ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‎জলাশয়ে প্রাণের জোয়ার, ত্রিশালে ছাড়া হলো মাছের পোনা


‎জলাশয়ে প্রাণের জোয়ার, ত্রিশালে ছাড়া হলো মাছের পোনা

‎ময়মনসিংহের ত্রিশালে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে ২২০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।
‎
‎বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ পুকুরে পোনামাছ অবমুক্তকরণের উদ্বোধন করেন ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন।
‎
‎সিনিয়র উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় অভ্যন্তরীণ জলাভূমি, বর্ষাপ্লাবিত ধানক্ষেত, প্লাবনভূমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে এসব পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়।
‎
‎পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসনাত জাহান খান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহানা নাজনীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) হাম্মিম জাহান, ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহাম্মদসহ সংশ্লিষ্টরা।
‎
‎সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহানা নাজনীন জানান, বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে মোট ২২০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উন্মুক্ত জলাশয়েও আরও ১৮০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হবে।
‎
‎মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে নিয়মিত এ ধরনের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
‎

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র বড় সাফল্য ৩ কোটির ও বেশি টাকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র বড় সাফল্য ৩ কোটির ও বেশি টাকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট সীমান্তে সফল অভিযান পরিচালনা করে তিন কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বিপুল পরিমাণ চোরাচালানী পণ্য জব্দ করেছে।১ম অভিযান:

সোনামসজিদ বিওপি গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৮:৪৫ ঘটিকায়, মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার এডি সেখ মনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে সোনামসজিদ বিওপির একটি চৌকস টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। টহল দলটি সীমান্ত পিলার ১৮৪/২-এস হতে আনুমানিক ৩ কি.মি. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে, শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের মুসলিমপুর গ্রামস্থ শাহাবাজপুর কলেজের সম্মুখস্থ পাকা রাস্তায় একটি মালিকবিহীন ভারতীয় ট্রাক (রেজিঃ নম্বরবিহীন) তল্লাশী করে। এসময় ট্রাকে রক্ষিত পাথরের মধ্যে অত্যন্ত সুকৌশলে লুকায়িত অবস্থায় ৭০৮ পিস ভারতীয় ট্রাকের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং ৫টি বেনারসি শাড়ী উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত ভারতীয় ট্রাক এবং চোরাচালানী পণ্যগুলোর সর্বমোট আনুমানিক মূল্য ২,৫৭,৭৯,০০০ (দুই কোটি সাতান্ন লক্ষ ঊনআশি হাজার) টাকা।
২য় অভিযান: খড়কপুর বিওপি
পরের দিন, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ আনুমানিক সকাল ৮:৪০ ঘটিকায়, খড়কপুর বিওপি’র একটি বিশেষ টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানটি সীমান্ত পিলার ২০১/৮৩-এস হতে আনুমানিক ১ কি.মি. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে, ভোলাহাট উপজেলার ভোলাহাট ইউনিয়নের আলীমোড় গ্রামস্থ পাকা রাস্তায় চালানো হয়। টহলদলটি ১৩৫টি ভারতীয় বিভিন্ন মডেলের চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করে এবং ১টি ইজিবাইক জব্দ করে। জব্দকৃত মালামাল এবং ইজিবাইকটির মোট আনুমানিক মূল্য ৪৯,১৫,০০০ (ঊনপঞ্চাশ লক্ষ পনের হাজার) টাকা। বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে ইজিবাইকের চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
বিজিবি'র প্রতিক্রিয়া:
জব্দকৃত চোরাচালানী পণ্যের বিষয়ে বিজিবি’র পক্ষ হতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, "বিজিবি সকল প্রকার চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এবং দেশের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‎সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের প্রত্যয়ে টিম জার্নালিস্ট’সের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আহমেদ আক্তার রানা ‎কুলাউড়া প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


‎সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের প্রত্যয়ে টিম জার্নালিস্ট’সের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন

১৭/সেপ্টেম্বর ২০২৬ ‎‘সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ, যেখানেই অন্যায় সেখানেই কলমের কালির প্রতিবাদ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করা সাংবাদিক সংগঠন টিম জার্নালিস্ট’স এক বছর পূর্ণ করেছে। নানা প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কুলাউড়ার বিভিন্ন অনিয়ম, অসংগতি, সম্ভাবনা ও জনদুর্ভোগের চিত্র জাতীয় দৈনিক, টেলিভিশন চ্যানেল ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরে ইতোমধ্যে নিজেদের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছে সংগঠনটি।
‎
‎২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, সোমবার, একঝাঁক তরুণ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রবীণ সাংবাদিক ও সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা এম. মুক্তাদির হোসেনের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করে টিম জার্নালিস্ট’স। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে সংগঠনটি।
‎
‎প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘ভ্রমণে বাড়ে জ্ঞানের ভান্ডার’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সংগঠনটির সদস্যরা আয়োজন করেন কক্সবাজার ভ্রমণ ও বর্ষপূর্তি উদযাপন।
‎
‎গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে টিম জার্নালিস্ট’সের প্রধান উপদেষ্টা এম. মুক্তাদির হোসেনের নেতৃত্বে কুলাউড়া রেলওয়ে জংশন থেকে উদয়ন এক্সপ্রেসে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন সংগঠনটির সদস্যরা। ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম জোনের সহকারী বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা-২ আতাউর রহমান টিম জার্নালিস্ট’সের সদস্যদের চট্টগ্রাম রেলওয়ের ভিআইপি লাউঞ্জে অভ্যর্থনা জানান।
‎
‎এ সময় তিনি সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। পরে চট্টগ্রাম থেকে পর্যটক এক্সপ্রেসে যাত্রা করে দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজারে পৌঁছান টিম জার্নালিস্ট’সের সদস্যরা।
‎
‎কক্সবাজারে পৌঁছানোর পর সংগঠনটির সদস্যদের স্বাগত জানান বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন। তিনি টিম জার্নালিস্ট’সের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। পরে কক্সবাজারের বিভিন্ন দর্শনীয় ও সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান পরিদর্শনে তিনি নিজেও উপস্থিত থেকে সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান।
‎
‎সাংবাদিকদের সঙ্গে পুলিশের এমন আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের ঘটনায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন টিম জার্নালিস্ট’সের সদস্যরা। একইভাবে সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন ট্যুরিস্ট পুলিশের এই কর্মকর্তা।
‎
‎এ সময় ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তারা সমাজের নানা অসংগতি তুলে ধরার পাশাপাশি মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। টিম জার্নালিস্ট’সের তরুণ সাংবাদিকদের এমন ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস প্রশংসনীয়। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হোক—এটাই প্রত্যাশা।
‎
‎টিম জার্নালিস্ট’সের প্রধান উপদেষ্টা এম. মুক্তাদির হোসেন বলেন, ‘টিম জার্নালিস্ট’স কোনো ব্যক্তিকেন্দ্রিক সংগঠন নয়; এটি সাংবাদিকদের পারস্পরিক ঐক্য, সৌহার্দ্য ও পেশাগত দায়িত্ববোধের একটি প্ল্যাটফর্ম। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের কথা বলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। প্রতিষ্ঠার এক বছরে যারা সংগঠনটির পাশে ছিলেন, সহযোগিতা ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’
‎
‎তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিক ও পুলিশের সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও পেশাগত দায়িত্ববোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত। আজমল হোসেনের মতো একজন পুলিশ কর্মকর্তার আন্তরিকতা সেই সম্পর্ককে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে গেছে।’
‎
‎টিম জার্নালিস্ট’সের সদস্যদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘কক্সবাজার ভ্রমণ আমাদের কাছে শুধুমাত্র আনন্দ ভ্রমণ নয়; এটি ছিল একে অপরকে আরও কাছ থেকে জানার, নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের এবং নিজেদের পেশাগত বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার একটি সুযোগ। প্রতিষ্ঠার প্রথম বছর পূর্তিতে এমন একটি আয়োজন আমাদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
‎
‎১৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের সহযোগিতায় মোটরবাইক নিয়ে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করেন টিম জার্নালিস্ট’সের সদস্যরা। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পও পরিদর্শন করেন তারা। কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন সংগঠনটির সদস্যদের মাঝে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।
‎
‎এদিকে টিম জার্নালিস্ট’সের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ভ্রমণ আয়োজন সফল করতে দেশ ও প্রবাস থেকে যারা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা, ভালোবাসা ও সমর্থন জানিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। টিম জার্নালিস্ট’সের সদস্যরা বলেন, ‘দেশ ও দেশের বাইরে থেকেও যারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের আন্তরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসা আমাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তাদের প্রতি টিম জার্নালিস্ট’স পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
‎
‎১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রবাল এক্সপ্রেসে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন সংগঠনের সদস্যরা। চট্টগ্রামে পৌঁছালে বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম জোনের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা-২ আতাউর রহমান পুনরায় টিম জার্নালিস্ট’সের সদস্যদের ভিআইপি লাউঞ্জে অভ্যর্থনা জানান।
‎
‎এ সময় তিনি সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটান এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তাদের অবহিত করেন। পরে ভিআইপি লাউঞ্জে টিম জার্নালিস্ট’সের প্রধান উপদেষ্টা এম. মুক্তাদির হোসেন সংগঠনটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সদস্যদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন।
‎
‎রাতের খাবার শেষে ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৯টা ৪০ মিনিটে উদয়ন এক্সপ্রেসে করে চট্টগ্রাম থেকে কুলাউড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন টিম জার্নালিস্ট’সের সদস্যরা। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয় সংগঠনটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর চার দিনের কক্সবাজার ভ্রমণ ও উদযাপন।
‎
‎
‎প্রতিষ্ঠার প্রথম বছরেই কুলাউড়ার বিভিন্ন অনিয়ম, অসংগতি, জনদুর্ভোগ ও সম্ভাবনার কথা গণমাধ্যমে তুলে ধরার পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে ঐক্য ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় করেছে টিম জার্নালিস্ট’স। কক্সবাজারের এই আয়োজন তাই শুধু একটি ভ্রমণ কিংবা বর্ষপূর্তি উদযাপন নয়—বরং আগামী দিনের পথচলায় নতুন উদ্যম, পেশাগত দায়িত্ববোধ ও ঐক্যের প্রত্যয়।
‎
‎সত্যের পক্ষে কলম, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার অঙ্গীকার নিয়ে দ্বিতীয় বছরে আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে টিম জার্নালিস্ট’স।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবির ৫ম সমাবর্তন বাস্তবায়নে স্টিয়ারিং কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইবি প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


ইবির ৫ম সমাবর্তন বাস্তবায়নে স্টিয়ারিং কমিটি গঠন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সমাবর্তন আয়োজন উপলক্ষে একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিতে সভাপতি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান এবং সদস্য সচিব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান রয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর বরাত এই তথ্য জানানো হয়।

তথ্য মতে, অনুষ্ঠিতব্য সমাবর্তন সুষ্ঠু, সুন্দর ও সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।গঠিত স্টিয়ারিং কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিন, সকল সভাপতি, আবাসিক হলগুলোর প্রভোস্ট, বিভিন্ন অফিসের প্রধান এবং সিনিয়র শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কমিটির সদস্যগণ সমাবর্তন আয়োজনের সার্বিক পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, সমন্বয় ও বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সমাবর্তন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের ১, ২ অথবা ৩ তারিখের মধ্যে যেকোনো একটি দিন চূড়ান্ত করে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে নির্ধারিত তারিখ সংশ্লিষ্ট প্রস্তুতি ও অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে।

জনসংযোগ দপ্তর বলছে, সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি প্রদান ও একাডেমিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্টিয়ারিং কমিটি গঠনের মাধ্যমে সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে একটি সফল ও স্মরণীয় সমাবর্তন আয়োজনের লক্ষ্যে কাজ করবে কমিটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে পাঁচ মাসে ১৪৯ কোটি টাকার এলজিইডির উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


বরিশালে পাঁচ মাসে ১৪৯ কোটি টাকার এলজিইডির উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন

বরিশাল, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত পাঁচ মাসের মধ্যে জেলার ১০টি উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এসব উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে সড়ক, হাটবাজার, সামাজিক অবকাঠামো, সেতু-কালভার্ট রক্ষণাবেক্ষণ এবং সেচ খাল খনন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মোট ব্যয় হয়েছে ১৪৯ কোটি ১৮ লাখ ৬২ হাজার ১০০ টাকা।

এলজিইডির বরিশাল অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে ৭ দশমিক ৩৬৬ কিলোমিটার ইউনিয়ন সড়ক, ৪ দশমিক ৬৯৩ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক এবং ৮ দশমিক ২৯ কিলোমিটার পাকা সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ করা হয়েছে। সড়ক উন্নয়নের আওতায় মোট ২০ দশমিক ৩৪৯ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যার জন্য ব্যয় হয়েছে ২৮৪৭ দশমিক ৭৯১ লাখ টাকা।

একই সময়ে ৫১৮ দশমিক ৩৮ কিলোমিটার ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে, যার জন্য ব্যয় হয়েছে ৬৭২৯ দশমিক ৯৭ লাখ টাকা।

এছাড়া, একটি হাট-বাজার ও গ্রোথ সেন্টারের উন্নয়ন সম্পন্ন হয়েছে, যা ৩৪৩ দশমিক ১৩ লাখ টাকায় বাস্তবায়িত হয়েছে।

জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৪২টি সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে, যার মধ্যে মসজিদ, কবরস্থান ও মন্দির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব কাজে ব্যয় হয়েছে ১৭৭ দশমিক ৭৬ লাখ টাকা।

এলজিইডির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যমান সড়ক সচল রাখতে ৫৭ দশমিক ২৮ কিলোমিটার সড়কের রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় হয়েছে ২৩২০ দশমিক ০৭ লাখ টাকা। একই সময়ে, জেলার ১০টি উপজেলায় ১২২৮ দশমিক ৯৬ কিলোমিটার ব্রিজ ও কালভার্ট রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে, যার জন্য ব্যয় হয়েছে ২৪৪২ দশমিক ৬২ লাখ টাকা।

কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে ৫ দশমিক ১৭ কিলোমিটার খননকৃত সেচ খাল এবং পুনঃখনন করা হয়েছে, যার ব্যয় ৫৭ দশমিক ২৮ লাখ টাকা।

এলজিইডি সূত্রে আরও জানা গেছে, বরিশাল সদর ও মুলাদী উপজেলায় দুটি সড়ক প্রশস্তকরণ করা হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করেছে এবং গ্রামীণ পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে।

গৌরনদী ও উজিরপুর উপজেলায় দুটি নান্দনিক আরসিসি আর্চ গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক প্রকৌশল কৌশলে নির্মিত এসব ব্রিজের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে।

জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল ইমরান বাসসকে জানান, এলজিইডির উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ করা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন সড়ক ও সেতু-কালভার্ট নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে হাটবাজার, গ্রোথ সেন্টার, সামাজিক অবকাঠামো ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে। এর ফলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের যোগাযোগ সুবিধা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষি ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হচ্ছে।

এলজিইডি কর্মকর্তারা জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাস্তবায়িত এসব কার্যক্রম গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন, নিরাপদ ও সহজ যাতায়াত এবং স্থানীয় পর্যায়ে অবকাঠামোগত সুবিধা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%