ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

ধানমণ্ডি ও হাতিরপুলে ডিএসসিসির অভিযান, জরিমানা ২৫ হাজার ২০০ টাকা


ধানমণ্ডি ও হাতিরপুলে ডিএসসিসির অভিযান, জরিমানা ২৫ হাজার ২০০ টাকা

রাজধানীর ধানমণ্ডি, মিরপুর রোড এবং হাতিরপুল এলাকায় অবৈধ দখল উচ্ছেদ, মশক নিয়ন্ত্রণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযানে মোট ২৪টি মামলায় ২৫ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

শনিবার (২০ জুন) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে অঞ্চল-১-এর ১৭ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। সেখানে হাউস নম্বর-১, সড়ক নম্বর-২ এবং ধানমণ্ডি-মিরপুর সড়কের উভয় পাশের ফুটপাত ও সড়ক থেকে দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়। এ সময়ে ফুটপাত ও সড়ক দখলের দায়ে তিনটি মামলায় তিন হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

হাতিরপুলসংলগ্ন কাঁচাবাজার ও আশপাশের এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং মশক নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আরেকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯–এর বিভিন্ন ধারায় ২১টি মামলায় ২২ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

আরও পড়ুন: ঢাকা-সৌদি রুটে ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬ হাজার ৬২০ যাত্রী

ডিএসসিসি জানিয়েছে, নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি, বাজার ও দোকানপাটে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণে এসব অভিযান চালানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নগরীর শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে। অভিযানের সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লির অন্ধকার ‘শিশু বাজার’: ছেলে শিশু ৮ লাখে, মেয়ে শিশু তার অর্ধেকে বিক্রি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


দিল্লির অন্ধকার ‘শিশু বাজার’: ছেলে শিশু ৮ লাখে, মেয়ে শিশু তার অর্ধেকে বিক্রি

কল্পনা করুন, রাজস্থানে জন্ম নেওয়া এক সদ্যজাত শিশুর পাচার ঘটে এবং তাকে দিল্লিতে আনা হয়, পরে হরিয়ানায় অন্য এক দম্পতির কাছে কয়েক লাখ টাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়। এই ঘটনার সব কিছু ঘটেছে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই। একটি শিশুর জীবন ও ভবিষ্যৎ একদিকে দাঁড়িয়ে যায় বাবা-মায়ের দুর্দশা এবং অপরাধীদের লোভের কাছে।

দিল্লি পুলিশ এমন এক শিশু পাচারকারী চক্রকে আটক করার তথ্য দিচ্ছে, যারা অসচ্ছল দম্পতিদের কাছ থেকে মাত্র চার-পাঁচ দিনের নবজাতকদের শিশু 'সংগ্রহ' করে রাজধানী শহরে সন্তানহীন দম্পতিদের কাছে কয়েক লাখ টাকায় বিক্রি করত।

চক্রটি এভাবে একটি 'শিশু বাজার' তৈরি করেছে। সেখানে একটি মেয়ে শিশু তিন থেকে চার লাখ টাকায় বিক্রি হয়। অপরদিকে ঘটনা অনুযায়ী, ছেলে শিশু ছয় থেকে আট লাখ টাকায় বিক্রি করা হত।

মধ্য দিল্লির পাহাড়গঞ্জের একটি বাসিন্দার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযান শুরু হয়। ওই বাসিন্দা লক্ষ্য করেন, একজন নারী নিয়মিতভাবে এলাকায় আসছেন এবং প্রতিবার তার কোলে আলাদা শিশু।

পুলিশ এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে। কয়েকদিনের অনুসরণের পর পুলিশের নজর দখল করে ওই নারীর ওপর। তদন্তে দেখা যায়, জ্যোতি ওরফে কমলেশ নামের ওই নারী শিশু পাচারের সঙ্গে জড়িত।

পুলিশ কমলেশকে একটি ক্রয়-চুক্তির অজুহাতে যোগাযোগ করে। একজন মহিলা পুলিশ অফিসার ছদ্মবেশে ক্রেতা সেজে শিশু কিনতে চান। বৈঠকের তারিখ ঠিক হয় এবং দামদর হয়। 'টোকেন অ্যামাউন্ট' হিসেবে ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। ৫ জুন, কমলেশ ছদ্মবেশী পুলিশের কাছে একটি নবজাতক হস্তান্তরের সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার হন।

গ্রেফতারকৃতের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পুলিশ হতবাক হয়ে ওঠে এবং তদন্ত চালিয়ে একটি বহুরাজ্যীয় চক্রের সন্ধান পায়। এই চক্র রাজস্থান ও গুজরাটের দরিদ্র দম্পতিদের কাছ থেকে শিশু কিনে বা চুরি করে থাকে, এবং পরে মধ্যপ্রদেশ ও হরিয়ানায় সন্তানহীন দম্পতিদের কাছে বিক্রি করে।

কমলেশের নিরবচ্ছিন্ন জিজ্ঞাসাবাদের ফলে পুলিশ তার দুই সহযোগী শালু ও ললিতের সন্ধান পায়। পরে প্রতিভা ও বিপিনেরও সন্ধান পাওয়া যায়, যারা শিশু সংগ্রহ ও বিক্রির চুক্তিতে জড়িত ছিল।

প্রতিভা ও বিপিনকে ধরা হয় যখন তারা শিশু সংগ্রহকারীর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন। পুলিশের কাছে প্রায় ৩ লাখ টাকা উদ্ধার হয়। দুই সপ্তাহের নিরবচ্ছিন্ন জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ পাঁচটি শিশু উদ্ধার করে, যাদের সবার বয়স এক মাসেরও কম।

এখন পুলিশের কাছে বড় প্রশ্নগুলো দাঁড়িয়ে গেছে: এই শিশুরা কোথা থেকে আসছে? কে তাদের সোর্স করছে? রাজধানীতে তাদের কোথায় রাখা হয়? এবং তাদের কাদের কাছে বিক্রি করা হয়?

গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পরে পুলিশ পশ্চিম দিল্লির একটি হাসপাতালের সন্ধান পায়। রোহিনীর বেগমপুরে অবস্থিত হিরার মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল পুরো চক্রের 'নার্ভ সেন্টার' হিসেবে উন্নীত হয়েছে এবং এর মালিক ডা. বিবেকী প্রধান চালিকাশক্তি।

সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টের ডিসিপি রোহিত রাজবীর সিং জানান, পাচারকারীরা শিশুদের ডা. বিবেকীর হাসপাতালে রাখত, যতক্ষণ না তাদের সন্তানহীন দম্পতিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

'ডা. বিবেকী এই পুরো চক্রের মূল চালিকাশক্তি। তিনি শিশুদের সাথে সম্পর্কিত নথিপত্র জাল করতে সাহায্য করতেন। জন্ম সনদ, ডেলিভারি ডকুমেন্ট, ইনভয়েস - সবকিছু তার হাসপাতালে জালিয়াতি করে তৈরি করা হতো, যাতে মনে হয় শিশুরা এখানেই জন্মেছে,' সিং মন্তব্য করেন।

পুলিশের তদন্তে দেখা গেছে, একটি মেয়ে শিশুকে প্রায় এক লাখ টাকায় সংগ্রহ করে তিন থেকে চার লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়। অপরদিকে, একটি ছেলে শিশুকে প্রায় দুই লাখ টাকায় কিনে ছয় থেকে আট লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।

ডিসিপি সিং জানিয়েছেন, এসব চুক্তি ডা. বিবেকীর হাসপাতালে সম্পন্ন হত। তিনি শিশু কিনতে আগ্রহী দম্পতি এবং পাচারকারীদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় থাকতেন।

আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ গুজরাটের সাবরকান্থা থেকে সাবাভাই গামার ওরফে কালিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানায়, উদয়পুরের বাসিন্দা গামার রাজস্থানের পালি এবং সাবরকান্থার অসচ্ছল দম্পতিদের কাছ থেকে নবজাতক 'কিনে' দিল্লির ডা. বিবেকীর হাসপাতালের মাধ্যমে সন্তানহীন দম্পতিদের কাছে বিক্রি করতেন।

পুলিশ উদ্ধার হওয়া শিশুদের জৈবিক বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে, যাতে বোঝা যায় তারা স্বেচ্ছায় শিশু বিক্রি করেছেন, জোর করে বাধ্য করা হয়েছে, নাকি শিশুদের চুরি করা হয়েছে। ডিসিপি সিং বর্ণনা দেন, যদি পরিবারগুলো স্বেচ্ছায় পাচারকারীদের কাছে শিশু বিক্রি করে থাকে, তাহলে তাদেরও মামলায় অভিযুক্ত করা হবে।

তদন্তে জানা গেছে, গামার এবং তার চক্র গত এক বছরে অন্তত ৩০টি নবজাতক পাচার করেছে। এসব শিশু মধ্যপ্রদেশ এবং হরিয়ানার দম্পতিদের কাছে বিক্রি হয়েছে।

পুলিশ হরিয়ানার পানিপথ থেকে সানি অরোরা ও রিতু অরোরা দম্পতিকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করেছে। মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র থেকেও এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যারা এই চক্র থেকে শিশু কিনেছিলেন। পুলিশ বলছে, এই পরিবারগুলোকেও মামলায় অভিযুক্ত করা হবে।

ডিসিপি সিং একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলেন, চক্রটি এক দম্পতিকে প্রতারণা করেছিল যারা ছেলে শিশু চেয়েছিল। সে সময় চক্রের কাছে একটি 'অতিরিক্ত' মেয়ে শিশু ছিল, যা তারা দ্রুত বিক্রি করতে চাইছিল।

তারা ওই দম্পতির কাছে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে শিশুকে যমজ সাজিয়ে মোট নয় লাখ টাকায় বিক্রি করে। আসলে শিশু দুটি যমজ ছিল না এবং ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে আনা হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কমলেশ এবং প্রতিভা আগেও শিশু পাচার মামলায় জড়িত ছিলেন। প্রতিভা হিরার মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল এবং অন্যান্য ল্যাবে ল্যাব টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। পুলিশের মতে, তিনিই ডা. বিবেকীর হাসপাতাল এবং পাচার সিন্ডিকেটের মধ্যে যোগসূত্র ছিলেন।

আরেক আসামি অম্বতি গুরুগ্রামে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন এবং শিশু 'সংগ্রহ' নেটওয়ার্কের সদস্য ছিলেন। ডিসিপি সিং বিশেষভাবে তিনজন মহিলা পুলিশ কর্মকর্তা—সাব-ইন্সপেক্টর প্রগতি, যামিনী এবং হেড কনস্টেবল সুষমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, যাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় এই চক্র ভাঙা সম্ভব হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া পাঁচটি শিশুকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটি (সিডব্লিউসি)-র কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তারা সিডব্লিউসি’র পালনা কেন্দ্রে রয়েছে।

'যত্ন ও সুরক্ষার প্রয়োজনে থাকা শিশু'দের কল্যাণের একমাত্র সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষ হিসেবে সিডব্লিউসি কাজ করে। এটি উদ্ধারকৃত শিশুদের আশ্রয় নিশ্চিত করে এবং তাদের বিশেষ দত্তক সংস্থা, শিশু গৃহে রাখা অথবা আইনত দত্তকের জন্য মুক্ত ঘোষণা করার ব্যবস্থা করে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে জামায়াত নেতা হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


রাজবাড়ীতে জামায়াত নেতা হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর বাইতুল মাল সম্পাদক আসাদুল ইসলামের হত্যার ঘটনার পর সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার বিকেলে সাড়ে ৫টায় এলাকাবাসী কর্তৃক আয়োজিত এই মানববন্ধন রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির হাসমত আলী হাওলাদার, সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক হেলাল উদ্দীন, কালুখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুর বর, রাজবাড়ী পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মো. হাফিজুর রহমান, মদাপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির ফিরোজ আহমেদ এবং নিহতের পিতা শাহজাহান মণ্ডল।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, আসাদুল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকল আসামির দ্রুত গ্রেফতার করা প্রয়োজন। হত্যাকাণ্ডের দিন আসাদুলকে প্রকাশ্যে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। থানায় খবর দেওয়ার পরও দ্রুত সময়ের মধ্যে জিডি গ্রহণ করা হয়নি বলেও বক্তারা অভিযোগ করেন। হত্যাকাণ্ডের পর মিজানসহ তিন আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পুলিশ হত্যার কারণ হিসেবে বলছে, মিজানের কাছ থেকে ৬৮ হাজার টাকা ধার নেওয়া হয়েছে। বক্তারা পুলিশের এই দাবি ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন। তারা হুঁশিয়ারি দেন, যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে হত্যার সঠিক তদন্ত ও আসামি গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে বড় পরিসরে আন্দোলন করা হবে।

এই মানববন্ধনে রাজবাড়ী জামায়াতে ইসলামের বিভিন্ন নেতাকর্মীসহ সহস্রাধিক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সব শ্রেণি পেশার মানুষের জন্য এবারের বাজেট: দুলু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


সব শ্রেণি পেশার মানুষের জন্য এবারের বাজেট: দুলু

জাতীয় সংসদের হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু জানিয়েছেন, এবারের বাজেট কৃষক শ্রমিকসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কল্যাণের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। এই বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিএনপি সব সময় দেশের শিক্ষক, জ্ঞানী, গুণী এবং বুদ্ধিজীবীদের সম্মানিত করেছে। ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষাবান্ধব বাজেট প্রদান করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাধীনতার ৫৪ বছরের মধ্যে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কল্যাণের জন্য সবচেয়ে ভালো বাজেট প্রদান করেছেন।

শনিবার (২০ জুন) বিকালে নাটোরের বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসেসিয়েশন আয়োজিত গুণীজন সংবর্ধনা, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি উপস্থিত ছিলেন। বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মো. আফসার আলী। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নাটোর-নওগাঁ সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, জেলা পরিষদের প্রশাসক রহিম নেওয়াজ, জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক, বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস, সাবেক মেয়র ইসাহাক আলী, সাবেক প্রশাসক অ্যাডভোকেট শরীফুল হক মুক্তা, গুণীজন সংবর্ধনা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক শফীউল হাসান তিতু ও সদস্য সচিব রাশিদুল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে একুশে পদক প্রাপ্ত বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ও প্রাচ্যকলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আব্দুস সাত্তারকে গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। বক্তারা নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলাকে ভাগ করে বড়াইগ্রাম ও বনপাড়া নামে দুটি পৃথক উপজেলা গঠনের দাবি জানান। প্রধান অতিথি এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু তার বক্তব্যে বলেন, বড়াইগ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবীর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে এই বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে কথা বলার আশ্বাস দেন।

এর আগে সকালে হুইপ দুলু নাটোর সদর উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে প্রনোদনার আওতায় ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করেছেন এবং শহরের পশ্চিম আলাইপুরে আইটি বেইজ স্কাউট ট্রেনিং সেন্টারের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের নজরদারিতে সিসি ক্যামেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের নজরদারিতে সিসি ক্যামেরা

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের নজরদারির জন্য ক্লোজসার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৩টার দিকে সিলেট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দানবাক্সের ওপর এবং ডেগের উপরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়।

এর আগে, ১৮ জুন তারিখে মাজারে নতুন দানবাক্স স্থাপনের জন্য ডেগ সিলগালা করা হয়। ওই দিনই ডেগ এবং দানবাক্সের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনার উদ্দেশ্যে এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে, এর বিরুদ্ধে মাজারসংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিলেও জেলা প্রশাসনের এসব উদ্যোগকে বাড়াবাড়ি ও জোরজবরদস্তি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দানবাক্স ও সিলগালা করা ডেগ নজরদারি করার জন্য একাধিক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। নতুন স্থাপন করা সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে দানবাক্সের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগের ফলে মাজারে আগমনকারী দর্শনার্থী ও ভক্তদের দান কার্যক্রমে আস্থা বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া, দান বাক্সে অর্থ জমা এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সুশৃঙ্খলতা ও পর্যবেক্ষণের আওতায় আসবে। ফলে, মাজারকেন্দ্রিক স্বচ্ছতা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%