ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফাহমী গোলন্দাজ ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট অনুমোদন


ফাহমী গোলন্দাজ ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট অনুমোদন

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল এবং তার স্ত্রী শারমিন গোলন্দাজের বিরুদ্ধে প্রায় তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চার্জশিট (অভিযোগপত্র) অনুমোদন করেছে।

এই চার্জশিট সোমবার (৫ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে অনুমোদিত হয়। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজির আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, তদন্তকারী কর্মকর্তা সাবেক সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ৬০ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়েছেন। এই প্রমাণের ভিত্তিতে কমিশন তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন: চাঁদপুরে যুবকের লুঙ্গির গোছায় মিলল ওয়ান শুটার গান

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ফাহমী গোলন্দাজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধান শেষে ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল ও তার স্ত্রী শারমিন গোলন্দাজের নামে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এর মধ্যে আজ একটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন বা চার্জশিট অনুমোদন লাভ করেছে।

এদিকে, দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া প্রথম মামলাটির তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে। ওই মামলায় ফাহমী গোলন্দাজের বিরুদ্ধে ২০ কোটি ১১ লাখ ২০ হাজার ৪৬০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ১৬টি ব্যাংক হিসাবে ৬০ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৬ মার্কিন ডলারের অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

চলমান মামলাটির তদন্ত শেষ হলে সেটির বিষয়েও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: চাকরিতে ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি আইনমন্ত্রীর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকাসক্ত ছেলের ৬ মাসের কারাদণ্ড, মা-বাবার অভিযোগে ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২০ এম


মাদকাসক্ত ছেলের ৬ মাসের কারাদণ্ড, মা-বাবার অভিযোগে ব্যবস্থা

যশোরের অভয়নগরে মাদকাসক্ত ছেলের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছিলেন ভুক্তভোগী মা-বাবা। অভিযোগের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মনিরুল শেখ (২৫) নামের ওই ছেলেকে ১০ পুরিয়া গাঁজাসহ আটক করে।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপু এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মনিরুল শেখ উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামের প্রফেসরপাড়া এলাকার আব্দুস সালাম শেখ ও মনোয়ারা বেগমের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনিরুল শেখ দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও বিক্রি করে আসছিলেন। মাদকদ্রব্য ক্রয় এবং নেশার টাকা জোগাড় করতে তিনি প্রায়ই মা-বাবার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। একপর্যায়ে তারা নিরুপায় হয়ে ছেলের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করতে বাধ্য হন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার ইমদাদুল শেখ জানান, সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামের প্রফেসরপাড়া রেললাইনে অভিযান চালিয়ে ১০ পুরিয়া গাঁজাসহ অভিযুক্ত মনিরুল শেখকে পুলিশ আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপু কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মাদকাসক্ত ছেলের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তার মা-বাবা উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাদকদ্রব্যসহ অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করা হয়। শুনানি শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালকিনিতে মামুন শিকদারের মতবিনিময় সভা জনসভায় রূপ নিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাওন বল,মাদারীপুর, মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ এম


কালকিনিতে মামুন শিকদারের মতবিনিময় সভা জনসভায় রূপ নিল

মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ও যুবদল নেতা মামুন শিকদার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের আয়োজনে সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে ইব্রাহিম মোল্লার বাড়ির পাশের মসজিদ মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে এটি একপর্যায়ে জনসভায় রূপ নেয়। এ সময় উপস্থিত স্থানীয় জনতা মামুন শিকদারের প্রতি সমর্থন জানান।

সভায় মামুন শিকদার বলেন, “আমি এখানে মেয়র হতে আসিনি, আপনাদের আত্মীয় হতে এসেছি। আপনাদের সেবক হতে এসেছি।” তিনি নির্বাচিত হলে পৌরবাসীর পাশে থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় মুরব্বি লালু মোল্লার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন কালকিনি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কালাম হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক মোল্লা, ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি আশিকুজ্জামান ইব্রাহীম, কালকিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব নাজমুল হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক ওসমান তালুকদার।

এ ছাড়া ইব্রাহিম মোল্লা, রতন বেপারী, রকিব হাং, মিন্টু কাজী, দেলোয়ার মোল্লাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিজাব পরে ছবি তোলায় ফ্রান্সে তুর্কি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ এম


হিজাব পরে ছবি তোলায় ফ্রান্সে তুর্কি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল

প্যারিসের বিখ্যাত ‘সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে’ পড়ার সুযোগ অর্জন করেও কেবল হিজাব না খোলার কারণে ফ্রান্সের ভিসা পাননি তুরস্কের এক মেধাবী শিক্ষার্থী। বায়োমেট্রিক ছবিতে মাথা ঢেকে রাখার জন্য তার ভিসা বাতিল করা হয় এবং মাথা অনাবৃত রেখে নতুন ছবি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। খবরটি প্রকাশ করেছে ডেইলি সাবাহ।

ইস্তাম্বুলের গালাতাসারায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্মানজনক ‘এরাসমাস’ শিক্ষা কর্মসূচির আওতায় সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন ও বৃত্তির সুযোগ লাভ করেছিলেন। তবে ফ্রান্সের অনুমোদিত ভিসা কেন্দ্র ‘ভিএফএস গ্লোবাল’-এর মাধ্যমে তিনবার আবেদন করার পরও তাকে ভিসা প্রদান করা হয়নি।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, ফরাসি কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণরূপে দ্বিমুখী। কারণ, একই সময়ে তার অন্যান্য হিজাবি বান্ধবীরা হিজাব পরা ছবি দিয়েই কোনো সমস্যা ছাড়াই ফ্রান্সের ভিসা পেয়েছেন।

প্রথম দুইবার তার আবেদন বাসস্থান বা পড়ার কর্মসূচি সংক্রান্ত অযুহাত দেখিয়ে নাকচ করা হয়, তবে আসল কারণ লিখিতভাবে জানতে তিনি তৃতীয়বার আবেদন করেন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ইস্তাম্বুলে ফরাসি কনস্যুলেট থেকে পাঠানো জবাবে স্পষ্টভাবে জানানো হয় যে, তাকে মাথা অনাবৃত ছবি জমা দিতে হবে।

নিজের যোগ্যতায় সুযোগ পাওয়ার পরও তা হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ওই শিক্ষার্থী জানান, ধর্মীয় নীতি মেনে চলা তার ব্যক্তিত্বের অংশ এবং কোনো অবস্থাতেই হিজাব খোলা তার পক্ষে সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, তুরস্কে অসংখ্য শিক্ষার্থী ফরাসি ভাষায় পড়ালেখা করেন এবং উচ্চশিক্ষার জন্য ফ্রান্সে যেতে চান। যদি নীতিগত কোনো নিয়ম থাকে, তবে তা আগে থেকেই পরিষ্কার করা উচিত, যেন কোনো শিক্ষার্থীকে এমন হয়রানির শিকার হতে না হয়।

টানা তিনবার ভিসা প্রত্যাখ্যানের পর হতাশা নিয়ে ওই ছাত্রী আর আবেদন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ভবিষ্যতের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ভিসা নিয়মনীতিতে স্পষ্টতা আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাকসামে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুস ও প্রশ্নপত্র তৈরির অনিয়মের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৯ এম


লাকসামে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুস ও প্রশ্নপত্র তৈরির অনিয়মের অভিযোগ

কুমিল্লার লাকসামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলির আবেদন বা সংযুক্তিতে ঘুস গ্রহণ, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরিতে বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. দেলোয়ার হোসেন মজুমদারের বিরুদ্ধে।

উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা ঘুস নেওয়ার বিষয়টি গত ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের সামনে উত্থাপন করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই শিক্ষক সোমবার (৫ অক্টোবর) জানান, গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতেই ঘুসের টাকা ফেরত দেন শিক্ষা কর্মকর্তা দেলোয়ার। তিনি বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্যারের নানাবিধ চাপের কারণে শিক্ষক বদলির আবেদন বা সংযুক্তিতে একটু অনিয়ম হয়েছে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর ওই শিক্ষককে নিজ কার্যালয়ে ডাকেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দেলোয়ার। এরপর নশরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্তির বিষয়ে কোনো টাকা লেনদেন হয়নি মর্মে ইউএনও বরাবর একটি লিখিত আবেদন দিতে বাধ্য করেন ওই শিক্ষককে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে ৪ জুন লাকসাম উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসাবে যোগ দেন দেলোয়ার। এর আগে তিনি ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত লাকসামে একই দায়িত্বে ছিলেন। মাস ছয়েক আগে উপজেলার শিবাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ফরিদ হোসেন পৌরশহরের দৌলতগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্তির জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। ওই সময় তিনি শিক্ষা কর্মকর্তার আস্থাভাজন অপর এক শিক্ষকের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা ঘুস দেন। তবে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওই শিক্ষককে পৌরশহরের দৌলতগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে না দিয়ে নশরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যুক্ত করেন।

অভিযোগ উঠেছে, কোনো বিদ্যালয়ে পাঁচজন বা তারও কম শিক্ষক কর্মরত থাকলে ওইসব বিদ্যালয় থেকে বদলির বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু এসব বিধিনিষেধের তোয়াক্কা করেননি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তিনি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কামড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাবেয়া আক্তারকে রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংযুক্ত করেন।

অভিযোগ উঠেছে, এ ছাড়া সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে প্রান্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে। কিন্তু উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে একযোগে প্রশ্নপত্র তৈরি করে সব বিদ্যালয়ে সরবরাহ করেন। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক শিক্ষার্থী থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাধ্যমে বাধ্যতামূলক অর্থ আদায় করেন। শুধু প্রশ্নপত্র নয়, বিদ্যালয়ের যেকোনো ক্ষুদ্র মেরামত কাজের বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রতিটি বিদ্যালয় থেকে এবং নির্বাচনি কাজে ব্যবহৃত বিদ্যালয়গুলোর সংস্কার বরাদ্দ থেকেও অনৈতিকভাবে অর্থ আদায় করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দরখাস্তের রিসিভ কপি না দেওয়া, প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি এবং ফাইল অনুমোদনে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

কার্দ্রা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন যুগান্তরকে বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসকে খরচ বাবদ প্রায় ৪ হাজার, ভ্যাট বাবদ ৩ হাজার ও ইঞ্জিনিয়ার বাবদ ৩ হাজার টাকা দেওয়া হয়।’

প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শাহাজাহান বলেন, একজন শিক্ষক বদলির বিষয়ে অর্থ আদান-প্রদানের বিষয়টি শুনেছি।

মনোহরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা প্রশ্ন প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক বিশ্বনাথ মজুমদার বলেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি ক্ষেত্রে সব সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে স্কুলের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির প্রতি শিক্ষার্থী থেকে ৮ টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণি থেকে চর্তুথ শ্রেণির প্রতি শিক্ষার্থী থেকে ১০ টাকা করে নেওয়া হয়।

লাকসাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. দেলোয়ার হোসেন মজুমদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, একটি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রশ্নপত্র প্রস্তুত ও সরবরাহ করা হয়েছে। কামড্ডা ও শ্রীরামপুর শিবাখোলা বিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষককে অন্য বিদ্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমেই হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিদ্যালয়ের মেরামতের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামতের বিল অনুমোদন বাবদ অনৈতিকভাবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা বলেন, উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় ওই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশক্রমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%