রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩১ পি.এম
চাঁদপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ তিন বিচারকের আদালত বর্জনের পর জেলা আইনজীবী সমিতি তাদের প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। সমিতির নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দাবি না মানলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দেবেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর আদালত প্রাঙ্গণে জেলা আইনজীবী সমিতির ব্যানারে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় এই দাবি উত্থাপন করা হয়।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম মন্টু বিচারকদের প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং তা বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
শামছুল ইসলাম মন্টু বলেন, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুজাহিদুর রহমান, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর বিচারক পলাশ বর্ধ্বন এবং সদর সিনিয়র সহকারী সিভিল জজ শম্পা ইসলামের বিরুদ্ধে আইনজীবীদের অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিনের ক্ষোভের ফলস্বরূপ গত ৯ সেপ্টেম্বর প্রায় সাড়ে ৪শ আইনজীবীর উপস্থিতিতে বারের জরুরি সাধারণ সভায় তাদের আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, এরপর বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে বিষয়গুলো সমন্বয়ের চেষ্টা করা হয়েছে; কিন্তু কোনো সমাধান আসেনি।
শামছুল ইসলাম মন্টু অভিযোগ করেন, ওই তিন বিচারক আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দিয়েছেন এবং ভয় দেখিয়েছেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, আইনজীবীরা এসব হুমকিতে ভয় পান না।
তিনি বলেন, ১৯৮৬ সাল থেকে আন্দোলন করে আইনজীবীরা বর্তমান পর্যায়ে এসেছেন। আইনজীবীরা বিচারপ্রার্থীদের পক্ষে বিচারকদের সঙ্গে কথা বলেন; এতে তাদের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
বিচারকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আইনজীবীরা এক ও অভিন্ন। কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে পাল্টা কঠোর কর্মসূচি নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম মেহেদীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন তালুকদার ফয়সাল, সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সেলিম আকবর, সিনিয়র আইনজীবী মো. ইব্রাহীম, এটিএম মোস্তফা কামাল, হুমায়ুন কবির, এমরান হোসেন, জিপি এজেডএম রফিকুল হাসান রিপন, হারুনুর রশিদ, অ্যাডভোকেট নুরুল আলম খান আকাশ, কাদের খান, শামীম হোসেন, হেদায়েত উল্যাহ, নাজিম উল্লাহ বাপ্পি, আজহার ও আলম খান মঞ্জু।
সভায় বক্তারা বিচারক ও আইনজীবীদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা আলোচনা করে সমাধানের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আদালতে আসা বিচারপ্রার্থীরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
প্রতিবাদ সভা শেষে আইনজীবীরা ব্যানার নিয়ে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মিছিল বের করেন। মিছিলটি চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আদালত প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার অনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে একটি বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ের যাচাইয়ের পর, রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধ করা হবে।
এছাড়া, আরও ১০০টি মাদ্রাসাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দেওয়া হয়, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মাদ্রাসাগুলোর অবস্থা যাচাইয়ের জন্য রাজ্য সরকারের সংখ্যালঘু ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
গত ২২ জুলাই রাজ্যের সব জেলায় মাদ্রাসাগুলো নিয়ে একটি সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়। এই সমীক্ষায় প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারি অনুমোদন, পরিকাঠামো, পাঠদানের ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হয়।
সমীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, রাজ্যে প্রায় ২ হাজার ৩৯৬টি মাদ্রাসার সরকারি অনুমোদন নেই। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু মাদ্রাসা খারিজি মাদ্রাসা হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি অনুমোদন ছাড়া এসব প্রতিষ্ঠান কীভাবে চলছে এবং শিক্ষার্থীদের কী ধরনের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, সেই বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষার ভিত্তিতে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের কাছে এ বিষয়ে নোটিশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, ১০০টি মাদ্রাসার পরিকাঠামো ও পরিচালন ব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন অসংগতি পাওয়া গেছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় নথি ও অনুমোদনের বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে তাদের বিরুদ্ধেও বন্ধসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমীক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গে অনুমোদিত এবং অনুমোদনহীন মাদ্রাসার সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা। একই সঙ্গে মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা হয়েছে।
সংখ্যালঘু উন্নয়নমন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু জানিয়েছেন, কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যের ২২টি জেলা থেকে মাদ্রাসাগুলোর প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। যেসব মাদ্রাসার সরকারি অনুমোদন রয়েছে এবং নিয়ম মেনে চলছে, সেগুলো চালু থাকবে। অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বন্ধের সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা কীভাবে বজায় রাখা হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তবে সরকারের বক্তব্য, শিক্ষার্থীদের স্বার্থের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈধতা, পরিকাঠামো এবং নিয়ম মেনে পরিচালনার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। সমীক্ষার পরবর্তী পর্যায়ে আরও কোনো মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সেটির দিকে নজর রাখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাইকোর্ট স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী সাবেক কনস্টেবল আব্দুল আলীম সুমনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। যৌতুকের কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। অপরদিকে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি শামীম আল মামুনের দণ্ড সংশোধন করে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ওপর ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ঘোষণা করেন।
আসামিপক্ষে আদালতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান, আইনজীবী মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং কে এম এ আল ফাহাদ বিন সগীর।
আবদুল আলীম, যিনি কালিহাতী উপজেলার হিন্নাইপাড়া গ্রামের আবু হানিফের ছেলে, এবং তার বন্ধু শামীম আল মামুন, আবুল হাশেমের ছেলে, এই মামলার আসামি। অভিযোগে বলা হয়েছে, আব্দুল আলীম ২০১১ সালের ৬ মে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ফলিয়ারঘোনা গ্রামের সুলতান আহমেদের মেয়ে সুমি আক্তারকে বিয়ে করেন।
বিয়ের সময় পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সুমির বাবা তিন লাখ টাকা দেন। বাকি দুই লাখ টাকার জন্য আব্দুল আলীম প্রায়ই তার স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। একসময় তিনি সুমি আক্তারকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেন। ২০১২ সালের ২০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে আলীম তার স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিয়ে যান। পরে ঢাকার তুরাগ থানার বেড়িবাঁধ এলাকায় শামীম আল মামুনের সহায়তায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে সুমিকে হত্যা করা হয়।
আবদুল আলীম গ্রেফতার হওয়ার পর স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। নিহত সুমির মা বাদী হয়ে টাঙ্গাইল থানায় দণ্ডিত দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ঘটনার পর আব্দুল আলীমকে পুলিশ কনস্টেবল পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়।
এই মামলার বিচার শেষে ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন বিচারক খালেদা ইয়াসমিন দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এরপর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। আসামিরা ফৌজদারি আপিল ও জেল আপিলও করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন, "জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।" এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তিনি তুলে ধরেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে সংসদ সদস্য এবং প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন শুধুমাত্র প্রশাসনের একার দায়িত্ব নয়। নিরাপদ ও স্থিতিশীল সমাজ গড়ে তোলার জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্ব, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সাধারণ জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, "মাদক বর্তমানে সমাজের জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।" বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকায় সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন বলে তিনি জানান। বিশেষ করে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার অনিয়মতান্ত্রিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা, জুলুম-নির্যাতন ও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে দেশকে সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। সেই পরিস্থিতি থেকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে। সরকার পরিস্থিতির উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান, "সবাই ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করলে যে কোনো পরিস্থিতির উন্নতি করা সম্ভব।"
ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী কয়েক মাস ডেঙ্গুর ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি আবাসিক হোটেল, গেস্টহাউজ ও অন্যান্য স্থানে অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিয়মিত তদারকি জোরদারের আহ্বান জানান।
সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের কর্মকর্তা হিসেবে জনগণের কল্যাণ ও রাষ্ট্রের স্বার্থ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, বরং রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থেই প্রশাসনের সব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়া উচিত।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ, পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি, স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মহানগরীর পবা থানা এলাকায় ইয়াবা ও গাঁজা সেবনের অপরাধে মোঃ আরিফ (৩৪) নামক এক যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, রবিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র, উপপুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি বলেছেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পবা থানা পুলিশ পিল্লাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনারুলের ছেলে মোঃ আরিফকে ইয়াবা ও গাঁজা সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে।
এরপর ঘটনাস্থলেই মাদকদ্রব্য সেবনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় এবং আরিফকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত যুবককে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ