ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নোয়াখালীতে ৯৭৯০ ইয়াবাসহ দুই পাচারকারী গ্রেপ্তার


নোয়াখালীতে ৯৭৯০ ইয়াবাসহ দুই পাচারকারী গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে ডিএনসি ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে ৯ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবাসহ মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ। এর আগে, নোয়াখালী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে দিবাগত রাত দেড়টা পর্যন্ত বেগমগঞ্জের চৌমুহনী বাস টার্মিনাল ও সোনাইমুড়ী বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের দক্ষিণ দুর্গাপুর এলাকার আব্দুল হক ওরফে আব্দুল্লাহ (২৮) ও নুরে আলম ওরফে চৌধুরী (৩০)।

ডিএনসি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা ও ফেনী থেকে মোটরসাইকেলে করে নোয়াখালীতে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে চৌমুহনী ও সোনাইমুড়ী এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়। পরে পৃথক অভিযানে দুইজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৯ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবা, দুটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে আব্দুল হকের কাছ থেকে ৫ হাজার ৮৭০ পিস এবং নুরে আলমের কাছ থেকে ৩ হাজার ৯২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ আরও বলেন, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বেগমগঞ্জ মডেল থানা ও সোনাইমুড়ী থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা দেখে ফেলায় শিশুকে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা দেখে ফেলায় শিশুকে হত্যা

১০ বছর বয়সের শিশু রাজু আহম্মেদ অটো ছিনতাইয়ের একটি ঘটনা দেখে ফেলেছিল। সেই ঘটনাটি গোপন রাখতে শিশুটিকে হত্যা করার ঘটনা ঘটে। এমনকি নিহত শিশুটির লাশ পানির সঙ্গে ভরা একটি ধানক্ষেতে পুঁতে রাখা হয়। পরে তিনদিন ধরে খোঁজাখুঁজি করার পর বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পুলিশের মাধ্যমে শিশুটির অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ঘটে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ররোয়া গ্রামে। নিহত রাজু আহম্মেদ ররোয়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে।

এই হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ররোয়া গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে মোস্তাকিম হোসেন (২৫) এবং তার সহযোগী মির্জাপুর বাজার এলাকার আব্দুল করিম (২২)।

এদিকে, এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরে এলাকায় জনসমাগমে ক্ষোভের জন্ম নেয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত মোস্তাকিমের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। জানা গেছে, ২ জুলাই ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য মোস্তাকিম ররোয়া গ্রামের একটি অটোরিকশা ছিনতাই করে। শিশুরা রাজু এই অটো ছিনতাইয়ের ঘটনাটি দেখে ফেলে। কিন্তু ছিনতাইয়ের তথ্য প্রকাশ হওয়ার আতঙ্কে ঘটনার একদিন পরই মোস্তাকিম এবং তার সহযোগীরা শিশুটিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। শেষে শিশুটিকে হত্যা করে, এবং মৃতদেহ গুম করানোর উদ্দেশ্যে তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের গাবরগাড়ী এলাকায় এক মাঠের ধানক্ষেতে পুঁতে রাখে।

রাজু নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার শেরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। একই সময়ে এলাকার অটো ছিনতাইয়ের ঘটনাটিও পুলিশ কর্তৃক নজরে আসে। উভয় ঘটনার গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ অটো ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মোস্তাকিমকে এবং ছিনতাই করা অটো কেনার অভিযোগে আব্দুল করিমকে আটক করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য বেরিয়ে আসে।

জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ শিশু রাজুর লাশের সন্ধান পায়। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাড়াশের গাবরগাড়ী এলাকার একটি জলাবদ্ধ জমিতে পুলিশ অভিযানের মাধ্যমে রাজুর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সেইসঙ্গে শিশু রাজুর এমন নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার এবং স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) জয়নুল আবেদীন জানান, শিশুটিকে কেন হত্যা করা হলো, অটো ছিনতাইয়ের ঘটনায় আর কারা ছিল এবং লাশ গুমের ঘটনায় অন্য কেউ সম্পৃক্ত আছে কি না, এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদি অন্য কেউ জড়িত থাকে তবে তাদেরকেও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। উদ্ধার হওয়া মৃতদেহের ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেহেরপুরে সাইবার মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


মেহেরপুরে সাইবার মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার কোমরপুর গ্রাম থেকে একজন সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলার পলাতক আসামি ওয়াসিম হালদারকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে, ডিবি পুলিশের একটি দল কোমরপুর গ্রামের একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। পরে তাকে সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলার পলাতক আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওয়াসিমের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। যদি সেখানে অনলাইন জুয়া বা অন্য কোনো সাইবার অপরাধের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তার বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা করা হবে।

ডিবি পুলিশের সূত্র জানায়, ওয়াসিম হালদার মুজিবনগর থানাতে দায়ের হওয়া সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি প্রদীপ কুমার সানা বলেন, মুজিবনগর থানার সাইবার সুরক্ষা আইনের আদালতে বিচারাধীন মামলার পলাতক আসামি ওয়াসিম হালদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ওসি আরও জানায়, তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। যদি সেখানে অনলাইন জুয়া বা অন্য কোনো সাইবার অপরাধের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তার বিরুদ্ধে নতুন করে সাইবার আইনে মামলা করা হবে। অন্যথায়, তাকে পূর্বের মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় জরুরি অভিযানের মাধ্যমে ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় জরুরি অভিযানের মাধ্যমে ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

শুক্রবার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার বিভিন্ন অপরাধের EPS সূচনায় তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে মো. শাকিল (২৩), মো. বাপ্পি (২৭), মো. আজিজুল শেখ আইদুল (৪০), মো. দিদার মিয়া (৩৯), মো. শরীফ (২৯), মো. তামিম মিয়া (২২), নূর মোহাম্মদ হাসান ওরফে মো. হাসান মিয়া (৩২), মো. সাদ্দাম হোসেন (৩০), মো. আবুল কাশেম (৫২), মো. রিফাত হোসেন মিমু (২৯), মো. সুমন (২৪), এবং সোহাগ আহম্মেদ।

পুলিশ জানাচ্ছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অপরাধে যুক্ত অপরাধী রয়েছে, যা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াধীন।

সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিরকুটে প্রশ্ন, মুখস্থ করে ফাঁস, নিট কেলেঙ্কারিতে তিন বিশেষজ্ঞের ভয়ংকর কৌশল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ পি.এম


চিরকুটে প্রশ্ন, মুখস্থ করে ফাঁস, নিট কেলেঙ্কারিতে তিন বিশেষজ্ঞের ভয়ংকর কৌশল

ভারতের বহুল আলোচিত নিট ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ফাঁসের ঘটনায় তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পরীক্ষার প্রশ্ন প্রস্তুতের দায়িত্বে থাকা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির তিন বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ প্রশ্ন মুখস্থ করে, চিরকুটে লিখে এবং পাঠ্যবইয়ের নির্দিষ্ট অংশ চিহ্নিত করে প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিলেন। সিবিআইয়ের চার্জশিটে এই বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির হাতে আসা সিবিআইয়ের ৯৪ পৃষ্ঠার চার্জশিটে প্রশ্ন ফাঁসের এই কৌশলের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।

জেনে নেওয়া যাক, যেভাবে প্রশ্ন ফাঁস করা হতো।

সিবিআইয়ের চার্জশিটে প্রশ্ন ফাঁসের মূল কারিগর হিসেবে তিন বিশেষজ্ঞকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা হলেন রসায়ন বিষয়ের পি ভি কুলকার্নি, উদ্ভিদবিজ্ঞানের মনীষা মান্ধারে এবং পদার্থবিজ্ঞানের মনীষা হাবালদার।

তদন্তে জানা যায়, ডিজিটাল নজরদারি এড়াতে তাঁরা প্রশ্ন ফাঁসের জন্য বেশ কয়েকটি কৌশল ব্যবহার করতেন। এনসিইআরটি পাঠ্যবইয়ের নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদ চিহ্নিত করে রাখা, চিরকুটে প্রশ্ন লিখে নেওয়া এবং সহজ প্রশ্নগুলো মুখস্থ করে রাখতেন তাঁরা।

তাদের কাজ শেষ হওয়ার পর, হোটেলে ফিরে মুখস্থ করা প্রশ্নগুলো খাতায় লিখে রাখা হতো। পরে এসব প্রশ্ন কোচিং সেন্টার ও দালালদের হাতে তুলে দেওয়া হতো বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

বিভাগীয় কাজের সুযোগে প্রশ্নগুলোর নাগাল পেতেন ওই তিন বিশেষজ্ঞ। চার্জশিট অনুযায়ী, পি ভি কুলকার্নি একাই তিন দিনে ১৩৫টি প্রশ্ন ফাঁস করেছিলেন বলেও বিএসআইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরবর্তী সময়ে গোপন কোচিং সেশনে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ওই প্রশ্নগুলো হাতে লিখিয়ে নেওয়ারও প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারীরা।

চার্জশিটে পরীক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ঘাটতির কথাও উঠে এসেছে।

তদন্তে বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞদের যাতায়াতের সময় সেখানে শারীরিক তল্লাশি বা মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা ছিল না। ফলে প্রশ্ন তৈরির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা কীভাবে প্রশ্ন নিয়ে বের হচ্ছেন, তা শনাক্ত করার কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না।

সিবিআইয়ের অভিযোগ অনুযায়ী, মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং নিজেদের পছন্দের কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীদের সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই অভিযুক্তরা প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

দেশজুড়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ভারতজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে দেশটির বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনও হয়।

এরই মধ্যে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত শুরু করে সিবিআই। তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালানো হয় এবং ডিজিটাল ডিভাইসসহ বিভিন্ন নথি জব্দ করা হয়।

মামলায় বর্তমানে ১৩ জন অভিযুক্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। সিবিআই দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে ২০ হাজার পৃষ্ঠার নথিপত্রসহ চার্জশিট জমা দিয়েছে। এতে ৩৬০ জন সাক্ষী ও ৪২২টি দাপ্তরিক নথি যুক্ত করা হয়েছে।

মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, হরিয়ানা ও দিল্লিসহ বিভিন্ন রাজ্যের ৯২টি স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে এবং কয়েকটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%