বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:২৩ এম
ভারতের অন্যতম প্রাচীন ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামার প্রিন্সিপাল, প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও আরবি ভাষাবিশেষজ্ঞ মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্ন ইলাইহি রজিউন। বুধবার (৮ অক্টোবর) ৯২ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন।
দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রশাসক ও গবেষক—বিভিন্ন ভূমিকায় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এই বরেণ্য আলেম।
নাদওয়াতুল উলামার পাশাপাশি, লখনৌর ইন্টিগ্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে একজন এবং প্রথম চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আরবি সাহিত্যে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৪ সালে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ‘প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়।
১৯৩৪ সালে ভারতের মৌতে জন্মগ্রহণ করেন মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভি। উচ্চশিক্ষার জন্য ১৯৫২ সালে লখনৌর দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামায় ভর্তি হন। প্রতিষ্ঠানের প্রবীণ আলেমদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণের পর সেখানেই শিক্ষকতা শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে আরবি বিভাগের প্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ একাধিক একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরবি ভাষা, সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন। নাদওয়াতুল উলামা থেকে প্রকাশিত আরবি মাসিক ‘আল-বাসুল ইসলামি’-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৭৯ সাল থেকে পত্রিকাটির সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তা ছাড়া ‘আর-রায়িদ’ পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে দীর্ঘ সময় যুক্ত ছিলেন তিনি।
শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন সময়ে সম্মাননায় ভূষিত হন তিনি। ২০১৩ সালে নিউ দিল্লির ইনস্টিটিউট অব অবজেক্টিভ স্টাডিজ তাকে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে। ২০১৯ সালে লখনৌর খাজা মইনুদ্দিন চিশতি ল্যাঙ্গুয়েজ ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি সম্মানসূচক ডকটর অব লেটার্স (ডি. লিট) ডিগ্রি লাভ করেন।
ভারতে বসবাসকারী মুসলমানদের ধর্মীয় আইন নিয়ে কাজ করা প্রাচীনত সংগঠন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন ছিলেন সাঈদুর রহমান আজমি নদভি। তিনি এই সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন।
মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমী নাদভী ছিলেন একজন বহুমাত্রিক লেখক। আরবি ও উর্দু ভাষায় তিনি বহু গ্রন্থ ও গবেষণামূলক প্রবন্ধ রচনা করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে— আরবি শব্দরূপতত্ত্ব বা সরফ বিষয়ে লেখা ‘ইলমুত তাসরিফ’, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ নিয়ে গবেষণামূলক গ্রন্থ ‘উসওয়ায়ে হাসানা কে আইনে মে’, ইসলামী সংস্কৃতি ও নাদওয়াতুল উলামার অবদান নিয়ে লেখা গ্রন্থ ‘ইসলামী সাকাফাত আওর নাদওয়াতুল উলামা’, ইসলাম ও পাশ্চাত্য নিয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণ ‘ইসলাম আওর মাগরিব’ এবং জীবনীমূলক স্মারকগ্রন্থ ‘তাজকেরা মাওলানা হাকিম আজিজুর রহমান আজমী’।
জ্ঞানচর্চা, ইসলামী শিক্ষা, আরবি ভাষা ও সাহিত্য এবং সাংবাদিকতায় দীর্ঘ কর্মজীবনে মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভি যে অবদান রেখে গেছেন, তা ভারতীয় উপমহাদেশের ইসলামী বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপাল সরকার বুধবার নিখোঁজ ব্যক্তিদের মৃত ঘোষণা করার জন্য বিদ্যমান আইনের সংশোধনের উদ্দেশ্যে একটি অধ্যাদেশ জারির সুপারিশ করেছে। সিংহ দরবারে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুর্যোগ–সম্পর্কিত কিছু আইন সংশোধন এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের মৃত ঘোষণা করার ক্ষেত্রে আইনি বাধা দূর করতে নতুন বিধান যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই নিউজের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের মুখপাত্র ও শিক্ষামন্ত্রী অসমিত পোখরেল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, "বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করতে হলে তাকে ১২ বছর ধরে নিখোঁজ থাকতে হয়। ভোতেকোশি বন্যার পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সময় ৪৫ দিনে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"
গত ২৬ আগস্ট নেপালে একটি ‘হিমালয়ান সুনামি’ আঘাত হানে। পাথর ও বরফ ধসে এই ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন। এখনও ৬ হাজারের বেশি মানুষের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় নিখোঁজদের সন্ধান ও উদ্ধারের কাজ চলছে। বন্যার ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে ৭০ হাজারের বেশি মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অনেকেই ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। আগস্টের বন্যায় তিব্বতের সীমান্তবর্তী উঁচু পাহাড়ি ঢালের বসতিগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হঠাৎ হিমবাহের পানি বেরিয়ে আসার পর বন্যার স্রোত আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ওই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ বসতি তিমুরে ও সিয়াফ্রু বেসি আকস্মিক বন্যায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।
অবকাঠামো পুনর্গঠনে প্রায় ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই কাজ শেষ হতে অন্তত ১০ বছর সময় লাগতে পারে। গত ২৬ আগস্ট সকালে রাসুয়া জেলার নদীর তীরবর্তী বসতিগুলোতে বন্যা আঘাত হানে। পরে দ্রুত আশপাশের নুয়াকোট ও ধাদিংসহ অন্যান্য এলাকাতেও বন্যা ছড়িয়ে পড়ে।
বন্যায় অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চালু থাকা আটটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, যার মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২৮ মেগাওয়াট, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নির্মাণাধীন আরো চারটি প্রকল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব প্রকল্পের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৩৮৮ মেগাওয়াট। ফলে মোট ৪৩১ দশমিক ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাহত হয়েছে। গালছি-বেত্রাবতী-রাসুওয়াগাধি সড়ক এবং পৃথ্বী মহাসড়কের বড় অংশ ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ৪৮টি ঝুলন্ত সেতু এবং যান চলাচলের উপযোগী ৩১টি সেতুও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টেপটেনিস বলের সবচেয়ে বড় আসর নড়াইল প্রিমিয়ার লিগের (এনপিএল) নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘কালিয়া উপজেলা ফাইটার্স’ দলের জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে কালিয়া উপজেলা মিলনায়তনে জমকালো আয়োজনের মধ্যদিয়ে দলটির জার্সি উন্মোচন করা হয়।
কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে জার্সি উন্মোচন করেন, নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী, কালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স ম ওয়াহিদুজ্জামান মিলু, পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ সেলিম হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাই রাব্বি কামাল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শেখ শিহাব উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সরদার আর্মস্ট্রং, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব শেখ মনিরুজ্জামান মনা, কালিয়া উপজেলা ফাইটার্স দলের কর্ণধর চ্যানেল নাইন-এর নড়াইল জেলা প্রতিনিধি বাবর আলী ও চ্যানেল এস-এর কালিয়া উপজেলা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম রমিমসহ দলের টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা।
কালিয়া উপজেলা ফাইটার্স দলের কর্ণধর বাবর আলী বলেন, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় সদর উপজেলার শাহাবাদ এলাকায় নড়াইল প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধন হবে। খেলায় আটটি দল অংশ করছে। উদ্বোধনীদিনে এনপিএলের নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে আসন্ন আসরে শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নামবে ‘কালিয়া উপজেলা ফাইটাসর্’। নড়াইলে টেপটেনিস ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয় এবং তরুণ ক্রিকেটারদের উৎসাহিত করতে এনপিএল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা আয়োকজদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে।
নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী, গত বুধবার (৭ অক্টোবর) ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর, এ আসনে পাঁচটি দলের পাঁচজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন– বিএনপির মির্জা ফয়সল আমিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
এর আগে, বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করা জেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। এর ফলে মির্জা ফয়সল আমিন বিএনপির একমাত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের জন্য নির্বাচন কমিশনে একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা চলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ইনডিগো এয়ারলাইনসের একটি যাত্রীবাহী বিমান ১৭ হাজার ফুট উঁচুতে বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বিমানটি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে জরুরি অবতরণ করতে সক্ষম হয়। এতে থাকা ১০৪ যাত্রী ও ছয় ক্রু সদস্যের সবাই অক্ষত রয়েছেন।
এই ঘটনা ঘটে বুধবার (৭ অক্টোবর) পাটনা থেকে লখনৌ যাওয়ার পথে। ইনডিগোর ৬ই ৬২৫ ফ্লাইটটি যখন প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে পড়ে, তখন অবতরণের সময় শিলাবৃষ্টির কারণে বিমানের সামনের রাডোম অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। এর ফলে বিমানের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।
তবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে বিমানটি নির্ধারিত সময়ের আট মিনিট আগে লখনৌয়ের চৌধুরী চরণ সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। পরে সব যাত্রীকে নিরাপদে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়।
ইনডিগোর এক মুখপাত্র জানান, অবতরণের সময় প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বিমানটি আবার ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ এবং সরকারি ছাড়পত্র পাওয়ার পর।
ঘটনার পর ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল অধিদপ্তর-ডিজিসিএ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং নিয়ামক সংস্থার ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত বিমানটি আকাশে উড়তে পারবে না।
গত মাসে ইনডিগোর আরেকটি ফ্লাইটও বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পায়। গুয়াহাটি থেকে বেঙ্গালুরুর উদ্দেশে যাওয়া এ৩২১নিও উড়োজাহাজটি কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ‘টেইল স্ট্রাইক’-এর শিকার হয়।
এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের সময় প্রবল বাতাসের কারণে বিমানটি অস্বাভাবিকভাবে রানওয়ে স্পর্শ করেছিল। ঘটনার পর বিমানটি গ্রাউন্ডেড করা হয় এবং পরবর্তী পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ