ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেছারাবাদের ‘আমাদের দৈহারী’ সংগঠনের সভাপতি আল-মামুন, সম্পাদক নজরুল ইসলাম


নেছারাবাদের ‘আমাদের দৈহারী’ সংগঠনের সভাপতি আল-মামুন, সম্পাদক নজরুল ইসলাম

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার দৈহারী ইউনিয়নে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে ‘আমাদের দৈহারী’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখে সংগঠনটির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে মোঃ আল-মামুনকে সভাপতি এবং মোঃ নজরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ বাবু সুশান্ত বেপারী, মোঃ মিজানুর রহমান ও মোঃ ছাইদুল ইসলাম। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মোঃ সুমন হোসেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন মোঃ আবু বকর, মোঃ সজিব মিয়া ও মোঃ ওসমান গনি। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মোঃ রানা খলিফা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোঃ মাইনুল হাসান সজিব, সহ-কোষাধ্যক্ষ মোঃ রিয়াজ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আশিক আহম্মেদ, প্রচার সম্পাদক ও সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ হাফিজুল ইসলাম এবং সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন।

আরও পড়ুন: বি আর বি ক্যাবল, ৪৮ বছর বিশ্বাসের পথে সমৃদ্ধির যাত্রা

এছাড়া সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ মিজানুর রহমান, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ তানভীর হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ মেহেদী হাসান, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ ফিরোজ হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আলমীগর হোসেন এবং সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ওয়াশিম হায়দার (পলাশ)।

সংগঠনের সম্মানিত সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ আশিক আহম্মেদ, মোঃ সুজন মিয়া, মোঃ নাছির উদ্দিন খলিফা, মোঃ সোহাগ, মোঃ সবুজ মিয়া, মোঃ রবিউল ইসলাম সাগর, মোঃ রাকিবুল হাসান, মোঃ সৈকত আহম্মেদ, মোঃ সুমন খলিফা, মোঃ সোহেল খলিফা, বাবু মলয় বৈদ্য, মোঃ সাগর মৃধা, মোঃ রাহাত, মোঃ আসিফ, বাবু সজল মন্ডল, মোঃ মোস্তাকিম বিল্লা, মোঃ শাকিল মিয়া, মোঃ সেলিম মিয়া, মোঃ মাইনুল হাসান, মোঃ জুয়েল, মোঃ জুনায়েদ, মোঃ কাওছার, মোঃ আবুল হোসেন, মোঃ রবিউল ইসলাম ও মোঃ নরুল ইসলাম।

নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ আল-মামুন মন্তব্য করেন, “আমাদের দৈহারী’ শুধু একটি সংগঠনের নাম নয়, এটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি উদ্যোগ। এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, স্বেচ্ছায় রক্তদান, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “সকল সদস্যের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা নিয়ে ‘আমাদের দৈহারী’কে একটি আদর্শ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সংগঠনের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে মানুষের কল্যাণে কাজ করা হবে।”

আরও পড়ুন: ‎রাঙামাটিতে বাস থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২

তিনি নবগঠিত কমিটির সকল সদস্যকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান এবং সংগঠনের কার্যক্রম সফল করতে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন।

উল্লেখ্য, ‘আমাদের দৈহারী’ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি ২০২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিংবদন্তি শিল্পী আব্দুল জব্বারের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৯ এম


কিংবদন্তি শিল্পী আব্দুল জব্বারের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজ কিংবদন্তি শিল্পী আব্দুল জব্বারের নবম মৃত্যুবার্ষিকী। "তুমি কি দেখেছো কভু জীবনের পরাজয়, সালাম সালাম হাজার সালাম, জয় বাংলা বাংলার জয়" সহ অসংখ্য কালজয়ী গানের শিল্পী, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা আব্দুল জব্বার ২০১৭ সালের ৩০ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

আব্দুল জব্বারের কণ্ঠে গাওয়া অসংখ্য গান আজও বাঙালির হৃদয়ে গভীরভাবে গেঁথে আছে। বিশেষ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তার গাওয়া দেশাত্মবোধক গান মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও মনোবল জুগিয়েছিল।

১৯৩৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন আব্দুল জব্বার। সংগীতের প্রতি তার গভীর অনুরাগ ছোটবেলা থেকেই ছিল। পরে তিনি ওস্তাদ ওসমান গনি ও ওস্তাদ লুৎফুল হকের কাছে সংগীতে তালিম নেন।

আব্দুল জব্বার ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান বেতারে তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে সংগীতজীবন শুরু করেন। ১৯৬২ সালে চলচ্চিত্রে প্রথমবার গান করেন। এরপর ১৯৬৪ সাল থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী হিসেবে যুক্ত হন।

মুক্তিযুদ্ধে কণ্ঠে কণ্ঠে প্রেরণা

মহান মুক্তিযুদ্ধ আব্দুল জব্বারের সংগীতজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তার গাওয়া অসংখ্য গান মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছিল। তার গান শুনে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শুধু গান গেয়ে দায়িত্ব শেষ করেননি। ভারতের বিভিন্ন এলাকায় প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে কাজ করেন। কলকাতায় থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন শিবিরে ঘুরে হারমোনিয়াম বাজিয়ে গণসংগীত পরিবেশন করতেন।

গান গেয়ে পাওয়া ১২ লাখ রুপি তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তহবিলে দান করেন। ফলে মুক্তিযুদ্ধে আব্দুল জব্বারের অবদান একজন শিল্পীর গণ্ডি ছাড়িয়ে একজন সক্রিয় কণ্ঠযোদ্ধার ভূমিকায় স্মরণীয় হয়ে আছে।

সর্বকালের সেরা গানের তালিকায় তিন গান

আব্দুল জব্বারের জনপ্রিয়তার বড় প্রমাণ ২০০৬ সালে পাওয়া যায়। ওই বছরের মার্চজুড়ে বিবিসি বাংলার শ্রোতাদের ভোটে নির্বাচিত সর্বকালের সেরা ২০টি বাংলা গানের তালিকায় তার গাওয়া তিনটি গান স্থান পায়।

গানগুলো হলো—তুমি কি দেখেছো কভু জীবনের পরাজয়, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম এবং ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’।

পুরস্কার ও সম্মাননা

দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন আব্দুল জব্বার। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক, ১৯৮০ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন তিনি।

এ ছাড়া ২০১১ সালে আজীবন সম্মাননা ও জহির রায়হান চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন এই কিংবদন্তি শিল্পী।

যেভাবে শেষ হলো জীবন

জীবনের শেষ দিকে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন আব্দুল জব্বার। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে কিডনি, হৃদযন্ত্র, প্রস্টেটসহ বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে, বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ভর্তি হন।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১ আগস্ট তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

কণ্ঠে দেশপ্রেম আর গানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করা আব্দুল জব্বার চলে গেলেও তার গাওয়া গান আজও বাঙালির হৃদয়ে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরখাস্ত: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরখাস্ত: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম

উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী নো কোয়াং চোলকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

রোববার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, দেশের সামরিক নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের অংশ হিসেবে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানায়, শনিবার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সামরিক নেতৃত্বের ‘কাঠামোগত পুনর্গঠন পরিকল্পনা’ অনুমোদন করা হয়েছে।

এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ হারানোর পাশাপাশি নো কোয়াং চোল ক্ষমতাসীন দলের নেতৃত্বেও পদাবনতি ঘটেছে।

বর্তমানে তাকে দলের অস্ত্রশিল্প বিভাগের প্রথম উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে কোরিয়ান পিপলস আর্মির জেনারেল পলিটিক্যাল ব্যুরোর পরিচালক কিম সং গি নিয়োগ পেয়েছেন।

একই সময়ে, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা পাক জং চোনকে কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে এবং তাকে ক্ষমতাসীন দলের পলিটিক্যাল ব্যুরোর সদস্যও করা হয়েছে।

এছাড়া সামরিক ও দলীয় নেতৃত্বে আরও কয়েকজন কর্মকর্তার পদোন্নতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

কেসিএনএ একটি আলাদা প্রতিবেদনে জানায়, শনিবার এক অনুষ্ঠানে কিম জং উন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে অগ্রগতির জন্য বিজ্ঞানী, গবেষক ও কর্মকর্তাদের প্রশংসা করেছেন এবং তাদের রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

কেসিএনএর ভাষ্য অনুযায়ী, পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ‘নতুন যুদ্ধাস্ত্র ব্যবস্থা তৈরিতে যুগান্তকারী গুরুত্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধানে’ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তবে কী ধরনের অস্ত্রব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

কেসিএনএ প্রকাশিত একটি ছবিতে কিম জং উনকে একজন পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তির বুকে পদক পরিয়ে দিতে দেখা যায়।

দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র গবেষণা কেন্দ্র সম্প্রতি কিছু ‘বিশেষ প্রযুক্তি’ উদ্ভাবন করেছে, যা যুদ্ধ করার সক্ষমতা শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে কেসিএনএ দাবি করেছে। তবে ওই প্রযুক্তির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

কেসিএনএ জানায়, এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া তার সামরিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার ‘অনন্য উন্নয়নের পথ’ তুলে ধরেছে।

জুনের শেষ দিকে কিম জং উন নতুন একটি দূরপাল্লার একাধিক রকেট নিক্ষেপ ব্যবস্থা এবং কামানের পরীক্ষা প্রত্যক্ষ করেছিলেন।

তিন দেশের যৌথ সামরিক মহড়া

দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া শেষ হওয়ার পরপরই উত্তর কোরিয়ার নেতৃত্বে এই পরিবর্তনের ঘোষণা এসেছে।

পিয়ংইয়ং নিয়মিত এসব সামরিক মহড়াকে উত্তর কোরিয়ায় হামলার প্রস্তুতি হিসেবে নিন্দা করে আসছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছর মহড়াটি নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করার নির্দেশ দেওয়ার পর এটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

ট্রাম্প এসব সামরিক মহড়াকে উত্তর কোরিয়ার প্রতি উসকানিমূলক বলে সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে তার যুদ্ধে সমর্থন না দেওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ারও কঠোর সমালোচনা করেছেন।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনেরও প্রশংসা করেছেন। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে কিমের সঙ্গে দুবার বৈঠক করেছিলেন এবং এবার তিনি আবারও কিমের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ নিচ্ছেন। চলতি বছরেই এমন বৈঠক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে ট্রাম্পের এসব উদ্যোগের প্রতি উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত তেমন ইতিবাচক সাড়া দেখা যায়নি। দেশটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমিত পরিসরের সামরিক মহড়ারও নিন্দা করেছে।

এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন এবং উত্তর কোরিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য নথিভুক্ত করার কর্মসূচিতে অর্থায়নের পরিকল্পনারও নিন্দা জানিয়েছে পিয়ংইয়ং।

এদিকে, ওয়াশিংটন ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান আগামী ৭ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর ‘ফ্রিডম এজ’ নামে ত্রিপক্ষীয় যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে। দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপের পূর্ব ও দক্ষিণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় এ মহড়া অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির মোকাবিলা এবং এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় তিন দেশের এ বার্ষিক মহড়া একটি প্রতিরক্ষামূলক সামরিক অনুশীলন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে বন্যাকবলিত এলাকায় সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


নেপালে বন্যাকবলিত এলাকায় সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা

নেপালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে এখনও ভারী বৃষ্টির পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। এই কারণে নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠেছে। দেশের আবহাওয়া বিভাগ জানায়, অন্তত সোমবার পর্যন্ত ওই অঞ্চলে বৃষ্টির জন্য ইয়েলো এলার্ট জারি করা হয়েছে।

নেপালের আবহাওয়া বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকায় সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা কার্যকর থাকবে। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার আকস্মিক বন্যার পর থেকে ওই এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের সন্ধান এবং উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে উদ্ধারকারীরা নতুন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন।

নেপালের আবহাওয়া বিভাগের জারি করা ইয়েলো এলার্ট তাদের তিন স্তরের সতর্কবার্তার মধ্যে সর্বনিম্ন। এর উপরে রয়েছে রেড এলার্ট। ওই অঞ্চলে চলমান উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রমে বৃষ্টি বাড়তি বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৩৪, ৮১৮৬ জনকে জীবিত উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৭ এম


নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৩৪, ৮১৮৬ জনকে জীবিত উদ্ধার

নেপালে আকস্মিক বন্যার কারণে মৃতের সংখ্যা ৭৩৪ জনে পৌঁছেছে। রবিবার সংবাদমাধ্যম

 

এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানায়, আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা ৭৩৪টি মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এসব মরদেহ বন্যাকবলিত বিভিন্ন স্থান থেকে সংগৃহীত হয়েছে। চিতাওয়ানে সর্বাধিক ২৫৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

পূর্ব নাওয়ালপারাসিতে ১৮৪টি মরদেহ পাওয়া গেছে। তৃতীয় সর্বোচ্চ ৮২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পশ্চিম নাওয়ালপারাসি থেকে। গোর্খায় ৫৮টি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নুয়াকোটে এ সংখ্যা ৫২, ধাধলিংয়ে ৫০, তানাহুনে ৩৬ এবং রাসুয়া থেকে ১৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ২৪২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন অথবা চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন।

নেপাল নিউজ জানাচ্ছে, এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ১৮৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে মোট ১৯ হাজার ৮৯৫ জন নিরাপত্তা সদস্য অংশগ্রহণ করেছেন। নেপালি সেনাবাহিনী ২,৯৭৪ জনকে উদ্ধার করেছে, নেপাল পুলিশ ২,৬৯৯ জন এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ২,৫১৩ জনকে উদ্ধার করেছে। হেলিকপ্টার অভিযানের মাধ্যমে জলবিদ্যুৎ টানেল থেকে ২৭৯ জন শ্রমিক এবং ২২৭ জন বিদেশি নাগরিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। ৩৭টি ট্রাক ও ৭টি হেলিকপ্টারের মাধ্যমে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিশেষায়িত সার্জিক্যাল মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্থানীয় সরকারগুলোর মাধ্যমে নগদ সহায়তাও বিতরণ শুরু হয়েছে।

এদিকে, প্রায় তিন হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম

সিএনএন

তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

নিখোঁজদের তালিকায় সরকারি ও নিরাপত্তা বাহিনীর কিছু সদস্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%