ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মতবিনিময় সভায় বাল্যবিবাহমুক্ত কক্সবাজার গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত


মতবিনিময় সভায় বাল্যবিবাহমুক্ত কক্সবাজার গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত

কক্সবাজার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার মতো সামাজিক সমস্যা শুধুমাত্র বিচ্ছিন্ন সমস্যা হিসেবে দেখা যাবে না। এর সঙ্গে দারিদ্র্য, অসচেতনতা, সামাজিক অনুশাসনের দুর্বলতা, পারিবারিক সংকট এবং শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থার নানা ঘাটতি জড়িত রয়েছে।

সুতরাং, পর্যটন নগরী কক্সবাজারকে বাল্যবিবাহ মুক্ত এবং শিশুবান্ধব জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, গণমাধ্যম, ধর্মীয় নেতা ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ামুক্ত কক্সবাজার জেলা গঠনে অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময়’ শীর্ষক সভায় বক্তারা এসব বিষয়ে আলোচনা করেন। প্রোগ্রামটি আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের চাইল্ড সেফটি নেট প্রজেক্ট।

আরও পড়ুন: উখিয়ার অগ্নিকাণ্ডে নাহিদ ও তার পরিবারের খোঁজ নেই, হতাহতদের তালিকা নেই

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের চাইল্ড সেফটি নেট প্রজেক্ট ম্যানেজার সাগর ডি কস্তার পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। তিনি বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা, শিক্ষা এবং মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। শিশুদের বাল্যবিবাহ তাদের শৈশব এবং শিক্ষাজীবনকে সংকুচিত করে, শিশুশ্রম তাদের স্বাভাবিক বিকাশের পথ রুদ্ধ করে এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া তাদের ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়। তাই এ সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এখন খুবই জরুরি।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, কক্সবাজারকে বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ামুক্ত করতে হলে একটাই পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়; শুধু অভিযান কিংবা আইন প্রয়োগের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। পরিবার থেকে শুরু করে বিদ্যালয়, পাড়া-মহল্লা, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে একটি কার্যকর সামাজিক নজরদারি কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

যদি কোনো শিশু বিদ্যালয় থেকে অনুপস্থিত থাকে, তার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। যদি কোনো কিশোরীর বিয়ের পরিকল্পনা থাকে, তবে তা আগে থেকেই শনাক্ত করতে হবে। এবং যদি কোনো শিশুকে শ্রমে নিয়োজিত করা হয়, তাহলে তার পেছনে থাকা অর্থনৈতিক এবং সামাজিক কারণে চিহ্নিত করতে হবে এবং সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে।

সভায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সিনিয়র ম্যানেজার রোনাল্ড প্রবীর চিসিক বলেন, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রকল্পভিত্তিক কার্যক্রম যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন স্থানীয় পর্যায়ে স্থায়ী এবং কার্যকর সামাজিক ব্যবস্থা। শিশুর ঝুঁকি শনাক্ত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এবং বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নিখোঁজ নাহিদুরের স্ত্রী ও দুই মেয়ের সন্ধান চায় পরিবার

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ন্যাশনাল অ্যাডভোকেসি কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, মোবিলাইজেশন অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেংদেনিং অফিসার পার্থ প্রতীম বাগচী। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, উন্নয়নকর্মী ও সুধীজন তারা তাদের মতামত উপস্থাপন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পে স্কেলে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৯ পি.এম


পে স্কেলে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস

সরকারের পক্ষে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ একসঙ্গে জোগান দেওয়া সম্ভব নয়, এই বিষয়ে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি আরও বলেছেন, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সম্ভাব্য উপায় এবং অর্থায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে সরকার হিসাব-নিকাশ করছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) গণমাধ্যমের সঙ্গে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নতুন পে স্কেল ও বড় উন্নয়ন বাজেটের অর্থায়ন নিয়ে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। নতুন বেতন কাঠামোর অর্থায়ন কোথা থেকে আসবে সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, একসঙ্গে পুরো অর্থ দেওয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়।

দুই ধাপে অর্থ দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে এবং এখনও হিসাব-নিকাশ করা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিপুল আমদানির কারণে সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থায় জায়গা কমে গিয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত বিশ্বের মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন। কর আদায় বাড়াতে সরকার প্রতিযোগী বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। অতীতে কর সংগ্রহে অদক্ষতা, সুশাসনের ঘাটতি ও দুর্নীতির মতো সমস্যা ছিল এবং এসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তার দাবি, গত অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে কর আদায়ে কিছুটা ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে।

সরকারের অর্থায়ন প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, তারা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ব্যাপারে আশাবাদী। এনবিআরকে দুই ভাগ করার উদ্যোগ এবং ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এসব উদ্যোগের ফলে সরকারের অতিরিক্ত ঋণের প্রয়োজন কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরো জানান, অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। কারণ সরকারের নিয়মিত ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নিলে বেসরকারি খাত অর্থায়ন থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এদিকে চলতি বছরের জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার যে ঘোষণা ছিল, সেটি বহাল থাকবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটা নিয়ে কাজ করছি। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সময়সূচি এবং অর্থায়নের বিষয়ে সরকারের হিসাব-নিকাশ শেষ হওয়ার পর এ বিষয়ে আরও স্পষ্টতা পাওয়া যাবে।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে নতুন মূল বেতন কার্যকর করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার কথা রয়েছে। তবে এই প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। সরকারের অনুমোদন এবং পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই নতুন বেতন কাঠামোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্থানীয় নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হলে কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ পি.এম


স্থানীয় নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হলে কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে যদি কেউ বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হন, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার, ২৪ আগস্ট, তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা প্রার্থী হবেন, এটি স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। তিনি বলেন, দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রতিটি নির্বাচনে দল থেকে শুধুমাত্র একজন একক প্রার্থী মনোনীত করা হবে। তাই, দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী আসলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দিতে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়ে রিজভী বলেন, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের নেতারা সবকিছু যাচাই-বাছাই করে ইউপি নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন করবেন। কারণ, এবারের নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হবে না।

দলের সুশৃঙ্খল ও সুসমন্বিত পরিচালনা করা আমাদের দায়িত্ব এ কথা উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, দলের নেতাকর্মীরা সরকারের জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপগুলি জনগণকে অবহিত করবেন, এবং তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বজায় রাখবেন।

নেতাকর্মীরা যদি জনগণের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তবে কেউ অনৈতিক চিন্তা করার সুযোগ পাবেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রিজভী আরও বলেন, জনস্বার্থের বাইরে বিএনপি কোনো কাজ করবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য ও দুই কর্মকর্তার নামে ভুয়া আইডি, যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য ও দুই কর্মকর্তার নামে ভুয়া আইডি, যুবক গ্রেপ্তার

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিবারের সদস্যদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে ভুয়া আইডি খোলার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশের সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের ই-ফ্রড ইনভেস্টিগেশন টিম রাজধানীর ক্ষিলখেতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার হওয়া যুবকের নাম কাকন রানা (৩৫)।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও সহকারী একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানির নাম ও ছবি ব্যবহার করে ওই যুবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া আইডি খোলেন।

এই ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করে সংশ্লিষ্টদের সম্মানহানি করা হচ্ছিল।

এছাড়া আরও অনেকের নামে একাধিক ভুয়া আইডি ও পেজ তৈরির কথাও পুলিশ জানিয়েছে।

কাকন রানার বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে ভুয়া আইডিগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে রোববার বিকেলে সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের ই-ফ্রড ইনভেস্টিগেশন টিম অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে।

এই অভিযানে কাকন রানার কাছ থেকে মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনা সম্পর্কে বনানী থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা হয়েছে।

পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লং মার্চে পুলিশের সহযোগিতা চায় জামায়াত, আইজিপির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


লং মার্চে পুলিশের সহযোগিতা চায় জামায়াত, আইজিপির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দল

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে লং মার্চের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে এবং নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য পুলিশের সহযোগিতা চাইছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। এজন্য পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জোটের নেতারা।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় ১১ দলীয় জোটের নেতারা পুলিশ সদর দপ্তরে গিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনা করবেন। বৈঠকের পর পুলিশের সদর দপ্তরের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন জোট নেতারা।

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক এবং জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ এ তথ্য জানিয়েছেন। জানানো হয়েছে, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং বৈষম্যবিরোধী রাজনৈতিক দাবিগুলোর বিষয়গুলো সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

এই কর্মসূচির প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। গত ১৭ আগস্ট লং মার্চ বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকে কর্মসূচি সফল করার জন্য নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ওই বৈঠকে সার্বিক প্রস্তুতি, প্রচার-প্রচারণা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১১ দলীয় ঐক্যার্থীরা জানাচ্ছেন, বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় হলে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালন করা সহজ হবে। এই কারণে লং মার্চের আগে পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বিষয়টি অবহিত করতে বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে।

জোটের নেতারা বলছেন, তাদের ঘোষিত কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য একটি রাজনৈতিক সমাবেশ করা নয়, বরং গণভোটের মাধ্যমে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা। এ কারণে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে লং মার্চকে চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

লং মার্চের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এর আগে বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করেছেন জোটের নেতারা। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের যোগদান নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রের অধীনে যাতে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না হয়, এ বিষয়েও গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে।

এদিকে, লং মার্চের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। সেজন্য সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরে আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন জোটের নেতারা।

এ ব্যাপারে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বৈঠকে লং মার্চের রুট, অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা, যান চলাচল এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে। শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হবে।

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ জানান, ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং আলোচনা করা হবে।

সাক্ষাৎ শেষে পুলিশ সদর দপ্তরের সামনে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানাবে জোট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%