সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৯ পি.এম
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূজা চেরীর বিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে নানা জল্পনা। সম্প্রতি, নতুন করে তাঁর বিয়ের তারিখ নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে।
গুঞ্জন উঠেছে যে, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর নাকি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। তবে, পূজা সরাসরি এই খবরকে নাকচ করে দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনের বিষয়ে ভক্তদের সতর্ক করে তিনি বলেন, “অনুগ্রহ করে মিথ্যা ও ভুয়া খবর ছড়ানো বন্ধ করুন। বিয়ের তারিখ ও অন্যান্য সব কিছু আমি নিজেই আগে থেকে জানিয়ে দেব।”
চলতি বছরের মার্চে, নিজের ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পূজা জানিয়েছিলেন যে, তিনি ইতিমধ্যে ‘এনগেজড’। তবে, তাঁর জীবনসঙ্গী বিনোদন জগতের বাইরের একজন মানুষ বলেও উল্লেখ করেছিলেন।
সে সময় বাগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও হবু বর সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি পূজা। এমনকি বিয়ের নির্দিষ্ট তারিখও প্রকাশ করেননি।
এরপর, গত আগস্টে হঠাৎ করে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, গোপনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরে ফেলেছেন এই অভিনেত্রী। তখনও বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন পূজা। তিনি জানিয়েছিলেন, বিয়ে তাঁর জীবনের একটি বড় সিদ্ধান্ত এবং সেটি গোপনে করার কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই। সময় হলে সবাইকে জানিয়ে, উৎসবমুখর পরিবেশেই নতুন জীবন শুরু করতে চান তিনি।
এবার ১৬ সেপ্টেম্বর বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পরও পূজা চেরী একই অবস্থানে রয়েছেন। অভিনেত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বিয়ের তারিখ কিংবা আয়োজন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা তিনিই নিজে সবাইকে জানাবেন। ফলে, ১৬ সেপ্টেম্বর সত্যিই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন কি না, তা জানতে এখন অপেক্ষা করতে হবে পূজার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। কেউ যদি ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করেন, তাহলে ওই আসামির পক্ষে আর আপিল করার সুযোগ থাকবে না।
আইনে পরিষ্কার বলা আছে রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। পরবর্তী সময়ে আর কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না।
আজ নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। এসময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আবুল কালাম আযাদ (একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত) অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন। তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক আদেশে আপিল দায়েরের শর্তে তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলেছিল। সরকারের ওই আদেশ ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে বলা আছে, ৩০ দিন পর আর কোনো আপিল করা যাবে না। নির্বাহী আদেশের কোনো এখতিয়ার নেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনকে সুপারসিড (রদ করে বা অতিক্রম করে) করে কোনো আদেশ দেওয়ার। অতএব আবুল কালাম আযাদকে আপিল দায়েরের শর্তে আত্মসমর্পণের যে সুযোগ দিয়েছিল, এ অংশ ইললিগ্যাল, আনলফুল। কিন্তু আবুল কালাম আযাদের সাজা স্থগিতের বিষয়ে তাদের কোনো দ্বিমত নেই। সেটা সরকারের এখতিয়ার আছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আবুল কালাম আযাদকে এই ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি যেকোনো কারণেই হোক দীর্ঘদিন বাংলাদেশ থেকে অনুপস্থিত ছিলেন অথবা তিনি আপিলটা ফাইল করতে পারেননি বা করেননি। আইনে পরিষ্কার করে বলা আছে, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। আইনে এটাও বলা আছে, যদি ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা না যায়, তাহলে পরবর্তী সময়ে আর কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না। সেটা যে কারও আপিলই হোক। সেটা হোক শেখ হাসিনার, সেটা হোক আবুল কালাম আযাদের, অর্থাৎ যেকোনো পলাতক আসামি অথবা যারা জেলে আছেন তাকে অবশ্যই আপিলটা করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে। কেউ যদি ৩০ দিনের মধ্যে এসে আপিল না করেন, তাহলে ওই আসামির পক্ষে আর আপিল (করার) দায়েরের সুযোগ থাকবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অটোরিকশার কারণে বছরে ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতির তথ্য তুলে ধরেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা, যানজট, পরিবেশ দূষণ এবং সরকারি রাজস্ব—এই সব ক্ষেত্রেই চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারের কারণে। দেশে আনুমানিক ৫০ থেকে ৮০ লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার চলাচল করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, এসব যানবাহনের বিপুল বিদ্যুৎ চাহিদা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ বা তারও বেশি হতে পারে। তিনি সংসদে উল্লেখ করেছেন যে, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার ফলে বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কার্যপ্রণালি-বিধির ৭১ বিধিতে দেওয়া জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের জবাবে এসব তথ্য উপস্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ‘নিয়ন্ত্রণহীন অটোরিকশা চলাচল প্রসঙ্গে’ এই নোটিশটি দেন সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪-এর সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু।
নোটিশে রেহানা আক্তার রানু বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ট্রাফিক ক্যামেরা স্থাপনের পর লালবাতি অমান্য, লেন পরিবর্তন এবং নির্ধারিত গতিসীমা লঙ্ঘনের মতো অনিয়ম কমেছে। তবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলি এখনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া চলাচল করছে। নাম্বার প্লেট না থাকার কারণে এআই ক্যামেরায় শনাক্ত হলেও জরিমানা করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি জানান, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর ১৭টি সিগন্যালে বর্তমানে ৫০টি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে।
এসব ক্যামেরা যানবাহনের নাম্বার প্লেট শনাক্ত করে কেন্দ্রীয় সার্ভারে তথ্য পাঠায় এবং পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানা করা হয়। কিন্তু বিপুলসংখ্যক নাম্বার প্লেটবিহীন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা যাচ্ছে না।
নোটিশে রেহানা আক্তার রানু আরও বলেন, অটোরিকশা তুলনামূলক সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ বাহনে পরিণত হয়েছে। ফলে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব যানবাহনের কাঠামোগত ত্রুটি দূর করা প্রয়োজন এবং প্রধান সড়কে বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণ করাও জরুরি।
তিনি অটোরিকশায় নাম্বার প্লেট সংযোজন, চালকদের প্রশিক্ষণ এবং লাইসেন্সের আওতায় আনা এবং প্রধান সড়ক থেকে এসব যান সরিয়ে অভ্যন্তরীণ সড়কে চলাচলের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গত এক দশকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ইজিবাইক এবং অনুরূপ বৈদ্যুতিক তিন চাকার যান নগর ও গ্রামীণ পরিবহন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। কম ভাড়া, সহজলভ্যতা এবং স্বল্প দূরত্বে দ্রুত যাতায়াতের কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে এসব যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে দ্রুত এবং অনেকাংশে অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারের কারণে এ খাত এখন বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিপুলসংখ্যক যান একসঙ্গে চার্জ দেওয়ার ফলে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। অনুমোদিত বা আবাসিক বিদ্যুৎ সংযোগের বাণিজ্যিক ব্যবহার, ট্রান্সফর্মার ও বিতরণ লাইনে বাড়তি লোড এবং পিক সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর রাণীনগরে ৯ বছর বয়সী একটি শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ৭০ বছর বয়সী মোজাম্মেল হক মোজা নামের এক বৃদ্ধকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে দিয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পারইল বাজারে এই ঘটনা ঘটে।
আটক হওয়া মোজাম্মেল উপজেলার পারইল গ্রামের মৃত আব্দুল প্রামাণিকের পুত্র। শিশুটির মা ও স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্কুলে যাওয়ার সময় সহপাঠীদের সাথে পারইল বাজারে খাবার কিনতে যায় সে। এ সময় তার সহপাঠীরা ফিরে গেলেও মোজাম্মেল তাকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
শিশুটি চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে এবং মোজাম্মেলকে আটক করে। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে বৃদ্ধ মোজাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। রাণীনগর থানার ওসি জাকারিয়া মন্ডল জানিয়েছেন, শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় স্থানীয়রা মোজাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হামের টিকা কেনা হয়নি, এই খাতের বরাদ্দের অর্থ কোথায় ব্যয় করেছে অন্তর্বর্তী সরকার—এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর কাছে এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চান।
এমপি মো. সেলিমুজ্জামান বলেন, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৯ মাসে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কোনও পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সঠিক সময়ে হামের টিকা সংগ্রহ না করার কারণে দেশে অনেক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। অথচ অন্তবর্তীকালীন সরকার ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থ-বছরের বাজেট বরাদ্দের অধিকাংশ অর্থই ব্যয় করেছে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ কত ছিল; সেই অর্থ কোথায় ব্যয় করা হয়েছে?
জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিগত দুই অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের জন্য মোট বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী জানান, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে এবং স্বাস্থ্যসেবা বজায় রাখতে মোট ৪১ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে জাতীয় উন্নয়নে স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্ব বিবেচনা করে বরাদ্দ বাড়িয়ে মোট ৪১ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। বরাদ্দকৃত অর্থের খাতভিত্তিক ব্যয়ের বিবরণে দেখা যায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থ মূলত দুটি প্রধান খাতে ব্যয় করা হয়েছে।
পরিচালন খাতের মধ্যে রয়েছে চিকিৎসাকেন্দ্র ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা প্রদান।
সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ করা হয়। চিকিৎসা অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রশাসনিক খরচও এই খাতে অন্তর্ভুক্ত।
উন্নয়ন খাতে নতুন হাসপাতাল ভবন ও বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র নির্মাণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়। আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংগ্রহের পাশাপাশি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-এর মাধ্যমে শিশুদের হাম, রুবেলাসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধক টিকার সংগ্রহ ও দেশব্যাপী বিতরণ করা হয়।
স্বাস্থ্য খাতের জনবলকে দক্ষ করতে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও উচ্চতর শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ