সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৫ পি.এম
ছোটবেলা থেকেই সাইকেলে চড়ে পবিত্র মক্কা নগরীতে গিয়ে হজ পালনের স্বপ্ন দেখতেন নরসিংদীর বেলাব উপজেলার তরুণ সজিব তালুকদার। এবার সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ৬টি দেশের মাধ্যমে প্রায় ৮ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মক্কায় পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন তিনি।
সজিব তালুকদার বেলাব উপজেলার সল্লাবাদ ইউনিয়নের ইব্রাহিমপুর গ্রামের তালুকদার বাড়ির সালাউদ্দিন তালুকদারের ছেলে। ভ্রমণের প্রতি ছোটবেলা থেকেই তার আগ্রহ ছিল। ইতিমধ্যে তিনি সাইকেলে দেশের ৬৪ জেলা ঘুরে দেখেছেন। পাশাপাশি ১৭টি দেশেও ভ্রমণ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইউটিউবে ভ্রমণের বিভিন্ন ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে তিনি ট্রাভেল ব্লগার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বেলাব উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে পবিত্র মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন সজিব। পথে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে স্বাগত জানান। রাতের বেলা নরসিংদী জেলা শহরে অবস্থান করে পরদিন ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি।
সজিবের পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিনি ভারত, পাকিস্তান, ইরাক, ইরান ও কুয়েত হয়ে সৌদি আরবে প্রবেশ করবেন। সব মিলিয়ে প্রায় ৮ হাজার কিলোমিটার পথ সাইকেলে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
সজিব তালুকদার বলেন, ‘ছোটবেলার স্বপ্ন পূরণ করতেই পরিবারের সহযোগিতায় সাইকেলে করে পবিত্র মক্কা নগরীতে হজ পালনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছি। ইতিমধ্যে তিনটি দেশের ভিসা পেয়েছি। অন্য দেশগুলোর ভিসার জন্য দূতাবাসে ই-মেইল করা হয়েছে।
আশা করছি, যাত্রাপথেই সেগুলো পেয়ে যাব।’
তিনি জানান, দীর্ঘ এই যাত্রার প্রস্তুতি হিসেবে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত সাইকেলে ভ্রমণ করেছেন। প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যয়ে সাইকেলটি বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। দীর্ঘ পথে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সঙ্গে তাঁবু, খাবার, ওষুধসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রাখা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
সজিব বলেন, ‘এলাকাবাসী, বন্ধু ও প্রবাসীদের কাছ থেকে পাওয়া উৎসাহই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। এই যাত্রার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের পতাকা ও দেশের সুনাম তুলে ধরতে চাই। পাশাপাশি প্লাস্টিক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং জ্বালানিমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব বাহন হিসেবে সাইকেলের গুরুত্ব তুলে ধরতে চাই।’
সজিবের বন্ধু রাজন বলেন, ছোটবেলা থেকেই সজিবের ভ্রমণের প্রতি আগ্রহ ছিল। দেশের বিভিন্ন জেলা সাইকেলে ঘুরেছেন তিনি। এবার পবিত্র হজের উদ্দেশ্যে তার এই যাত্রা সফল হোক—এটাই তাদের প্রত্যাশা।
স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সজিব আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় পবিত্র হজ পালনের নিয়ত করে সাইকেলে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। তার এই ইচ্ছা পূরণ হোক, আমরা দোয়া করি।’
সজিবের বাবা সালাউদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘ছেলের ভ্রমণের আগ্রহ দেখে কখনো তাকে নিরুৎসাহিত করিনি। সে দেশের বিভিন্ন জেলা সাইকেলে ঘুরেছে। এবার তার এই সিদ্ধান্ত ও মহৎ ইচ্ছাকে আমি স্বাগত জানিয়েছি। সে যেন নিরাপদে পথ পাড়ি দিয়ে হজ পালন করে আবার আমাদের কাছে ফিরে আসতে পারে, সেজন্য সবার কাছে দোয়া চাই।’
বেলাব উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজিজ সারতাজ জায়েদ বলেন, ‘সজিবের এই ব্যতিক্রমী ও সাহসী উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তরুণ প্রজন্মের অদম্য ইচ্ছাশক্তির এটি একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। তার দীর্ঘ সফর সফল ও নিরাপদ হোক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূজা চেরীর বিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে নানা জল্পনা। সম্প্রতি, নতুন করে তাঁর বিয়ের তারিখ নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে।
গুঞ্জন উঠেছে যে, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর নাকি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। তবে, পূজা সরাসরি এই খবরকে নাকচ করে দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনের বিষয়ে ভক্তদের সতর্ক করে তিনি বলেন, “অনুগ্রহ করে মিথ্যা ও ভুয়া খবর ছড়ানো বন্ধ করুন। বিয়ের তারিখ ও অন্যান্য সব কিছু আমি নিজেই আগে থেকে জানিয়ে দেব।”
চলতি বছরের মার্চে, নিজের ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পূজা জানিয়েছিলেন যে, তিনি ইতিমধ্যে ‘এনগেজড’। তবে, তাঁর জীবনসঙ্গী বিনোদন জগতের বাইরের একজন মানুষ বলেও উল্লেখ করেছিলেন।
সে সময় বাগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও হবু বর সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি পূজা। এমনকি বিয়ের নির্দিষ্ট তারিখও প্রকাশ করেননি।
এরপর, গত আগস্টে হঠাৎ করে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, গোপনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরে ফেলেছেন এই অভিনেত্রী। তখনও বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন পূজা। তিনি জানিয়েছিলেন, বিয়ে তাঁর জীবনের একটি বড় সিদ্ধান্ত এবং সেটি গোপনে করার কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই। সময় হলে সবাইকে জানিয়ে, উৎসবমুখর পরিবেশেই নতুন জীবন শুরু করতে চান তিনি।
এবার ১৬ সেপ্টেম্বর বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পরও পূজা চেরী একই অবস্থানে রয়েছেন। অভিনেত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বিয়ের তারিখ কিংবা আয়োজন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা তিনিই নিজে সবাইকে জানাবেন। ফলে, ১৬ সেপ্টেম্বর সত্যিই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন কি না, তা জানতে এখন অপেক্ষা করতে হবে পূজার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। কেউ যদি ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করেন, তাহলে ওই আসামির পক্ষে আর আপিল করার সুযোগ থাকবে না।
আইনে পরিষ্কার বলা আছে রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। পরবর্তী সময়ে আর কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না।
আজ নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। এসময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আবুল কালাম আযাদ (একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত) অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন। তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক আদেশে আপিল দায়েরের শর্তে তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলেছিল। সরকারের ওই আদেশ ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে বলা আছে, ৩০ দিন পর আর কোনো আপিল করা যাবে না। নির্বাহী আদেশের কোনো এখতিয়ার নেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনকে সুপারসিড (রদ করে বা অতিক্রম করে) করে কোনো আদেশ দেওয়ার। অতএব আবুল কালাম আযাদকে আপিল দায়েরের শর্তে আত্মসমর্পণের যে সুযোগ দিয়েছিল, এ অংশ ইললিগ্যাল, আনলফুল। কিন্তু আবুল কালাম আযাদের সাজা স্থগিতের বিষয়ে তাদের কোনো দ্বিমত নেই। সেটা সরকারের এখতিয়ার আছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আবুল কালাম আযাদকে এই ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি যেকোনো কারণেই হোক দীর্ঘদিন বাংলাদেশ থেকে অনুপস্থিত ছিলেন অথবা তিনি আপিলটা ফাইল করতে পারেননি বা করেননি। আইনে পরিষ্কার করে বলা আছে, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। আইনে এটাও বলা আছে, যদি ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা না যায়, তাহলে পরবর্তী সময়ে আর কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না। সেটা যে কারও আপিলই হোক। সেটা হোক শেখ হাসিনার, সেটা হোক আবুল কালাম আযাদের, অর্থাৎ যেকোনো পলাতক আসামি অথবা যারা জেলে আছেন তাকে অবশ্যই আপিলটা করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে। কেউ যদি ৩০ দিনের মধ্যে এসে আপিল না করেন, তাহলে ওই আসামির পক্ষে আর আপিল (করার) দায়েরের সুযোগ থাকবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অটোরিকশার কারণে বছরে ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতির তথ্য তুলে ধরেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা, যানজট, পরিবেশ দূষণ এবং সরকারি রাজস্ব—এই সব ক্ষেত্রেই চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারের কারণে। দেশে আনুমানিক ৫০ থেকে ৮০ লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার চলাচল করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, এসব যানবাহনের বিপুল বিদ্যুৎ চাহিদা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ বা তারও বেশি হতে পারে। তিনি সংসদে উল্লেখ করেছেন যে, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার ফলে বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কার্যপ্রণালি-বিধির ৭১ বিধিতে দেওয়া জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের জবাবে এসব তথ্য উপস্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ‘নিয়ন্ত্রণহীন অটোরিকশা চলাচল প্রসঙ্গে’ এই নোটিশটি দেন সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪-এর সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু।
নোটিশে রেহানা আক্তার রানু বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ট্রাফিক ক্যামেরা স্থাপনের পর লালবাতি অমান্য, লেন পরিবর্তন এবং নির্ধারিত গতিসীমা লঙ্ঘনের মতো অনিয়ম কমেছে। তবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলি এখনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া চলাচল করছে। নাম্বার প্লেট না থাকার কারণে এআই ক্যামেরায় শনাক্ত হলেও জরিমানা করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি জানান, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর ১৭টি সিগন্যালে বর্তমানে ৫০টি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে।
এসব ক্যামেরা যানবাহনের নাম্বার প্লেট শনাক্ত করে কেন্দ্রীয় সার্ভারে তথ্য পাঠায় এবং পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানা করা হয়। কিন্তু বিপুলসংখ্যক নাম্বার প্লেটবিহীন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা যাচ্ছে না।
নোটিশে রেহানা আক্তার রানু আরও বলেন, অটোরিকশা তুলনামূলক সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ বাহনে পরিণত হয়েছে। ফলে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব যানবাহনের কাঠামোগত ত্রুটি দূর করা প্রয়োজন এবং প্রধান সড়কে বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণ করাও জরুরি।
তিনি অটোরিকশায় নাম্বার প্লেট সংযোজন, চালকদের প্রশিক্ষণ এবং লাইসেন্সের আওতায় আনা এবং প্রধান সড়ক থেকে এসব যান সরিয়ে অভ্যন্তরীণ সড়কে চলাচলের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গত এক দশকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ইজিবাইক এবং অনুরূপ বৈদ্যুতিক তিন চাকার যান নগর ও গ্রামীণ পরিবহন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। কম ভাড়া, সহজলভ্যতা এবং স্বল্প দূরত্বে দ্রুত যাতায়াতের কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে এসব যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে দ্রুত এবং অনেকাংশে অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারের কারণে এ খাত এখন বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিপুলসংখ্যক যান একসঙ্গে চার্জ দেওয়ার ফলে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। অনুমোদিত বা আবাসিক বিদ্যুৎ সংযোগের বাণিজ্যিক ব্যবহার, ট্রান্সফর্মার ও বিতরণ লাইনে বাড়তি লোড এবং পিক সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর রাণীনগরে ৯ বছর বয়সী একটি শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ৭০ বছর বয়সী মোজাম্মেল হক মোজা নামের এক বৃদ্ধকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে দিয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পারইল বাজারে এই ঘটনা ঘটে।
আটক হওয়া মোজাম্মেল উপজেলার পারইল গ্রামের মৃত আব্দুল প্রামাণিকের পুত্র। শিশুটির মা ও স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্কুলে যাওয়ার সময় সহপাঠীদের সাথে পারইল বাজারে খাবার কিনতে যায় সে। এ সময় তার সহপাঠীরা ফিরে গেলেও মোজাম্মেল তাকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
শিশুটি চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে এবং মোজাম্মেলকে আটক করে। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে বৃদ্ধ মোজাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। রাণীনগর থানার ওসি জাকারিয়া মন্ডল জানিয়েছেন, শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় স্থানীয়রা মোজাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ