ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দুই দিনে ডিএমপির ৩২০৬ মামলা


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দুই দিনে ডিএমপির ৩২০৬ মামলা

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে গত দুই দিনে ৩২০৬টি মামলা দায়ের করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার, অর্থাৎ ৩ সেপ্টেম্বর ও ৪ সেপ্টেম্বর, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এই মামলাগুলো করে।

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৯টি বাস, ১০টি কাভার্ডভ্যান, ১৬টি সিএনজি এবং ৭১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২১৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৪টি বাস, ১৪টি ট্রাক, ২টি কাভার্ডভ্যান, ১৩টি সিএনজি এবং ১১৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২২৮টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২৯টি বাস, ২টি ট্রাক এবং ২৬৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫১২টি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৫০টি বাস, ৪১টি ট্রাক, ৩১টি কাভার্ডভ্যান, ৫০টি সিএনজি এবং ১৫৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৪৫টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৩টি বাস, ১টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ২৪টি সিএনজি এবং ১০৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৪৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ২৫টি বাস, ২২টি ট্রাক, ৪৭টি কাভার্ডভ্যান, ৭২টি সিএনজি এবং ৩৫৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬৬৯টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৫২টি বাস, ১৯টি ট্রাক, ২৩টি কাভার্ডভ্যান, ৫৪টি সিএনজি এবং ২৬১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৩৯টি বাস, ৬টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ২৯টি সিএনজি এবং ৭৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৭৩টি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া, অভিযানের সময় মোট ৮৭৮টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৫০১টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেলা পরিষদ মার্কেটে দোকান বরাদ্দ নিয়ে বাণিজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


জেলা পরিষদ মার্কেটে দোকান বরাদ্দ নিয়ে বাণিজ্য

 

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন মার্কেট দখল ও চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ একটি চক্রের বিরুদ্ধে উঠেছে। সরকারি সম্পত্তি ব্যক্তি মালিকানার মতো ব্যবহার, ভাড়া দেওয়া, হাতবদল ও স্ট্যাম্পের মাধ্যমে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে এই চক্রের বিরুদ্ধে।

 

অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, জেলা পরিষদের নীতিমালার শর্ত ভঙ্গ করে দোকানগুলো অন্যের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে, স্ট্যাম্পে চুক্তি করে পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকায় দখলস্বত্ব অন্যের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে, দোকানগুলোর মালিকানা একাধিক হাত বদল হচ্ছে এবং স্থানীয় প্রভাবশালীরা নামে-বেনামে দখলে নিচ্ছেন। এর ফলে প্রকৃত ইজারাদার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে জেলা পরিষদের ব্যবস্থাপনায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে রামগতি পৌর আলেকজান্ডার বাজারে শতবর্ষী পুকুর দখল করে দোতলা ও টিনশেডের দুটি মার্কেট নির্মাণ করা হয়। পাকা ভবনে ৫৩টি ও টিনশেড মার্কেটে ৩২টি—মোট ৮৫টি দোকান নির্মাণ করা হয়েছে।

 

২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে নির্মাণকাজ শেষ হয়। তবে পরিষদের নীতিমালা উপেক্ষা করে দলীয় বিবেচনায় মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে পছন্দের লোকদের মধ্যে দোকানগুলো বণ্টন করা হয়েছে। এক ব্যক্তির নামে একাধিক দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, আবার একই পরিবারের স্বামী, স্ত্রী, ভাই-বোন ও ছেলের নামেও দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, দোকান বরাদ্দের আগে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দরপত্র আহ্বান করতে হবে।

 

পরে যাচাই-বাচাই করে প্রকৃত অসহায় ও গরিব ব্যবসায়ীদের মাসিক এক হাজার ২৫০ টাকা ইজারা ফি দিয়ে এক বছরের জন্য (একসনা) বন্দোবস্ত দিতে হবে। প্রতিবছর বন্দোবস্ত নবায়ন করতে হবে।

তবে এই নীতিমালার তোয়াক্কা না করে রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রভাবশালীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে তারা ওই দোকান বেশি দামে অন্যের কাছে বিক্রি করেছেন এবং একেকটি দোকান একাধিকবার বিক্রি করা হয়েছে।

জেলা পরিষদের একাধিক সূত্র ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মার্কেট নির্মাণ ও দোকান বরাদ্দের কাজে সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন জেলা পরিষদের তখনকার সদস্য ও রামগতির আলেকজান্ডার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আমজাদ হোসেন।

 

তিনি মার্কেট নির্মাণ ও দোকান বরাদ্দের নামে কয়েক কোটি টাকার বাণিজ্য করেছেন। বর্তমানে কয়েকটি দোকানের ভাড়া নিচ্ছেন আমজাদের স্ত্রী নাজনে আরা রিতা।

সরেজমিন মার্কেট পরিদর্শনকালে দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীরা এসব অভিযোগ করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আমজাদ হোসেনকে ঘিরে জেলা পরিষদের দোকান দখল, নামে-বেনামে বরাদ্দ, ভুয়া কাগজপত্র তৈরি, স্ট্যাম্পের মাধ্যমে দোকান হস্তান্তর ও তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রির অভিযোগ এখন সবার মুখে মুখে। মার্কেটের ৮৫ দোকানের মধ্যে প্রায় ৮০টি দোকান হাতবদল হয়ে একাধিকবার বিক্রি হয়েছে। একজনের দখলে একাধিক দোকান, একজনের দোকান অন্যজনে ভাড়া তোলারও অভিযোগ রয়েছে। অর্থাৎ মার্কেটটি আর জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে নেই। এটি দখলবাজদের কবজায় চলে গেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।

এদিকে, জেলা পরিষদ কার্যালয়ে মার্কেট নির্মাণ সংক্রান্ত ব্যয়ের কাগজপত্র থাকলেও দোকান ইজারা (বরাদ্দ) নেওয়া ব্যবসায়ীদের কোনো তালিকা সংরক্ষিত নেই। ফলে প্রকৃত বরাদ্দ পাওয়াদের নামের তালিকাও জানা যায়নি। এ ছাড়া ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে জেলা পরিষদের ফান্ডে মার্কেট থেকে কোনো রাজস্ব জমা হয়নি বলে জানা গেছে।

আলেকজান্ডার বাজারের অন্তত ১০ জন ব্যবসায়ী জানান, জেলা পরিষদের নীতিমালা উপেক্ষা করে আমজাদ হোসেন স্ট্যাম্পের মাধ্যমে পজিশনভেদে একেকটি দোকান থেকে পাঁচ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা আদায় করেন। জেলা পরিষদের রশিদ ছাড়াই নগদে টাকা নেন আমজাদ। মার্কেটের ৮৫ দোকান থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।

তবে আমজাদের দাবি, এসব টাকা তিনি মার্কেট নির্মাণে ব্যয় করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, হাতিয়ে নেওয়া টাকা আমজাদ ও জেলা পরিষদের তখনকার কর্তাব্যক্তিরা ভাগাভাগি করে নিয়ে তা আত্মসাৎ করেন। জেলা পরিষদ মার্কেট সরকারি সম্পত্তি হলেও তা কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের পারিবারিক সম্পত্তির মতো ব্যবহার করছে।

এদিকে, এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ জুলাই লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন সাবু সরেজমিন আলেকজান্ডার বাজারের ওই মার্কেটটি পরিদর্শন করেন। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ব্যবসায়ীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাউকে ভাড়া না দেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।

ভাড়াটিয়াদের ভাষ্য, সরকারি দোকানের মালিকানা হস্তান্তরের সুযোগ না থাকলেও ৮০টির মতো দোকান স্ট্যাম্পের মাধ্যমে একাধিকবার হাতবদল (বিক্রি) হয়েছে। বর্তমানে ওই মার্কেটের প্রতিটি দোকানের ভাড়া পাঁচ থেকে আট হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে জেলা পরিষদের ফান্ডে জমা হচ্ছে না কোনো টাকা। আলেকজান্ডার বাজারের বিসমিল্লাহ ফার্মেসির মালিক তসলিম জানান, তিনি ১৩ লাখ টাকা দিয়ে আমজাদের কাছ থেকে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে দুটি দোকান নিয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আমজাদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘তখনকার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের নির্দেশে মার্কেট নির্মাণের দায়িত্ব নিই। জনগণের কাছ থেকে নেওয়া টাকা দিয়েই মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে।’ এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে এ প্রতিবেদককে লোভ দেখান তিনি।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী আশরাফুন নাহার বলেন, ‘আমরা অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে নতুন টেন্ডারের মাধ্যমে দোকান বরাদ্দের ব্যবস্থা করব।’

জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু বলেন, মার্কেটটি জেলা পরিষদের বলা যাচ্ছে না। কারণ জেলা পরিষদের ফাইলে মার্কেটের বিস্তারিত কাগজপত্র নেই। বিগত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময়ে অবৈধভাবে মার্কেটটি নির্মাণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মদিনার সব মসজিদে এখন থেকে নারীদের জন্য থাকবে নামাজের স্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


মদিনার সব মসজিদে এখন থেকে নারীদের জন্য থাকবে নামাজের স্থান

সৌদি আরবের মদিনার সকল মসজিদে নারীদের জন্য প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য আলাদা স্থান খোলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, পূর্বে যেসব মসজিদে নারীদের নামাজের ব্যবস্থা শুধুমাত্র জুমা, রমজানের তারাবি, ঈদ বা হজ-ওমরাহর ব্যস্ত মৌসুমে চালু ছিল, সেসব জায়গা এখন নিয়মিতভাবে খোলা থাকবে।

সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক, দাওয়াহ ও নির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ ড. আবদুল লতিফ বিন আবদুল আজিজ আল-শেখ এই অনুমোদন প্রদান করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনার আওতায়, মদিনার আবাসিক এলাকার মসজিদ এবং বড় জামাতের মসজিদগুলোতেও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য নারীদের জন্য নির্ধারিত স্থান খোলা থাকবে। এর ফলে, মদিনায় কর্মরত, পর্যটক, ব্যবসা বা কেনাকাটার কাজে বের হওয়া অথবা ভ্রমণরত নারীরা বাড়িতে ফিরে না গিয়ে নিকটস্থ মসজিদে নামাজ আদায় করতে সক্ষম হবেন।

মদিনা অঞ্চলের ইসলামবিষয়ক, দাওয়াহ ও নির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের শাখা নতুন এই সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন করবে। নারীদের নামাজের স্থানগুলোর ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নারী মাঠকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মদিনার ঐতিহাসিক কিছু মসজিদে নারীদের নির্ধারিত স্থান তদারকি ও নিরাপত্তার জন্য ১১৫ জন নারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব মসজিদের মধ্যে সাইয়্যিদ আল-শুহাদা, কিবলাতাইন, খন্দক, গামামাহ, মুস্তারাহ এবং জুমআ মসজিদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে, নতুন সিদ্ধান্তটি মসজিদে নববীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কারণ সেখানে নারীদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা আগে থেকেই নিয়মিতভাবে চালু রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএমইউর সি ব্লকে ১১ শয্যার আইসিইউ উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


বিএমইউর সি ব্লকে ১১ শয্যার আইসিইউ উদ্বোধন

ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সি ব্লকে ১১ শয্যার নতুন আইসিইউ-১ ইউনিটের উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ (শনিবার) অধ্যাপক ডা. সামাদ সেমিনার হলে বিএমইউর সি ব্লকে ১০ম তলায় ১১ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ-১ ইউনিটের শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। 

এ সময়ে তিনি সম্পন্ন হওয়া ৫টি কোর্সের ৮১ জন নার্সের মাঝে ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সনদপত্র বিতরণ করেন।

অ্যানেসথেসিয়া অ্যানালজেসিয়া এবং ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিএমইউর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএমইউর উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেন খান, রোটারী ক্লাব অফ মেট্রোপলিটন ঢাকার সভাপতি রোটারিয়ান খালিদ হাসান প্রমুখ বক্তব্য দেন।  

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এফ এম সিদ্দিকী বলেন, একটি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নির্ভর করে চিকিৎসক ও নার্সদের ওপরে। মুমূর্ষু রোগীদের সেবায় প্রশিক্ষিত ও দক্ষ নার্সিং সেবার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। এখানে নার্সিং সেবার প্রতিটা মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ। রোগীদের প্রয়োজনেই এ ধরণের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে। 

মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, নার্সিং পেশা বিশ্বে একটি হাইস্কিলড ও নোবেল প্রফেশন। জ্ঞানে, প্রশিক্ষণে ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নার্সরা যাতে রোগীদের সেবায় সবটুকু দিতে পারে সে লক্ষ্যে বিএমইউ প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চলে গেলে কেউ দেবে না, তাই বিভিন্ন স্থাপনায় নিজের নাম দিচ্ছি: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


চলে গেলে কেউ দেবে না, তাই বিভিন্ন স্থাপনায় নিজের নাম দিচ্ছি: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, প্রেসিডেন্টের পদ থেকে বিদায় নেওয়ার পর তার নামে কেউ কোনো স্থাপনা বা প্রকল্পের নাম রাখবে না। এই কারণেই তিনি বর্তমানে বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রকল্পে নিজের নাম যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।

সম্প্রতি, ‘নিউইয়র্ক ম্যাগাজিন’-এর সাংবাদিক বেন টেরিসের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।

৮০ বছর বয়সী ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন।

সাক্ষাৎকারে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়। অসফ বলেছিলেন, ট্রাম্প নিজের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করছেন, কারণ তিনি চলে যাওয়ার পর অন্য কেউ তা করবেন না।

এ বিষয়ে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া ছিল, ‘এটা সত্যি। আমি চলে যাওয়ার পর কেউ তা করবে না। আমি যখন এখান থেকে চলে যাব, তখন কেউ করবে না।’

দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ওয়াশিংটন ডিসিতে একাধিক বড় নির্মাণ ও সংস্কার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন ট্রাম্প। এসব প্রকল্পের মধ্যে কয়েকটিতে নিজের নাম যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের পূর্ব পাশের উইং ভেঙে সেখানে বিশাল একটি বলরুম নির্মাণের কাজ চলছে। এ প্রকল্পে তার নাম থাকবে কি না, সে বিষয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘থাকা উচিত।’ তবে তিনি নিশ্চিত নন যে, শেষ পর্যন্ত তা হবে কি না।

হোয়াইট হাউসের এই বলরুমের পাশাপাশি কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন, ওয়াশিংটনের বিভিন্ন স্থাপনা ও স্মৃতিস্তম্ভে পরিবর্তন আনা এবং নতুন নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ট্রাম্পের প্রশাসন জানাচ্ছে, হোয়াইট হাউসের নতুন বলরুম ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনা জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রকল্পটির বৈধতা ও এর বিপুল ব্যয় নিয়ে সমালোচনা রয়েছে।

নিজের নাম ব্যবহারের প্রবণতা শুধুমাত্র স্থাপনা নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন নীতি ও কর্মসূচির নামেও ‘ট্রাম্প’ শব্দটি যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস’, ‘ট্রাম্পআরএক্স’ এবং ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’।

সূূত্র:

ইন্ডিপেনডেন্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%