের আওতায় প্রয়োজনীয় অর্থায়নের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কাজের সার্বিক অগ্রগতি তদারকি করছেন। আমরা যদি খুব পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ করি, পরিকল্পিত ড্রেজিং করি তাহলে এই অঞ্চলের মানুষকে ইনশাআল্লাহ রক্ষা করতে সক্ষম হবো।

পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, তিস্তাপারের সকল দিক বিবেচনা করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা খুবই প্রয়োজন। তিস্তা শুধু আপনাদের (লালমনিরহাট, রংপুর) দুঃখ না, এটা সারা বাংলাদেশের দুঃখ। আমরা যখনই এ কাজগুলো দৃশ্যমান করে সমাপ্ত করতে পারব, হয়ত ২-৪ বছর বা ৬-৭ বছর সময় লাগবে। কিন্তু এর সুফল এ অঞ্চলের মানুষ পাবে, সারা বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে।

এখানে কৃষি উপকরণ এবং কৃষিভিত্তিক অঞ্চল গড়ে উঠবে, যেটা আপনাদের এ অঞ্চলের পাঁচটা জেলার দুঃখ। তা আনন্দে পরিণত হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ অঞ্চলের মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিস্তার দুঃখ তিনি দূর করবেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ইতোমধ্যেই একাধিক কমিটি গঠন করে দিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষা ও সমীকরণের কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। ৯ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী দল এই প্রকল্পটির রূপরেখা তৈরিতে কাজ করছেন। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যেই এই মহাপরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ অঞ্চলের কৃষিতে বিপ্লব ঘটানোর লক্ষ্যে তিস্তা সেচ প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন। আজ তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিস্তা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা কেবল নদী শাসন বা ভাঙন রোধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং শুষ্ক মৌসুমে কীভাবে নদীটিতে পর্যাপ্ত পানি ধরে রাখা যায়, সেই স্থায়ী ব্যবস্থাও এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’

মতবিনিময় শেষে মন্ত্রী তিস্তা তীরবর্তী নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন। এর আগে, তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে তিস্তা মেগা প্রকল্পের কারিগরি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

তিস্তা ব্যারাজ ও কাউনিয়া এলাকায় তিস্তা সেতু পরিদর্শন শেষে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন বিতর্ক ছড়াচ্ছে, তিস্তাপারের মানুষ যেন এসব বিতর্কিত কোনো কথায় কান না দেন। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, ধৈর্য ধারণ করে আমাদের কাজ সফল করতে হবে।

দুলু বলেন, প্রধানমন্ত্রী খুব গুরুত্বসহকারে তিস্তা মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। অবশ্যই আমরা সফল হব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষ্ণ সাগরে জাহাজে প্রাণঘাতী ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২২ এম


কৃষ্ণ সাগরে জাহাজে প্রাণঘাতী ড্রোন হামলা

কৃষ্ণ সাগরে একটি পানামার পতাকাবাহী জাহাজে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় একজন নাবিক নিহত হয়েছেন এবং আরো দুইজন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) গভীর রাতে পানামার মেরিটাইম অথরিটি (এএমপি) এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

এএমপি জানিয়েছে যে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। আহত দুই নাবিকের মধ্যে একজনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। হামলার শিকার হওয়ার পরও জাহাজটি বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে সক্ষম হয়েছে এবং তার নির্ধারিত গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা অব্যাহত রেখেছে।

এখন কর্তৃপক্ষ এই হামলার ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজখবর নিতে শুরু করেছে।

এএমপি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, ঘটনাটি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক এবং সঠিক তথ্য সংগ্রহের জন্য তারা প্রয়োজনীয় সব প্রোটোকল সক্রিয় করেছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।

ড্রোন হামলাটি ঠিক কোথা থেকে বা কার পক্ষ থেকে চালানো হয়েছে সে বিষয়ে পানামা কর্তৃপক্ষ সুনির্দিষ্ট করে কিছু জানায়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তারা একটি জরুরি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে।

তারা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগরের উত্তর দিকে অবস্থিত ইউক্রেনীয় এবং রাশিয়ান জলসীমা এড়িয়ে সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দিয়েছে।

উল্লেখ্য, পানামা বিশ্বের বৃহত্তম জাহাজ নিবন্ধন কেন্দ্র পরিচালনা করে থাকে এবং বর্তমানে সারাবিশ্বের মোট বাণিজ্যিক জাহাজবহরের প্রায় ১৬ শতাংশই পানামার পতাকার অধীনে চলাচল করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পবিত্র হজ পালন শেষে ফিরলেন আরও ১,১০৯ হাজি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ এম


পবিত্র হজ পালন শেষে ফিরলেন আরও ১,১০৯ হাজি

হজ পালন সম্পন্ন হওয়ার পরে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন আরো ১১০৯ জন বাংলাদেশি। এ নিয়ে মোট ৬১ হাজার ৬৯৭ জন বাংলাদেশি হাজি ১৫৬টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন।

প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে ৪ হাজার ৩১৯ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৫৭ হাজার ৩৭৮ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন।

এদিকে, হজ পালনের সময় সৌদি আরবে পাড়ি দিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে এবং পরে ৫৪ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে যে, ২০ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষ স্থানে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

এখন পর্যন্ত সংস্থাটি ২৭ হাজার ৩৬৩ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এছাড়া, সৌদি এয়ারলাইনস ২১ হাজার ৬৫২ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৪ হাজার ১০ জন হাজি।

এখন পর্যন্ত মোট ১৫৬ ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৭৮টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫৬টি এবং ফ্লাইনাস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আওতায় সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে ৬৬ হাজার ২৪৯টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ১৯৮টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যান। ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে, এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ৩০ জুনের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%