শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৮ পি.এম
বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার প্রথম টেস্ট ম্যাচটি মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এবং দর্শকরা এটি বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারবেন। তবে, উল্লেখযোগ্য যে, এই সুবিধা সব গ্যালারির জন্য প্রযোজ্য নয়।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে মিরপুরে শুরু হবে। দর্শকরা স্টেডিয়ামের উত্তর ও দক্ষিণ গ্যালারিতে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। তবে, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড, শহিদ জুয়েল, শহিদ মুশতাক এবং অন্যান্য ভিআইপি ও হসপিটালিটি এরিয়াগুলোর জন্য এই সুবিধা প্রযোজ্য নয়।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের আগে বিসিবি একাদশের বিরুদ্ধে ২ দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে। আনভির বসুন্ধরা স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচের শেষদিনের খেলায় বর্তমানে ব্যাট করছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে বন্দুকযুদ্ধের পর, পুরো পশ্চিম তীরে অবরোধ জারির নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশ শুক্রবার সকালে প্রদান করা হয়।
এর পূর্বে, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানায়, তারা দুজন ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীকে হত্যা করেছে। ইসরাইলি বাহিনীর দাবি, ওই বন্দুকধারীরা একটি রিজার্ভ ব্যাটালিয়নের ওপর হামলা চালিয়েছিল।
নেতানিয়াহু নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, হেবরন অবিলম্বে বন্ধ করে দিয়ে পুরো পশ্চিম তীরে অবরোধের প্রস্তুতি নিতে হবে। ইসরাইলের উগ্র ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির পশ্চিম তীরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে, পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধির মধ্যে বৃহস্পতিবার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৬ ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরাইলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি কৃষকদের ওপর হামলা, জমিতে প্রবেশে বাধা, জলপাই ও কৃষি সরঞ্জাম লুট এবং গাছ কেটে ফেলা বা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও বেড়েছে।
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি কৃষকদের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি নতুনভাবে পুনর্গঠিত হয়েছে। এই নতুন কমিটিতে দলটির আহ্বায়ক হিসেবে মো. নাহিদ ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং সদস্যসচিবের দায়িত্ব আখতার হোসেনের উপর অর্পিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এনসিপির দপ্তর সম্পাদক সাদিয়া ফারজানা দিনার কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন কমিটির তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এনসিপির নতুন কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আব্দুল্লাহ দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে মো. সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া রয়েছেন।
পুনর্গঠিত কমিটিতে ১৫ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন- অ্যাড. আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, ড. আতিক মুজাহিদ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার, আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, নুসরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, ব্যারিস্টার সানি আব্দুল হক, মাহবুব আলম, অ্যাড. মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন এবং মাওলানা আশরাফ মাহাদী।
অন্যদিকে, ৬ জনকে যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন- আলাউদ্দীন মোহাম্মদ (আন্তর্জাতিক), এস এম সাইফ মুস্তাফিজ (কোষাধ্যক্ষ), মো. নিজাম উদ্দিন, নাহিদা সারোয়ার নিভা, ফরিদুল হক ও মো. আতাউল্লাহ।
কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পাশাপাশি বিজ্ঞপ্তিতে এনসিপির ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’-এর সদস্যদের নামও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে কমিটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, জাবেদ রাসিন, এহতেশাম হক, দিলশানা পারুল, প্রীতম দাশ, সামান্তা শারমিন, ইসহাক সরকার, তারেক এ আদেল এবং এ কে ফ্লোরাকে পর্ষদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূর করার যুদ্ধে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে চমক দেখাতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, তৃণমূল পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবার প্রসার, উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি— এসব পদক্ষেপই বাংলাদেশের এই অভূতপূর্ব সাফল্যের পেছনে মূল কারণ। গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স-২৬ (জিএইচআই) প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ক্ষুধা সূচকের স্কোর ১৯ দশমিক ২ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই স্কোরের ভিত্তিতে, বাংলাদেশ মাঝারি মাত্রার ক্ষুধা পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে, ভারতের স্কোর ২৪ দশমিক ১ এবং পাকিস্তানের স্কোর ২৫ দশমিক ৫। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে শ্রীলংকা ও নেপাল।
বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক চারটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়। এই সূচকগুলো হলো— জনসংখ্যার মধ্যে অপুষ্টির হার, শিশুমৃত্যুর হার, বয়সের তুলনায় শিশুদের উচ্চতা কম হওয়া এবং উচ্চতার তুলনায় শিশুদের ওজন কম হওয়া। প্রতিবেদনটি জার্মানির বনভিত্তিক ক্ষুধা মোকাবিলায় কাজ করা সংস্থা ওয়েলথাঙ্গারহিলফে, সুইজারল্যান্ডের জুরিখভিত্তিক সহায়তা সংস্থা হেলভেটাস এবং জার্মানির রুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সশস্ত্র সংঘাতবিষয়ক আন্তর্জাতিক আইন ইনস্টিটিউট যৌথভাবে প্রকাশ করেছে।
বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে স্কোর নির্ধারণ করা হয় শূন্য থেকে ১০০-এর মধ্যে। স্কোর ১০-এর কম হলে ক্ষুধার মাত্রা কম, ১০ থেকে ১৯ দশমিক ৯ হলে মাঝারি, ২০ থেকে ৩৪ দশমিক ৯ হলে গুরুতর, ৩৫ থেকে ৪৯ দশমিক ৯ হলে আশঙ্কাজনক এবং ৫০ বা তার বেশি হলে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই হিসেবে, বাংলাদেশের ১৯ দশমিক ২ স্কোর মাঝারি মাত্রার ক্ষুধা পরিস্থিতি নির্দেশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের স্কোর ২৪ দশমিক ১, যা গুরুতর ক্ষুধা পরিস্থিতির নির্দেশ করে। পাকিস্তানের স্কোর ২৫ দশমিক ৫, যা দেশের খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, শিশুদের অপুষ্টি, নারীদের কর্মসংস্থানের সীমিত সুযোগ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগের কারণে সংকটাপন্ন অবস্থার দিকে ইঙ্গিত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : সীমান্তের সুনির্দিষ্ট অবস্থান যৌথভাবে নির্ধারণ এবং সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা পুনরায় চালুর উদ্দেশ্যে দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়াকে সামরিক বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে।
শুক্রবার, দুই দেশের মধ্যবর্তী অসামরিকীকৃত অঞ্চলে (ডিএমজেড) বিস্ফোরণের ফলে সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটার পর এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিবিষয়ক উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম হং-চল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘স্থলসীমান্তের সামরিক বিভাজনরেখার (এমডিএল) সুনির্দিষ্ট অবস্থান যৌথভাবে নিশ্চিত করা, সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা পুনরায় চালুর উপায় নিয়ে আলোচনা এবং সীমান্ত এলাকায় অনাকাক্সিক্ষত সংঘর্ষ প্রতিরোধের লক্ষ্যে আমরা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক বৈঠকের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছি।’
এছাড়া, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতিসংঘ কমান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আয়োজনের সম্ভাবনাও রয়েছে।
কিম আরও বলেন, ‘পানমুনজমের মাধ্যমে বৈঠকের নির্দিষ্ট তারিখ ও স্থান নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।’ তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সিউল উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার প্রত্যাশা করছে।
গত মাসে দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী অসামরিকীকৃত অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার তিন সেনা আহত হন। উত্তর কোরিয়া এ ঘটনায় নিজেদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানকে উপহাসের সঙ্গে নাকচ করেছে।
১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকে ডিএমজেড দুই কোরিয়াকে পৃথক করে রেখেছে। এটি একটি ভারী মাইন পোঁতা বাফার অঞ্চল, যেখানে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ এড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ