বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:২০ পি.এম
চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরীফ, যিনি প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফজলে খোদা মোহাম্মদ নাজিরের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন।
শুনানি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, "ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরীফ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।" এই সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করেন। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ৩০ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে।
শুনানির সময় মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। অন্য আসামিদের কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষের সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তার বাবা জামাল উদ্দিন কোতোয়ালি থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এবং তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনকে আসামি করা হয়।
জুন মাসে মামলাটি বিচার উপযোগী বিবেচিত হওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে এ মামলায় ২৭ জন আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন, এবং ১২ জন আসামি পলাতক রয়েছে।
এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা জামাল উদ্দিনের সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারি অনিরাপদভাবে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ সীসা দূষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সীসাযুক্ত রং, খেলনা, রান্নার বাসনপত্র ও প্রসাধনসামগ্রীর মাধ্যমে মানুষ এ বিষাক্ত ধাতুর সংস্পর্শে আসতে পারে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে আন্তর্জাতিক সীসা দূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বক্তারা এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। খুলনার শিববাড়ি মোড়ে ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থ বাংলাদেশের উদ্যোগে এ মানববন্ধন, র্যালি ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
‘সীসা দূষণ প্রতিরোধে, আমরা আছি একসাথে’ এই প্রতিপাদ্যে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচিটি দেশের আট বিভাগে পরিচালিত হচ্ছে। পিওর আর্থ বাংলাদেশের সহযোগিতায় যুব সংগঠন ইয়ুথনেট গ্লোবাল কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে। সহ-আয়োজক হিসেবে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ, ইউক্যান ও আর্থ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন রয়েছে। কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থী, তরুণ, শিক্ষক, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সীসার স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করা। এ ছাড়া দূষণের উৎস চিহ্নিত করা, কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে দূষণ রোধে তরুণদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জাতীয় সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৩৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ শিশুর রক্তে সীসার মাত্রা নিরাপদ সীমার চেয়ে বেশি। অর্থাৎ, প্রতি ১০ জন শিশুর মধ্যে প্রায় চারজন সীসার ঝুঁকিতে রয়েছে। সীসার সংস্পর্শে আসা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ, শেখার ক্ষমতা, স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। গর্ভবতী নারীদের জন্যও সীসার বিষক্রিয়া গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
অনুষ্ঠানে পিওর আর্থ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিতালী দাশ বলেন, "শিশুদের সীসার বিষক্রিয়া থেকে সুরক্ষিত রাখতে সীসার উৎস শনাক্ত ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিরাপদ ভোগ্যপণ্য নিশ্চিত করা, পরিবেশসম্মত ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।"
তিনি আরও জানান, এ লক্ষ্যে পিওর আর্থ বাংলাদেশ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে যৌথভাবে সম্প্রসারিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা (ইপিআর) নির্দেশিকা প্রণয়নে কাজ করছে। এই নির্দেশিকা সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারির কার্যকর সংগ্রহ, ট্র্যাকিং ও পরিবেশসম্মত পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে সহায়তা করবে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়ক সোহানুর রহমান, খুলনা সচেতন নাগরিক কমিটির (সানক) সভাপতি অধ্যাপক রমা রহমান, বেসরকারি সংস্থা আইসিডির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আশিকুজ্জামান, দৈনিক ইনকিলাবের খুলনা ব্যুরো ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সানকÑ) সদস্য আসাফুর রহমান কাজল, পরিবেশ দূষণ প্রতিরক্ষা কমিটির আহবায়ক মোসলেহ উদ্দিন তুহিন, ইয়ুথনেট গ্লোবালের বিভাগীয় সহ-সমন্বয়কারী ফারহানা ইয়াসমিন আয়েশা, ইয়ুথনেট গ্লোবালের বিভাগীয় সমন্বয়কারী এস এম শাহিন সিরাজ, ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইভানা হক, আর্থ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের খুলনা জেলা সমন্বয়কারী মাহজাবিন খানসহ বিভিন্ন তরুণ সংগঠক। কর্মসূচিতে খুলনার স্থানীয় প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সদস্য, যুব প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, সীসা দূষণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপদ ভোগ্যপণ্য নিশ্চিত করা, পরিবেশসম্মত উপায়ে ব্যাটারি কারখানা পরিচালনা এবং আইন ও নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি। পুরোনো ও ব্যবহৃত সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারির পরিবেশসম্মত পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ, দূষিত স্থান শনাক্ত করে মাটি পরিশোধন এবং ভোগ্যপণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি সরকার, শিল্পখাত ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানান।
এদিকে, সিসামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার ২০২৬–২০৩৫ মেয়াদের একটি জাতীয় কৌশল ও বহুবছরভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। এই পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ৯৫ শতাংশ শিশুর রক্তে সীসার মাত্রা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত সীমার নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা র্যালিতে অংশ নেন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সীসা দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব ও প্রতিরোধের উপায় তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন এবং অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান হলিউডের সুপারন্যাচারাল থ্রিলার সিনেমা ‘অবসেশন’-এর হিন্দি ডাবিংয়ে কণ্ঠ দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিনেমাটির একটি জনপ্রিয় দৃশ্য পুনর্নির্মাণ করে তারা প্রশংসা অর্জন করছেন। তবে কৃতির অভিনয় দর্শকদের মধ্যে বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
জিওহটস্টারের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওটিতে ‘অবসেশন’ সিনেমার ‘নো নো নো নো...’ সংলাপের আলোচিত দৃশ্যটি অভিনয় করে দেখান কৃতি ও বরুণ। ভিডিওটি প্রকাশের পর নেটিজেনরা কৃতির অভিনয়দক্ষতা ও বৈচিত্র্যের প্রশংসা করেছেন।
এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘কৃতি শ্যাননের অভিনয়ের বৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণা করা উচিত।’ অন্য একজন বলেছেন, ‘ভারতীয় সংস্করণে অবসেশনের রিমেকের জন্য তারা একেবারে উপযুক্ত।’
এক দর্শকের মতে, বলিউড এখনও কৃতির অভিনয়প্রতিভার পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারেনি। এক ভক্ত কৃতির অভিনয়ের প্রশংসা করে তার পরবর্তী সিনেমাগুলো দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
‘অবসেশন’ সিনেমাটি আগামী ৩০ অক্টোবর জিওহটস্টারের ‘দ্য পিকক হাব’-এ মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। বক্স অফিসেও সিনেমাটি ভালো সাড়া পেয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালীগঞ্জে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকে চাপা দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ ঘাতক পিকআপ ভ্যানটি উদ্ধার করেছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত পিকআপের হেলপারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৩ অক্টোবর কালীগঞ্জ থানার এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম রাত্রিকালীন টহল ডিউটির সময় সন্দেহভাজন তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় ফিরছিল। সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজের সামনে পৌঁছালে পৌর ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মোল্লা (৪৫) পুলিশ গাড়িটি দাঁড় করাতে বলেন। রাত সাড়ে তিনটার দিকে টঙ্গী থেকে ঘোড়াশালগামী একটি বেপরোয়া গতির পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুলিশ টিম ও বিএনপি নেতাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বিএনপি নেতার মৃত্যু ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় এসআই (নিরস্ত্র) মো. মিজানুর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁরও মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও দুই পুলিশ সদস্য—পিএসআই জাবেদ ওমর এবং চালক কনস্টেবল ফজলে রাব্বি গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনার পর ২৫ অক্টোবর কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা (নম্বর-২৬) দায়ের করা হয়। পরে থানা পুলিশের একটি চৌকস দল সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২৮ অক্টোবর রাতে নরসিংদীর পলাশ থানার ডাঙ্গা গ্রামের কনফিডেন্স সিমেন্ট ফ্যাক্টরির সামনে থেকে ঘাতক পিকআপ ভ্যানটি (ঢাকা মেট্রো-ম-১২-০৫৮২) উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে পিকআপের হেলপার গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার দক্ষিণ ফুকরা গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে রাজু শেখকে (২৯) গ্রেপ্তার করা হয়।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, হেলপার রাজু জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন যে পিকআপ ভ্যানটির মূল চালক ছিলেন মাজহারুল ইসলাম। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার রাজু শেখকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাহিদ রানা ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে সক্ষম। বাংলাদেশের এই গতিশীল পেসারকে দীর্ঘ সময় ধরে সার্ভিস পাওয়ার জন্য এখনই তাঁর শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ক্যারিবীয় ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ। তিনি সতর্ক করেছেন যে, তাৎক্ষণিক সাফল্যের আশায় যেন ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁসটিকে’ মেরে ফেলা না হয়।
বিশপের অভিমত, চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাহায্যে নাহিদকে যত্নে রাখতে হবে, যাতে সময়ের সাথে সাথে তাঁর শরীর পেস বোলিংয়ের কঠিন চাপ সহ্য করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের অভিজ্ঞতার প্রতি তাঁর আস্থা রয়েছে। বিশপ সিমন্সকে নিজের বড় ভাইয়ের মতো উল্লেখ করে বলেন, তিনি অত্যন্ত চমৎকার একজন কোচ এবং বিষয়টি ভালোভাবে উপলব্ধি করবেন।
নিজের ক্যারিয়ারে একাধিক স্ট্রেস ফ্র্যাকচারের অভিজ্ঞতা থেকে বিশপ জানেন পেস বোলিং কতটা কঠিন। তাঁর মতে, কিছু খেলোয়াড়ের শরীরে চোটের প্রবণতা অন্যদের তুলনায় বেশি থাকে। সুতরাং, নাহিদের ফিটনেস এবং কন্ডিশনিং ট্রেনারদের সতর্ক থাকতে হবে। যথাযথ অনুশীলনের মাধ্যমে তাঁর শরীরকে চোট প্রতিরোধে সক্ষম করে তুলতে হবে। একই সঙ্গে মেডিকেল দলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
এ ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের উদাহরণ দেন বিশপ। তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় মিচেল স্টার্ক, চোট কাটিয়ে ফেরা প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউডরা নিজেদের ভালোভাবে সামলেছেন। ফলে ৩৩, ৩৫, ৩৬, এমনকি ৩৭ বছর বয়সেও তাঁরা দুর্দান্ত বোলিং করছেন। স্কট বোল্যান্ডের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।
চোটের কারণে নাহিদ সম্প্রতি কিছু সিরিজের পাশাপাশি চলমান ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও নেই। বিশপের বার্তা পরিষ্কার, এই মুহূর্তের সাফল্যের চেয়ে নাহিদের দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ