বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৮ পি.এম
সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকি মৌসুম শুরুর পূর্বেই বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রায় ১২০০ মাছ ধরার ট্রলার একযোগে সেখানে চলে গেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এসব ট্রলার দুবলার চরের দিকে রওনা দেয়। বন বিভাগের পক্ষ থেকে মাইকিং করে জানানো হয়েছিল যে, অনুমতি ছাড়া সুন্দরবনে প্রবেশ করা যাবে না। এই ঘটনায় বন বিভাগের নজরদারি এবং নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দীপন চন্দ্র দাস বলেন, গত রাত থেকে চিলা বাজার ও জয়মনিঘোল এলাকায় কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছিল। মাইকিংয়ের মাধ্যমে জেলেদের সুন্দরবনে প্রবেশ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে প্রায় ১২০০ ট্রলার একযোগে যাত্রা করে দুবলার চরে চলে গেছে; জেলেরা বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা মানেননি।
বনবিভাগের সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে সুন্দরবনের দুবলার চরে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ মাসব্যাপী শুঁটকি মৌসুম শুরু হওয়ার কথা। এই মৌসুম চলবে আগামী বছরের মার্চের শেষ পর্যন্ত। নিয়ম অনুযায়ী, বন বিভাগের পাস-পারমিট নিয়ে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জেলেদের যাওয়ার কথা থাকলেও মৌসুম শুরুর আগে বিপুলসংখ্যক ট্রলারের যাত্রায় সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
প্রতি বছর শুঁটকি মৌসুমে দুবলার চরের আলোরকোল, অফিসকেল্লা, নারকেলবাড়িয়া ও শেলার চরে হাজারো জেলে ও মহাজনের সমাগম ঘটে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এবারও প্রায় ১০ হাজার জেলে ও মহাজনের সমাগম হবে। জেলেদের থাকার জন্য অস্থায়ী ঘর, মাছ শুকানোর চাতাল, দোকান ও মাছ কেনাবেচার ডিপো নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বন বিভাগের পক্ষ থেকে। তবে এসব স্থাপনা নির্মাণের জন্য সুন্দরবনের গাছপালা কাটা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
এদিকে দস্যু আতঙ্ক, ঝড়-জলোচ্ছ্বাস এবং আর্থিক ক্ষতির শঙ্কা নিয়ে মৌসুম শুরু করতে যাচ্ছেন জেলেরা। গত মৌসুমে জেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ এখনো বিদ্যমান। এছাড়া বৈরী আবহাওয়ায় ট্রলারডুবি এবং বৃষ্টিতে শুকাতে দেওয়া মাছ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, গত শুঁটকি মৌসুমে বন বিভাগের রাজস্ব আদায় হয়েছিল সাড়ে সাত কোটি টাকা। এবার আট কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দস্যুদের অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের কারণে জেলে-মহাজনদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি রাজস্ব আদায়েও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মৌসুম শুরুর আগে বিপুলসংখ্যক ট্রলারের দুবলার চরে চলে যাওয়ার এই ঘটনায় বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা, অনুমতিপত্র যাচাই এবং সুন্দরবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
Ñএমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সালমান শাহ হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন আদালত। মহানগর দায়রা জজ আদালত ডনের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাওহীদা আক্তার আসামিপক্ষের জামিন আবেদন নাকচ করেন। এর আগে গত ৫ অক্টোবর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনজুরুল ইসলাম আসামিপক্ষের জামিন আবেদন নাকচ করেছিলেন।
এ প্রসঙ্গে ডনের আইনজীবী মো. মফিজুল ইসলাম আসলাম গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, সালমান শাহ’র মৃত্যুর দুটি সুরতহাল রিপোর্ট, দুটি পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, ভিসেরা রিপোর্ট ও রাসায়নিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে দেখা যায়, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তাই দীর্ঘদিন হাজতবাসে থাকা আসামিপক্ষের জামিন আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু আদালত তা নাকচ করেছেন।
গত ৯ আগস্ট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এরপর পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সালমান শাহ’র ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে তার সঙ্গে একত্রে চলাফেরা করার কারণে ডন সালমানের বিভিন্ন বিষয়ে অবগত ছিলেন। কিন্তু তদন্তে ডন তথ্য গোপন করার কৌশল অবলম্বন করেছেন বলে অভিযোগ জানায় সিআইডি। তাই আলোচিত ও চাঞ্চলকর এ হত্যা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ডনকে কারাগারে রাখার নির্দেশ দেন আদালত।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে না ফেরার দেশের পাড়ি জমান চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ। তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেন তার স্ত্রী সামিরা হক। কিন্তু নায়কের পরিবারের দাবি এটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
এ অভিযোগের ভিত্তিতে সম্প্রতি স্ত্রী সামিরা হক, সামিরার মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসি ও খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন আগামী ৫ নভেম্বর ধার্য হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা ১২ দিন ভাইরাল জ্বরের কারণে বিছানায় কাটানোর পর, সম্প্রতি জনপ্রিয় ছোট পর্দার অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান চেনা ছন্দে ফিরে এসেছেন। অসুস্থতা কাটিয়ে তিনি রাজকীয় কনে সাজে ধরা দিয়ে ইন্টারনেট দুনিয়ায় ঝড় তুলেছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেন সাদিয়া। সাধারণত তাকে ব্রাইডাল লুকে খুব একটা দেখা যায় না। তবে দীর্ঘদিন পর তার ঐতিহ্যবাহী ও অভিজাত রূপ দেখে ভক্ত-অনুরাগীরা মুগ্ধ হয়েছেন।
শীতের হিমেল হাওয়া সামনে আসছে, আর এই মৌসুম মানেই চারদিকে বিয়ের সানাই ও উৎসবের আমেজ। এই ভাবনাকে সামনে রেখে, একটি শীর্ষস্থানীয় কসমেটিকস ও জুয়েলারি ব্র্যান্ডের সৌজন্যে এই বিশেষ ব্রাইডাল ফটোশুটে অংশ নেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিগুলোতে সাদিয়ার পরনে ছিল নজরকাড়া জমকালো ও ঐতিহ্যবাহী শাড়ি। এর সাথে মানানসই চোকার নেকলেস, মাং টিকাসহ রাজকীয় সব গহনা তার সৌন্দর্যকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। আজকের প্রজন্মের কনেদের পছন্দকে মাথায় রেখে, মেকআপ রাখা হয়েছিল স্নিগ্ধ ও পরিমিত। অতিরিক্ত ভারী মেকআপের পরিবর্তে ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফুটিয়ে তোলার এই ট্রেন্ডি লুকটি বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।
ভক্তদের মাঝে নিজের এই রূপের জাদু ছড়িয়ে দিয়ে ছবির ক্যাপশনে সাদিয়া লিখেছেন, “আসন্ন বিয়ের মৌসুমের জন্য আপনার যে একমাত্র অনুপ্রেরণা প্রয়োজন।”
মোহনীয় ও রূপবতী সাদিয়া আয়মানের এই নতুন ব্রাইডাল লুক ইতিমধ্যেই নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে। আসন্ন শীতের বিয়ের মৌসুমে ফ্যাশন সচেতন তরুণী ও হবু কনেদের জন্য এটি একটি দারুণ অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন মন্তব্য করেছেন, দেশে টেকসই উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রের উত্তরণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার ধ্বংসাত্মক ও আতঙ্কের রাজনীতির বিপরীতে শান্তি, উন্নয়ন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সুস্থ ধারার রাজনীতি চালু করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা পরিষদ মাঠে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালির পূর্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মেঘনা উপজেলা যুবদল এই র্যালি ও সমাবেশের আয়োজন করে।
ড. খন্দকার মারুফ আরও বলেন, বর্তমান সরকার অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে কঠোর বার্তা দিয়েছেন যে, চাঁদাবাজ ও দখলদারদের জন্য বিএনপিতে কোনো স্থান নেই। অন্যায় করে বিএনপির নাম ব্যবহার করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই।
যুবদল প্রতিষ্ঠার পটভূমি তুলে ধরে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ‘বিএনপির ভ্যানগার্ড’ হিসেবে যুবদল প্রতিষ্ঠা করেন। যুবদল প্রতিষ্ঠা ছিল শহীদ জিয়ার একটি দূরদর্শী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। ড. খন্দকার মারুফ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
মেঘনা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব আবদুল হান্নান। বর্ণাঢ্য র্যালি ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল অদুদ মুন্সি, সদস্য সচিব এস.এম. সালাহউদ্দিন সরকার, জয়নাল আবেদীন, অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম, মো. শহীদুল্লাহ সরকার, আবু ইউসুব নয়ন, মো. জহিরুল ইসলাম এবং দিলারা শিরীন।
সকালে বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মারুফ হোসেন দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন মেঘনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমি আক্তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরীফ, যিনি প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফজলে খোদা মোহাম্মদ নাজিরের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন।
শুনানি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, "ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরীফ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।" এই সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করেন। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ৩০ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে।
শুনানির সময় মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। অন্য আসামিদের কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষের সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তার বাবা জামাল উদ্দিন কোতোয়ালি থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এবং তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনকে আসামি করা হয়।
জুন মাসে মামলাটি বিচার উপযোগী বিবেচিত হওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে এ মামলায় ২৭ জন আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন, এবং ১২ জন আসামি পলাতক রয়েছে।
এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা জামাল উদ্দিনের সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ