মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:২১ পি.এম
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের ‘সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করা হবে’—এ ধরনের বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ব্যক্তির মুখে ‘ক্রসফায়ার’-এর মতো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের স্মৃতিবাহী শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের বক্তব্য দেশের আইনের শাসন ও মানবাধিকার সম্পর্কে ভুল ও বিপজ্জনক বার্তা দিতে পারে।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব বলেন, ‘অপরাধী যত দুর্ধর্ষই হোক, তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা এবং আদালতে অপরাধ প্রমাণের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করাই সভ্য রাষ্ট্রের পথ। কোনো সরকারের অনুমোদন বিচারিক প্রক্রিয়ার বিকল্প হতে পারে না। অপরাধ দমনের নামে বিচারবহির্ভূত পন্থা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হলে তার পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অতীতে ‘ক্রসফায়ার’ ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের নামে ক্ষমতার অপব্যবহারের তিক্ত অভিজ্ঞতা প্রত্যক্ষ করেছে। ফলে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর প্রধানের মুখে আবার ‘ক্রসফায়ার’ শব্দ উচ্চারিত হওয়া স্বাভাবিকভাবেই জনমনে উদ্বেগ ও পুরোনো আশঙ্কা ফিরিয়ে আনে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব অপরাধীকে বিচারের মুখোমুখি করা—বিচার ছাড়াই তার জীবন কেড়ে নেওয়া নয়।
মাওলানা মুসা বিন ইযহার আইজিপির বক্তব্য নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের পরবর্তীতে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, সেটি তারা বিবেচনায় নিয়েছে। বলা হয়েছে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাতে নয়, বরং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু এমন একটি স্পর্শকাতর শব্দ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে উচ্চারিত হওয়া অনভিপ্রেত। কারণ আইজিপির বক্তব্য শুধু ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে বিবেচিত হয় না; তা পুরো বাহিনীর জন্য একটি বার্তা হিসেবেও প্রতিভাত হতে পারে।
তিনি বলেন, দেশে সন্ত্রাস, খুন, চাঁদাবাজি, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। জনগণ অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃঢ় ও কার্যকর পুলিশি ব্যবস্থা চায়। কিন্তু সেই কঠোরতা অবশ্যই সংবিধান, আইন ও মানবাধিকারের সীমার মধ্যে থাকতে হবে। অপরাধ দমনে পুলিশের সক্ষমতা ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব বলেন, ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে আইনকেই পাশ কাটানো যায় না। আমরা অপরাধীর কঠোর বিচার চাই, বিচারবহির্ভূত হত্যা নয়। ‘ক্রসফায়ার’ কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নীতি বা বিকল্প হতে পারে না।’
তিনি আইজিপিকে ‘ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত বক্তব্যের বিতর্কিত অংশ প্রত্যাহার করে নিজের অবস্থান দ্ব্যর্থহীনভাবে পরিষ্কার করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সরকারকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অবস্থান ঘোষণা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে জবাবদিহি, পেশাদারত্ব ও মানবাধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবার সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে। এই ঘটনায় জাবেদসহ ১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে সংস্থাটি।
মামলাটি মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুদক চট্টগ্রাম-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দায়ের করা হয়।
দুদক জানিয়েছে, চট্টগ্রামের ইসলামী ব্যাংক জুবলী রোড শাখা থেকে আরামিটের এজিএম জাহাঙ্গীর আলমকে সরবরাহকারী ও ব্যবসায়ী হিসেবে দেখিয়ে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক টিমের পক্ষ থেকে উপসহকারি পরিচালক (ডিএডি) রুবেল হোসেন বাদী হয়ে সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
জাবেদের পাশাপাশি মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- আরামিট সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামান, আরামিট সিমেন্টের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও ইউসিবির সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম, আরামিট সিমেন্টের এজিএম একেএম মারুফ, ক্লাসিক ট্রেডিংয়ের মালিক ও আরামিট পিএলসির এজিএম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ইসলামী ব্যাংক জুবিলী রোড শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মহিউদ্দিন, প্রিন্সিপাল অফিসার (বিনিয়োগ) মোহাম্মদ আখতার হোসেন, প্রিন্সিপাল অফিসার ও জেনারেল ব্যাংকিং ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল হক, ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ মো. আবদুল কাদের, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জুবিলী রোড শাখার ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ আবদুল করিম, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. শহিদুল্লাহ, এফএভিপি মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন, এসভিপি আবুল কালাম আজাদ, এসভিপি মোহাম্মদ মহসীন আলী এবং এসপিও রিদওয়ানুল হক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষাজীবন শেষ করার পর একজন শিক্ষার্থী যাতে চাকরি পেতে সক্ষম হন, সেই উদ্দেশ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
তিনি মন্তব্য করেন, ‘ক্যারিয়ার ও চাকরি মেলা একটি অত্যন্ত ভালো এবং মহৎ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে অনেকের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। বাংলাদেশকে আমাদের হৃদয়ে ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের ২০ কোটি মানুষ যদি যোগ্য হয়ে ওঠে, তাহলে বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম দেশ হিসেবে পরিণত করা সম্ভব।’
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত ক্যারিয়ার ও চাকরি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এবং পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, একটি দেশের উন্নয়নের জন্য সরকার এবং রাষ্ট্রকে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিতে হয়। প্রধানমন্ত্রী সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর কর্মকাণ্ডকে সহযোগিতা করতে হলে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাহলেই দেশ স্বাবলম্বী হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, একটি দল বা গোষ্ঠী বিভিন্নভাবে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। জনগণের আন্দোলনের মুখে বিদায় নেওয়া ফ্যাসিবাদী শক্তি এখন বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু দেশের মানুষ শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ চায়। তাই তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন। টাঙ্গাইলের শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করবেন।
তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে। শিক্ষার দিক থেকে টাঙ্গাইলকে দেশের শীর্ষস্থানীয় জেলাগুলোর মধ্যে নিয়ে যেতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল-মামুন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ আলী। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বর্ণাঢ্য আয়োজনে মাভাবিপ্রবি দিবস-২০২৬ উদযাপনের প্রথম পর্বে ছিল শোভাযাত্রা, কেক কাটা ও ক্যারিয়ার অ্যান্ড জব ফেয়ার উদ্বোধন। প্রতিমন্ত্রী অতিথিদের নিয়ে ফিতা কেটে এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ক্যারিয়ার ও চাকরি মেলার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে ভাষা ইনস্টিটিউট এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরেও উদ্বোধন করেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো ক্যারিয়ার এন্ড জব ফেয়ারের আয়োজন করা হয়। ক্যারিয়ার এন্ড ফেয়ারে ৩০টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক, ডেঙ্গু ও অপরিচ্ছন্নতার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন পিরোজপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম রব্বানী। তিনি বলেছেন, পরিচ্ছন্ন পিরোজপুর গড়তে প্রশাসনের উদ্যোগের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা অডিটরিয়ামে কর্মকর্তা ও সুধীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভাণ্ডারিয়া উপজেলা ও পৌরসভার প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জ্বল হালদার, ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইব্রাহীম মোল্লা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন আকন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. মান্নান হাওলাদার, উপজেলা বিএনপি’র সাংগনিক সম্পাদক আবুল কালাম মলাদ জোমাদ্দার, সমাজ সেবক মো. জুলফিকার হায়দার হাওলাদার, উপজেলা যুবদলে সদস্য সচিব মো. শামীম হাওলাদারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুধীজন।
মতবিনিময় সভা শেষে জেলা প্রশাসক মো. গোলাম রব্বানী উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন। পরে তিনি ভাণ্ডারিয়া পৌরসভা, উপজেলা ভূমি অফিস, গৌরীপুর ভূমি অফিস ও গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন।
মোঃ তরিকুল ইসলাম
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০১৭১০০২০৩৮২
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে হত্যার দায়ে হারেছ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছে। একইসাথে তাকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ৮ জুলাই রাতে ফতুল্লা ভোলাইল গেউদ্দারবাজারের নিজ ভাড়া বাসায় পারিবারিক বিবাদের জেরে স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও শিশু সন্তান সোহাগকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে হারেছ। হত্যাকাণ্ডের পর হারেছ পালিয়ে যান। পরে, নিহত মনোয়ারার ভাই মজিবুর রহমান মজিদ ফতুল্লা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার পর পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ হারেছকে গ্রেপ্তার করে।
হারেছ আদালতে স্বীকার করেছেন যে, তিনি তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে হত্যা করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, আদালত এই মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে হারেছকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর আদালতের নির্দেশে হারেছকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ