ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড


জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

জামালপুরে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে আদালত স্বামীকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন। সেই সঙ্গে, এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

ওহারের রাজধানী জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদন্ডে দণ্ডিত আসামী আলাল সেক (৫৩) দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামের মো: মজর উদ্দিনের ছেলে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত রাজীব হোসেন (৩৮) একই উপজেলার বাঘারচর গ্রামের জসিজল হকের ছেলে। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানিয়েছে, দেওয়নগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামে ২০০৮ সালের ২৬ মে রাত থেকে ২৭ মে সকালের মধ্যে এক সময় আলাল সেক তার স্ত্রী নাইফুল বেগমকে যৌতুকের দাবিতে মারধর করেন, গুরুত্বর আহত করেন এবং পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেন। এই ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল খালেক ২০০৮ সালের ৫ জুন আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৯ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ রায় ঘোষণা করা হয়। আলাল সেক পলাতক থাকার কারণে তার অনুপস্থিতিতে রায় দেয়া হয়। রায়ে আলাল সেককে মৃত্যুদন্ড দেয়ার পাশাপাশি ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ডও প্রদান করা হয়। মামলায় আসামী পক্ষে কোন আইনজীবী উপস্থিত না ছিলেন। 

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন/ধানের শীষ নাকি দাঁড়িপাল্লা, কার ওপর আস্থা রাখছেন ভোটাররা

অপরদিকে, দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় রাজীব হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে একই আদালত। এই অর্থদন্ডের টাকা অনাদায়ে আসামির স্থাবর ও অস্থাবর জমিজমা বিক্রি করে ভিকটিমের বাবা ও মা কে দেয়ার জন্য আদেশ প্রদান করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, ২০১৫ সালের ৭ জুন গভীর রাতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাঘারচর গ্রামে ঘরের জানালা খুলে প্রতিবেশী রাজীব হোসেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর শয়নকক্ষে প্রবেশ করে। এক পর্যায়ে সে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর ডাক চিৎকারে পরিবার ও স্বজনরা উপস্থিত হলে রাজীব হোসেন হাতেনাতে ধরা পড়ে, তবে সে তাদের ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায়নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থী ২০১৫ সালের ১১ জুন দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। ৬ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আসামী রাজীব হোসেনের উপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। রায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। অর্থদন্ডের টাকা অনাদায়ে আসামির স্থাবর ও অস্থাবর জমিজমা বিক্রি করে সেই টাকা ভিকটিমকে দেয়ার জন্য আদেশ প্রদান করা হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন ফজলুল হক পি, পি, এবং আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে কৃষকদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


শেরপুরে কৃষকদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

শেরপুর সদর উপজেলায় কৃষকদের নিয়ে ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই কংগ্রেসে বিষ ও কীটনাশকমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থাপনা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বুধবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, শেরপুর এ কর্মসূচির আয়োজন করে। আইএফএডি ও বিশ্বব্যাংক-এর অর্থায়নে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের আওতায় এ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কৃষিবিদ মোঃ তৌফিক আহমদ, অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ অঞ্চল, ময়মনসিংহ ছিলেন। সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন কৃষিবিদ মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, শেরপুর।

অতিরিক্ত কৃষি অফিসার কৃষিবিদ নুসরাত জাহানের উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন ড. সালাউদ্দিন কায়সার, সিনিয়র মনিটরিং অফিসার, পার্টনার প্রোগ্রাম, ময়মনসিংহ অঞ্চল।

এছাড়া কৃষিবিদ বনানী দেবনাথ, অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, শেরপুর এবং কৃষক দল থেকে শফিকুল ইসলাম গোল্ডেনও বক্তব্য দেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষিবিদ মুসলিমা খানম নীলু, উপজেলা কৃষি অফিসার, শেরপুর সদর।

এ সময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, এই কংগ্রেসে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, কম খরচে চাষাবাদ এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি চারটি প্রদর্শনী স্টলে আধুনিক কৃষিপদ্ধতি ও বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদনের বিভিন্ন প্রযুক্তি তুলে ধরা হয়। অংশগ্রহণকারী কৃষকরা জানান, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা সঠিক মাত্রায় সার ও কীটনাশক ব্যবহার, উৎপাদন খরচ কমানো এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের কৌশল সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। কৃষিবিদ মুসলিমা খানম নীলু, উপজেলা কৃষি অফিসার, শেরপুর সদর, বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও প্রযুক্তি অন্যান্য কৃষকদের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে স্থায়ী ফার্মার সার্ভিস সেন্টার গড়ে তুলে কৃষকদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরাকের গোল নায়ক আয়মেনের অবিশ্বাস্য ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


ইরাকের গোল নায়ক আয়মেনের অবিশ্বাস্য ইতিহাস

৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেও ইরাকের স্বপ্নের শুরুটা ভালোভাবে হয়নি। নিজেদের প্রথম ম্যাচে তারা নরওয়ের কাছে ১-৪ গোলে পরাজিত হয়েছে। এই ম্যাচে নরওয়ের তারকা আর্লিং হাল্যান্ড জোড়া গোল করে আলোচনায় এসেছেন। তবে ইরাকের স্ট্রাইকার আয়মেন হুসেন একমাত্র গোল করে নজর কেড়েছেন পরাজয়ের মধ্যেও।

কেবল মাঠের পারফরম্যান্স নয়, নিজের জীবনের কঠিন বাস্তবতার কারণেও আলোচনায় ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলার। শৈশবে ভুগতে হয়েছিল তাকে ভয়াবহ ট্র্যাজেডির কারণে। ২০০৮ সালে, যখন তার বয়স মাত্র ১২ বছর, তখন আল-কায়েদার হামলায় নিহত হন তার বাবা, যিনি ছিলেন ইরাকি সেনাবাহিনীর সদস্য। এই ঘটনায় পরিবারের ওপর গভীর শোক নেমে আসে।

এর কিছুদিন পর আরো বড় এক আঘাত এসে পড়ে, যখন অপহরণ করা হয় তার ভাইকে, যার আজও কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরপর এই দুই বিপর্যয়ে আয়মেন ভেঙে পড়েছিলেন। এমনকি একসময় ফুটবল ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন, কারণ পরিবারের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন নিজের কাঁধে।

তবে, তার মা তাকে ভেঙে পড়তে দেননি। তিনি ফুটবল চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করেন, আর সেই উৎসাহ থেকেই আয়মেনের জীবনটা বদলে যায়। ধীরে ধীরে তিনি নিজেকে গড়ে তোলেন পেশাদার ফুটবলে। ২০১৩ সালে অভিষেকের পর তিনি ইরাক, তিউনিশিয়া, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মরক্কোর বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন।

বিশ্বকাপের মঞ্চে তার এই গোল শুধুমাত্র একটি ম্যাচের পরিসংখ্যান নয়, বরং এটি ইতিহাসের অংশও। ১৯৮৬ সালের পর এটিই প্রথম বিশ্বকাপে গোল পেল ইরাক, এবং সেই ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়েছেন আয়মেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুরে তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ পি.এম


জামালপুরে তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টরের কারাদণ্ড

এফএনএস (এস এম এ হালিম দুলাল; জামালপুর) : | প্রকাশ: ১৭ জুন, ২০২৬, ০৮:৪১ পিএম

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে এক তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন। এটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলা নং-২৫১/২০২৩, সূত্রঃ-দেওয়ানগঞ্জ থানার মামলা নং-০৭, তাং-১২/১২/২০১২ ইং এর জি. আর.নং-৩০৩(২)২০১২ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য প্রদানে অবহেলার দায়ে প্রদত্ত এই কারাদণ্ড। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১১(ক) ধারায় সাক্ষ্য না দেয়ার কারণে সাব-ইন্সপেক্টর মো. শফিকুল ইসলাম (বিপি নং-৫৭৭৬০০৯৮০) এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। এটি একটি স্ত্রী হত্যা মামলা, যেখানে সবোর্চ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড। মামলাটি ১৩ বছরের পুরাতন, এবং এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন তিনি। ২০১২ সালে দেওয়ানগঞ্জ থানায় গৃহবধূ হত্যা মামলায় বিচারক আদালতে একাধিকবার ০৯টি চিঠি জারি করেন সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য। কিন্তু আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও তিনি সাক্ষ্য দেননি এবং তার অনুপস্থিতির কারণও ব্যাখ্যা করেননি। ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম তাকে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ৪৮৫ ক ধারায় তাৎক্ষণিকভাবে ২৫০ টাকা জরিমানা করেন। কিন্তু এস.আই অনুপস্থিত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা পরিশোধ না করার কারণে আদালত তাকে পেনেল কোর্টের ৬৭ ধারায় ৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক এই রায়কে সমর্থন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী টুকু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী টুকু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন। তিনি টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও সেবার মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন, তিনি টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্যও। আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা থেকে সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ, বহির্ভাগ ও শৌচাগার পরিদর্শন করেন। তিনি এ সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালের সার্বিক সেবা, পরিচ্ছন্নতা, ওষুধ সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজ নেন। পরিদর্শনের সময় ৩৩৫ জন চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফের মধ্যে অর্ধশতাধিকের বেশি কর্মীকে অনুপস্থিত দেখতে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী। হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. কামরুল কিবরিয়াকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাৎক্ষণিকভাবে শোকজের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের জন্য সব ধরনের ছুটি বাতিলের নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, কারও যদি এখানে চাকরি করতে ইচ্ছে না হয়, তাহলে অন্য জায়গায় চলে যাবে। প্রতিমন্ত্রীর আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা তাকে ঘিরে ধরেন। তারা হাসপাতালের নানা অনিয়ম, ভোগান্তি, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য এবং কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন। এসব অভিযোগ শোনার পর প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি প্রায় পরিত্যক্ত ঘোষণার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের শৌচাগারের নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। পরে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাখ্যা চান এবং হাসপাতালকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢেলে সাজানোর নির্দেশ দেন। এ সময় তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন। হাসপাতালে কীভাবে মাদকসেবী ও বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ ঘটছে, সেই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি হাসপাতালের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশনা দেন। পরিচালককে উদ্দেশ্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হঠাৎ করে পরিদর্শনে আসার উদ্দেশ্যই ছিল প্রকৃত অবস্থা দেখা। আমরা এটাকে উন্নত করবো, জায়গা আছে। তবে ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে হবে। হাসপাতালে যদি নেশা বা মাদক গ্রহণের পরিবেশ থাকে, তাহলে সেটা আর হাসপাতাল থাকে না। এতে কেউ নিরাপদ নয়, রোগীরাও অনিরাপদ। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ঘিরে অনেক অনিয়মের অভিযোগ ছিল। আকস্মিক পরিদর্শনে এসে সেগুলোর সত্যতা পেয়েছি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অনিয়ম দূর করে মানুষের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করা হবে। যারা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভু রাম পাল ও টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রহণকারী কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%