০৪:১৫ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্যে নতুন মোড় এসেছে। বান্ধবী জেরিকা তাসনিম দিশা ও বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের রিমান্ডে দেওয়া বক্তব্য, দুই পরিবারের বর্ণনা এবং তদন্তে পাওয়া তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে নতুন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রেমের সম্পর্ক, মাদক সেবন, ইয়াবা লেনদেন এবং মৃত্যুর আগের রাতের ঘটনাপ্রবাহ—এই সব মিলিয়ে তদন্ত ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। বিশেষ করে উত্তরার ‘নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ তাহসিফ, গ্রেপ্তার দীপ ও দিশার একসঙ্গে অবস্থান, তাহসিফ-দীপের টঙ্গীর মাজার বস্তিতে যাত্রা এবং সেখান থেকে দীপের একা ফিরে আসার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
এই মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার দিশা ও দীপকে চার দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দ্বিতীয় দফায় দীপকে নতুন করে আরো তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।
তদন্তকারীরা তাহসিফ, দীপ ও দিশার ফোনের কললিস্ট এবং বিভিন্ন ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করছেন, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিমান্ডে দুজনের বক্তব্যও মিলিয়ে দেখছেন। বিশেষ করে, দিশাকে বাসায় নামিয়ে দেওয়ার পর তাহসিফ ও দীপের টঙ্গী যাত্রা, মাজার বস্তিতে যাওয়ার কারণ এবং সেখানে কী ঘটেছিল, তা নিখুঁতভাবে জানার চেষ্টা করছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, দিশা বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য দিলেও হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে কিছু জানে না বলে রিমান্ডে দাবি করছে। অন্যদিকে, দীপের বক্তব্যেও কিছু অসংলগ্নতা দেখা যাচ্ছে।
এছাড়া, তাহসিফের সঙ্গে দিশার সম্পর্ক নিয়ে দুই পরিবার পরস্পরবিরোধী তথ্য দিয়েছে। তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিম আমার দেশকে বলেন, "দিশাকে তার সন্দেহজনক মনে হতো। দিশা তাহসিফের পেছনে ঘুরঘুর করত। নিজেই প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল। তাহসিফ তাকে খুব বেশি পাত্তা দিত না। তারপরও দিশা তাকে বিরক্ত করত।"
অন্যদিকে, দিশার পরিবার বলছে, মেয়েটি স্বভাবগতভাবে চুপচাপ। তার ভাই বোন ও কাজিনদের মধ্যে ভদ্র, শান্ত হিসেবে পরিচিত ছিল। পরিবার ও আত্মীয়দের সঙ্গে খুব বেশি খোলামেলা কথা বলত না। ফলে তাহসিফের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি প্রথমে তারা বুঝতে পারেননি।
একপর্যায়ে দিশার আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করেন স্বজনরা। বাসা থেকে বের হওয়ার জন্য নানা অজুহাত দিতে থাকে দিশা। কখনো শিক্ষার্থী পড়ানোর কথা বলত। কখনো ছাদে যাওয়ার কথা বলে বেরিয়ে যেত। প্রায় নিয়মিত দিনে কিংবা রাতে তাহসিফের সঙ্গে দেখা করতে যেত। অনেক সময় রাতে দেরিতে বাসায় ফিরত।
বিষয়টি জানতে পারার পর পরিবার তাকে আটকানোর চেষ্টা করে। স্বজনদের দাবি, তাহসিফের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে দিশাকে বাসায় আটকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। গেট তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে। মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। একবার তার মা রাগ করে সিম ভেঙে ফেলেন। কিন্তু তাহসিফ ফোন করলে দিশা চাবি চুরি করে বেরিয়ে যেত।
নৌ পুলিশের মিডিয়া শাখার পুলিশ সুপার মাসুমা আক্তার আমার দেশকে বলেন, "দিশা ও দীপের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।"
স্থানীয় ও দুই পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের ভেতরে রুয়াপ শপিং কমপ্লেক্স ও রেস্টুরেন্ট এলাকায় তাহসিফ-দিশার নিয়মিত দেখা হতো। সেখানে একটি সোসাইটি মাঠও রয়েছে। দুজন সেখানে হাঁটতেন, গল্প করতেন। ‘সিপি ফাইভ স্টার স্ন্যাকস’ নামের খাবারের দোকানেও প্রায়ই তাদের আড্ডা ছিল।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দিশা রিমান্ডে জানায়, সে ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থীদের পড়াত। একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে চাকরিও করত। প্রায় এক মাস আগে তাহসিফের সঙ্গে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর তার চাকরি চলে যায়।
তদন্ত সূত্র বলছে, তাহসিফের বাসায়ও কয়েকবার গিয়েছে দিশা। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল। তাহসিফের মা ও পরিবারের অন্যরা তাকে চিনতেন। উভয় পরিবার একে অপরকে চিনত।
বারে দিশা, মদ ঢালছিলেন দীপ
তদন্ত সূত্র বলছে, ২৭ অক্টোবর রাতে তাহসিফের সঙ্গে উত্তরার নেস্ট বারে গিয়েছিল দিশা। দুজনে সেখানে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে পৃথক মোটরসাইকেলে দীপও পৌঁছান। তিনজন একসঙ্গে রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করেন। বারে প্রায় দেড়ঘণ্টা অবস্থান করেন তারা। রাত ১১টা ৫১ মিনিটে বেরিয়ে যান।
রিমান্ডে দিশা জানিয়েছে, বারে দীপ বারবার তাহসিফকে মদ ঢেলে দিচ্ছিল। তবে দীপ নিজে মদ পান করছিল না। দিশার বক্তব্য অনুযায়ী, টঙ্গীতে গিয়ে তাহসিফ তাকে হেরোইন সেবনের প্রস্তাব দেয়। দিশা তাতে রাজি হয়নি বরং তাহসিফকে নিষেধ করে।
দিশা আরো জানায়, পরিচয়ের পর তাহসিফ তাকে দুইবার টঙ্গীর মাজার বস্তিতে নিয়ে যায়। সেখানে হেরোইন সেবন করত তাহসিফ, সঙ্গে দীপও থাকত নিয়মিত।
ইয়াবা লেনদেনের তথ্য
অন্যদিকে, তাহসিফের মৃত্যুর তদন্তে ‘আশা’ নামের আরো এক তরুণীর বিষয়টিও সামনে এসেছে। রিমান্ডে দিশা তদন্তকারীদের বলেছে, আশা নামের এক নারীর সঙ্গে তাহসিফের ২০০ পিস ইয়াবা লেনদেনের কথা চলছিল। তবে এর চেয়ে আর বেশি কিছু জানে না।
দিশা আরো জানায়, ডায়না নামে আরেক তরুণী ও তার স্বামী রাসেলের উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরে ট্রাভেল এজেন্সি রয়েছে। নিহত তাহসিফ, তার জুনিয়র বন্ধু দীপ, আশা এবং ডায়না ও তার স্বামী একই সামাজিক পরিমণ্ডলে চলাফেরা করতেন। সবাই মিলে আড্ডা দিতেন। মদ পান করতেন। কখনো কখনো ট্রাভেল এজেন্সিতেও তাদের আড্ডা বসত। তাহসিফের সঙ্গে এসব মানুষের যোগাযোগের সূত্র ধরে তাদের চিনত দিশা।
জানা গেছে, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন হলে অন্য যে কাউকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকবে পুলিশ। আপাতত রাসেল, ডায়না ও আশাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে তদন্ত সূত্র জানিয়েছে।
সেই রাত ঘিরে যত প্রশ্ন
তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় এখন কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে। তাহলো- দিশাকে বাসায় নামিয়ে দেওয়ার পর তাহসিফ ও দীপ কেন টঙ্গীর মাজার বস্তিতে গেলেন? সেখানে মাদক সেবনের উদ্দেশ্যেই কি তাদের যাত্রা ছিল, নাকি অন্য কোনো কারণ ছিল? তাহসিফের মোটরসাইকেল মাজার বস্তিতে ফেলে রাখা হলো কেন? দীপের বক্তব্য ও দিশার বক্তব্যের মধ্যে কতটা মিল রয়েছে।
এছাড়া, আশার সঙ্গে ইয়াবা লেনদেনের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না? তাহসিফের মৃত্যুর আগে তার সঙ্গে কার কার যোগাযোগ হয়েছিল? এই হত্যাকাণ্ডে ওই দম্পতি ও আশা নামের ওই নারীর যোগসূত্র রয়েছে কি না? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।
সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে তাহসিফের শেষ রাতের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের চেষ্টা চলছে। টঙ্গীর মাজার বস্তিতে প্রায় দুই ঘণ্টার অবস্থান এখনো রহস্যের কেন্দ্রে।
গত ২৮ অক্টোবর বিকালে উত্তরার রাজাবাড়ি ঘাট এলাকায় তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তার বাবা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের মেধাবী শিক্ষার্থী তামযীদ তাহসীন রেজা (তামাম) এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। তিনি চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১২২২ নম্বর পেয়েছেন। তামাম তার ফলাফলে বেশ উচ্ছ্বসিত। তার ভবিষ্যতে প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে।
তামামের দাদা ও নানার বাড়ি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর (পাছপাড়া) গ্রামে অবস্থিত। তিনি চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ রেজাউল করিম এবং শামছুন্নাহার বেগম শেফালী দম্পতির ছোট ছেলে। তামামের বড় ভাই তানযীম তাহমীদ রেজা চুয়েটের ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিনে পিএইচডি করছেন।
তামামের অর্জনের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি গণিত অলিম্পিয়াড, বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড এবং কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াডে আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে একাধিকবার পুরস্কার অর্জন করেছেন। ২০১৮ সালে চুয়েট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেন। এরপর থেকে প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় তার সাফল্যের ধারা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় তিনি ১২৪৭ নম্বর পেয়ে জিপিএ ৫ অর্জন করেন।
তামামের বাবা অধ্যাপক মোহাম্মদ রেজাউল করিম "আমার দেশকে" বলেন, ছেলের এ সাফল্যে তিনি গর্বিত। তিনি ছেলের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য সবার দোয়া কামনা করেন। মা শামছুন্নাহার বেগম জানান, তামাম অনেক সময় সন্ধ্যার পর ঘুমিয়ে রাত ১২টার দিকে উঠে পড়াশোনা করত। তাকে উৎসাহ দিতে তিনি বহু রাত ছেলের পড়ার টেবিলের পাশে বসে কাটিয়েছেন। বাবা-মা দুজনই ছেলের জন্য সবার দোয়া চেয়েছেন।
সফলতার বিষয়ে তামাম বলেন, তিনি কোনো বাঁধাধরা নিয়মে পড়াশোনা করেননি। প্রয়োজন অনুযায়ী বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি নিয়েছেন। এ সাফল্যের পেছনে কলেজের শিক্ষক এবং বাবা-মায়ের অবদানের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
তামাম অনুজদের উদ্দেশে পরামর্শ দেন, শুধু সহায়ক বই, কোচিং বা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নোটের ওপর নির্ভর না করে মূল পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়তে হবে। নিয়মিত ক্লাস করে নিজের নোট তৈরি, পরীক্ষার আগে সেই নোট ও মূল বই পুনরাবৃত্তি এবং মৌলিক ধারণা পরিষ্কার রাখা জরুরি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সিলেবাস শেষ করার পর যে বিষয় কঠিন মনে হবে, সেটি বারবার অনুশীলন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের ফলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, এ ঘটনার ফলে উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পৌর ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. নাফিসকে আটক করেছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন, পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার মিজান মাতুব্বরের ছেলে জিহাদ মাতুব্বর, পিরোজপুর সদর উপজেলার জুজখোলা গ্রামের মাহিদুলের ছেলে নাইম, মাছিমপুর গ্রামের শান, কালিবাড়ি এলাকার মিঠুর ছেলে তাশফি, এবং শিকারপুর গ্রামের আউয়ালের ছেলে নিরব।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৭ টার দিকে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের একটি পক্ষ অপর পক্ষের উপর হামলা চালায়। এই হামলার ফলে উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হয়। গুরুতর আহত জিহাদকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুর পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান শাওন (বাবু) জানান, ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নাফিস আহমেদ সিয়াম নামে একজন সদস্য রয়েছে। তিনি বলেন, "ওরা ২০-২৫ জন সঙ্গবদ্ধভাবে পুরাতন বাস স্ট্যান্ডে এসে কুপিয়ে যখম করে। দুই পক্ষেরই আহত আছে। রাজনৈতিক গ্যাঞ্জামের কারণে হইছে। গ্যাঞ্জামের সূত্রপাত ধইরা নাফিজের নেতৃত্বে এ হামলা হইছে।"
এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন কুমার বলেন, "আমি ঢাকায় অবস্থান করছি। বিষয়টি আমি শুনেছি। যে ছেলেটির নাম এখানে এসেছে সিয়াম, তাকে আগেই ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এরপরেও যদি এ ঘটনায় ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।"
পিরোজপুর সদর থানার ওসি মো: শরিফুল ইসলাম বলেন, "একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত আছে। এ ঘটনা একজনকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বুধবার বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিক, ক্রীড়া সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। তিনি ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সাদেক হোসেন খোকা ১৯৫২ সালের ১২ মে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে পরাজিত করে তিনি টক অব দ্য কান্ট্রিতে চলে আসেন। নির্বাচিত হয়ে তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাদেক হোসেন খোকা পুনরায় নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০০১ সালে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। পরে ২০০২ সালের ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। সাদেক হোসেন খোকা টানা ১০ বছর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৪ সালের ১৪ মে ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য তিনি সপরিবারে নিউইয়র্ক যান। এরপর থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে একটি বাসায় অবস্থান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ