ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২২৬৮ মামলা


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২২৬৮ মামলা

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ মোট ২২৬৮টি মামলা দায়ের করেছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এই মামলাগুলি করে।

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৬টি বাস, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ১৫টি সিএনজি ও ৩৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৪টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৫টি বাস, ১২টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ১৬টি সিএনজি ও ১১০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৮০টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১২টি বাস, ১টি ট্রাক, ২২টি কাভার্ডভ্যান, ২৪টি সিএনজিসহ মোট ৩৪২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩০টি বাস, ২৬টি ট্রাক, ২৭টি কাভার্ডভ্যান, ৩০টি সিএনজিসহ ও ১২৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৪০টি মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আজ যেসব দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ২০টি ট্রাক ও ৯৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯০টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৩৫টি বাস, ২২টি ট্রাক, ৩৭টি কাভার্ডভ্যান, ৪৯টি সিএনজি ও ১৬৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪০৩টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৩৮টি বাস, ৯টি ট্রাক, ১১টি কাভার্ডভ্যান, ৪২টি সিএনজি ও ১৮৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৩২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৩১টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ২১টি সিএনজি ও ৭৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৪৭টি মামলা হয়েছে। এছাড়াও, অভিযানের সময় মোট ৪৮৬টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ১২২টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডসে দুই ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেল বাংলালিংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডসে দুই ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেল বাংলালিংক

‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’-এ দেশের ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক দুটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার অর্জন করেছে। এই পুরস্কারের আয়োজন করেছে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ।

রাজধানী ঢাকার লেকশোর হোটেলে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বাংলালিংককে ‘এক্সটার্নাল সাপ্লাই চেইন, কোলাবরেশন অ্যান্ড পার্টনারশিপস’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন ইএসজি টেকনোলজি অ্যান্ড ডিজিটাল ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ সেলফ-রিটেইলার অ্যাপের জন্য এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

‘বাংলালিংক পাওয়ার’ প্ল্যাটফর্মটি চলতি বছরের মার্চে চালু করা হয়, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্মার্টফোনের মাধ্যমে মোবাইল রিচার্জ বিক্রি করে অতিরিক্ত আয় করতে পারেন। এখানে কোনো আগাম বিনিয়োগ ছাড়াই সেলফ-রিটেইলার হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। ডিজিটাল কেওয়াইসি যাচাই, রিয়েল-টাইম কমিশন দেখার সুবিধা এবং ডিজিটাল পুরস্কার ব্যবস্থার মাধ্যমে বিক্রয় ও আয়ের হিসাব পরিচালনার সুযোগও রয়েছে।

বাংলালিংক জানিয়েছে, ডিজিটাল বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সবার জন্য আয়ের সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্যেই এই প্ল্যাটফর্মটি চালু করা হয়েছে। বিশেষত তরুণ, নারী এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য দোকান স্থাপন ছাড়াই আয়ের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

বাংলালিংকের সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ কোনো আগাম বিনিয়োগ ছাড়াই মানুষের জন্য সহজে আয়ের সুযোগ তৈরি করছে। স্মার্টফোন ব্যবহার করে সরাসরি ব্যবসা পরিচালনার সুযোগের মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্মটি প্রচলিত খুচরা বিক্রয় ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনছে।

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ সীমিত এমন মানুষদের বৃহত্তর ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করার কাজ করছে বলেও প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।

বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ সরাসরি উপকৃত হলেই ডিজিটাল রূপান্তর অর্থবহ হয়। ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ ডিজিটাল সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আয় ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির নতুন সুযোগ তৈরি করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে কারণে নতুন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা বাড়াচ্ছে উত্তর কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


যে কারণে নতুন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা বাড়াচ্ছে উত্তর কোরিয়া

উত্তর কোরিয়া নতুন করে একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা নির্মাণ করেছে প্রধান পরমাণু কমপ্লেক্স ইয়ংবিয়নে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ জানিয়েছে, এখানে সর্বোচ্চ ২৮টি সেন্ট্রিফিউজের সারি স্থাপন করা সম্ভব। একই সময়ে, পিয়ংইয়ংয়ের নিকটবর্তী কাংসন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের সম্প্রসারিত অংশেও কাজ শুরু হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

আইএইএ-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া ধীরে ধীরে একাধিক স্থানে তার পরমাণু কর্মসূচির অবকাঠামো বৃদ্ধি করছে। ভিয়েনা ভিত্তিক এই আন্তর্জাতিক সংস্থা ২৮ আগস্টে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচির ওপর নজর রাখতে আইএইএ উপগ্রহের ছবি এবং বিভিন্ন উন্মুক্ত উৎসের তথ্য বিশ্লেষণ করেছে। এই তথ্যগুলোর মধ্যে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

২০০৯ সালের পর থেকে উত্তর কোরিয়ায় আইএইএর কোনো পরিদর্শক যেতে পারেননি। ফলে বর্তমানে দেশটির পরমাণু স্থাপনাগুলোর তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রধানত উপগ্রহের ছবি ও প্রকাশ্য তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে সংস্থাটিকে। আইএইএ ইয়ংবিয়নে একটি নতুন দ্বিতল ভবনের সন্ধান পেয়েছে। সংস্থাটির ধারণা, এটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার দ্বিতীয় স্থাপনা হতে পারে। কিম জং উন জুন মাসে ইয়ংবিয়ন পরমাণু কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছিলেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবির সঙ্গে ভবনটির নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ের উপগ্রহের ছবি মিলিয়ে আইএইএ এই ধারণা তৈরি করেছে।

আইএইএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কিম জং উনের সফরের সময় প্রকাশিত ছবিতে ভবনটির ওপরের ও নিচের দুই তলাতেই গ্যাস সেন্ট্রিফিউজের সারি দেখা গেছে। সেন্ট্রিফিউজ এমন একটি যন্ত্র, যা ইউরেনিয়ামকে আরও বেশি মাত্রায় সমৃদ্ধ করে। পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি, উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পরমাণু অস্ত্র তৈরিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

আইএইএর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ছবিতে দেখা ধরনের সর্বোচ্চ ২৮টি সেন্ট্রিফিউজের সারি নতুন ভবনটিতে স্থাপন করা সম্ভব। এর ফলে ইয়ংবিয়নে উত্তর কোরিয়ার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পিয়ংইয়ংয়ের কাছে কাংসন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রেও নতুন কার্যক্রমের ইঙ্গিত পেয়েছে আইএইএ। সংস্থাটি জানিয়েছে, কেন্দ্রটির সম্প্রসারিত অংশে জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্প্রসারিত অংশটি ২০২৪ সালে নির্মিত হয়েছিল। বর্তমানে সেখানে কার্যক্রম শুরু হওয়ার লক্ষণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আইএইএ। অর্থাৎ, উত্তর কোরিয়া একই সময়ে দেশের একাধিক পরমাণু স্থাপনায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আইএইএ বলেছে, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচিতে এসব নতুন উন্নয়ন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সোমবার আইএইএর গভর্নরস বোর্ডের কাছে দেওয়া একটি বিবৃতিতে তিনি বলেন, কাংসন ও ইয়ংবিয়নের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলোতে চলমান কার্যক্রম এবং অস্ত্র তৈরির উপযোগী পরমাণু উপাদান উৎপাদন আরও বাড়ানোর খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গ্রোসির এই বিবৃতির সঙ্গে আইএইএর বিস্তারিত প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। সূত্র:

রয়টার্স

,

বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই ব্যবহারে স্পষ্ট নীতিমালা তৈরির পরামর্শ ইউজিসি চেয়ারম্যানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই ব্যবহারে স্পষ্ট নীতিমালা তৈরির পরামর্শ ইউজিসি চেয়ারম্যানের

বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিভাবে এবং কোথায় এটি ব্যবহার করা যাবে, সেই বিষয়ে স্পষ্ট নীতিমালা তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

তিনি বুধবার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত ‘অ্যাকাডেমিক অ্যান্ড রিসার্চ ইন্টিগ্রিটি কনক্লেভ ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ পরামর্শ প্রদান করেন।

এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য ‘এআই ডিসক্লোজার স্টেটমেন্ট’ চালুর প্রস্তাব দিয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, নীতিমালায় উল্লেখ থাকতে হবে কোন এআই টুল কী কাজে ব্যবহার করা হয়েছে এবং এআই থেকে পাওয়া তথ্য কীভাবে যাচাই করা হয়েছে।

এআইয়ের যুগে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি শিক্ষার্থীর নিজস্ব শেখা, চিন্তা ও কাজের প্রক্রিয়া মূল্যায়নের জন্য এআই শনাক্তকারী সফটওয়্যারের ওপর নির্ভর না করার পরামর্শ দেন।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ মৌখিকভাবে কাজের ব্যাখ্যা নেওয়া, গবেষণার খসড়া ও নথি সংরক্ষণ, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ এবং বাস্তব সমস্যা সমাধানের মতো পদ্ধতি চালুরও পরামর্শ দেন।

এআই ও অ্যাকাডেমিক অসততা মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য চারটি পদক্ষেপের প্রস্তাবও তিনি দেন। এগুলো হলো—এআই ব্যবহারে স্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, পদোন্নতিতে গবেষণার সংখ্যার পরিবর্তে মানকে গুরুত্ব দেওয়া, গবেষণার সততা ও যথাযথ উদ্ধৃতি বিষয়ে বাধ্যতামূলক কোর্স চালু এবং গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি ও এআই-সহায়তা শনাক্তে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো।

পদোন্নতিতে গবেষণার মানকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পাঁচটি নিম্নমানের গবেষণাপত্রের চেয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মানসম্মত গবেষণাপত্র বেশি মূল্যবান। তিনি মন্তব্য করেন, শুধুমাত্র প্রকাশনার সংখ্যা বাড়ানোর প্রবণতা থেকে ‘গবেষণা প্রকাশ কর, নইলে পিছিয়ে পড়বে’ সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে।

এই প্রবণতার সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ নিম্নমানের বা প্রিডেটরি জার্নালে গবেষণা প্রকাশ করছেন এবং এআই ব্যবহার করে ভুয়া তথ্য-উপাত্ত তৈরি করছেন উল্লেখ করে তিনি এসব বন্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্যকর নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

গবেষণার সততা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানিয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বিষয় যাই হোক, স্নাতক হওয়ার আগে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে গবেষণার সততা ও যথাযথ উদ্ধৃতি বিষয়ে একটি বাধ্যতামূলক কোর্স করতে হবে।

একাডেমিক ও গবেষণার সততা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি অভিন্ন কাঠামো তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি বলেন। এতে চৌর্যবৃত্তি, লেখকত্ব, তথ্য ব্যবস্থাপনা, নৈতিক অনুমোদন, স্বার্থের সংঘাত, গবেষণা তত্ত্বাবধান এবং এআইয়ের দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, এআই নিষিদ্ধ করা সম্ভব নয়। বরং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রযুক্তিটি দায়িত্বশীল ও নৈতিকভাবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এআই শিক্ষা ও গবেষণার কাজ দ্রুত করতে পারে, তবে এটি ভুল তথ্য ও সূত্র দিতে এবং পক্ষপাত ছড়াতে পারে।

তিনি বলেন, ‘লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল কোনো উত্তরের দায় নিতে পারে না। তাই এর মাধ্যমে তৈরি ফলাফলের দায়িত্ব আমাদেরই।’

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, প্রযুক্তি মানুষকে আরও বুদ্ধিমান করবে, অলস নয়। বাংলাদেশকে বিশ্বমানের গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত করতে হলে গবেষণার সততা ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য রাশেদা কে চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ এফ এম ইউসুফ হায়দার, টার্নিটিনের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক চৈতালি মিত্র এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী বক্তব্য দেন। এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলফাডাঙ্গায় শয়তানের নিশ্বাসে’অচেতন করে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ পি.এম


আলফাডাঙ্গায় শয়তানের নিশ্বাসে’অচেতন করে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের অভিযোগ

 

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় স্বর্ণের বার দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কথিত ‘শয়তানের নিশ্বাস’ প্রয়োগ করে এক গৃহবধূর কাছ থেকে প্রায় ৭ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতারণার শিকার হয়ে ওই নারী নিজের পরিহিত স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও লকেটসহ প্রায় ১ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার এবং নগদ ২০০ টাকা হারিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড ও গোপালপুর রোডের দীপক স্বর্ণকারের বাড়ির সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মরিয়ম খানম (২৬) আলফাডাঙ্গা পৌরসভার বাঁকাইল গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে এবং উপজেলার পানাইল গ্রামের আমিনুর রহমানের স্ত্রী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মরিয়মের ছেলে গোলাম রাব্বি আলফাডাঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। দুপুরে স্কুল ছুটি শেষে ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে মরিয়ম পানাইল গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে বিদ্যালয়ের সামনে থেকে গোপালপুরগামী একটি ইজিবাইকে ওঠেন।
ইজিবাইকটি পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে যাত্রীবেশে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি তাতে ওঠেন। পরে ইজিবাইকটি গোপালপুর রোডে দীপক স্বর্ণকারের বাড়ির সামনে পৌঁছালে ওই ব্যক্তি রাস্তার ওপর একটি ছোট ব্যাগ পড়ে থাকার কথা জানান। এরপর ব্যাগটি হাতে নিয়ে মরিয়মকে দেখানো হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যাগের ভেতরে বোনের বিয়ের জন্য ৪ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের বার এবং স্বর্ণকারের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি রয়েছে বলে তাকে জানানো হয়। চিঠিতে ওই স্বর্ণের বারের মূল্য ৬ লাখ টাকা উল্লেখ রয়েছে বলেও তাকে বলা হয়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিষয়টি দেখিয়ে তাকে নানা ধরনের প্রলোভন ও কথাবার্তায় ফাঁসানো হয়। একপর্যায়ে কথিত ‘শয়তানের নিশ্বাস’ বা কোনো ধরনের গন্ধযুক্ত পদার্থের প্রভাবে তিনি স্বাভাবিক বোধশক্তি হারিয়ে ফেলেন। পরে নিজের কাছে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা প্রতারকদের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মরিয়মের অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর গলায় থাকা প্রায় ৪ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, প্রায় ৩ আনা ওজনের কানের দুল ও লকেটসহ মোট প্রায় ৭ আনা স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় প্রতারকরা। এসব স্বর্ণালংকারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা। একই সঙ্গে তাঁর ব্যাগে থাকা নগদ ২০০ টাকাও নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে বাঁকাইল কামারবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে প্রতারকরা মরিয়মকে অন্য একটি ইজিবাইকে তুলে দিয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়। পরবর্তীতে তাঁর স্বাভাবিক জ্ঞান ফিরলে স্বর্ণালংকার ও টাকা না থাকার বিষয়টি বুঝতে পারেন তিনি।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মরিয়ম খানম আলফাডাঙ্গা থানায় অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সোহেল সারোয়ার বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%