সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৬ পি.এম
অটোরিকশার কারণে বছরে ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতির তথ্য তুলে ধরেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা, যানজট, পরিবেশ দূষণ এবং সরকারি রাজস্ব—এই সব ক্ষেত্রেই চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারের কারণে। দেশে আনুমানিক ৫০ থেকে ৮০ লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার চলাচল করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, এসব যানবাহনের বিপুল বিদ্যুৎ চাহিদা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ বা তারও বেশি হতে পারে। তিনি সংসদে উল্লেখ করেছেন যে, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার ফলে বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কার্যপ্রণালি-বিধির ৭১ বিধিতে দেওয়া জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের জবাবে এসব তথ্য উপস্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ‘নিয়ন্ত্রণহীন অটোরিকশা চলাচল প্রসঙ্গে’ এই নোটিশটি দেন সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪-এর সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু।
নোটিশে রেহানা আক্তার রানু বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ট্রাফিক ক্যামেরা স্থাপনের পর লালবাতি অমান্য, লেন পরিবর্তন এবং নির্ধারিত গতিসীমা লঙ্ঘনের মতো অনিয়ম কমেছে। তবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলি এখনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া চলাচল করছে। নাম্বার প্লেট না থাকার কারণে এআই ক্যামেরায় শনাক্ত হলেও জরিমানা করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি জানান, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর ১৭টি সিগন্যালে বর্তমানে ৫০টি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে।
এসব ক্যামেরা যানবাহনের নাম্বার প্লেট শনাক্ত করে কেন্দ্রীয় সার্ভারে তথ্য পাঠায় এবং পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানা করা হয়। কিন্তু বিপুলসংখ্যক নাম্বার প্লেটবিহীন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা যাচ্ছে না।
নোটিশে রেহানা আক্তার রানু আরও বলেন, অটোরিকশা তুলনামূলক সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ বাহনে পরিণত হয়েছে। ফলে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব যানবাহনের কাঠামোগত ত্রুটি দূর করা প্রয়োজন এবং প্রধান সড়কে বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণ করাও জরুরি।
তিনি অটোরিকশায় নাম্বার প্লেট সংযোজন, চালকদের প্রশিক্ষণ এবং লাইসেন্সের আওতায় আনা এবং প্রধান সড়ক থেকে এসব যান সরিয়ে অভ্যন্তরীণ সড়কে চলাচলের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গত এক দশকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ইজিবাইক এবং অনুরূপ বৈদ্যুতিক তিন চাকার যান নগর ও গ্রামীণ পরিবহন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। কম ভাড়া, সহজলভ্যতা এবং স্বল্প দূরত্বে দ্রুত যাতায়াতের কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে এসব যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে দ্রুত এবং অনেকাংশে অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারের কারণে এ খাত এখন বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিপুলসংখ্যক যান একসঙ্গে চার্জ দেওয়ার ফলে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। অনুমোদিত বা আবাসিক বিদ্যুৎ সংযোগের বাণিজ্যিক ব্যবহার, ট্রান্সফর্মার ও বিতরণ লাইনে বাড়তি লোড এবং পিক সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর রাণীনগরে ৯ বছর বয়সী একটি শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ৭০ বছর বয়সী মোজাম্মেল হক মোজা নামের এক বৃদ্ধকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে দিয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পারইল বাজারে এই ঘটনা ঘটে।
আটক হওয়া মোজাম্মেল উপজেলার পারইল গ্রামের মৃত আব্দুল প্রামাণিকের পুত্র। শিশুটির মা ও স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্কুলে যাওয়ার সময় সহপাঠীদের সাথে পারইল বাজারে খাবার কিনতে যায় সে। এ সময় তার সহপাঠীরা ফিরে গেলেও মোজাম্মেল তাকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
শিশুটি চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে এবং মোজাম্মেলকে আটক করে। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে বৃদ্ধ মোজাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। রাণীনগর থানার ওসি জাকারিয়া মন্ডল জানিয়েছেন, শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় স্থানীয়রা মোজাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হামের টিকা কেনা হয়নি, এই খাতের বরাদ্দের অর্থ কোথায় ব্যয় করেছে অন্তর্বর্তী সরকার—এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর কাছে এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চান।
এমপি মো. সেলিমুজ্জামান বলেন, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৯ মাসে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কোনও পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সঠিক সময়ে হামের টিকা সংগ্রহ না করার কারণে দেশে অনেক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। অথচ অন্তবর্তীকালীন সরকার ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থ-বছরের বাজেট বরাদ্দের অধিকাংশ অর্থই ব্যয় করেছে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ কত ছিল; সেই অর্থ কোথায় ব্যয় করা হয়েছে?
জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিগত দুই অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের জন্য মোট বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী জানান, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে এবং স্বাস্থ্যসেবা বজায় রাখতে মোট ৪১ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে জাতীয় উন্নয়নে স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্ব বিবেচনা করে বরাদ্দ বাড়িয়ে মোট ৪১ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। বরাদ্দকৃত অর্থের খাতভিত্তিক ব্যয়ের বিবরণে দেখা যায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থ মূলত দুটি প্রধান খাতে ব্যয় করা হয়েছে।
পরিচালন খাতের মধ্যে রয়েছে চিকিৎসাকেন্দ্র ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা প্রদান।
সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ করা হয়। চিকিৎসা অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রশাসনিক খরচও এই খাতে অন্তর্ভুক্ত।
উন্নয়ন খাতে নতুন হাসপাতাল ভবন ও বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র নির্মাণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়। আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংগ্রহের পাশাপাশি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-এর মাধ্যমে শিশুদের হাম, রুবেলাসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধক টিকার সংগ্রহ ও দেশব্যাপী বিতরণ করা হয়।
স্বাস্থ্য খাতের জনবলকে দক্ষ করতে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও উচ্চতর শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তানজীব সারোয়ার কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই সুখবরটি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন।
তানজীব সারোয়ার একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। কন্যাসন্তানের বাবা হলাম।’
নতুন অতিথির আগমনে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এই সংগীতশিল্পী আরও লেখেন, ‘সন্তান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ রহমত ও বরকত।
আমাদের ঘরে রহমতের ফেরেশতা ও আলো হয়ে এসেছে আমাদের ছোট্ট রাজকন্যা।’
মেয়ের আগমনের এই আনন্দময় মুহূর্তে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন তানজীব। তিনি লেখেন, ‘সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি কৃষক কার্ড দেওয়ার কর্মসূচিতে বাগেরহাটে প্রথম দফায় ৯ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ইউনিয়নের ২৬ হাজার ৩৩৮ জন কৃষক কৃষক কার্ড পাবেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি মাসের ১৭ তারিখ কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্ভোধন করবেন।
বিএনপি সরকারের আমলে ৫ বছরে পর্যায়ক্রমে জেলায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ৩২৮ জন কৃষক কৃষক কার্ড পাবেন।
বিএনপি’র নির্বাচনী বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির মধ্যে অন্যতম ছিল ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড। এরই ধারাবাহিকতায় বাগেরহাটে ৯টি ইউনিয়নের ২৬ হাজার ৩৩৮ জন কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়ার জন্য শনাক্ত করা হয়েছে।
বাগেরহাট কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কৃষকদের সুবিধার লক্ষ্যে ৯ উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নকে কয়েকটি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ব্লকের (এরিয়া) জরিপের কাজ চলমান রয়েছে।
কৃষি অধিদপ্তর বাগেরহাটের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক অপুর্ব লাল সরকার বাসসকে জানান, প্রথম দফায় তাদের টার্গেট রয়েছে ৩১ হাজার ৩৭৪ জন। ইতোমধ্যে ২৬ হাজার ৩৩৮ জনের তথ্য সংগ্রহ হলেও বাকিটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে, যার তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
প্রথম ব্লকের জরিপের তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন ইউনিয়নগুলো হচ্ছে, বাগেরহাট সদর উপজেলার রনজিতপুর, চুলকাঠি ও খানপুর। ফকিরহাট উপজেলার দেয়াপাড়া, কাঠালতলা ও সিংগাতী। মোল্লাহাট উপজেলার চুনখোলা, শাসন ও কাচনা। রামপাল উপজেলার ইসলামাবাদ, গিলাতলা, বাশতলী। কচুয়া উপজেলার বাধাল, সাংদিয়া, পিংগরিয়া। মোড়েলগঞ্জ উপজেলার চালিতাবুনিয়া ও খাওলিয়া। শরনখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা, গোলবুনিয়া, নলবুনিয়া। মোংলা উপজেলার চিলা, জয়মনি, হলদিবুনিয়া। চিতলমারী উপজেলার চরডাকাতিয়া ও চরবানিয়ারী।
কৃষি দপ্তর আরও জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত ৭ সদস্যের কমিটির সদস্যরা ৯ টি ইউনিয়নের ২৬ হাজার ৩৩৮ জন কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়ার জন্য বাছাই করেছেন। এরইমধ্যে এ কমিটির সদস্যরা ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ২৬ হাজার ৩৩৮ জন কৃষকের নাম চূড়ান্ত করে তালিকা ব্যাংকে পাঠিয়েছে।
কার্ডপ্রাপ্ত কৃষকরা জনতা, সোনালী ও কৃষি ব্যাংক থেকে বার্ষিক অনুদানের অর্থ পাবেন। বছরে আড়াই হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন প্রত্যেক কৃষক।
কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী কার্ডধারী কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে সেচ, প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি, রোগ বালাই দমনে পরামর্শ, কৃষি পণ্য বিক্রির সুবিধা, কৃষি বীমা প্রশিক্ষণ, ভর্তুকি-প্রণোদনা, ঋণ ও কৃষি উপকরণ পাবেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাগেরহাটের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. মোতাহার হোসেন বাসসকে বলেন, ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকরা কার্ড পাবেন। এটি ডেবিট কার্ড হিসেবে গণ্য হবে। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রতিবছর কৃষকরা আড়াই হাজার টাকা করে সরকারি অনুদান পাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বাসসকে জানান, চলতি মাসের ১৭ সেপ্টেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্ভোধন করবেন। ওইদিন অনলাইনের মাধ্যমে বাগেরহাট জেলার উপকূলীয় অঞ্চল রামপাল উপজেলা যুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে কৃষকের জীবন ও জীবিকা প্রকৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসসহ নানা প্রাকৃতিক ঝুঁকির মধ্যেও জেলার কৃষকরা ধান, সবজি, ফলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য উৎপাদন করে আসছেন। ফলে কৃষকদের জন্য সরাসরি আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, সেচ, কৃষি উপকরণ, রোগবালাই দমনে ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ ও বাজারসংযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ