বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩১ পি.এম
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করা হয়েছে।
সরকার মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এই বিষয়ে নতুন আইনের গেজেট প্রকাশ করেছে।
গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাসবাদ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনের মাধ্যমে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে পুলিশ বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য একটি আধুনিক, পেশাদার, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
একই সঙ্গে এই ধরনের বিশেষায়িত বাহিনীর ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, তদারকি ও কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি। মূলত এই প্রয়োজনীয়তাগুলো মাথায় রেখেই বিদ্যমান র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে নতুন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গঠন করার আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেতাল বাজার থেকে পং মসূয়া পর্যন্ত সড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় চার কিলোমিটার। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত এবং খানাখন্দ দেখা যাচ্ছে। পর্যাপ্ত মাটি ও সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকার কারণে বৃষ্টির ফলে সড়কের পাশ দেবে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী এই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এটি একমাত্র সড়ক নয়, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার অধিকাংশ সড়কই বর্তমানে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এর ফলে যানবাহন চলাচলে সড়কগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
কটিয়াদী উপজেলায় ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে, যেখানে প্রায় তিন লাখ ৫১ হাজার মানুষের বসবাস। গত এক মাসে কয়েক দফা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আগে থেকেই নাজুক অবস্থায় থাকা সড়কগুলোর অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যথাযথ তদারকির অভাব এবং কিছু ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের দায়সারা ও নিম্নমানের কাজের কারণে সংস্কারের কয়েক মাসের মধ্যেই সড়কে আবারও খানাখন্দ সৃষ্টি হচ্ছে। তাদের দাবি, বরাদ্দ অনুযায়ী কাজের মান নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহিতা বাড়ানো প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, যদি কাজের মান পর্যবেক্ষণের জন্য তাদের যুক্ত করা হয়, তাহলে সড়কগুলো আরও টেকসই হতে পারে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেতাল বাজার থেকে পং মসূয়া বাজার, বানিয়াগ্রাম বাজার থেকে পাইকসা-অষ্টঘড়িয়া, মানিকখালী-গচিহাটা, করগাঁও রোড, বেতাল বাজার মাদ্রাসা রোড, মসূয়া-শিমুলকান্দি, বৈরাগীরচর গ্রাম, বাচ্চু মেম্বারের বাড়ি থেকে বৈরাগীরচর-কাজীরচর, অরিয়াধর-পাইকান, চরপুক্ষিয়া আতকাপাড়া থেকে পাইকান ব্রিজ এবং গচিহাটা-ধনকিপাড়া সড়ক প্রায় একই রকম বেহাল অবস্থায় রয়েছে।
এছাড়া পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডসহ ৯টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার অনেক সড়কের অবস্থাও নাজুক। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এসব সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সময় গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যায়, ফলে গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সড়ক বেহাল হওয়ার কারণে কৃষিপণ্য হাট-বাজারে নিয়ে যেতেও কৃষকদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
মসূয়া-বেতাল গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হান্নান মন্তব্য করেন, ‘সরকার যে টাকা দেয়, তা ঠিকমতো খরচ করলে রাস্তা ১০ বছরেও এভাবে নষ্ট হতো না। যে দেখার কথা, সে-ই যদি অনিয়ম করে, তাহলে ভালো কাজ হবে কীভাবে? সড়কে চলাচল করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছি।’
একই এলাকার মো. আসাদ মিয়া ও আব্দুল কুদ্দুস নামের দুই প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, ‘সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে গিয়ে ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। কৃষিপণ্য হাটে নিতে পরিবহন খরচও বেড়ে যায়। টেকসই কাজ না হলে এই সমস্যা শেষ হবে না।’
লোহাজুরী ইউনিয়নের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম সিরাজী বলেন, ‘আমাদের অনেক গ্রামের রাস্তা খানাখন্দে ভরা। মানুষের কষ্টের শেষ নেই। গ্রামের রাস্তা তৈরি বা মেরামতের ক্ষেত্রে সরকারের কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। পিচের পরিবর্তে পাথরের ব্লক দিয়ে রাস্তা করলে তা আরও টেকসই হতে পারে।’
কটিয়াদী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. এহেতেশামুল হক কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, ‘গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সড়কগুলো রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। আশা করছি, অনুমোদন পাওয়া গেলে কাজ বাস্তবায়ন শুরু করতে পারব। নতুন সড়কের কাজগুলো টেকসই করতে যথাযথ তদারকি করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকার বিদেশি শক্তির কাছে মাথা নত করবে না। তিনি উল্লেখ করেন, দিল্লির চাপের কাছে নতি স্বীকার করে সরকার পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি হচ্ছে জনগণের সরকার এবং জনগণের প্রদত্ত ম্যান্ডেট নিয়েই তারা দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। দেশের জনগণ জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু ও ন্যায়বিচার চায় এবং সরকার সেই বিচার নিশ্চিত করছে। অন্যায় ও অপরাধের সঙ্গে আপস করার কোনো সুযোগ নেই।
আওয়ামী লীগ সরকারের পূর্ববর্তী কূটনৈতিক নীতির সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকার ভারতকে স্বামী-স্ত্রী কিংবা রাখীবন্ধনের মতো সম্পর্ক তৈরির কথা বলত। তবে বাংলাদেশ ও ভারত দুটিই পৃথক ও স্বাধীন রাষ্ট্র। দিল্লির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে পারস্পরিক মূল্যবোধ, সম্মান ও ন্যায়নিষ্ঠার ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হবে।
ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, কোনো বিশেষ সরকার বা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে হবে।
তিনি দুই দেশের মধ্যে প্রকৃত পিপল-টু-পিপল বা জনগণ পর্যায়ে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনায় সৎসঙ্গের প্রতিষ্ঠাতা ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ১৩৯ তম আবির্ভাব দিবসটি বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে প্রার্থনা সভা, গঙ্গা স্নান ও ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প। এই আয়োজনটি সৎসঙ্গ বাংলাদেশের উদ্যোগে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে হিমাইতপুর বিশ্ববিজ্ঞান কেন্দ্র প্রাঙ্গণে ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের জন্মলগ্ন ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হয়।
এরপর, প্রতীকী গঙ্গাস্নান সম্পন্ন হওয়ার পর শহরের পাথরতলা ঠাকুরবাড়ি, সিটি কলেজ ও গোপালচন্দ্র ইনস্টিটিউট মাঠে বেদমাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন ভক্তরা। জন্মোৎসব উপলক্ষে পাবনা মানসিক হাসপাতালের রোগীদের মাঝে ফল ও মিষ্টান্ন বিতরণ করা হয়, এবং সাধারণ মানুষের জন্য মেডিক্যাল ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান করা হয়। এসব অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের কয়েক হাজার সৎসঙ্গী অংশগ্রহণ করেন।
প্রার্থনা সভা ও ঋত্বিক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সৎসঙ্গ বাংলাদেশের সভাপতি কুঞ্জবিহারী আদিত্য, সম্পাদক ধৃতব্রত আদিত্য, সহসম্পাদক সুব্রত আদিত্য, অমল চন্দ্র রায়, সৎসঙ্গ বাংলাদেশ ঢাকার সহসম্পাদক নিখিল মজুমদার, ডাক্তার সুব্রত রায় পিন্টু ও ডাক্তার সুদীপ চৌধুরীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ঠাকুর ভক্তরা।
সিলেট থেকে আসা ঠাকুর ভক্ত সুস্মিতা, শ্যামলী মজুমদার ও প্রদীপ কুমার বলেন, "কোনো ধর্ম বর্ণ আলাদা করে নয়, ঠাকুরের চাওয়া ছিলো সবাই যেনো ভালো থাকি। আজ ঠাকুরের ১৩৯ তম আবির্ভাব দিবসে আমাদের চাওয়াও একই। সারা বিশ্বের সব ধর্ম বর্ণের মানুষ যেনো একসঙ্গে ভালো থাকি। সবার মঙ্গল হোক।"
তারা আরও বলেন, "জন্মলগ্ন পালনের পর গঙ্গাস্নান, এই স্নানে যেনো আমাদের সকল পাপ ধুয়ে মুছে যায় এমন কামনা থাকে। একইসাথে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হচ্ছে, এ থেকে যেনো আমরা মুক্ত থাকি সেই কামনাও থাকবে ঠাকুরের কাছে।"
সৎসঙ্গ বাংলাদেশ ঢাকার সহ সম্পাদক নিখিল মজুমদার বলেন, "ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র ধর্ম বর্ণ ভেদ প্রথা বিরোধী ছিলেন, তিনি মানবতার জয়গান গেয়েছেন, খাঁটি মানুষের সন্ধান করেছেন। ঠাকুরের দীক্ষানুসারে খাঁটি মানুষ হতে পারলে মানবজীবন পূর্ণতা পাবে। ঠাকুরের দর্শন বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে সৎসঙ্গীরা কাজ করছেন।"
সৎসঙ্গ বাংলাদেশের সম্পাদক ধৃতব্রত আদিত্য বলেন, "ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র পাবনার হিমাইতপুরে জন্মগ্রহণ করেন। এ জায়গাটি ঠাকুরভক্তদের কাছে পুন্যভূমি। কিন্ত মানসিক হাসপাতালের প্রাঙ্গণে ঠাকুরের জন্মস্থান ও বিশ্ববিজ্ঞানকেন্দ্র অরক্ষিত পড়ে আছে। আমরা এখানে ঠাকুরের স্মৃতি রক্ষায় মন্দির প্রতিষ্ঠা করতে সরকারের সহায়তা চাই।"
১৩৯ বছর আগে মানবতার সাধক শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র পাবনার হিমাইতপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার বাণী দিয়ে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের মন জয় করেন। তাই এ মহাপুরুষের জন্মদিনকে ভক্তরা প্রতি বছর ঠাকুরের আবির্ভাব দিবস হিসেবে পালন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ওষুধ ও স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল স্বাস্থ্য, টিকা এবং স্বাস্থ্য নিরাপত্তার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চীনের হাইকোতে অনুষ্ঠিত ‘বিএফএ গ্লোবাল হেলথ ফোরাম ২০২৬ হাইকো কনফারেন্স’-এ বক্তৃতা দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য চারটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেন তিনি। এই অগ্রাধিকারগুলো হলো—ওষুধ ও স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল স্বাস্থ্য, সুস্থ বার্ধক্য এবং টিকা ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা।
বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের সক্ষমতা তুলে ধরে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের ওষুধ বর্তমানে প্রায় ১৬০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। তিনি চীনের বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ প্রবেশের সুযোগ আরও সহজ করার পাশাপাশি এপিআই উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, গবেষণা এবং স্মার্ট স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়নে দেশটির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং চিকিৎসা শিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে অনকোলজি, প্রিসিশন মেডিসিন, রোবোটিক সার্জারি, দীর্ঘমেয়াদি রোগ ব্যবস্থাপনা এবং দূরবর্তী রোগী পর্যবেক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকতে পারে।
এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
বয়স্ক জনগণের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টিও মন্ত্রীর বক্তব্যে গুরুত্ব পায়। তিনি বলেন, এশিয়ায় প্রবীণ জনগণের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পুনর্বাসন সেবা, সহায়ক প্রযুক্তি, জেরিয়াট্রিক সেবা এবং প্রবীণবান্ধব স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রয়োজন।
টিকা ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও দেশগুলোর যৌথ উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তার মতে, টিকা গবেষণা, উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘এশিয়ার স্বাস্থ্য খাতের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে আমরা সামনে কতটা ভালোভাবে সহযোগিতা করি, উদ্ভাবন করি এবং যৌথভাবে দায়িত্ব ভাগ করে নিই তার ওপর।’
এশিয়ার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।
সম্মেলনে চীনের ১৪তম জাতীয় গণরাজনৈতিক পরামর্শ সম্মেলনের জাতীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও হংকং বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের চতুর্থ প্রধান নির্বাহী লিয়াং চুন-ইংসহ চীন, লাওস, মিশর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ