ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুয়েটকে শিক্ষার্থীবান্ধব ও গবেষণায় দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে : ভিসি


কুয়েটকে শিক্ষার্থীবান্ধব ও গবেষণায় দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে : ভিসি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)-এ ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে আয়োজিত 'ওরিয়েন্টেশন-২০২৬' নামের অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল লাইব্রেরি কার্ড ও কুয়েট ই-মেইল আইডি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ।

এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) প্রফেসর ড. মো. হাসান আলী। প্রধান অতিথি বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কুয়েটকে আমরা একটি শিক্ষার্থীবান্ধব, গবেষণাকেন্দ্রিক এবং আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে কাজ করছি। শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।'

আরও পড়ুন: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি নিরাপত্তায় মাইলফলক: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব

তিনি আরও বলেন, 'কুয়েটকে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। তোমাদের অর্জিত জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবন দেশের উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।'

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিআইটি, খুলনার সাবেক পরিচালক প্রফেসর এম. এ. হান্নান, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. খন্দকার মাহবুব হাসান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ, সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান ভূঞা।

এই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান ভূঞা। এছাড়া বক্তব্য দেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. খন্দকার মাহবুব হাসান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ এবং সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ। বক্তারা নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে কুয়েটের শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ প্রফেসর এম. এ. হান্নানের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর দফতরে বিএমইউর ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব

পরে ভাইস-চ্যান্সেলর তিনজন নবীন শিক্ষার্থীর হাতে ডিজিটাল লাইব্রেরি কার্ড ও কুয়েট ই-মেইল আইডি প্রদান করে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। নতুন এ ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি ইউনিক আইডি থাকবে, যার মাধ্যমে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ই-মেইল, একাডেমিক নিবন্ধন, বিভিন্ন ফি ও অন্যান্য পেমেন্ট, হল ব্যবস্থাপনা, লাইব্রেরি সেবা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম একক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে পারবে।

নবীন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অনুভূতি প্রকাশ করেন আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগের শিক্ষার্থী আফিফ আদনান, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী প্রাঞ্জল ধর এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সাইয়ারা ইসলাম নিপুন। তারা কুয়েটে অধ্যয়নের সুযোগ পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং দেশের উন্নয়ন ও কল্যাণে নিজেদের দক্ষ প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা, নবীন শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন মানবতার অসাধারণ দৃষ্টান্ত: ডা. জুবাইদা রহমান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হৃদরোগে মৃত্যু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


হৃদরোগে মৃত্যু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

হৃদরোগে মৃত্যু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে প্রতি বছর নতুন করে প্রায় ৯ লাখ ৯৩ হাজার মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রতিদিন শতাধিক হৃদরোগে আক্রান্ত রোগী মারা যাচ্ছেন। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধু চিকিৎসা নয়, হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।’

আজ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়ের রোগীকল্যাণ সমিতি আয়োজিত জন্মগত হৃদরোগীদের আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

জাহিদ হোসেন বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শের সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী এ দেশের অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশে ‘সকলের জন্য মানবিক বাংলাদেশ’ গড়তে আমরা সবাই মিলিত হয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে ‘করবো কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয়ে আমরা দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

জাহিদ হাসেন জানিয়ে দেন, জনগণের কাছে দেওয়া বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পাশাপাশি জনসচেতনতা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ত্যাগ, লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করা হচ্ছে।

নারী ও শিশু হৃদরোগীদের জন্য বিশেষ সহায়তা প্যাকেজ চালু করা হয়েছে। গত এক বছরে জটিল রোগীদের জন্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে এবং এই বাজেটে তা ৬০০ কোটি করা হচ্ছে বিভিন্ন জটিল রোগীসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের জন্য।

তিনি বলেন, পয়সার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাবে, পয়সার জন্য শিক্ষা বন্ধ হয়ে যাবে এটা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বাস করেন না। প্রতিবন্ধী, বয়স্ক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হচ্ছে, যাতে কেউ চিকিৎসার অভাবে দুর্ভোগে না পড়ে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য খাতকে সম্পূর্ণ ঢেলে সাজাচ্ছে। হৃদরোগ চিকিৎসাকে আধুনিক ও সুলভ করার পাশাপাশি হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, দেশে প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮০০ মানুষ হৃদরোগ ও সংশ্লিষ্ট কারণে মারা যায়। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটকে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে সুসজ্জিত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিয়ত গাইড করছেন, যাতে দেশের অবহেলিত প্রতিটি মানুষ উপকৃত হয়, আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি।

হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সারাদেশে ব্যাপক ক্যাম্পেইন চালানো হচ্ছে। গ্রামে এবং গঞ্জে স্বাস্থ্য শিক্ষা, নিয়মিত স্ক্রিনিং ক্যাম্প, ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক সক্রিয়তা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি জন্মগত হৃদরোগী শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরো বেশি সংখ্যক রোগীকে এই সহায়তার আওতায় আনা হবে এবং সারাদেশে হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্রের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হবে।

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ১০০ জন জন্মগত হৃদরোগীর মাঝে ৫০ হাজার টাকা করে প্রদান করেন।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে গ্রেফতার ৩ মাদক কারবারী, জব্দ হলো বিপুল পরিমান ঊঝশঁভ ও ইয়াবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী রাজশাহী

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


রাজশাহীতে গ্রেফতার ৩ মাদক কারবারী, জব্দ হলো বিপুল পরিমান ঊঝশঁভ ও ইয়াবা

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিপুল পরিমাণ এসকাফ সিরাপ সহ তিনজন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (২৪ জুন) রাত পৌনে ১২টার দিকে গোদাগাড়ী থানাধীন সারোইল গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেটকারের ভিতর থেকে ৪৫০ বোতল ৬৮ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো: মোঃ মাহাবুব আলম (২৭), সে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার বহুলাবাড়ি কানসাট গ্রামের মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে এবং মোঃ কাওসার আলী (২১), সে একই জেলার শিবগঞ্জ থানার গুয়াবাড়ি চাঁদপুর গ্রামের লাইসেন আলীর ছেলে।

বৃহস্পতিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি জানান, বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ জানতে পারেন, (ঢাকা মেট্রো-গ-১৭-১২৪৭) নম্বরের প্রাইভেটকারে বিপুল পরিমাণ মাদক নিয়ে যাচ্ছে। এর ভিত্তিতে বর্ণীত প্রাইভেটকারটি থামিয়ে তল্লাশী চালিয়ে পেছনের ডিকিতে থাকা তিনটি বাদামি রঙের কার্টনের ভিতর থেকে ৪৫০ বোতল এসকাফ সিরাপ জব্দ করা হয়। এ সময় প্রাইভেটকার জব্দ করাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেফতার করা হয়।

একই দিনে রাজশাহীর বাঘা থানার দক্ষিণ গাওপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযানে মোঃ শাকিব হাসান নামে এক যুবককে ৬৮ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সোহান, বুদু, শিমুল, পলাশ, সাগর ও রাসেল নামে ৬ জন মাদক কারবারী পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে গ্রেফতার ও পলাতক মাদককারবারীদের বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী ও বাঘা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান জেলা পুলিশের মুখপাত্র।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পবায় বিপুল পরিমাণ এ্যালকোহল ও ট্যাপেন্টাডলসহ দুইজন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী রাজশাহী

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


পবায় বিপুল পরিমাণ এ্যালকোহল ও ট্যাপেন্টাডলসহ দুইজন গ্রেফতার

রাজশাহী নগরীতে বিপুল পরিমাণ এ্যালকোহল এবং ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পবা থানার দাদপুর পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৮০ বোতল এ্যালকোহল এবং ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।

তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মোঃ আলাউদ্দিনের স্ত্রী মোসাঃ নাসিমা বিবি পালিয়ে গেছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো: নগরীর পবা থানার দাদপুর পূর্বপাড়া এলাকার মোঃ আলাউদ্দিনের ছেলে মোঃ নাসির আলী (২৪) এবং একই এলাকার মোঃ আসাদুল আলীর ছেলে মোঃ আল মামুন (২৬)।

বুধবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান।

তিনি জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পরের সহযোগিতায় মাদক কারবার পরিচালনা করে আসছিল।

পুলিশের তদন্তে পলাতক নাসিমা বিবির সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে পবা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের এবং পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় নাকাল বরিশাল নগরী, পরিকল্পনাহীন উন্নয়ন ও খাল-পুকুর ভরাটকে দায়ী করছেন নগরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাছুদুর রহমান আসলাম

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় নাকাল বরিশাল নগরী, পরিকল্পনাহীন উন্নয়ন ও খাল-পুকুর ভরাটকে দায়ী করছেন নগরবাসী

সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার নগরীতে পরিণত হচ্ছে বরিশাল। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই কালীবাড়ি রোড, ভাটিখানা, কাউনিয়া জানুকী সিংহ রোড, বগুড়া রোড, সদর রোড, বটতলাসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে পথচারী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী এবং ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, যত্রতত্র ভবন নির্মাণ এবং বছরের পর বছর ধরে খাল, পুকুর ও জলাশয় ভরাটের কারণে বরিশাল নগরীর স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এক সময় নগরীর বিভিন্ন খাল, পুকুর ও জলাশয় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও বর্তমানে সেগুলোর অনেকগুলোই দখল ও ভরাট হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে দীর্ঘ সময় স্থায়ী হচ্ছে।

বিশেষ করে নগরীর বটতলা, বগুড়া রোড, ভাটিখানা ও কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন। বৃষ্টির পর সড়কে জমে থাকা পানি নামতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় লাগছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

বটতলা মার্কেটের ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বলেন, অল্প বৃষ্টি হলেই বটতলা এলাকার মুনসুর কোয়ারটা থেকে চৌমাথা পর্যন্ত সড়কে ব্যাপক পানি জমে যায়। এই পানি নামতে অনেক সময় লাগে। ফলে ক্রেতারা দোকানে আসতে পারেন না এবং আমাদের ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়।

নগরীর বগুড়া রোড এলাকার একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক জানান, নগরীতে দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা নেই বলেই সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। তখন আমাদের পানির মধ্য দিয়েই চলাচল করতে হয়। জলাবদ্ধতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ক্রেতা সমাগমও কমে যায়।

পরিবেশবিদ ও নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, নগরীর প্রাকৃতিক জলাধার ও খালগুলো সংরক্ষণ না করলে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তারা দ্রুত খাল পুনঃখনন, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নগরবাসীর দাবি, বরিশালকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে হলে খাল-পুকুর রক্ষা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং সমন্বিত নগর পরিকল্পনার মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় নগরবাসীর দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%